📄 সারিয়ায়ে উসামা, রোগ ও মৃত্যু
দশম হিজরিতে বিদায় হজের পর একাদশ হিজরি সনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনের অন্তিম সময় ঘনিয়ে আসে। এ সময় তিনি সর্বশেষ সামরিক অভিযান হিসেবে সারিয়ায়ে উসামা প্রেরণের নির্দেশ দেন এবং এরপর অসুস্থ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।
দশম হিজরিতে বিদায় হজের পর একাদশ হিজরি সনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনের অন্তিম সময় ঘনিয়ে আসে। এ সময় তিনি সর্বশেষ সামরিক অভিযান হিসেবে সারিয়ায়ে উসামা প্রেরণের নির্দেশ দেন এবং এরপর অসুস্থ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।
📄 সারিয়ায়ে উসামা
মক্কা থেকে প্রত্যাবর্তনের পর একাদশ হিজরির ২৬ সফর রোজ সোমবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোমানদের সাথে জিহাদের জন্য সিদ্দিক আকবার রাযি. ফারুকে আযম রাযি. ও আবু উবায়দা রাযি. এর মতো শীর্ষ স্থানীয় সাহাবীদের সমন্বয়ে এক বাহিনী গঠন করেন। সে বাহিনীর প্রধান নিযুক্ত হন হযরত উসামা রাযি। এটাই ছিল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামর প্রেরিত সর্বশেষ অভিযান যার ব্যবস্থাপনা তিনি নিজেই করেছিলেন। এ বাহিনী রওনা করার পূর্বেই তিনি জ্বরাক্রান্ত হয়ে পড়েন।
মক্কা থেকে প্রত্যাবর্তনের পর একাদশ হিজরির ২৬ সফর রোজ সোমবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোমানদের সাথে জিহাদের জন্য সিদ্দিক আকবার রাযি. ফারুকে আযম রাযি. ও আবু উবায়দা রাযি. এর মতো শীর্ষ স্থানীয় সাহাবীদের সমন্বয়ে এক বাহিনী গঠন করেন। সে বাহিনীর প্রধান নিযুক্ত হন হযরত উসামা রাযি। এটাই ছিল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামর প্রেরিত সর্বশেষ অভিযান যার ব্যবস্থাপনা তিনি নিজেই করেছিলেন। এ বাহিনী রওনা করার পূর্বেই তিনি জ্বরাক্রান্ত হয়ে পড়েন।
📄 অন্তিম রোগ
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একাদশ হিজরির ২৮ সফর বুধবার দিবাগত রাতে বাকিয়ে গারকাদ নামক কবরস্থানে গিয়ে কবরবাসীদের জন্য মাগফিরাতের দুআ করেন। দুআ শেষে তিনি বলেন, হে কবরবাসী! তোমাদের কবরের বর্তমান অবস্থা মোবারক হোক। কেননা পৃথিবীতে এখন ফেৎনা ফাসাদ ছড়িয়ে পড়েছে। অতঃপর সেখান থেকে ফিরে আসতেই মাথা ব্যথা ও জ্বর শুরু হয়ে যায়। সহি বর্ণনা মতে এই জ্বর একাধারে তেরদিন স্থায়ী ছিল। এবং এ রোগেই তিনি ইনতেকাল করেন। এ সময়ে তিনি নিয়ম অনুযায়ী স্বীয় স্ত্রীগণের গৃহ পালাক্রমে পরিবর্তন করতে থাকেন। কিন্তু যখন রোগের মাত্রা বৃদ্ধি ও দীর্ঘ হয়ে গেল তখন অসুস্থতার দিনগুলো আয়েশা রাযি. গৃহে কাটানোর জন্য অন্যান্য বিবিগণের নিকট অনুমতি