📘 কাসাসুল আম্বিয়া 📄 গাযওয়া, সারিয়ার সংখ্যা

📄 গাযওয়া, সারিয়ার সংখ্যা


হিজরতের পর যখন ইসলাম মদিনায় এক প্রকার রাষ্ট্রীয় শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করল, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামকে জিহাদের অনুমতি প্রদান করা হয় এবং কাফিরদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালিত হতে লাগল। কোনো কোনো জিহাদে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সশরীরে উপস্থিত হন। আবার কোনো কোনোটিতে বিশেষ বিশেষ সাহাবার নেতৃত্বে সৈন্য পাঠানো হয়। ঐতিহাসিকদের পরিভাষায় প্রথম প্রকার জিহাদকে গাযওয়া এবং দ্বিতীয় প্রকারকে সারিয়া বলা হয়। গাযওয়ার মোট সংখ্যা ২৩। তন্মধ্যে ৯টিতে যুদ্ধ হয় অন্যগুলোতে হয় নি। সারিয়া মোট ৪৩ টি। কিন্তু বিস্ময়কর ব্যাপার হল, এ সব যুদ্ধে মুসলমানদের সৈন্য সংখ্যা সমরসজ্জা ও রসদ-পত্র স্বল্প হওয়া সত্ত্বেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিজয় তাদের পক্ষেই ছিল। (২৩+৪৩)=৬৬।

📘 কাসাসুল আম্বিয়া 📄 হিজরি সনভিত্তিক গাযওয়া ও সারিয়ার পরিসংখ্যান

📄 হিজরি সনভিত্তিক গাযওয়া ও সারিয়ার পরিসংখ্যান


হাদিস ও ঐতিহাসিকগণের পরিভাষায় অতি সাধারণ ঘটনাকেও গাযওয়া ও সারিয়া হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। যেমন ২/১ ব্যক্তি কোনো অপরাধীকে বন্দী করতে গেল, বা কয়েকজন লোক কোনো সাধারণ গোত্রের সংশোধন বা খোঁজ-খবর নিতে গেল। এমন স্বাভাবিক ঘটনাকে সারিয়া হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। গাযওয়া শব্দটিও ব্যাপক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। এ কারণে উভয় প্রকারের মোট সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৬। নতুবা আমাদের প্রয়োগ অনুযায়ী জিহাদ ও গাযওয়া দ্বারা যে গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধকে বুঝানো হয় তা এ সবের কয়েকটিই মাত্র। নিচে এর একটি পরিসংখ্যান দেওয়া হলো।

📘 কাসাসুল আম্বিয়া 📄 প্রথম হিজরি

📄 প্রথম হিজরি


গাযওয়া: এ বছর কোনো গাযওয়া সংঘটিত হয় নি।
সারিয়া: এ বছর মোট ২ টি সারিয়া সংঘটিত হয়। (১) সারিয়ায়ে হামযা রাযি. (২) সারিয়ায়ে উবায়দা রাযি.

📘 কাসাসুল আম্বিয়া 📄 দ্বিতীয় হিজরি

📄 দ্বিতীয় হিজরি


গাযওয়া: এ বছর মোট ৫ টি গাযওয়া সংঘটিত হয়। যথা: (১) গাযওয়ায়ে আবওয়া (ওয়াদ্দান), (২) গাযওয়ায়ে বুওয়াত, (৩) গাযওয়ায়ে বদরে কুবরা, (৪) গাযওয়ায়ে বনি কাইনুকা, (৫) গাযওয়ায়ে সাবীক।
সারিয়া: মোট ৩ টি সারিয়া সংঘটিত হয়। যথা: (১) সারিয়ায়ে আবদুল্লাহ ইবনে জাহাশ রাযি. (২) সারিয়ায়ে উমাইর রাযি. (৩) সারিয়ায়ে সালিম রাযি.।

ফন্ট সাইজ
15px
17px