📄 কোরাইশ ও ইহুদি ঐক্য
কুরাইশ ও ইহুদিদের ঐক্য
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদিনায় তাশরিফ আনার পর স্থানীয় ইহুদিদের সঙ্গে একটি শান্তিচুক্তি সম্পাদন করেন। সে চুক্তির প্রতি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বদা শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। কিন্তু ইহুদিরা যেহেতু মদিনার বিত্তবান ও বিশিষ্ট নাগরিক বলে গণ্য ছিল তাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তথায় তাশরিফ আনার পর ইসলামের ক্রমাগত উন্নতি সমৃদ্ধি প্রত্যক্ষ করে তাদের মনে প্রবল হিংসা ক্ষোভের সৃষ্টি হত। আর এ কারণেই সর্বদা তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও মুসলমানদের কষ্ট দেওয়ার চেষ্টায় তৎপর থাকত।
বদর যুদ্ধে মুসলমানদের বিস্ময়কর বিজয় অর্জিত হলে ইহুদিদের ক্রোধ ও ক্ষোভের অন্ত রইল না। এমনকি অবশেষে তারা প্রকাশ্যে চুক্তি ভঙ্গ করতে শুরু করে দিল। দ্বিতীয় হিজরিতে তো তাদের গোত্র বনি কাইনুকা যুদ্ধই ঘোষণা করে বসল। আর এদিকে বনি নাযীরও বিদ্রোহ শুরু করল। এ অবস্থা দেখে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু করলেন। যুদ্ধ শুরু হলে তারা সকলেই দূর্গে আত্মগোপন করল। কিছু দিন যাবত এভাবে অবরুদ্ধ থাকার পর দেশান্তরিত হয়ে বনি কাইনুকা সিরিয়া এলাকায় এবং বনি নাজীর খায়বার ও অন্যান্য এলাকায় চলে গেল।
এদিকে মক্কার কুরাইশরা শুরু থেকেই মদিনার ইহুদি ও মুনাফিকদের চিঠিপত্র লিখে শুধু বিরোধিতার উসকানিই দিত না, বরং সঙ্গে সঙ্গে এমন হুমকিও দিয়ে আসছিল, তোমরা যদি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মদিনা থেকে বহিষ্কার না কর তবে আমরা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব। (আবু দাউদ)
তখন এ কারণগুলোই তাদের মধ্য পারস্পরিক সুসম্পর্ক ও ঐক্যের সূত্র হয়ে দাঁড়াল। আর এদিকে মক্কার কুরাইশ, মদিনার ইহুদি ও মুনাফিক সকলের সম্মিলিত শক্তি ইসলামের বিরুদ্ধে প্রস্তুত হয়ে গেল। মক্কা হতে মদিনা পর্যন্ত সমগ্র গোত্রে এক অগ্নি প্রজ্বলিত হল। ৫ম হিজরির ১০ মহরমে সংঘটিত গাযওয়ায়ে যাতুররিকা উক্ত ষড়যন্ত্রেরই ফসল ছিল। অতঃপর ৫ম হিজরির রবিউল আউয়াল মাসে সংঘটিত দাউমাতুল জান্দাল এ ধারারই আরেকটি ঘটনা। এ সম্মিলিত ষড়যন্ত্রেরই নগ্ন প্রয়াস। উক্ত ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতা দীর্ঘদিন যাবত এভাবে বিভিন্ন আকারে চরম পরিণতির দিকে এগিয়ে যেতে লাগল।
কুরাইশ ও ইহুদিদের ঐক্য
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদিনায় তাশরিফ আনার পর স্থানীয় ইহুদিদের সঙ্গে একটি শান্তিচুক্তি সম্পাদন করেন। সে চুক্তির প্রতি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বদা শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। কিন্তু ইহুদিরা যেহেতু মদিনার বিত্তবান ও বিশিষ্ট নাগরিক বলে গণ্য ছিল তাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তথায় তাশরিফ আনার পর ইসলামের ক্রমাগত উন্নতি সমৃদ্ধি প্রত্যক্ষ করে তাদের মনে প্রবল হিংসা ক্ষোভের সৃষ্টি হত। আর এ কারণেই সর্বদা তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও মুসলমানদের কষ্ট দেওয়ার চেষ্টায় তৎপর থাকত।
