📄 হিজরি সনভিত্তিক গাযওয়া ও সারিয়ার পরিসংখ্যান
হাদিস ও ঐতিহাসিকগণের পরিভাষায় অতি সাধারণ ঘটনাকেও গাযওয়া ও সারিয়া হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। যেমন ২/১ ব্যক্তি কোনো অপরাধীকে বন্দী করতে গেল, বা কয়েকজন লোক কোনো সাধারণ গোত্রের সংশোধন বা খোঁজ-খবর নিতে গেল। এমন স্বাভাবিক ঘটনাকে সারিয়া হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। গাযওয়া শব্দটিও ব্যাপক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। এ কারণে উভয় প্রকারের মোট সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৬। নতুবা আমাদের প্রয়োগ অনুযায়ী জিহাদ ও গাযওয়া দ্বারা যে গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধকে বুঝানো হয় তা এ সবের কয়েকটিই মাত্র। নিচে এর একটি পরিসংখ্যান দেওয়া হলো।
📄 প্রথম হিজরি
গাযওয়া: এ বছর কোনো গাযওয়া সংঘটিত হয় নি।
সারিয়া: এ বছর মোট ২ টি সারিয়া সংঘটিত হয়। (১) সারিয়ায়ে হামযা রাযি. (২) সারিয়ায়ে উবায়দা রাযি.
📄 দ্বিতীয় হিজরি
গাযওয়া: এ বছর মোট ৫ টি গাযওয়া সংঘটিত হয়। যথা: (১) গাযওয়ায়ে আবওয়া (ওয়াদ্দান), (২) গাযওয়ায়ে বুওয়াত, (৩) গাযওয়ায়ে বদরে কুবরা, (৪) গাযওয়ায়ে বনি কাইনুকা, (৫) গাযওয়ায়ে সাবীক।
সারিয়া: মোট ৩ টি সারিয়া সংঘটিত হয়। যথা: (১) সারিয়ায়ে আবদুল্লাহ ইবনে জাহাশ রাযি. (২) সারিয়ায়ে উমাইর রাযি. (৩) সারিয়ায়ে সালিম রাযি.।
📄 তৃতীয় হিজরি
গাযওয়া: এ বছর মোট ৩ টি গাযওয়া সংঘটিত হয়। যথা: (১) গাযওয়ায়ে গাতফান, (২) গাযওয়ায়ে উহুদ, (৩) গাযওয়ায়ে হামরাউল আসাদ।
সারিয়া: এ বছর ২ টি সারিয়া পাঠানো হয়। যথাঃ (১) সারিয়ায়ে মুহাম্মদ ইবনে মাসলামা রাযি. (২) সারিয়ায়ে যায়েদ ইবনে হারিসা রাযি.। এ বছরের অভিযানগুলোর মধ্যে উহুদ যুদ্ধই সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ।