📄 মসজিদে যেরারে অগ্নিসংযোগ
মুতা অভিযান থেকে ফিরে আসার পর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদের নামে মুসলমানদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার উদ্দেশ্যে মুনাফিক কর্তৃক নির্মিত মসজিদে যেরারে অগ্নিসংযোগের নির্দেশ দেন। মুসলমানদের সাথে প্রতারণার উদ্দেশ্যে তারা তার নাম মসজিদ রেখেছিল। মসজিদে যেরার প্রকৃত পক্ষে কোনো মসজিদই ছিল না।
📄 দলে দলে ইসলাম গ্রহণ
হুদাইবিয়ার সন্ধির পর যখন রাস্তা নিরাপদ হয়ে গেল তখন ইসলাম ব্যাপকভাবে প্রসার লাভ করল। যার জন্য নিরাপদ পরিবেশেরই প্রয়োজন ছিল। আর এ কারণেই আসমানি দফতরে এ সন্ধিকে বিজয় নামে আখ্যায়িত করা হয়েছে। এতদসত্ত্বেও কিছু সংখ্যক লোক কুরাইশদের চাপের মুখে ইসলাম গ্রহণে সক্ষম হচ্ছিল না। মক্কা বিজয় এ সমস্যারও অবসান ঘটিয়ে দেয়। এদিকে কুরআন শরীফ আরবের ঘরে ঘরে স্বকীয় বৈশিষ্ট্য ও স্বীয় অলৌকিক ক্ষমতা বলে সকলের হৃদয় মন জয় করে নেয়। যার ফলশ্রুতিতে যে সব লোক কোনো এক সময় ইসলাম ও মুসলমানদের চেহারা দেখতেও প্রস্তুত ছিল না, তারাই এখন দূর-দূরান্তের পথ অতিক্রম করে প্রতিনিধি দলের আকারে মহানবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরবারে স্বেচ্ছায় উপস্থিত হয়ে ইসলাম গ্রহণ পূর্বক স্বীয় জান-মাল কোরবান করার জন্য প্রস্তুত হয়ে যায়। এ সকল প্রতিনিধি দলের অধিকাংশই নবম হিজরীতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরবারে আগমন করেছিল।
📄 সাকিফ গোত্রের প্রতিনিধি দল
তাবুক যুদ্ধ শেষে মদিনা প্রত্যাবর্তনের পর পরই সাকীফ গোত্রের প্রতিনিধি দল মদিনায় উপস্থিত হয়ে ইসলাম গ্রহণ করে মুসলমান হয়ে যায়। এর পরপরই প্রতিনিধি দল আগমনের ধারা শুরু হয়ে যায়। যাদের সংখ্যা ৭০ বলে বর্ণনা করা হয়েছে।
📄 বনি ফায়ারা গোত্রের প্রতিনিধি দল
এরা পূর্বেই মুসলমান হয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরবারে উপস্থিত হয়।