বদর যুদ্ধে মুসলমানদের বিস্ময়কর বিজয় অর্জিত হলে ইহুদিদের ক্রোধ ও ক্ষোভের অন্ত রইল না। এমনকি অবশেষে তারা প্রকাশ্যে চুক্তি ভঙ্গ করতে শুরু করে দিল। দ্বিতীয় হিজরিতে তো তাদের গোত্র বনি কাইনুকা যুদ্ধই ঘোষণা করে বসল। আর এদিকে বনি নাযীরও বিদ্রোহ শুরু করল। এ অবস্থা দেখে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু করলেন। যুদ্ধ শুরু হলে তারা সকলেই দূর্গে আত্মগোপন করল। কিছু দিন যাবত এভাবে অবরুদ্ধ থাকার পর দেশান্তরিত হয়ে বনি কাইনুকা সিরিয়া এলাকায় এবং বনি নাজীর খায়বার ও অন্যান্য এলাকায় চলে গেল।
এদিকে মক্কার কুরাইশরা শুরু থেকেই মদিনার ইহুদি ও মুনাফিকদের চিঠিপত্র লিখে শুধু বিরোধিতার উসকানিই দিত না, বরং সঙ্গে সঙ্গে এমন হুমকিও দিয়ে আসছিল, তোমরা যদি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মদিনা থেকে বহিষ্কার না কর তবে আমরা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব। (আবু দাউদ)
তখন এ কারণগুলোই তাদের মধ্য পারস্পরিক সুসম্পর্ক ও ঐক্যের সূত্র হয়ে দাঁড়াল। আর এদিকে মক্কার কুরাইশ, মদিনার ইহুদি ও মুনাফিক সকলের সম্মিলিত শক্তি ইসলামের বিরুদ্ধে প্রস্তুত হয়ে গেল। মক্কা হতে মদিনা পর্যন্ত সমগ্র গোত্রে এক অগ্নি প্রজ্বলিত হল। ৫ম হিজরির ১০ মহরমে সংঘটিত গাযওয়ায়ে যাতুররিকা উক্ত ষড়যন্ত্রেরই ফসল ছিল। অতঃপর ৫ম হিজরির রবিউল আউয়াল মাসে সংঘটিত দাউমাতুল জান্দাল এ ধারারই আরেকটি ঘটনা। এ সম্মিলিত ষড়যন্ত্রেরই নগ্ন প্রয়াস। উক্ত ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতা দীর্ঘদিন যাবত এভাবে বিভিন্ন আকারে চরম পরিণতির দিকে এগিয়ে যেতে লাগল।
📄 খন্দকের ঘটনা
খন্দকের ঘটনা
অবশেষে ৫ম হিজরির যিলকদ মাসে সম্মিলিত বাহিনী তাদের সমস্ত শক্তি একত্র করে একযোগে মদিনা আক্রমণের সিদ্ধান্ত নিল। মুসলমানদের সমূলে ধ্বংস করার জন্যে ১০ হাজার লোকের সশস্ত্র বাহিনী নিয়ে মদিনা অভিমুখে অগ্রসর হতে লাগল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এ সংবাদ পৌঁছলে তিনি সাহাবাদেরকে একত্র করে পরামর্শ করলেন।
হযরত সালমান ফারসি রাযি. অভিমত প্রকাশ করলেন, খোলা ময়দানে বের হয়ে যুদ্ধ করা সমাচীন হবে না। বরং মদিনার যেদিক দিয়ে শত্রুদের ভিতরে প্রবেশ করার সম্ভাবনা রয়েছে সেই দিক দিয়ে পরিখা খনন করা হোক। উক্ত পরামর্শানুযায়ী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিন হাজার সাহাবাকে সঙ্গে নিয়ে খন্দক খনন করার জন্যে প্রস্তুত হয়ে পড়লেন। মাত্র ছয় দিনে পাঁচ গজ গভীর পরিখা তৈরি হয়ে গেল। খনন কাজে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র হাতেরও একটা বিরাট ভূমিকা ছিল।
