📄 বিদআতে লিপ্ত করা
শয়তান যখন মু'মিনকে আল্লাহর ইবাদতে বাধা দিতে সক্ষম হয় না, তখন তার ইবাদতকেই নষ্ট করার চেষ্টা করে। হয় তাতে 'রিয়া' (লোকপ্রদর্শন) ঢুকিয়ে দেয়, না হয় তাতে বিদআত প্রবিষ্ট করে। আর তার কাছে পাপের চাইতে বিদআতই বেশি পছন্দনীয়। যেহেতু তাতে ক্ষতি হয় দ্বীনের। সুফিয়ান সওরী বলেছেন, 'ইবলীসের নিকট পাপ অপেক্ষা বিদআত বেশি পছন্দনীয়। যেহেতু পাপ থেকে তওবা (আশা) করা যায়। কিন্তু বিদআত থেকে তওবার (আশা) করা যায় না। ¹⁶⁰
যেহেতু বিদআতী বিদআত করে ইবাদত মনে করেই। তাহলে সে তওবা করবে কেন?
টিকাঃ
১৬০. ই'তিক্বাদু আহলিস সুন্নাহ ২৩৮
📄 আল্লাহর আনুগত্য করতে বাধা দেওয়া
শয়তান মুসলিমকে কেবল কুফরী, পাপ ও বিদআতের দিকেই আহবান করে না, বরং সে তাকে যে কোন কল্যাণময় কাজ করতে বাধা দেয়। সুতরাং যখনই বান্দা কোন ভালো কাজ করতে ইচ্ছা পোষণ করে, তখনই শয়তান তাতে কোন না কোন প্রকার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। কল্যাণের পথ থেকে তাকে অন্য পথে সরিয়ে নিয়ে যায়।
নবী বলেছেন, "শয়তান (মুসলিম) আদম-সন্তানের বিভিন্ন পথে বসে বাধা সৃষ্টি করে। তার ইসলামের পথে বসে বাধা সৃষ্টি করে এবং বলে, 'তুমি মুসলমান হবে? তোমার বাপ-দাদার ধর্ম ত্যাগ করবে?' কিন্তু সে তার বাধা লংঘন করে মুসলমান হয়।
অতঃপর সে তার হিজরতের পথে বসে বাধা সৃষ্টি করে এবং বলে, 'তুমি হিজরত করবে? তোমার দেশ ও পরিবেশ ত্যাগ করবে? আরে হিজরতকারী হল রশিতে বাঁধা ঘোড়ার মতো।' কিন্তু সে তার বাধা অমান্য করে হিজরত করে।
অতঃপর জিহাদের পথে বসে তাকে বাধাপ্রাপ্ত করে এবং বলে, 'তুমি জিহাদ করবে? তাতে তো জান-মালের ক্ষতি হবে। যুদ্ধে গেলে তুমি নিহত হবে। তখন তোমার স্ত্রীকে অন্য কেউ বিয়ে করবে, তোমার মাল-সম্পত্তি বন্টিত হবে।' কিন্তু বান্দা তার বাধা অগ্রাহ্য করে এবং জিহাদ করে।
সুতরাং যে এমনটি করে, সে আল্লাহর কাছে এ অধিকার পায় যে, তিনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। যে নিহত হয়, সে আল্লাহর কাছে এ অধিকার পায় যে, তিনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। যে ডুবে মারা যায়, সে আল্লাহর কাছে এ অধিকার পায় যে, তিনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। এবং যাকে তার সওয়ারী আছাড় মেরে ফেলে হত্যা করে, সেও আল্লাহর কাছে এ অধিকার পায় যে, তিনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।"¹⁶¹ শয়তান যে এমন আচরণ করে, তার সমর্থন রয়েছে আল্লাহর কিতাবে উল্লিখিত তার কৃত প্রতিজ্ঞায়,
قَالَ فَبِمَا أَغْوَيْتَنِي لَأَقْعُدَنَّ لَهُمْ صِرَاطَكَ الْمُسْتَقِيمَ - ثُمَّ لَآ تِيَنَّهُم مِّن بَيْنِ أَيْدِيهِمْ وَمِنْ خَلْفِهِمْ وَعَنْ أَيْمَانِهِمْ وَعَن شَمَائِلِهِمْ وَلَا تَجِدُ أَكْثَرَهُمْ شَاكِرِينَ