চাইলে সবাই অনুমতি দিয়ে দিলেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একাদশ হিজরির ২৮ সফর বুধবার দিবাগত রাতে বাকিয়ে গারকাদ নামক কবরস্থানে গিয়ে কবরবাসীদের জন্য মাগফিরাতের দুআ করেন। দুআ শেষে তিনি বলেন, হে কবরবাসী! তোমাদের কবরের বর্তমান অবস্থা মোবারক হোক। কেননা পৃথিবীতে এখন ফেৎনা ফাসাদ ছড়িয়ে পড়েছে। অতঃপর সেখান থেকে ফিরে আসতেই মাথা ব্যথা ও জ্বর শুরু হয়ে যায়। সহি বর্ণনা মতে এই জ্বর একাধারে তেরদিন স্থায়ী ছিল। এবং এ রোগেই তিনি ইনতেকাল করেন। এ সময়ে তিনি নিয়ম অনুযায়ী স্বীয় স্ত্রীগণের গৃহ পালাক্রমে পরিবর্তন করতে থাকেন। কিন্তু যখন রোগের মাত্রা বৃদ্ধি ও দীর্ঘ হয়ে গেল তখন অসুস্থতার দিনগুলো আয়েশা রাযি. গৃহে কাটানোর জন্য অন্যান্য বিবিগণের নিকট অনুমতি চাইলে সবাই অনুমতি দিয়ে দিলেন।
📄 হযরত আবু বকর সিদ্দিক রাযি.-এর ইমামতি
ধীরে ধীরে রোগ এত বৃদ্ধি পেল, তিনি মসজিদে যাওয়ার শক্তিও হারিয়ে ফেললেন। তাই তিনি বললেন, সিদ্দিকে আকবারকে বললেন, তিনি যেন নামাযের ইমামতি করেন। হযরত সিদ্দিকে আকবার আনুমানিক ১৭ ওয়াক্ত নামাযের ইমামতি করেন। ঘটনাক্রমে একদিন সিদ্দীকে আকবার রাযি. ও আব্বাস রাযি. আনসারদের এক সমাবেশের নিকট দিয়ে কোথাও যাওয়ার সময় দেখলেন, তারা কাঁদছেন। কান্নার কারণ জিজ্ঞেস করলে তারা বললেন- হুযুরের মজলিসের কথা স্মরণ করে আমরা কাঁদছি। হযরত আব্বাস রাযি. এ সংবাদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পৌঁছিয়ে দিলে তিনি একদিন আলি রাযি. ও হযরত ফযল রাযি.-এর কাঁধের উপর ভর দিয়ে বাইরে তাশরিরফ আনলেন। তখন হযরত আব্বাস রাযি. আগে আগে চলছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বারে আরোহণ করে প্রথম সিঁড়িতেই বসে পড়েন আর উপরে উঠতে পারছিলেন না।
ধীরে ধীরে রোগ এত বৃদ্ধি পেল, তিনি মসজিদে যাওয়ার শক্তিও হারিয়ে ফেললেন। তাই তিনি বললেন, সিদ্দিকে আকবারকে বললেন, তিনি যেন নামাযের ইমামতি করেন। হযরত সিদ্দিকে আকবার আনুমানিক ১৭ ওয়াক্ত নামাযের ইমামতি করেন। ঘটনাক্রমে একদিন সিদ্দীকে আকবার রাযি. ও আব্বাস রাযি. আনসারদের এক সমাবেশের নিকট দিয়ে কোথাও যাওয়ার সময় দেখলেন, তারা কাঁদছেন। কান্নার কারণ জিজ্ঞেস করলে তারা বললেন- হুযুরের মজলিসের কথা স্মরণ করে আমরা কাঁদছি। হযরত আব্বাস রাযি. এ সংবাদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পৌঁছিয়ে দিলে তিনি একদিন আলি রাযি. ও হযরত ফযল রাযি.-এর কাঁধের উপর ভর দিয়ে বাইরে তাশরিরফ আনলেন। তখন হযরত আব্বাস রাযি. আগে আগে চলছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বারে আরোহণ করে প্রথম সিঁড়িতেই বসে পড়েন আর উপরে উঠতে পারছিলেন না।