📄 রাগের সময়
একদা নবী ﷺ এর নিকট দু’জন লোক গালাগালি করছিল। তাদের একজনের চোখ লাল হয়ে গেল এবং তার রগ ফুলে গেল। তিনি বললেন, “আমি এমন একটি বাক্য জানি, যদি এ তা বলে, তাহলে ওর সমস্ত রাগ দূর হয়ে যাবে। যদি সে বলে, ‘আউযু বিল্লাহি মিনাশ শায়ত্বানির রাজীম’ (বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি), তাহলে তার রাগ দূর হয়ে যাবে।”³⁴⁵
টিকাঃ
একদা নবী ﷺ এর নিকট দু’জন লোক গালাগালি করছিল। তাদের একজনের চোখ লাল হয়ে গেল এবং তার রগ ফুলে গেল। তিনি বললেন, “আমি এমন একটি বাক্য জানি, যদি এ তা বলে, তাহলে ওর সমস্ত রাগ দূর হয়ে যাবে। যদি সে বলে, ‘আউযু বিল্লাহি মিনাশ শায়ত্বানির রাজীম’ (বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি), তাহলে তার রাগ দূর হয়ে যাবে।”³⁴⁵
টিকাঃ
📄 স্ত্রী-সহবাস করার আগে
নবী ﷺ বলেছেন,
لَوْ أَنَّ أَحَدَكُمْ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَأْتِيَ أَهْلَهُ قَالَ بِاسْمِ اللهِ، اللَّهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ، وَجَنِّبِ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا فَإِنَّهُ إِنْ يُقَدَّرْ بَيْنَهُمَا وَلَدٌ فِي ذَلِكَ لَمْ يَضُرَّهُ شَيْطَانٌ أَبَدًا
অর্থাৎ, তোমাদের কেউ যখন স্ত্রী-সহবাস করার ইচ্ছা করে, তখন বলে, 'বিসমিল্লাহ, হে আল্লাহ! তুমি শয়তানকে আমাদের নিকট থেকে দূরে রাখ এবং আমাদেরকে যে (সন্তান) দান করবে তার থেকেও শয়তানকে দূরে রাখ।' তাহলে উক্ত সহবাসে সন্তান জন্ম নিলে ঐ সন্তানকে শয়তান কখনো ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে না।
নবী ﷺ বলেছেন,
لَوْ أَنَّ أَحَدَكُمْ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَأْتِيَ أَهْلَهُ قَالَ بِاسْمِ اللهِ، اللَّهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ، وَجَنِّبِ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا فَإِنَّهُ إِنْ يُقَدَّرْ بَيْنَهُمَا وَلَدٌ فِي ذَلِكَ لَمْ يَضُرَّهُ شَيْطَانٌ أَبَدًا
অর্থাৎ, তোমাদের কেউ যখন স্ত্রী-সহবাস করার ইচ্ছা করে, তখন বলে, 'বিসমিল্লাহ, হে আল্লাহ! তুমি শয়তানকে আমাদের নিকট থেকে দূরে রাখ এবং আমাদেরকে যে (সন্তান) দান করবে তার থেকেও শয়তানকে দূরে রাখ।' তাহলে উক্ত সহবাসে সন্তান জন্ম নিলে ঐ সন্তানকে শয়তান কখনো ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে না।
📄 কোন অজানা মঞ্জিলে অথবা উপত্যকায় প্রবেশের সময়
কোন জনশূন্য মাঠ, ময়দান, জঙ্গল, উপত্যকা ইত্যাদিতে প্রবেশের সময় শয়তান থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করতে হয়। জাহেলী যুগের লোকেদের মতো জ্বিন থেকে জ্বিনের কাছেই আশ্রয় প্রার্থনা বৈধ নয়। যেমন তারা বলত, 'এই উপত্যকার সর্দারের নিকট তার সম্প্রদায়ের নির্বোধদের থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।' এর ফলে জ্বিনদের মধ্যে অহংকার সৃষ্টি হতো এবং বেশি করে তাদেরকে কষ্ট দিত। যেমন মহান আল্লাহ সে কথা তাঁর কিতাবে বলেছেন,
وَأَنَّهُ كَانَ رِجَالٌ مِّنَ الْإِنسِ يَعُوذُونَ بِرِجَالٍ مِّنَ الْجِنِّ فَزَادُوهُمْ رَهَقًا
"কতিপয় মানুষ কতক জ্বিনদের নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করত, ফলে তারা জ্বিনদের অহংকার বাড়িয়ে দিত।"
কোন মঞ্জিলে অবতরণ করলে কী বলে আশ্রয় প্রার্থনা করব, তা আমাদেরকে নবী শিখিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন,
