📘 জ্বিন ও শয়তান জগৎ > 📄 আশ্রয় প্রার্থনার পরেও শয়তান ভাগে না কেন?

📄 আশ্রয় প্রার্থনার পরেও শয়তান ভাগে না কেন?


অনেকেই বলে থাকেন, আমরা শয়তান ভাগাবার চেষ্টায় বহুবার 'আঊযু বিল্লাহ'-সহ আরো অন্যান্য দু'আ-সূরা পড়ি, কিন্তু তা সত্ত্বেও অনুভব করি, যেন শয়তান অসঅসা দিচ্ছে, মন্দ কাজে উদ্বুদ্ধ করছে এবং আমাদের স্বলাতের মনোযোগ কেড়ে নিচ্ছে। এর কারণ কী?

উত্তর : আসলে এই 'ইস্তিআযাহ' বা শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা যোদ্ধার হাতে একটি তরবারির মতো। সুতরাং তার হাত যদি শক্তিশালী হয়, তাহলে তরবারি দুশমনের সঠিক জায়গায় আঘাত করে। আর হাত শক্তিশালী না হলে আঘাত পড়ে না, যদিও তরবারি চকচকে ধারালো হয়। অনুরূপ 'ইস্তিআযাহ', যদি তা পরহেযগার মু'মিন প্রয়োগ করে, তাহলে তা হয় জ্বলন্ত অগ্নিবাণ, শয়তানকে জ্বালিয়ে ভষ্ম করে। পক্ষান্তরে তা যদি কোন দুর্বল ঈমানের লোক প্রয়োগ করে, তাহলে তা দুশমনের ভিতরে প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে না।

আবুল ফারাজ ইবনুল জাওযী বলেছেন, “জেনে রেখো যে, পরহেযগার ও অপরহেযগার মুসলিমের সাথে শয়তানের উপমা হল এমন এক ব্যক্তির, যার সামনে আছে খাবার ও গোস্ত। ইতি মধ্যে তার কাছে একটি কুকুর আসে। সে তাকে ‘ভাগ’ বললে, সে পালিয়ে যায়। সে তখন অন্য এক ব্যক্তির কাছে যায়, তার সামনেও খাবার ও গোস্ত আছে। সে যতই তাকে ‘ভাগ-ভাগ’ বলে তাড়াতে যায়, সে ভাগে না। প্রথম লোকটি পরহেযগার লোকের মতো, তার কাছে যখনই শয়তান উপস্থিত হয়, তাকে ভাগানোর জন্য তার কেবল যিক্রই যথেষ্ট হয়। আর দ্বিতীয় লোকটি অপরহেযগার লোকের মতো, শয়তান তার সাথেই ঘোরাফেরা করে, তার কিছু বদ আমলের মিশ্রণ থাকার জন্য। আমরা আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে পানাহ চাই।”³⁶¹

বলা বাহুল্য, যে মুসলিম শয়তান ও তার জাল ও ফাঁদসমূহ থেকে রক্ষা পেতে চায়, তার উচিত নিজের ঈমানকে শক্তিশালী ও সবল করা, শয়তান পছন্দ করে এমন আমল থেকে দূরে থাকা এবং আল্লাহর শরণ নেওয়া। আর আল্লাহর তওফীক ছাড়া আমাদের কোন ক্ষমতাই নেই। ‘লা হাউলা অলা কুউওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।’

টিকাঃ
৩৬১. তালবীসু ইবলীস ৪৮পৃ.

অনেকেই বলে থাকেন, আমরা শয়তান ভাগাবার চেষ্টায় বহুবার 'আঊযু বিল্লাহ'-সহ আরো অন্যান্য দু'আ-সূরা পড়ি, কিন্তু তা সত্ত্বেও অনুভব করি, যেন শয়তান অসঅসা দিচ্ছে, মন্দ কাজে উদ্বুদ্ধ করছে এবং আমাদের স্বলাতের মনোযোগ কেড়ে নিচ্ছে। এর কারণ কী?
উত্তর : আসলে এই 'ইস্তিআযাহ' বা শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা যোদ্ধার হাতে একটি তরবারির মতো। সুতরাং তার হাত যদি শক্তিশালী হয়, তাহলে তরবারি দুশমনের সঠিক জায়গায় আঘাত করে। আর হাত শক্তিশালী না হলে আঘাত পড়ে না, যদিও তরবারি চকচকে ধারালো হয়। অনুরূপ 'ইস্তিআযাহ', যদি তা পরহেযগার মু'মিন প্রয়োগ করে, তাহলে তা হয় জ্বলন্ত অগ্নিবাণ, শয়তানকে জ্বালিয়ে ভষ্ম করে। পক্ষান্তরে তা যদি কোন দুর্বল ঈমানের লোক প্রয়োগ করে, তাহলে তা দুশমনের ভিতরে প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে না।
আবুল ফারাজ ইবনুল জাওযী বলেছেন, “জেনে রেখো যে, পরহেযগার ও অপরহেযগার মুসলিমের সাথে শয়তানের উপমা হল এমন এক ব্যক্তির, যার সামনে আছে খাবার ও গোস্ত। ইতি মধ্যে তার কাছে একটি কুকুর আসে। সে তাকে ‘ভাগ’ বললে, সে পালিয়ে যায়। সে তখন অন্য এক ব্যক্তির কাছে যায়, তার সামনেও খাবার ও গোস্ত আছে। সে যতই তাকে ‘ভাগ-ভাগ’ বলে তাড়াতে যায়, সে ভাগে না। প্রথম লোকটি পরহেযগার লোকের মতো, তার কাছে যখনই শয়তান উপস্থিত হয়, তাকে ভাগানোর জন্য তার কেবল যিক্রই যথেষ্ট হয়। আর দ্বিতীয় লোকটি অপরহেযগার লোকের মতো, শয়তান তার সাথেই ঘোরাফেরা করে, তার কিছু বদ আমলের মিশ্রণ থাকার জন্য। আমরা আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে পানাহ চাই।”৩৬১
বলা বাহুল্য, যে মুসলিম শয়তান ও তার জাল ও ফাঁদসমূহ থেকে রক্ষা পেতে চায়, তার উচিত নিজের ঈমানকে শক্তিশালী ও সবল করা, শয়তান পছন্দ করে এমন আমল থেকে দূরে থাকা এবং আল্লাহর শরণ নেওয়া। আর আল্লাহর তওফীক ছাড়া আমাদের কোন ক্ষমতাই নেই। ‘লা হাউলা অলা কুউওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।’

টিকাঃ
৩৬১. তালবীসু ইবলীস ৪৮পৃ.

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00