সে বলল, 'যাদের কারণে তুমি আমাকে ভ্রষ্ট করলে, আমিও তাদের জন্য তোমার সরল পথে নিশ্চয় ওঁৎ পেতে থাকব; অতঃপর আমি অবশ্যই তাদের সম্মুখ, পশ্চাৎ, ডান ও বাম দিক হতে তাদের নিকট আসব এবং তুমি তাদের অধিকাংশকেই কৃতজ্ঞ পাবে না।'¹⁶²
মহান আল্লাহর সরল পথ কী? ইবনে আব্বাস বলেছেন, 'তা হল স্পষ্ট দ্বীন।' ইবনে মাসউদ বলেছেন, 'তা হল আল্লাহর কিতাব।' জাবের বলেছেন, 'তা হল ইসলাম।' মুজাহিদ বলেছেন, 'তা হল হকপথ।'
সে যাই হোক, শয়তান প্রত্যেক পথে ওঁৎ পেতে বসে থাকে এবং মানুষকে সে পথে চলতে বাধা দান করে।
আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ বলেন, একদা রসূল স্বহস্তে একটি (সরল) রেখা টানলেন, অতঃপর বললেন, "এটা আল্লাহর সরল পথ।” তারপর ঐ রেখাটির ডানে ও বামে আরো অনেক রেখা টেনে বললেন, "এই হচ্ছে বিভিন্ন পথ; যার প্রত্যেকটির উপর রয়েছে শয়তান, যে ঐ পথের দিকে আহ্বান করে (দাওয়াত দিতে) থাকে।” অতঃপর তিনি এই আয়াতটি পাঠ করলেন-
وَأَنَّ هَذَا صِرَاطِي مُسْتَقِيمًا فَاتَّبِعُوهُ وَلَا تَتَّبِعُوا السُّبُلَ فَتَفَرَّقَ بِكُمْ عَن سَبِيلِهِ ذَلِكُمْ وَصَّاكُم بِهِ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ
অর্থাৎ, নিশ্চয় এটিই আমার সরল পথ, সুতরাং এরই অনুসরণ কর ও বিভিন্ন পথের অনুসরণ করো না। করলে তা তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করে ফেলবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দান করেছেন যেন তোমরা সাবধান হও। ¹⁶³
টিকাঃ
১৬১. নাসাঈ মাঘ. হা/২৯৩৭, সিলসিলা আহাদীসুস সহীহা মাশা. হা/২৯৭৯
১৬২. সূরা আল আ'রা-ফ-৭:১৬-১৭
১৬৩. সূরা আনআম-৬:১৫৩, আহমাদ, হাকেম, মিশকাত হাএ. হা/১/৫৯
📄 ইবাদত নষ্ট করা
ইবাদতে বাধা দিতে সফল না হলে শয়তান যেমন ইবাদতে বিদআত সৃষ্টি করে, তেমনি আবেদের মনে নানা কুমন্ত্রণা সৃষ্টি করে ইবাদতকে নষ্ট করে ফেলে। যাতে সে ইবাদতের সওয়াবই না পায়!
উষমান বিন আবুল আস নবী এর নিকট উপস্থিত হয়ে আরজ করলেন, হে আল্লাহর রসূল! শয়তান আমার ও আমার স্বলাত এবং ক্বিরাআতের মাঝে অন্তরাল ও গোলমাল সৃষ্টি করে। (বাঁচার উপায় কী?)' তিনি বললেন,
ذَاكَ شَيْطَانٌ يُقَالُ لَهُ خِنْزِبٌ فَإِذَا أَحْسَسْتَهُ فَتَعَوَّذُ بِاللَّهِ مِنْهُ وَاتَّفِلُ عَلَى يَسَارِكَ ثلاثا
"ওটা হল 'খিনযাব' নামক এক শয়তান। সুতরাং ঐরূপ অনুভব করলে তুমি আল্লাহর নিকট ওর থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করো এবং তোমার বাম দিকে ৩ বার থুথু মেরো।" উষমান বলেন, এরূপ করলে আল্লাহ আমার নিকট থেকে শয়তানের ঐ কুমন্ত্রণা দূর করে দেন। ¹⁶⁴ সুতরাং মুস্বল্লী নামাযে মনোনিবেশ করলে শয়তান তার মনে কুমন্ত্রণা দেয়, আল্লাহর ইবাদত থেকে তার একাগ্রতা, মনোযোগিতা ও একনিষ্ঠতা কেড়ে নেয়। আল্লাহর স্মরণের জায়গায় দুনিয়ার স্মরণ এনে দেয়। নবী বলেছেন,
