📄 কুরআন মাজিদে হযরত ইসমাইল আ.-এর আলোচনা
কুরআন মাজিদে বহুবার হযরত ইসমাইল আ.-এর আলোচনা করা হয়েছে, তার মধ্যে শুধু এক জায়গায় তাঁর গুণাবলি বর্ণিত হয় নি। সে- আয়াতটি তাঁর 'যবিহ' হওয়ার বর্ণনাসম্বলিত আয়াত। আর দুই জায়গায় সুসংবাদ প্রদানের ক্ষেত্রে তাঁর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। যাতে হযরত ইবরাহিম আ.-কে পুত্র সন্তানের সুসংবাদ প্রদান করা হয়েছে। আর সুরা মারইয়ামে তাঁর নাম উল্লেখ করে তাঁর উৎকৃষ্ট গুণাবলির পরিচয় দেয়া হয়েছে-
وَاذْكُرْ فِي الْكِتَابِ إِسْمَاعِيلَ إِنَّهُ كَانَ صَادِقَ الْوَعْدِ وَكَانَ رَسُولًا نَبِيًّا () وَكَانَ يَأْمُرُ أَهْلَهُ بالصَّلَاةِ وَالزَّكَاةِ وَكَانَ عِنْدَ رَبِّه مَرْضِيًّا (سورة مريم)
'স্মরণ করো এই কিতাবে (কুরআন মাজিদে) ইসমাইলের কথা, নিশ্চয় সে ছিলো প্রতিশ্রুতি পালনে সত্যাশ্রয়ী এবং সে ছিলো রাসুল, নবী; সে তার পরিজনবর্গকে সালাত ও যাকাতের নির্দেশ দিতো এবং সে ছিলো তাঁর প্রতিপালকের সন্তোষভাজন (পছন্দনীয় ও প্রিয়)।' [সুরা মারইয়াম: আয়াত ৫৪-৫৫]
📄 হযরত ইসমাইল আ.-এর ইন্তেকাল
হযরত ইসমাইল আলাইহিস সালাম ১৩৬ বছর বয়সে উপনীত হলে মৃত্যুবরণ করেন। ইন্তেকালের সময় তাঁর সামনে তাঁর সন্তান-সন্ততি ও বংশধরগণ বহু বিস্তৃতি লাভ করেছিলো। তারা হিজায, শাম (সিরিয়া), ফিলিস্তিন এবং মিসর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছিলো। তাওরাতের এক জায়গায় ইঙ্গিত রয়েছে যে, হযরত ইসমাইল আ. ফিলিস্তিনেই সমাহিত হয়েছেন। এখানেই তাঁর ইন্তেকাল হয়েছিলো। আর আরব ইতিহাসবেত্তাগণ বলেন, তিনি এবং তাঁর মাতা হাজেরা রা. বাইতুল্লাহ শরিফের পাশেই সমাহিত রয়েছেন।