📄 জ্বিন বশ করা কি সম্ভব?
আল্লাহর নবী সুলাইমান (আ.) এর পর আর কারো জন্য জ্বিনকে তার অধীনস্থ করে দেওয়া হয়নি। যেহেতু মহান প্রতিপালক তাঁর জন্য জ্বিনকে তাবে করে দিয়েছিলেন এবং তিনি তাঁর কাছে প্রার্থনা করে বলেছিলেন,
رَبِّ اغْفِرْ لِي وَهَبْ لِي مُلْكًا لَّا يَنبَغِي لِأَحَدٍ مِّنْ بَعْدِي إِنَّكَ أَنتَ الْوَهَّابُ
'হে আমার প্রতিপালক! আমাকে ক্ষমা কর এবং আমাকে এমন এক রাজ্য দান কর, যার অধিকারী আমার পরে অন্য কেউ হতে পারবে না। নিশ্চয়ই তুমি মহাদাতা।'²⁹⁸
মহান আল্লাহ তাঁর প্রার্থনা মঞ্জুর করেছেন। সুতরাং তাঁর মতো আর কারো জন্য জ্বিনকে বশীভূত করা সম্ভব নয়। অবশ্য কোন জ্বিন যদি স্বেচ্ছায় কোন মানুষের অনুগত হয়, তাহলে তাকে 'বশ করা' বলা হয় না। অনেক সময় এই আনুগত্যের জন্য মানুষ কোন বিনিময় প্রদান করে। কিন্তু তা কি বৈধ? জ্বিনকে অনুগত করা কি বৈধ?
যদি কেউ তার অনুগত জিনকে আল্লাহর ইবাদত শিক্ষা দেয় এবং তাকে জিন ও ইনসানের মাঝে দ্বীনের তবলীগে ব্যবহার করে, তবে তা শ্রেষ্ঠ অলীর কাজ।
আবার কেউ যদি তাকে কোন বৈধ সাংসারিক কাজে ব্যবহার করে এবং এই আনুগত্যের বিনিময়ে জিন যদি ইনসানের কাছে কোন হারাম মূল্য (যেমন, তার জন্য সেজদা, কুরবানী বা পশুবলিদান ইত্যাদি) না চায়, তবে তা জায়েয।
কিন্তু যদি কেউ জিনকে অবৈধ কাজে যেমন, শির্ক, হত্যা, চুরি ইত্যাদিতে, নিজেকে অলী বা বুযুর্গ জাহির করার উদ্দেশ্যে তার সাহায্যে কেরামতি প্রদর্শন, শত্রুতা করে কিংবা পয়সা কামাবার লোভে কাউকে অসুখে ফেলা, কোন নারী হাত করা ইত্যাদিতে ব্যবহার করে, তবে তা নিশ্চিতভাবে হারাম। ²⁹⁹
টিকাঃ
২৯৮. সূরা সোয়া-দ-৩৮:৩৫
২৯৯. মাজমু ফাতাওয়া ইবনে তাইমিয়্যাহ ১১/৩০৭, ফাতাওয়া ইবনে উষাইমীন ২/২২৯
📄 রূহ হাজির করা
যে মানুষ মারা যায়, দেহত্যাগ করে বারযাখী বা কবর জগতে চলে যায়, সে আর ইহ জগতে ফিরে আসে না, কেউ তাকে আনতে বা হাজির করতে পারে না। মরণের পর কয়েক দিন বাড়িতে আসা-যাওয়া করে না। শবেবরাতের রাতেও কেউ ফিরে আসে না। 'রূহ' একটি গায়বী বস্তু। তার প্রকৃতত্ব মানুষের জ্ঞান-বহির্ভূত। মহান আল্লাহ বলেছেন,
وَيَسْأَلُونَكَ عَنِ الرُّوحِ قُلِ الرُّوحُ مِنْ أَمْرِ رَبِّي وَمَا أُوتِيتُم مِّنَ الْعِلْمِ إِلَّا قَلِيلاً
