📘 কাসাসুল আম্বিয়া 📄 নবীজীর চরিত্র

📄 নবীজীর চরিত্র


রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন সকলের চেয়ে বেশি সাহসী বীর ও সবচেয়ে বেশি দানশীল। তাঁর কাছে কেউ কিছু চাইলে সাথে সাথে তা দান করে দিতেন। তিনি ছিলেন সবচেয়ে বেশি ধৈর্য্যশীল ও সহনশীল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন সকলের চেয়ে বেশি লজ্জাশীল। তাঁর দৃষ্টি কখনো কারো চেহারার উপর স্থির হয়ে থাকত না। নিজের ব্যক্তিগত কোন ব্যাপারে কখনো প্রতিশোধ গ্রহণ করতেন না এবং রাগান্বিতও হতেন না। কিন্তু দীনের ব্যাপারে কোনো প্রকার অবৈধ হস্তক্ষেপ (সীমালঙ্গন) তিনি সহ্য করতে পারতেন না। যখন তাকে দুটি কাজের কোনো একটি করার অধিকার দেওয়া হত তখন তিনি সহজটিই গ্রহণ করতেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো খাবারের দোষ ধরতেন না। তিনি শসা এবং খরবুষা ফল খেজুরের সঙ্গে মিশিয়ে খেতেন।

হযরত আবু হোরায়রা রাযি. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তার পরিবারবর্গ জীবনভর কখনো যবের রুটি পেট ভরে আহার করেন নি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পরিবারে কখনো কখনো এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হত, দু মাস যাবত চুলায় আগুন জ্বালানোর সুযোগ হত না। তিনি নিজের জুতা নিজেই সেলাই করতেন এবং নিজের কাপড়ে নিজেই তালি লাগাতেন। ধনী বা গরীব হোক যে কেউ তাকে দাওয়াত দিলে তিনি তা সাদরে গ্রহণ করতেন। সর্বদা আল্লাহর যিকিরে মশগুল থাকতেন ও অনর্থক কথাবার্তা থেকে বিরত থাকতেন। সুঘ্রাণ ছিল তাঁর পছন্দনীয়। হিজরত পরবর্তী নয় বছরের সাহচর্যে হযরত আয়েশা রাযি. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চরিত্র ছিল আল-কুরআন। হযরত আনাস রাযি. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামর শরীর মোবারকের সৌরভের ন্যায় এত উত্তম অন্য কোন সৌরভের ঘ্রাণ আমি গ্রহণ করি নি।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন সকলের চেয়ে বেশি সাহসী বীর ও সবচেয়ে বেশি দানশীল। তাঁর কাছে কেউ কিছু চাইলে সাথে সাথে তা দান করে দিতেন। তিনি ছিলেন সবচেয়ে বেশি ধৈর্য্যশীল ও সহনশীল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন সকলের চেয়ে বেশি লজ্জাশীল। তাঁর দৃষ্টি কখনো কারো চেহারার উপর স্থির হয়ে থাকত না। নিজের ব্যক্তিগত কোন ব্যাপারে কখনো প্রতিশোধ গ্রহণ করতেন না এবং রাগান্বিতও হতেন না। কিন্তু দীনের ব্যাপারে কোনো প্রকার অবৈধ হস্তক্ষেপ (সীমালঙ্গন) তিনি সহ্য করতে পারতেন না। যখন তাকে দুটি কাজের কোনো একটি করার অধিকার দেওয়া হত তখন তিনি সহজটিই গ্রহণ করতেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো খাবারের দোষ ধরতেন না। তিনি শসা এবং খরবুষা ফল খেজুরের সঙ্গে মিশিয়ে খেতেন।

হযরত আবু হোরায়রা রাযি. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তার পরিবারবর্গ জীবনভর কখনো যবের রুটি পেট ভরে আহার করেন নি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পরিবারে কখনো কখনো এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হত, দু মাস যাবত চুলায় আগুন জ্বালানোর সুযোগ হত না। তিনি নিজের জুতা নিজেই সেলাই করতেন এবং নিজের কাপড়ে নিজেই তালি লাগাতেন। ধনী বা গরীব হোক যে কেউ তাকে দাওয়াত দিলে তিনি তা সাদরে গ্রহণ করতেন। সর্বদা আল্লাহর যিকিরে মশগুল থাকতেন ও অনর্থক কথাবার্তা থেকে বিরত থাকতেন। সুঘ্রাণ ছিল তাঁর পছন্দনীয়। হিজরত পরবর্তী নয় বছরের সাহচর্যে হযরত আয়েশা রাযি. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চরিত্র ছিল আল-কুরআন। হযরত আনাস রাযি. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামর শরীর মোবারকের সৌরভের ন্যায় এত উত্তম অন্য কোন সৌরভের ঘ্রাণ আমি গ্রহণ করি নি।