একদিন পরিখা খননের সময় একটা পাথর খণ্ড বেরিয়ে এলে সরিয়ে ফেলতে সকলে অপারগ হয়ে পড়ল। খনন কাজ বন্ধ হয়ে গেল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ হাতে কোদাল দ্বারা এক আঘাত করলে তা চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে গেল। অবশেষে খন্দক তৈরি হল। এদিকে কাফেরদের সৈন্যবাহিনী এসে মদিনা অবরোধ করে ফেললে প্রায় ১৫ দিন পর্যন্ত মুসলমানগন অবরুদ্ধ রইলেন। এ সময় ইহুদিদের অবশিষ্ট গোত্র বনু কুরাইজাও চুক্তি ভঙ্গ করে কাফেরদের দলভুক্ত হয়ে কাফের সৈন্যদের সংখ্যা বিপুল বৃদ্ধি করে দিল।
অবরোধের কারণে মদিনায় চরম অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ল। খাদ্য ঘাটতির কারণে সাহাবীদের পর পর তিন বেলা অনাহারে কাটাতে হল। একদিন অস্থির হয়ে সাহাবাগণ তাদের পেটের কাপড় সরিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখালেন, তারা সকলে ক্ষুধার জ্বালায় পেটে ১টি করে পাথর বেঁধেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও স্বীয় পেট মোবারক খুলে দেখালেন, দেখা গেল সেখানে দুটি পাথর বাঁধা রয়েছে।
এদিকে অবরোধকারীরা খন্দক অতিক্রম করতে না পেরে এ স্থান থেকেই তীর ও পাথর নিক্ষেপ করতে শুরু করল। উভয় পক্ষ হতেই অবিরাম তীর বিনিময় চলতে লাগল। এ সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চার ওয়াক্ত নামায কাযা হয়।
খন্দকের ঘটনা
অবশেষে ৫ম হিজরির যিলকদ মাসে সম্মিলিত বাহিনী তাদের সমস্ত শক্তি একত্র করে একযোগে মদিনা আক্রমণের সিদ্ধান্ত নিল। মুসলমানদের সমূলে ধ্বংস করার জন্যে ১০ হাজার লোকের সশস্ত্র বাহিনী নিয়ে মদিনা অভিমুখে অগ্রসর হতে লাগল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এ সংবাদ পৌঁছলে তিনি সাহাবাদেরকে একত্র করে পরামর্শ করলেন।
হযরত সালমান ফারসি রাযি. অভিমত প্রকাশ করলেন, খোলা ময়দানে বের হয়ে যুদ্ধ করা সমাচীন হবে না। বরং মদিনার যেদিক দিয়ে শত্রুদের ভিতরে প্রবেশ করার সম্ভাবনা রয়েছে সেই দিক দিয়ে পরিখা খনন করা হোক। উক্ত পরামর্শানুযায়ী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিন হাজার সাহাবাকে সঙ্গে নিয়ে খন্দক খনন করার জন্যে প্রস্তুত হয়ে পড়লেন। মাত্র ছয় দিনে পাঁচ গজ গভীর পরিখা তৈরি হয়ে গেল। খনন কাজে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র হাতেরও একটা বিরাট ভূমিকা ছিল।
একদিন পরিখা খননের সময় একটা পাথর খণ্ড বেরিয়ে এলে সরিয়ে ফেলতে সকলে অপারগ হয়ে পড়ল। খনন কাজ বন্ধ হয়ে গেল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ হাতে কোদাল দ্বারা এক আঘাত করলে তা চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে গেল। অবশেষে খন্দক তৈরি হল। এদিকে কাফেরদের সৈন্যবাহিনী এসে মদিনা অবরোধ করে ফেললে প্রায় ১৫ দিন পর্যন্ত মুসলমানগন অবরুদ্ধ রইলেন। এ সময় ইহুদিদের অবশিষ্ট গোত্র বনু কুরাইজাও চুক্তি ভঙ্গ করে কাফেরদের দলভুক্ত হয়ে কাফের সৈন্যদের সংখ্যা বিপুল বৃদ্ধি করে দিল।
অবরোধের কারণে মদিনায় চরম অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ল। খাদ্য ঘাটতির কারণে সাহাবীদের পর পর তিন বেলা অনাহারে কাটাতে হল। একদিন অস্থির হয়ে সাহাবাগণ তাদের পেটের কাপড় সরিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখালেন, তারা সকলে ক্ষুধার জ্বালায় পেটে ১টি করে পাথর বেঁধেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও স্বীয় পেট মোবারক খুলে দেখালেন, দেখা গেল সেখানে দুটি পাথর বাঁধা রয়েছে।