"তোমাকে তারা আত্মা সম্পর্কে প্রশ্ন করে। তুমি বল, 'আত্মা আমার প্রতিপালকের আদেশ বিশেষ; আর তোমাদেরকে সামান্য জ্ঞানই দান করা হয়েছে।”³⁰⁰ মহান আল্লাহ মানুষের মৃত্যু ঘটান এবং তিনিই রূহসমূহকে আটকে রাখেন।
اللَّهُ يَتَوَفَّى الْأَنفُسَ حِينَ مَوْتِهَا وَالَّتِي لَمْ تَمُتْ فِي مَنَامِهَا فَيُمْسِكُ الَّتِي قَضَى عَلَيْهَا الْمَوْتَ وَيُرْسِلُ الْأُخْرَى إِلَى أَجَلٍ مُسَمًّى إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَاتٍ لِّقَوْمٍ يَتَفَكَّرُونَ
"মৃত্যুর সময় আল্লাহ প্রাণ হরণ করেন এবং যারা জীবিত তাদেরও চেতনা হরণ করেন ওরা যখন নিদ্রিত থাকে। অতঃপর যার জন্য মৃত্যু অবধারিত করেছেন, তিনি তার প্রাণ রেখে দেন এবং অপরকে এক নির্দিষ্ট সময়ের জন্য চেতনা ফিরিয়ে দেন। এতে অবশ্যই চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য নিদর্শন রয়েছে। "³⁰¹
অতঃপর ফিরিস্তার মাধ্যমে তিনি অপরাধী রূহকে আযাব ও অনুগত রূহকে শান্তি দিতে থাকেন। ও থাকে সিজ্জীনে, এ থাকে ইল্লিয়্যীনে। নেক রূহসমূহ থাকে তাদের প্রতিপালকের নিকটে। মহান আল্লাহ বলেছেন,
وَلَا تَحْسَبَنَّ الَّذِينَ قُتِلُوا فِي سَبِيلِ اللهِ أَمْوَاتًا بَلْ أَحْيَاء عِندَ رَبِّهِمْ يُرْزَقُونَ
"যারা আল্লাহর পথে নিহত হয়েছে, তাদেরকে কখনই মৃত মনে করো না, বরং তারা তাদের প্রতিপালকের নিকট জীবিত; তারা জীবিকা-প্রাপ্ত হয়ে থাকে।"³⁰² আর সে জীবন তাদের বিশেষ জীবন, এ জীবন থেকে তা অনুভূতির বাইরে। মহান আল্লাহ বলেছেন,
وَلَا تَقُولُوا لِمَنْ يُقْتَلُ فِي سَبيلِ اللهِ أَمْوَاتٌ بَلْ أَحْيَاء وَلَكِن لَّا تَشْعُرُونَ
"যারা আল্লাহর পথে মৃত্যুবরণ করে, তাদেরকে মৃত বল না, বরং তারা জীবিত; কিন্তু তা তোমরা উপলব্ধি করতে পার না।”³⁰³ আর নবী বলেছেন,
أَرْوَاحُهُمْ فِي جَوْفِ طَيْرٍ خُضْرٍ لَهَا قَنَادِيلُ مُعَلَّقَةٌ بِالْعَرْشِ تَسْرَحُ مِنَ الْجَنَّةِ حَيْثُ شَاءَتْ ثُمَّ تَأْوِي إِلَى تِلْكَ الْقَنَادِيلِ
“তাদের (শহীদদের) আত্মাসমূহ সবুজ পক্ষীকুলের দেহ মধ্যে অবস্থান করে। ঐ পক্ষীকুলের অবস্থান ক্ষেত্র হল (আল্লাহর) আরশে ঝুলন্ত দীপাবলী। তারা জান্নাতে যেখানে ইচ্ছা বিচরণ করে বেড়ায়। অতঃপর পুনরায় ঐ দীপাবলীতে ফিরে এসে আশ্রয় নেয়।”³⁰⁴
