📄 হযরত আয়েশা সিদ্দিকা রাযি.
তিনি হযরত আবু বকর সিদ্দীক রাযি.-এর কন্যা। ছয় বছর বয়সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে তাঁর বিবাহ হয়। হিজরতের সময় ৯ বছর বয়সে নবীজির ঘরে আসেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওফাতের সময় তাঁর বয়স ছিল ১৮ বছর। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে হযরত আয়েশা রাযি.-এর এ ৯ বছরের সাহচর্য তাঁর ওপর কেমন প্রভাব বিস্তার করেছিল এবং কি তাঁর অর্জিত হয়েছিল, তা এ থেকে বুঝা যায়, বড় বড় সাহাবীগণ বলতেন, কোনো বিষয়ে আমাদের সন্দেহ হলে আমরা হযরত আয়েশা সিদ্দীকা রাযি.-এর নিকট গিয়ে তা জানতে পারতাম। এ সুবাদেই বিখ্যাত সাহাবীগণ হযরত আয়েশা রাযি.-এর শিষ্য।
📄 হযরত হাফসা রাযি.
হযরত ওমর রাযি.-এর কন্যা। প্রথমে উনায়েস ইবনে হুযাইফার বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ ছিলেন। অতঃপর হিজরতের দ্বিতীয় বা তৃতীয় বছরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে তাঁর বিবাহ হয়।
📄 হযরত যয়নাব বিনতে খোযায়মা হেলালিয়া রাযি.
হযরত যয়নাব বিনতে খোযায়মা হেলালিয়া রাযি. উম্মুল মাসাকিন নামে প্রসিদ্ধ ছিলেন। প্রথমে তোফায়েল ইবনে হারিসের সঙ্গে তাঁর বিবাহ হয়। তোফায়েল তালাক দিলে দ্বিতীয় পর্যায়ে তোফায়েলের ভাই উবায়দার সঙ্গে তাঁর বিবাহ হয়। এ স্বামী শাহাদাতবরণ করলে ওহুদ যুদ্ধের একমাস আগে তৃতীয় হিজরীতে নবীজি তাঁকে বিবাহ করেন। তিনি মাত্র দু মাস রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ঘর সংসার করে মৃত্যুবরণ করেন।
📄 হযরত উম্মে হাবিবা রাযি.
হযরত আবু সুফিয়ান রাযি.-এর কন্যা। প্রথম স্বামী ওবাইদুল্লাহ ইবনে জাহাশ। ওবাইদুল্লাহ ইবনে জাহশের ঔরসে তাঁর কয়েকটি সন্তানও জন্মগ্রহণ করেছিল। স্বামী-স্ত্রী দুজন ইসলাম গ্রহণ করে হাবশায় হিজরত করেছিলেন। হাবশা গিয়ে ওবায়দুল্লাহ খ্রিস্টান হয়ে যায়; কিন্তু উম্মে হাবিবা ইসলামের উপর দৃঢ় থাকেন। এ খবর শুনে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাবশার বাদশা নাজ্জাশীর কাছে পত্র লিখলেন— তাঁর পক্ষ থেকে উম্মে হাবিবার কাছে বিবাহের প্রস্তাব দিতে। নাজ্জাশী তাঁর কাছে বিবাহের প্রস্তাব দেন এবং নিজেই এ বিবাহের দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং নাজ্জাশী নিজেই বিবাহের চারশ দীনার মহর পরিশোধ করে দেন।