📄 বিদায় হজ
দশম হিজরির ২৫ যিলকদ সোমবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লক্ষাধিক সাহাবায়ে কেরামের এক বিশাল জামাত নিয়ে মক্কাভিমুখে রওনা হলেন। মদিনা থেকে ছয় মাইল দূরে যুলহুলাইফা নামক স্থানে গিয়ে ইহরাম বাঁধেন এবং যিলহজ মাসের ৪ তারিখ রোজ শনিবার মক্কায় প্রবেশ করে ইসলামি বিধান মতে হজ করেন।
যিলহজ মাসের ৯ তারিখে আরাফার ময়দানে গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক দীর্ঘ ভাষণ দেন, যা ছিল উপদেশ ও আল্লাহর বিধানে পরিপূর্ণ। আখেরী নবীর এই অন্তিম ভাষণের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলি প্রতিটি মানুষের হৃদয় পটে অঙ্কিত করে রাখা উচিত।
“হে লোক সকল! তোমরা আমার কথা শোন, যেন আমি প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো তোমাদের সম্মুখে তুলে ধরতে পারি। জানি না আগামী বছর পুনরায় তোমাদের সঙ্গে মিলিত হতে পারব কি না। এর পর বললেন : মুসলমানদের জান-মাল ইজ্জত আবরূ তোমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে, যেভাবে এদিন (আরাফার দিন) এ মাস (যিলহজ) এবং এ শহরের অমর্যাদা করা তোমাদের জন্য হারাম। সুতরাং কারো নিকট কারো আমানত থাকলে তা আদায় করে দাও। অতঃপর তিনি এরশাদ করেন-
“হে লোক সকল! তোমাদের উপর মহিলাদের কিছু হক রয়েছে এবং মহিলাদের উপর তোমাদের কিছু হক রয়েছে।”
“হে লোক সকল! এক মুসলমান অপর মুসলমানের ভাই স্বরূপ। এক ভাইয়ের মাল তার স্বেচ্ছায় অনুমতি ব্যতীত অপরের জন্য ব্যবহার করা হারাম। আমার (মৃত্যুর) পর তোমরা কাফের হয়ে গিয়ে একে অপরকে হত্যা করে ফেল না। আমি তোমাদের জন্য আল্লাহর কিতাব রেখে যাচ্ছি। যদি তোমরা তার ওপর সঠিকভাবে আমল করতে থাক তাহলে কখনো পথভ্রষ্ট হবে না। এরপর তিনি বললেন- “হে লোক সকল! তোমাদের রব এক, তোমাদের পিতা এক, তোমরা সকলে আদম আ. এর সন্তান। আদম আ. মাটির সৃষ্টি। তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক সম্মানী ওই ব্যক্তি যে সর্বাধিক আল্লাহভীরু। কোনো আরব কোনো অনারবের উপর তাকওয়া ও আল্লাহভীরুতা ব্যতীত অন্য কোনো কারণে প্রাধান্য পেতে পারে না। তোমরা স্মরণ রেখো আমি দীনের দাওয়াত তোমাদের নিকট পৌঁছে দিয়েছি। হে আল্লাহ! তুমি সাক্ষী, আমি তোমার বাণী পৌঁছে দিয়েছি। যারা আজ এখানে উপস্থিত আছে তাদের উচিত অনুপস্থিতদের নিকট এ বাণীসমূহ পৌঁছে দেওয়া।
হজ সমাপন করে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দশ দিন মক্কায় অবস্থান করে পুনরায় মদিনা প্রত্যাবর্তন করেন।
দশম হিজরির ২৫ যিলকদ সোমবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লক্ষাধিক সাহাবায়ে কেরামের এক বিশাল জামাত নিয়ে মক্কাভিমুখে রওনা হলেন। মদিনা থেকে ছয় মাইল দূরে যুলহুলাইফা নামক স্থানে গিয়ে ইহরাম বাঁধেন এবং যিলহজ মাসের ৪ তারিখ রোজ শনিবার মক্কায় প্রবেশ করে ইসলামি বিধান মতে হজ করেন।
যিলহজ মাসের ৯ তারিখে আরাফার ময়দানে গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক দীর্ঘ ভাষণ দেন, যা ছিল উপদেশ ও আল্লাহর বিধানে পরিপূর্ণ। আখেরী নবীর এই অন্তিম ভাষণের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলি প্রতিটি মানুষের হৃদয় পটে অঙ্কিত করে রাখা উচিত।
“হে লোক সকল! তোমরা আমার কথা শোন, যেন আমি প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো তোমাদের সম্মুখে তুলে ধরতে পারি। জানি না আগামী বছর পুনরায় তোমাদের সঙ্গে মিলিত হতে পারব কি না। এর পর বললেন : মুসলমানদের জান-মাল ইজ্জত আবরূ তোমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে, যেভাবে এদিন (আরাফার দিন) এ মাস (যিলহজ) এবং এ শহরের অমর্যাদা করা তোমাদের জন্য হারাম। সুতরাং কারো নিকট কারো আমানত থাকলে তা আদায় করে দাও। অতঃপর তিনি এরশাদ করেন-
“হে লোক সকল! তোমাদের উপর মহিলাদের কিছু হক রয়েছে এবং মহিলাদের উপর তোমাদের কিছু হক রয়েছে।”
“হে লোক সকল! এক মুসলমান অপর মুসলমানের ভাই স্বরূপ। এক ভাইয়ের মাল তার স্বেচ্ছায় অনুমতি ব্যতীত অপরের জন্য ব্যবহার করা হারাম। আমার (মৃত্যুর) পর তোমরা কাফের হয়ে গিয়ে একে অপরকে হত্যা করে ফেল না। আমি তোমাদের জন্য আল্লাহর কিতাব রেখে যাচ্ছি। যদি তোমরা তার ওপর সঠিকভাবে আমল করতে থাক তাহলে কখনো পথভ্রষ্ট হবে না। এরপর তিনি বললেন- “হে লোক সকল! তোমাদের রব এক, তোমাদের পিতা এক, তোমরা সকলে আদম আ. এর সন্তান। আদম আ. মাটির সৃষ্টি। তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক সম্মানী ওই ব্যক্তি যে সর্বাধিক আল্লাহভীরু। কোনো আরব কোনো অনারবের উপর তাকওয়া ও আল্লাহভীরুতা ব্যতীত অন্য কোনো কারণে প্রাধান্য পেতে পারে না। তোমরা স্মরণ রেখো আমি দীনের দাওয়াত তোমাদের নিকট পৌঁছে দিয়েছি। হে আল্লাহ! তুমি সাক্ষী, আমি তোমার বাণী পৌঁছে দিয়েছি। যারা আজ এখানে উপস্থিত আছে তাদের উচিত অনুপস্থিতদের নিকট এ বাণীসমূহ পৌঁছে দেওয়া।
হজ সমাপন করে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দশ দিন মক্কায় অবস্থান করে পুনরায় মদিনা প্রত্যাবর্তন করেন।