জান্নাতে ইচ্ছামত পরিভ্রমণ করে বেড়ায়। আওলিয়া ও সালেহীনদের রূহও পাখির বেশে জান্নাতের গাছে গাছে অবস্থান করে। ³⁰⁵ এ দুনিয়ায় কোন রূহের ফিরে আসা যে অসম্ভব, সে ব্যাপারে মহান আল্লাহ বলেছেন,
حَتَّى إِذَا جَاءَ أَحَدَهُمُ الْمَوْتُ قَالَ رَبِّ ارْجِعُونِ - لَعَلِّي أَعْمَلُ صَالِحًا فِيمَا تَرَكْتُ كَلَّا إِنَّهَا كَلِمَةٌ هُوَ قَائِلُهَا وَمِن وَرَائِهِم بَرْزَخٌ إِلَى يَوْمِ يُبْعَثُونَ
অর্থাৎ, যখন তাদের কারো মৃত্যু উপস্থিত হয়, তখন সে বলে, 'হে আমার প্রতিপালক! আমাকে পুনরায় (দুনিয়ায়) প্রেরণ কর। যাতে আমি আমার ছেড়ে আসা জীবনে সৎকর্ম করতে পারি।' না এটা হবার নয়; এটা তো তার একটা উক্তি মাত্র; তাদের সামনে বারযাখ (যবনিকা) থাকবে পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত। ³⁰⁶
সুতরাং সেই জগৎ থেকে এ জগতে কোন রূহ উপস্থিত করা কীভাবে সম্ভব হতে পারে। যারা দাবী করে, তারা আওলিয়া বা অন্য কোন ভালো বা মন্দ লোকের রূহ হাজির করে, তারা মিথ্যুক।
مَّا لَهُم بِهِ مِنْ عِلْمٍ وَلَا لِآبَائِهِمْ كَبُرَتْ كَلِمَةً تَخْرُجُ مِنْ أَفْوَاهِهِمْ إِن يَقُولُونَ إِلَّا كَذِبًا
"এই বিষয়ে তাদের কোনই জ্ঞান নেই এবং তাদের পিতৃপুরুষদেরও ছিল না; তাদের মুখনিঃসৃত বাক্য কি সাংঘাতিক! তারা তো শুধু মিথ্যাই বলে।"³⁰⁷
তাহলে অনেক সময় তথাকথিত উপস্থিত রূহ যে কথা বলে, তা সত্য হয় কীভাবে?
যদি সত্য হয়, তাহলে তা অনুমানে দু-একটা লেগে যাওয়া সত্য। নচেৎ তা শয়তান জ্বিনের মাধ্যমে অথবা উক্ত রূহের 'ক্বারীন' (আজীবন সঙ্গী) জ্বিন দ্বারা বলানো হয়।
অনেক 'জ্বিন-বাবা' অথবা 'জ্বিন-বিবি' রূহ হাজির করার নামে বাতিল উপায়ে মানুষের অর্থ-সম্পদ লুটে খাচ্ছে। আল্লাহই তাদের হিদায়াতের মালিক।
টিকাঃ
৩০০. সূরা বানী ইসরাঈল-১৭:৮৫
৩০১. সূরা যুমার-৩৯:৪২
৩০২. সূরা আলে ইমরান-৩:১৬৯
৩০৩. সূরা আল বাক্বারাহ-২:১৫৪
৩০৪. মুসলিম মাশা, হা/৪৯৯৩
৩০৫. মুসনাদে আহমাদ মাশা, হা/৩/৪৫৫, ইবনে মাজাহ তাও, হা/১৪৪৯
৩০৬. সূরা মু'মিনূন-২৩:৯৯-১০০
৩০৭. সূরা আল কাহাফ-১৮:৫
📄 জ্বিনরা কি গায়েব জানে?