এদিকে অবরোধকারীরা খন্দক অতিক্রম করতে না পেরে এ স্থান থেকেই তীর ও পাথর নিক্ষেপ করতে শুরু করল। উভয় পক্ষ হতেই অবিরাম তীর বিনিময় চলতে লাগল। এ সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চার ওয়াক্ত নামায কাযা হয়।
📄 আল্লাহর সাহায্য
আল্লাহর সাহায্য
অবশেষে রাব্বুল আলামিন এ সহায় সম্বলহীন জামাতটিকে সাহায্য করলেন। কাফের বাহিনীর ওপর এমন এক ঝড়ো হাওয়া প্রবাহিত করলেন, যার প্রচণ্ডতায় কাফেরদের তাবুর খুঁটিগুলি পর্যন্ত উপড়ে গেল। চুলার ওপর থেকে ডেকচিগুলো পর্যন্ত উল্টে গেল। ঝড়ের এ প্রচণ্ড তাণ্ডবলীলা কাফের বাহিনীর চিন্তা শক্তিকে অকেজো করে দিল। এদিকে তাদের রসদ সামগ্রীও শেষ হয়ে গেল আর অন্যদিকে হযরত নাঈম ইবনে মাসউদ রাযি. এমন এক কৌশল চালান, যার ফলে কাফের সৈন্যদের মধ্যে ব্যাপক ভাঙ্গন ও বিশৃঙ্খলা দেখা দিল। মোটকথা এমন সব উপায় উপকরণ একত্র হয়ে গেল, কাফেরদের পদস্খলন ঘটতে শুরু করল এবং অল্প সময়ের মধ্যে ময়দান পরিষ্কার হয়ে গেল।
আল্লাহর সাহায্য
অবশেষে রাব্বুল আলামিন এ সহায় সম্বলহীন জামাতটিকে সাহায্য করলেন। কাফের বাহিনীর ওপর এমন এক ঝড়ো হাওয়া প্রবাহিত করলেন, যার প্রচণ্ডতায় কাফেরদের তাবুর খুঁটিগুলি পর্যন্ত উপড়ে গেল। চুলার ওপর থেকে ডেকচিগুলো পর্যন্ত উল্টে গেল। ঝড়ের এ প্রচণ্ড তাণ্ডবলীলা কাফের বাহিনীর চিন্তা শক্তিকে অকেজো করে দিল। এদিকে তাদের রসদ সামগ্রীও শেষ হয়ে গেল আর অন্যদিকে হযরত নাঈম ইবনে মাসউদ রাযি. এমন এক কৌশল চালান, যার ফলে কাফের সৈন্যদের মধ্যে ব্যাপক ভাঙ্গন ও বিশৃঙ্খলা দেখা দিল। মোটকথা এমন সব উপায় উপকরণ একত্র হয়ে গেল, কাফেরদের পদস্খলন ঘটতে শুরু করল এবং অল্প সময়ের মধ্যে ময়দান পরিষ্কার হয়ে গেল।
📄 বিভিন্ন ঘটনা
বিভিন্ন ঘটনা
৫ম হিজরিতে হজ ফরয হয়। তবে এ সম্পর্কে মতানৈক্য রয়েছে। এ বছর জুমাদাল উলা মাসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দৌহিত্র আবদুল্লাহ বিন উসমান রাযি. অর্থাৎ হযরত রুকাইয়ার পুত্র ইনতেকাল করেন। এবং শাওয়াল মাসের শেষের দিকে হযরত আয়েশা সিদ্দিকা রাযি.-এর মাতা ইনতেকাল করেন। আর যিলকদ মাসে হযরত যয়নব বিনতে জাহাশ রাযি. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে বৈবাহিক সূত্রে আবদ্ধ হন। এ বছরই মদিনায় ভূমিকম্প এবং চন্দ্রগ্রহণ হয়।
বিভিন্ন ঘটনা
৫ম হিজরিতে হজ ফরয হয়। তবে এ সম্পর্কে মতানৈক্য রয়েছে। এ বছর জুমাদাল উলা মাসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দৌহিত্র আবদুল্লাহ বিন উসমান রাযি. অর্থাৎ হযরত রুকাইয়ার পুত্র ইনতেকাল করেন। এবং শাওয়াল মাসের শেষের দিকে হযরত আয়েশা সিদ্দিকা রাযি.-এর মাতা ইনতেকাল করেন। আর যিলকদ মাসে হযরত যয়নব বিনতে জাহাশ রাযি. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে বৈবাহিক সূত্রে আবদ্ধ হন। এ বছরই মদিনায় ভূমিকম্প এবং চন্দ্রগ্রহণ হয়।