📄 হযরত ইবরাহীম আ.-এর ইনতেকাল
হযরত ইবরাহীম আ. বিভিন্ন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর যখন বার্ধক্যে উপনীত হলেন, তখন তিনি আপন পুত্রগণকে আহ্বান করে বললেন: বৎসগণ! দয়াময় আল্লাহ তাআলা তোমাদের জন্য ইসলামকে ধর্মরূপে পছন্দ করেছেন। সুতরাং তোমরা মহান আল্লাহর আনুগত্য স্বীকার করার পূর্বে মৃত্যুবরণ কর না।
আল্লাহ তাআলা মানুষকে বিপদ-আপদ দিয়ে তাঁর আনুগত্যের দিকে আকর্ষণ করেন। ধৈর্যহারা হলে মানুষ আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে সক্ষম হয় না। অতএব তোমরা বিপদে ধৈর্য রক্ষা করবে এবং কল্যাণ ও মঙ্গলে আল্লাহ তাআলার শোকরগুযারী করবে। অনন্তর একদিন হযরত আযরাঈল আ. হযরত ইবরাহীম আ.-এর নিকট আগমন করলেন।
হযরত ইবরাহীম আ. তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন: আযরাঈল, তুমি কি আমার প্রাণ বের করে নিতে এসেছ? হযরত আযরাঈল আ. বললেন: হ্যাঁ! ইবরাহীম আ. বললেন, তুমি আমার রবকে জিজ্ঞাসা কর, "কেউ কি কখনো প্রাণপ্রিয় বন্ধুর প্রাণ হরণ করে? তিনি যে আমার প্রাণ হরণের নির্দেশ দিয়েছেন!"
তৎক্ষণাৎ আযরাঈল আ.-এর প্রতি আদেশ হল, তুমি আমার বন্ধুকে জিজ্ঞেস কর, সে কি কখনো এরূপ শুনেছ, কোনো বন্ধু বন্ধুর সাথে সাক্ষাৎ করতে চাইলে বন্ধু তাতে অসম্মত হয়?
এ কথা শুনে হযরত ইবরাহীমের মধ্যে এক অপূর্ব অবস্থার উদয় হল। তিনি আযরাঈল আ.-কে বললেন, শিগগির তোমার কর্তব্য পালন কর! আমি আমার রবের কাছে আত্মসমর্পণ করলাম। আযরাঈল আ. হযরত ইবরাহীম আ.-এর প্রাণবায়ু বের করে নিলেন। তখন তাঁর বয়স ছিল এক'শ পঁচাত্তর বছর। তাঁর লাশ মোবারক জেরুযালেমে (বাইতুল মুকাদ্দাসে) সমাহিত করা হয়।
হযরত ইবরাহীম আ. বিভিন্ন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর যখন বার্ধক্যে উপনীত হলেন, তখন তিনি আপন পুত্রগণকে আহ্বান করে বললেন: বৎসগণ! দয়াময় আল্লাহ তাআলা তোমাদের জন্য ইসলামকে ধর্মরূপে পছন্দ করেছেন। সুতরাং তোমরা মহান আল্লাহর আনুগত্য স্বীকার করার পূর্বে মৃত্যুবরণ কর না।
আল্লাহ তাআলা মানুষকে বিপদ-আপদ দিয়ে তাঁর আনুগত্যের দিকে আকর্ষণ করেন। ধৈর্যহারা হলে মানুষ আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে সক্ষম হয় না। অতএব তোমরা বিপদে ধৈর্য রক্ষা করবে এবং কল্যাণ ও মঙ্গলে আল্লাহ তাআলার শোকরগুযারী করবে। অনন্তর একদিন হযরত আযরাঈল আ. হযরত ইবরাহীম আ.-এর নিকট আগমন করলেন।
হযরত ইবরাহীম আ. তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন: আযরাঈল, তুমি কি আমার প্রাণ বের করে নিতে এসেছ? হযরত আযরাঈল আ. বললেন: হ্যাঁ! ইবরাহীম আ. বললেন, তুমি আমার রবকে জিজ্ঞাসা কর, "কেউ কি কখনো প্রাণপ্রিয় বন্ধুর প্রাণ হরণ করে? তিনি যে আমার প্রাণ হরণের নির্দেশ দিয়েছেন!"
তৎক্ষণাৎ আযরাঈল আ.-এর প্রতি আদেশ হল, তুমি আমার বন্ধুকে জিজ্ঞেস কর, সে কি কখনো এরূপ শুনেছ, কোনো বন্ধু বন্ধুর সাথে সাক্ষাৎ করতে চাইলে বন্ধু তাতে অসম্মত হয়?