অনেক মানুষের ধারণা এই যে, জ্বিনরা গায়বের খবর বলতে পারে। নিখোঁজ ব্যক্তির খোঁজ দিতে পারে, চুরি যাওয়া জিনিসের চোর ধরে দিতে পারে ইত্যাদি।
কিন্তু প্রকৃতপ্রস্তাবে তারা গায়েব জানে না। দু-এক সময় বলে দিলেও তা দেখা জিনিস বলে, গায়বী বিষয় নয়। যেহেতু মহান আল্লাহ না জানালে কেউ গায়বী খবর বলতে পারে না; এমনকি ফিরিস্তাও নন, আম্বিয়াও নন। মহান আল্লাহ বলেছেন,
قُل لَّا يَعْلَمُ مَن فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ الْغَيْبَ إِلَّا اللَّهُ وَمَا يَشْعُرُونَ أَيَّانَ يُبْعَثُونَ
বল, 'আল্লাহ ব্যতীত আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে কেউই অদৃশ্য বিষয়ের জ্ঞান রাখে না এবং ওরা কখন পুনরুত্থিত হবে (তাও) ওরা জানে না। ¹³⁰⁸
সুলাইমান এর সময়ে জ্বিনদের বিষয়ে এই খবর প্রসিদ্ধ হয়ে গিয়েছিল যে, জ্বিনরা গায়বের খবর জানে, আল্লাহ তাআলা সুলাইমান এর মৃত্যু দ্বারা সেই আক্বীদার ভ্রষ্টতা পরিষ্কার করে দিয়েছিলেন। তিনি বলেছেন,
فَلَمَّا قَضَيْنَا عَلَيْهِ الْمَوْتَ مَا دَلَّهُمْ عَلَى مَوْتِهِ إِلَّا دَابَّةُ الْأَرْضِ تَأْكُلُ مِنسَأَتَهُ فَلَمَّا خَرَّ تَبَيَّنَتِ الْجِنُّ أَن لَّوْ كَانُوا يَعْلَمُونَ الْغَيْبَ مَا لَبِثُوا فِي الْعَذَابِ الْمُهِينِ
"যখন আমি সুলাইমানের মৃত্যু ঘটালাম, তখন উই পোকাই জ্বিনদেরকে তার মৃত্যু বিষয় জানাল; যা সুলাইমানের লাঠি খাচ্ছিল। যখন সুলাইমান মাটিতে পড়ে গেল, তখন জ্বিনেরা বুঝতে পারল যে, ওরা যদি অদৃশ্য বিষয় অবগত থাকত, তাহলে ওরা এতকাল লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তিতে আবদ্ধ থাকত না।"³⁰⁹
তারা গায়বী খবর জানে না বলেই আসমানী খবর চুরি করে শুনতে যায় এবং তাদের প্রতি উল্কা নিক্ষেপ করা হয়। আর সে কথা পূর্বে উল্লিখিত হয়েছে।
টিকাঃ
৩০৮. সূরা নামল-২৭:৬৫
৩০৯. সূরা সাবা-৩৪:১৪
📄 দৈবজ্ঞ ও গণকরা কি গায়েব জানে?
বহু সাধারণ মানুষ এ কথা ধারণা করে যে, তারা গায়বের খবর জানে, ভূত-ভবিষ্যতের খবর বলতে পারে। ফলে তারা তাদের কাছে গিয়ে নিজেদের ভাগ্য জিজ্ঞাসা করে, চুরি বা অপরাধ সম্পর্কে হদীস খোঁজে, আরো কত কী।
অথচ তাদের এ ধারণা বিশাল ভুল। বাংলা প্রবাদে আছে, 'দৈবজ্ঞ যদি বলে ঠিক, তবে কেন মাগে ভিক?'
