📄 উপদেশ
হযরত ইলিয়াস আ. এবং তাঁর কওমের ঘটনা যদিও কুরআন মাজিদে খুব সংক্ষেপে বর্ণিত হয়েছে, তথাপি এতে শিক্ষণীয় ব্যাপার হল, বনি-ইসরাঈল বংশীয় ইহুদিদের মনোবৃত্তি এ পর্যায়ে বিকৃত হয়ে গিয়েছিল- দুনিয়ার মধ্যে এমন কোনো মন্দকাজ ছিল না, যা করার জন্য এরা লালায়িত ছিল না। এবং কোনো ভালো কাজ ছিল না, যার প্রতি তারা আকৃষ্ট হত। আর নবী ও রাসূলদের এক সুদীর্ঘ ও অবিরত ধারা সত্ত্বেও মূর্তিপূজা এবং জড়পদার্থের পূজা, নক্ষত্রপূজা মোটকথা, গায়রুল্লাহর পূজার কোনো শাখাই এমন ছিল না, যার পূজারী এরা হয় নি।
অতএব, কুরআন মাজিদে বনি ইসরাঈল সম্পর্কিত যে সমস্ত ঘটনায় তাদের দুর্ভাগ্য এবং বক্রগতির উপর আলোকপাত হয়, সেখানেই আমাদের এ উপদেশ ও নসিহত লাভ হয়। এখন যেহেতু আম্বিয়ায়ে কেরাম ও রাসূলদের ধারা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং খাতামুন নাবিয়্যিন-এর আবির্ভাব এবং কুরআন মাজিদের সর্বশেষ পয়গাম এ আম্বিয়ায়ে কেরামের ধারাকে খতম করে দিয়েছে, তাই আমাদের জন্য একান্ত কর্তব্য হল, বনি ইসরাঈলের বিকৃত স্বভাব-প্রকৃতি ও বিধ্বস্ত মনোবৃত্তির বিপরীত আল্লাহ পাকের বিধানসমূহকে দৃঢ়তার সঙ্গে ধারণ করা এবং তাতে বক্রগতি ও বক্র স্বভাবের আশ্রয় নিয়ে ওই সমস্ত আহকামে ইলাহি অমান্য করার দুঃসাহস না করা। মোটকথা, আমাদের স্বভাব যেন হয়, খোদায়ী বিধানের সম্মুখে আত্মসমর্পণ ও আনুগত্য; অবিশ্বাস ও বিমুখতা নয়। ইসলামের অর্থ শুধু এটাই।
হযরত ইলিয়াস আ. এবং তাঁর কওমের ঘটনা যদিও কুরআন মাজিদে খুব সংক্ষেপে বর্ণিত হয়েছে, তথাপি এতে শিক্ষণীয় ব্যাপার হল, বনি-ইসরাঈল বংশীয় ইহুদিদের মনোবৃত্তি এ পর্যায়ে বিকৃত হয়ে গিয়েছিল- দুনিয়ার মধ্যে এমন কোনো মন্দকাজ ছিল না, যা করার জন্য এরা লালায়িত ছিল না। এবং কোনো ভালো কাজ ছিল না, যার প্রতি তারা আকৃষ্ট হত। আর নবী ও রাসূলদের এক সুদীর্ঘ ও অবিরত ধারা সত্ত্বেও মূর্তিপূজা এবং জড়পদার্থের পূজা, নক্ষত্রপূজা মোটকথা, গায়রুল্লাহর পূজার কোনো শাখাই এমন ছিল না, যার পূজারী এরা হয় নি।
অতএব, কুরআন মাজিদে বনি ইসরাঈল সম্পর্কিত যে সমস্ত ঘটনায় তাদের দুর্ভাগ্য এবং বক্রগতির উপর আলোকপাত হয়, সেখানেই আমাদের এ উপদেশ ও নসিহত লাভ হয়। এখন যেহেতু আম্বিয়ায়ে কেরাম ও রাসূলদের ধারা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং খাতামুন নাবিয়্যিন-এর আবির্ভাব এবং কুরআন মাজিদের সর্বশেষ পয়গাম এ আম্বিয়ায়ে কেরামের ধারাকে খতম করে দিয়েছে, তাই আমাদের জন্য একান্ত কর্তব্য হল, বনি ইসরাঈলের বিকৃত স্বভাব-প্রকৃতি ও বিধ্বস্ত মনোবৃত্তির বিপরীত আল্লাহ পাকের বিধানসমূহকে দৃঢ়তার সঙ্গে ধারণ করা এবং তাতে বক্রগতি ও বক্র স্বভাবের আশ্রয় নিয়ে ওই সমস্ত আহকামে ইলাহি অমান্য করার দুঃসাহস না করা। মোটকথা, আমাদের স্বভাব যেন হয়, খোদায়ী বিধানের সম্মুখে আত্মসমর্পণ ও আনুগত্য; অবিশ্বাস ও বিমুখতা নয়। ইসলামের অর্থ শুধু এটাই।