📘 কাসাসুল আম্বিয়া 📄 কুবা পল্লীতে অবস্থান

📄 কুবা পল্লীতে অবস্থান


এখান থেকে রওনা হয়ে তিনি কুবা পৌঁছেন। কুবা মদিনা নগরের কাছাকাছি একটি পল্লী। মদিনাবাসী আনসাররা যখন সংবাদ পেলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদিনায় আসছেন, তখন থেকে স্বাগতম ও অভ্যর্থনা জানাবার জন্য প্রত্যহ তারা বসতি এলাকার বাইরে আসত। এদিনও তারা যথারীতি অপেক্ষা করে ফিরে গিয়েছিল। ইতোমধ্যে হঠাৎ শোনা গেল 'এতদিন তারা যার জন্য অপেক্ষায় ছিল, তিনি শুভাগমন করেছেন।' তাঁর শুভাগমনে সবাই আনন্দ উচ্ছাসের সাথে অভ্যর্থনা জানাল।

মহানবী ও তাঁর সাথীবর্গ চৌদ্দদিন কুবায় অবস্থান করেন। [কুবায় অবস্থানের ব্যাপারে আরও বিভিন্ন বর্ণনা রয়েছে। তিনদিন, চারদিন, পাঁচদিন এবং কোনো বর্ণনায় বাইশ দিনও উল্লেখ রয়েছে। এ সময়েই তিনি কুবায় একটি মসজিদ নির্মাণ করেন। এটিই ইসলামের নির্মিত প্রথম মসজিদ।]

📘 কাসাসুল আম্বিয়া 📄 হযরত আলী রাযি.-এর হিজরত

📄 হযরত আলী রাযি.-এর হিজরত


হযরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আমানতদারী যেহেতু কাফিরদের নিকটও স্বীকৃত ছিল, তাই তাঁর নিকট লোকেরা আমানত রাখত। হিজরতের সময়ে তিনি হযরত আলী রাযি.-কে এ জন্য রেখে এসেছিলেন, তাঁর নিকট লোকদের যেসব আমানত ছিল তা যেন তিনি তাদেরকে বুঝিয়ে দেন এবং পরে মদিনায় হিজরত করেন।

📘 কাসাসুল আম্বিয়া 📄 হিজরি সন গণনা

📄 হিজরি সন গণনা


হিজরতের সময় থেকে হযরত ওমর রাযি. ইসলামি হিজরী সন ও তারিখ চালু করেন এবং মুহররম মাসকে বছরের প্রথম মাস হিসেবে নির্ধারণ করেন।

📘 কাসাসুল আম্বিয়া 📄 মদীনায় নবীজীর শুভাগমন

📄 মদীনায় নবীজীর শুভাগমন


রবিউল আউয়াল মাসের জুমার দিন কুবা থেকে বিদায় নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদিনার দিকে যাত্রা করেন। মদিনাবাসী আনসারগণ আনন্দ-উচ্ছাসের সাথে রাসূলের বাহনের চারদিকে চলছিল। কেউ পদব্রজে আবার কেউ আরোহী হয়ে হুযুরের উটনীর রশি ধরার জন্য প্রত্যেকেই সামনে যেতে চাইছিল। প্রত্যেকের মনের একমাত্র বাসনা ছিল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার 'ঘরে' অবস্থান করুন। মহিলা ও শিশুরা আনন্দে সঙ্গীত পাঠ করছিল।

যেহেতু দিনটি ছিল জুমার (শুক্রবার) দিন। বনু সালিম বিন আউফ গোত্রের আবাসিক এলাকার নিকট জুমার নামাযের সময় হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উটনী হতে অবতরণ করলেন এবং জুমার নামায আদায় করে পুনরায় সওয়ার হয়ে সামনের দিকে অগ্রসর হতে লাগলেন। পথে যে 'আনসারীর বাড়ি পড়ছিল সেই নিবেদন করছিল, আমার কুটিরে অবস্থান করুন। কিন্তু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা উটনীকে নিজের অবস্থার উপর ছেড়ে দাও। সে আল্লাহর পক্ষ থেকে আদিষ্ট। যেখানে অবস্থান করার নির্দেশ আছে সেখানে গিয়ে নিজেই থেমে যাবে। সে মতে উটনী চলতে চলতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মাতুল বংশ আদী বিন নাজ্জারের আবাসিক এলাকায় পৌঁছল এবং আবু আইয়ুব রাযি.-এর বাড়ির সামনে গিয়ে উটনী বসে পড়ল। নবীজি হযরত আবু আইয়ুব আনসারি রাযি.-এর ঘরে মেহমান হলেন এবং কিছু দিনের জন্য তাঁর বাড়িতেই অবস্থান করলেন।

ফন্ট সাইজ
15px
17px