📘 কাসাসুল আম্বিয়া 📄 নবীজীর মোজেযা

📄 নবীজীর মোজেযা


দুনিয়ার রাজা-বাদশারা যখন কোনো ব্যক্তিকে কোনো প্রদেশের গভর্ণর নিযুক্ত করেন, তখন এমন কিছু নিদর্শনাবলী তার সঙ্গে দিয়ে দেন, যা দেখে জনগণ তার শাসক হওয়া সম্পর্কে নিশ্চিন্ত হতে পারে। তেমনিভাবে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন পৃথিবীতে আগমণ করেন তখন তার সাথে সততা, ন্যায়নিষ্ঠা, উত্তম চরিত্র এবং মানবীয় গুণাবলীর পরিপূর্ণতার পাশাপাশি একটি অলৌকিক শক্তিও সঙ্গে নিয়ে আসেন যার দ্বারা বিরুদ্ধবাদীদের মস্তক তাদের সম্মুখে অবনত হয়ে আসে। এই সকল অলৌকিক শক্তি আর অসম্ভবকে সম্ভব করার প্রকৃতির ঊর্ধ্বের ক্ষমতাসমূহকে মুজেযা বলা হয়ে থাকে। আমাদের প্রিয়নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুজেযাসমূহ সংখ্যা এবং গুণগত মানের দিক থেকে পূর্ববর্তী সকল আম্বিয়া থেকে অধিক এবং উত্তম। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রদত্ত মহাগ্রন্থ আল-কুরআনের মুজেযা অদ্যবধি সকল মুসলিম সম্প্রদায়ের হাতে হাতে রয়েছে, যার মোকাবেলা করতে মানব-দানবের সকল শক্তি ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে। এতদ্ব্যতীত চন্দ্র দ্বিখণ্ডিত করা, আঙ্গুল থেকে পানি প্রবাহিত হওয়া, কঙ্করের তাসবীহ পাঠ করা, কাঠের খুঁটির ক্রন্দন, হাজারো ভবিষ্যদ্বাণীর সবকটিই দিবালোকের মত সত্য প্রমাণিত হওয়া ইত্যাদি। হাজারো মুজেযা রয়েছে যা শুধু কুরআন আর সহি হাদিস দ্বারাই প্রমাণিত নয় বরং কাফের মুশরিকের সাক্ষ্য দ্বারাও প্রমাণিত হয়েছে।

দুনিয়ার রাজা-বাদশারা যখন কোনো ব্যক্তিকে কোনো প্রদেশের গভর্ণর নিযুক্ত করেন, তখন এমন কিছু নিদর্শনাবলী তার সঙ্গে দিয়ে দেন, যা দেখে জনগণ তার শাসক হওয়া সম্পর্কে নিশ্চিন্ত হতে পারে। তেমনিভাবে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন পৃথিবীতে আগমণ করেন তখন তার সাথে সততা, ন্যায়নিষ্ঠা, উত্তম চরিত্র এবং মানবীয় গুণাবলীর পরিপূর্ণতার পাশাপাশি একটি অলৌকিক শক্তিও সঙ্গে নিয়ে আসেন যার দ্বারা বিরুদ্ধবাদীদের মস্তক তাদের সম্মুখে অবনত হয়ে আসে। এই সকল অলৌকিক শক্তি আর অসম্ভবকে সম্ভব করার প্রকৃতির ঊর্ধ্বের ক্ষমতাসমূহকে মুজেযা বলা হয়ে থাকে। আমাদের প্রিয়নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুজেযাসমূহ সংখ্যা এবং গুণগত মানের দিক থেকে পূর্ববর্তী সকল আম্বিয়া থেকে অধিক এবং উত্তম। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রদত্ত মহাগ্রন্থ আল-কুরআনের মুজেযা অদ্যবধি সকল মুসলিম সম্প্রদায়ের হাতে হাতে রয়েছে, যার মোকাবেলা করতে মানব-দানবের সকল শক্তি ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে। এতদ্ব্যতীত চন্দ্র দ্বিখণ্ডিত করা, আঙ্গুল থেকে পানি প্রবাহিত হওয়া, কঙ্করের তাসবীহ পাঠ করা, কাঠের খুঁটির ক্রন্দন, হাজারো ভবিষ্যদ্বাণীর সবকটিই দিবালোকের মত সত্য প্রমাণিত হওয়া ইত্যাদি। হাজারো মুজেযা রয়েছে যা শুধু কুরআন আর সহি হাদিস দ্বারাই প্রমাণিত নয় বরং কাফের মুশরিকের সাক্ষ্য দ্বারাও প্রমাণিত হয়েছে।

📘 কাসাসুল আম্বিয়া 📄 সমাপ্ত

📄 সমাপ্ত


রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সীরাত ও মুজেযাসমূহ পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী ওলামায়ে কেরাম পৃথক গ্রন্থের মধ্যে সন্নিবেশিত করেছেন। আল্লামা সুয়ূতী কর্তৃক রচিত খাসায়েসে কুবরা এবং পরবর্তী আলেমদের উর্দু ভাষায় রচিত আল কালামুল মুবীন বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এ ক্ষুদ্র পরিসরে তার বিশদ ব্যাখ্যা দেওয়া সম্ভবপর নয়। তাই এখানে সমাপ্ত হল।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সীরাত ও মুজেযাসমূহ পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী ওলামায়ে কেরাম পৃথক গ্রন্থের মধ্যে সন্নিবেশিত করেছেন। আল্লামা সুয়ূতী কর্তৃক রচিত খাসায়েসে কুবরা এবং পরবর্তী আলেমদের উর্দু ভাষায় রচিত আল কালামুল মুবীন বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এ ক্ষুদ্র পরিসরে তার বিশদ ব্যাখ্যা দেওয়া সম্ভবপর নয়। তাই এখানে সমাপ্ত হল।

ফন্ট সাইজ
15px
17px