📘 কাসাসুল আম্বিয়া 📄 বংশ পরিচয়

📄 বংশ পরিচয়


রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পবিত্র বংশ সারা বিশ্বের সবচেয়ে সম্ভ্রান্ত ও পবিত্র বংশ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এই বংশগত মর্যাদা এমন একটি বিষয়, মক্কার কোনো কাফির এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কোনো দুশমনও তা অস্বীকার করতে পারেনি। হযরত আবু সুফিয়ান রাযি. কাফির থাকা অবস্থায় রোম সম্রাটের সামনে অকপটে এ বিষয়টি স্বীকার করেছিলেন। অথচ সে সময় তিনি এটাই চেয়েছিলেন, যদি সুযোগ হয় তাহলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর কোনো না কোনো দোষ চাপাবেন।

টিকাঃ
১. দালায়েলে আবু নাঈমে মারফু রিওয়ায়েতে বর্ণিত আছে যে, হযরত জিবরাঈল আ. বলেছেন, "আমি প্রাচ্য থেকে পাশ্চাত্য পর্যন্ত ভ্রমণ করেছি, কিন্তু বনি হাশিম অপেক্ষা উত্তম কোনো বংশ দেখিনি"। (মাওয়াহিব)

📘 কাসাসুল আম্বিয়া 📄 পিতার বংশধারা

📄 পিতার বংশধারা


রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পিতার দিক থেকে বংশধারা হল : মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল মুত্তালিব ইবনে হাশিম ইবনে আবদে মানাফ ইবনে কুসাঈ ইবনে কিলাব ইবনে মুররাহ ইবনে কাব ইবনে লুওয়াই ইবনে গালিব ইবনে ফিহর ইবনে মালিক ইবনে নযর ইবনে কিনানা ইবনে খুযাইমা ইবনে মুদরিকা ইবনে ইলিয়াস ইবনে মুযার ইবনে নিযার ইবনে মাআদ ইবনে আদনান। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বংশধারা এ পর্যন্ত সর্বসম্মতিভাবে প্রমাণিত। এখান থেকে আদম আলাইহিস সালাম পর্যন্ত বংশ তালিকা সর্বসম্মত নয়। তাই এখানে তা উল্লেখ করা হলো না।

📘 কাসাসুল আম্বিয়া 📄 মাতৃকুল বংশধারা

📄 মাতৃকুল বংশধারা


রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মায়ের বংশধারা হল: মুহাম্মদ ইবনে আমিনা বিনতে ওহাব ইবনে আবদে মানাফ ইবনে যুহরা ইবনে কিলাব। এ বংশধারা দ্বারা বুঝা গেল, কিলাব ইবনে মুররা পর্যন্ত গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পিতা ও মাতা উভয়ের বংশ একত্রে মিলে যায়।

📘 কাসাসুল আম্বিয়া 📄 জন্মের পূর্বে বরকত প্রকাশ

📄 জন্মের পূর্বে বরকত প্রকাশ


সূর্য উদিত হওয়ার পূর্বক্ষণে সুবহে সাদিকের দিগন্ত বিস্তৃত আলোকরশ্মি অতঃপর রক্তিম আভা যেমন বিশ্বজগতকে সূর্যোদয়ের সুসংবাদ প্রদান করে, তেমনি নবুয়তের সূর্য উদয়ের সময় যখন ঘনিয়ে এল, তখন পৃথিবীর দিক দিগন্তে এমন বহু ঘটনা ঘটতে লাগল, যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আগমনী বার্তা প্রচার করছিল। মুহাদ্দিস ও ঐতিহাসিকদের পরিভাষায় এগুলোকে ইরহাসাত (অপেক্ষমান নিদর্শন) বলা হয়।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মায়ের বর্ণনা, নবীজী তাঁর গর্ভে আসার পর একদিন স্বপ্নে তাকে সুসংবাদ দেওয়া হল, তোমার গর্ভের সন্তানটি এই উম্মতের কর্ণধার। ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর তার জন্য তুমি এই দুআ করবে, আমি একে এক আল্লাহর আশ্রয়ে সোপর্দ করছি। আর তার নাম মুহাম্মদ রাখবে। তিনি আরো বলেন, মুহাম্মদ আমার গর্ভে থাকা অবস্থায় আমি একটি নূর দেখতে পেলাম। যার আলোকে বসরা ও সিরিয়ার প্রাসাদসমূহ আমার চোখের সামনে ভেসে উঠে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px