مَنْ نَزَلَ مَنْزِلاً ثُمَّ قَالَ أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ لَمْ يَضُرُّهُ شَيْءٌ حَتَّى يَرْتَحِلَ مِنْ مَنْزِلِهِ ذَلِكَ
অর্থাৎ, “যে ব্যক্তি (সফরের) কোন মঞ্জিলে নেমে এই দু'আ পড়বে, 'আউযু বিকালিমাতিল্লা-হিত্ তা-ম্মাতি মিন শারি মা খালাক্ব।' (অর্থাৎ, আল্লাহর পরিপূর্ণ বাণীসমূহের অসীলায় তাঁর সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে আমি আশ্রয় চাচ্ছি।) তাহলে সে মঞ্জিল থেকে অন্যত্র রওনা হওয়া পর্যন্ত কোন জিনিস তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না।
কোন জনশূন্য মাঠ, ময়দান, জঙ্গল, উপত্যকা ইত্যাদিতে প্রবেশের সময় শয়তান থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করতে হয়। জাহেলী যুগের লোকেদের মতো জ্বিন থেকে জ্বিনের কাছেই আশ্রয় প্রার্থনা বৈধ নয়। যেমন তারা বলত, 'এই উপত্যকার সর্দারের নিকট তার সম্প্রদায়ের নির্বোধদের থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।' এর ফলে জ্বিনদের মধ্যে অহংকার সৃষ্টি হতো এবং বেশি করে তাদেরকে কষ্ট দিত। যেমন মহান আল্লাহ সে কথা তাঁর কিতাবে বলেছেন,
وَأَنَّهُ كَانَ رِجَالٌ مِّنَ الْإِنسِ يَعُوذُونَ بِرِجَالٍ مِّنَ الْجِنِّ فَزَادُوهُمْ رَهَقًا
"কতিপয় মানুষ কতক জ্বিনদের নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করত, ফলে তারা জ্বিনদের অহংকার বাড়িয়ে দিত।"
কোন মঞ্জিলে অবতরণ করলে কী বলে আশ্রয় প্রার্থনা করব, তা আমাদেরকে নবী শিখিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন,
مَنْ نَزَلَ مَنْزِلاً ثُمَّ قَالَ أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ لَمْ يَضُرُّهُ شَيْءٌ حَتَّى يَرْتَحِلَ مِنْ مَنْزِلِهِ ذَلِكَ
অর্থাৎ, “যে ব্যক্তি (সফরের) কোন মঞ্জিলে নেমে এই দু'আ পড়বে, 'আউযু বিকালিমাতিল্লা-হিত্ তা-ম্মাতি মিন শারি মা খালাক্ব।' (অর্থাৎ, আল্লাহর পরিপূর্ণ বাণীসমূহের অসীলায় তাঁর সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে আমি আশ্রয় চাচ্ছি।) তাহলে সে মঞ্জিল থেকে অন্যত্র রওনা হওয়া পর্যন্ত কোন জিনিস তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না।
📄 গাধার ডাক শোনার সময়
নবী বলেছেন,
إِذَا سَمِعْتُمْ صِيَاحَ الدِّيَكَةِ فَاسْأَلُوا اللهَ مِنْ فَضْلِهِ فَإِنَّهَا رَأَتْ مَلَكًا وَإِذَا سَمِعْتُمْ نَهِيقَ الْحِمَارِ فَتَعَوَّذُوا بِاللهِ مِنَ الشَّيْطَانِ فَإِنَّهَا رَأَتْ شَيْطَانًا
অর্থাৎ, যখন তোমরা মোরগের ডাক শুনবে, তখন আল্লাহর নিকট তাঁর অনুগ্রহ প্রার্থনা কর। কারণ সে কোন ফিরিস্তা দেখেছে। আর যখন তোমরা গাধার ডাক শুনবে, তখন আল্লাহর নিকট শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা কর। কারণ সে কোন শয়তান দেখেছে। ³⁵⁰
টিকাঃ
৩৫০. বুখারী ইফা, হা/৩০৬৮, আপ্র, হা/৩০৫৯, তাও, হা/৩৩০৩, মুসলিম মাশা. হা/৭০৯৬
নবী বলেছেন,
إِذَا سَمِعْتُمْ صِيَاحَ الدِّيَكَةِ فَاسْأَلُوا اللهَ مِنْ فَضْلِهِ فَإِنَّهَا رَأَتْ مَلَكًا وَإِذَا سَمِعْتُمْ نَهِيقَ الْحِمَارِ فَتَعُوَذُوا بِاللهِ مِنَ الشَّيْطَانِ فَإِنَّهَا رَأَتْ شَيْطَانًا
অর্থাৎ, যখন তোমরা মোরগের ডাক শুনবে, তখন আল্লাহর নিকট তাঁর অনুগ্রহ প্রার্থনা কর। কারণ সে কোন ফিরিস্তা দেখেছে। আর যখন তোমরা গাধার ডাক শুনবে, তখন আল্লাহর নিকট শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা কর। কারণ সে কোন শয়তান দেখেছে।
টিকাঃ
৩৫০. বুখারী ইফা, হা/৩০৬৮, আপ্র, হা/৩০৫৯, তাও, হা/৩৩০৩, মুসলিম মাশা. হা/৭০৯৬