যেহেতু মহান আল্লাহ ছাড়া এ আকাশ-পৃথিবীর কেউই গায়বের খবর জানে না, বলতে পারে না। তিনি রসূলদের মধ্যে যাঁকে ইচ্ছা, তাঁকে জানান, অতঃপর তিনি বলতে পারেন। মহান আল্লাহ বলেছেন,
عَالِمُ الْغَيْبِ فَلَا يُظْهِرُ عَلَى غَيْبِهِ أَحَدًا - إِلَّا مَنِ ارْتَضَى مِن رَّسُولٍ فَإِنَّهُ يَسْلُكُ مِن بَيْنِ يَدَيْهِ وَمِنْ خَلْفِهِ رَصَدًا - لِيَعْلَمَ أَن قَدْ أَبْلَغُوا رِسَالَاتِ رَبِّهِمْ وَأَحَاطَ بِمَا لَدَيْهِمْ وَأَحْصَى كُلَّ شَيْءٍ عَدَدًا
"তিনি অদৃশ্যের পরিজ্ঞাতা, তিনি তাঁর অদৃশ্যের জ্ঞান কারো নিকট প্রকাশ করেন না। তাঁর মনোনীত রসূল ব্যতীত। সেই ক্ষেত্রে তিনি রসূলের অগ্রে এবং পশ্চাতে প্রহরী নিয়োজিত করেন। যাতে তিনি জেনে নেন, তারা তাদের প্রতিপালকের বাণী পৌঁছিয়ে দিয়েছে; আর তাদের নিকট যা আছে, তা তাঁর জ্ঞানায়ত্ত এবং তিনি প্রত্যেক জিনিসের সংখ্যা গুনে রেখেছেন।” ³¹⁰
বলা বাহুল্য, অমুক অদৃশ্যের খবর বলতে পারে---এই বিশ্বাস ভ্রষ্ট ও পাপময়। এ বিশ্বাস ইসলামী আকীদার পরিপন্থী। যেহেতু মহান আল্লাহ ছাড়া অন্য কেউ গায়েব জানে না। উক্ত ভ্রষ্ট আকীদার অপরাধ বর্ণনা করে হাদীসে বলা হয়েছে,
مَنْ أَتَى عَرَّافًا فَسَأَلَهُ عَنْ شَيْءٍ لَمْ تُقْبَلْ لَهُ صَلَاةٌ أَرْبَعِينَ لَيْلَةً
'যে ব্যক্তি গণকের নিকট এসে কোন (গায়বী) বিষয়ে প্রশ্ন করে, তার চল্লিশ দিনের নামায কবুল করা হয় না। ³¹¹
এটা শুধু জিজ্ঞাসা করার সাজা। কিন্তু জিজ্ঞাসার পর উত্তরে বিশ্বাস করার সাজা আরো বড়। তিনি বলেছেন,
مَنْ أَتَى كَاهِنًا أَوْ عَرَّافًا فَصَدَّقَهُ بِمَا يَقُولُ فَقَدْ كَفَرَ بِمَا أُنْزِلَ عَلَى مُحَمَّدٍ ﷺ
“যে ব্যক্তি কোন গণকের নিকট উপস্থিত হয়ে (সে যা বলে তা) বিশ্বাস করে, সে ব্যক্তি মুহাম্মাদ এর প্রতি অবতীর্ণ জিনিসের সাথে কুফরী করে। "³¹²
অর্থাৎ, কুরআনকেই সে অবিশ্বাস ও অমান্য করে। কারণ, কুরআনে বলা হয়েছে, সকল প্রকার ভূত-ভবিষ্যৎ ও অদৃশ্যের খবর একমাত্র আল্লাহই জানেন।
وَعِندَهُ مَفَاتِحُ الْغَيْبِ لَا يَعْلَمُهَا إِلَّا هُوَ
অর্থাৎ, তাঁরই নিকট অদৃশ্যের চাবি রয়েছে; তিনি ব্যতীত অন্য কেউ তা জানে না। ³¹³
قُل لَّا يَعْلَمُ مَن فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ الْغَيْبَ إِلَّا اللَّهُ وَمَا يَشْعُرُونَ أَيَّانَ يُبْعَثُونَ
অর্থাৎ, বল, 'আল্লাহ ব্যতীত আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে কেউই অদৃশ্য বিষয়ের জ্ঞান রাখে না এবং ওরা কখন পুনরুত্থিত হবে (তাও) ওরা জানে না। ³¹⁴
টিকাঃ
৩১০. সূরা জ্বিন-৭২:২৬-২৮
৩১১. মুসলিম মাশা. হা/৫৯৫৭
৩১২. মুসনাদে আহমাদ মাশা. হা/২/৪০৮, ৪৭৬, আবু দাউদ আলএ. হা/৩৮০৪, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ তাও. হা/৫২২
৩১৩. সূরা আল আন'আম-৬:৫৯
৩১৪. সূরা নামল-২৭:৬৫