এ কথা শুনে হযরত ইবরাহীমের মধ্যে এক অপূর্ব অবস্থার উদয় হল। তিনি আযরাঈল আ.-কে বললেন, শিগগির তোমার কর্তব্য পালন কর! আমি আমার রবের কাছে আত্মসমর্পণ করলাম। আযরাঈল আ. হযরত ইবরাহীম আ.-এর প্রাণবায়ু বের করে নিলেন। তখন তাঁর বয়স ছিল এক'শ পঁচাত্তর বছর। তাঁর লাশ মোবারক জেরুযালেমে (বাইতুল মুকাদ্দাসে) সমাহিত করা হয়।
📄 হযরত ইবরাহীম আ.-এর হিজরতের পথ
চিত্রে বর্ণিত হযরত ইবরাহীম আ.-এর হিজরতের পথে উল্লিখিত স্থানসমূহ:
১. উর (ব্যাবিলন - জন্মস্থান)
২. কারবালা
৩. সাতিল আরব
৪. গায়লাম
৫. পারস্য
৬. কাম্পিয়ান সাগর
৭. হিরান (হারান)
৮. দামেশক
৯. ফিলিস্তিন
১০. জেরুসালেম (বায়তুল মুকাদ্দাস)
১১. বিয়েশোবা
১২. মিসর (কায়রো)
১৩. লোহিত সাগর
১৪. আরব
১৫. পারস্য উপসাগর
১৬. আরব সাগর
চিত্রে বর্ণিত হযরত ইবরাহীম আ.-এর হিজরতের পথে উল্লিখিত স্থানসমূহ:
১. উর (ব্যাবিলন - জন্মস্থান)
২. কারবালা
৩. সাতিল আরব
৪. গায়লাম
৫. পারস্য
৬. কাম্পিয়ান সাগর
৭. হিরান (হারান)
৮. দামেশক
৯. ফিলিস্তিন
১০. জেরুসালেম (বায়তুল মুকাদ্দাস)
১১. বিয়েশোবা
১২. মিসর (কায়রো)
১৩. লোহিত সাগর
১৪. আরব
১৫. পারস্য উপসাগর
১৬. আরব সাগর
📄 হজের পবিত্র স্থানসমূহের চিত্র
হজের পবিত্র স্থানসমূহের চিত্রে বর্ণিত স্থানসমূহ:
১. জাবালে রহমত
২. আরাফাত
৩. উরানা উপত্যকা
৪. মসজিদে মাসয়াবিল হারাম
৫. মুজদালিফা
৬. মসজিদে খায়েফ
৭. জমরাতুল উলা
৮. জমরাতুল উসতা
৯. জমরাতুল উকবা
হজের পবিত্র স্থানসমূহের চিত্রে বর্ণিত স্থানসমূহ:
১. জাবালে রহমত
২. আরাফাত
৩. উরানা উপত্যকা
৪. মসজিদে মাসয়াবিল হারাম
৫. মুজদালিফা
৬. মসজিদে খায়েফ
৭. জমরাতুল উলা
৮. জমরাতুল উসতা
৯. জমরাতুল উকবা
📄 কাবা শরীফের নকশা
কাবা শরীফের নকশায় বর্ণিত বিভিন্ন অংশ ও দিকসমূহ:
দিকসমূহ:
- উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম।
কাবার প্রধান অংশসমূহ:
- খানায়ে কা'বা
- হাতীম
- কাবার দরজা
- মূলতাজিম
- রোকনে ইয়ামানী
- রোকনে শামী
- রোকনে ইরাকী
- হজরে আসওয়াদ
- মাকামে ইবরাহীম
- জমজম
প্রবেশ পথ ও তোরণসমূহ:
- বাবে বিদা
- বাবে ইবরাহীম
- বাবে উমরা
- বাবে জিয়ারা
- বাবে সাফা
- বাবে নবী (সা.)
অন্যান্য স্থানসমূহ:
- মাতাফ
- রাহে সালাম
- মিদিনে আবদারিন
- মিলিনে আখদারিন
- সাফা ও মারওয়া সায়ির পথ
- সাফা পাহাড়
কাবা শরীফের নকশায় বর্ণিত বিভিন্ন অংশ ও দিকসমূহ:
দিকসমূহ:
- উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম।
কাবার প্রধান অংশসমূহ:
- খানায়ে কা'বা
- হাতীম
- কাবার দরজা
- মূলতাজিম
- রোকনে ইয়ামানী
- রোকনে শামী
- রোকনে ইরাকী
- হজরে আসওয়াদ
- মাকামে ইবরাহীম
- জমজম
প্রবেশ পথ ও তোরণসমূহ:
- বাবে বিদা
- বাবে ইবরাহীম
- বাবে উমরা
- বাবে জিয়ারা
- বাবে সাফা
- বাবে নবী (সা.)
অন্যান্য স্থানসমূহ:
- মাতাফ
- রাহে সালাম
- মিদিনে আবদারিন
- মিলিনে আখদারিন
- সাফা ও মারওয়া সায়ির পথ
- সাফা পাহাড়