إِذَا نُودِيَ بِالْأَذَانِ أَدْبَرَ الشَّيْطَانُ لَهُ ضُرَاطٌ حَتَّى لَا يَسْمَعَ الْأَذَانَ فَإِذَا قُضِيَ الأَذَانُ أَقْبَلَ فَإِذَا ثُوَّبَ بِهَا أَدْبَرَ فَإِذَا قُضِيَ التَّثْوِيبُ أَقْبَلَ يَخْطُرُ بَيْنَ الْمَرْءِ وَنَفْسِهِ يَقُولُ اذْكُرُ كَذَا اذْكُرُ كَذَا لِمَا لَمْ يَكُنْ يَذْكُرُ حَتَّى يَظَلَّ الرَّجُلُ إِنْ يَدْرِي كَمْ صَلَّى
"স্বলাতের জন্য আযান দেওয়া হলে শয়তান পাদতে পাদতে এত দূরে পালায়, যেখানে আযান শোনা যায় না। আযান শেষ হলে আবার ফিরে আসে। ইকামত শুরু হলে পুনরায় পালায়। ইকামত শেষ হলে মুস্বল্লীর কাছে এসে তার মনে বিভিন্ন কুমন্ত্রণা আনয়ন করে বলে, 'এটা মনে কর, ওটা মনে কর।' এইভাবে মুস্বল্লীর যা মনে ছিল না, তা মনে করিয়ে দেয়। এর ফলে মুস্বল্লী শেষে কত রাকআত স্বলাত পড়ল, তা জানতে পারে না।"¹⁶⁵ এর মাধ্যমে অবশ্য শয়তান বান্দার উপকারও করে। তবে যে পরিমাণ উপকার করে, তার শতগুণ পরিমাণ তার ক্ষতি করে বসে।
ছোট শিশুর হাতে যদি একটি ১০ টাকার নোট থাকে এবং কোন চালাক ছেলে যদি তা ৫টি এক টাকার বিনিময়ে নিতে চায়, তাহলে শিশু মনে করে ছেলেটি তার উপকার করছে এবং একটার বিনিময়ে ৫টা টাকা দিচ্ছে। কিন্তু সে জানে না যে, এই বাহ্যদৃষ্টির বেশি বিনিময়ে সে তার নিকট থেকে বেশিটাই হরণ করে নিচ্ছে।
হাসান বিন সালেহ বলেছেন, “মানুষের জন্য একটি মাত্র অকল্যাণের দরজা খোলার উদ্দেশ্যে শয়তান তার জন্য ৯৯টি কল্যাণের দরজা খুলে দেয়!”¹⁶⁶
কথিত আছে যে, এক ব্যক্তি ইমাম আবু হানীফা (রাহিমাল্লাহ)র নিকটে এসে অভিযোগ করল, 'কিছুদিন আগে আমি আমার বাড়ি বা বাগানের এক জায়গায় কিছু মোহর পুঁতে রেখে বিদেশে গিয়েছিলাম, এখন সে জায়গা মনে পড়ছে না। কী করা যায়?'
তিনি বললেন, 'তুমি আজ সারা রাত নফল স্বলাত পড়।'
সে এশার স্বলাতের পর স্বলাত পড়তে শুরু করলে প্রথম রাকআতেই তার স্মরণ হয়ে গেল, অমুক জায়গায় তার মোহরের হাঁড়ি পোঁতা আছে। সকালে এসে ইমামকে সে কথা বললে তিনি বললেন, 'আমি জানতাম, শয়তান তোমাকে সারা রাত স্বলাত পড়তে দেবে না।'
সুতরাং শয়তান তার বড় উপকার করল, কিন্তু তাকে বৃহৎ সওয়াব থেকে বঞ্চিত করে দিল।
একবার আসরের সময় এক মসজিদে ইমাম সাহেবের সালাম ফেরার পর মতভেদ হল, স্বলাত তিন রাকআত হয়েছে, নাকি চার রাকআত? এক মুসল্লী গ্যারান্টি দিয়ে বলল, 'আমি সিওর, স্বলাত তিন রাকআত হয়েছে।' লোকেরা বলল, 'সিওর কীভাবে তুমি?'
সে বলল, 'আমার চারটি দোকান। প্রত্যেক দিন আসরের নামাযে প্রত্যেক রাকআতে একটি দোকানের হিসাব মিলাই। আজ মাত্র তিনটি দোকানের হিসাব মিলিয়েছি। আর তার মানেই স্বলাত তিন রাকআত হয়েছে!' অধিকাংশ মুসল্লীর স্বলাতের এই অবস্থা। শয়তান মুসল্লীর স্বলাতের অংশ কেটে নেয়। মুসল্লীর মনে বিভিন্ন কুমন্ত্রণা আনয়ন করে স্বলাতের সওয়াব কমিয়ে দেয়। আর এ জন্যই নবী বলেছেন,
إِنَّ الْعَبْدَ لَيُصَلِّي الصَّلاةَ ، مَا يُكْتَبُ لَهُ مِنْهَا إِلَّا عُشْرُهَا ، تُسُعُهَا ، ثُمُنْهَا ، سُبُعُهَا ، سُدُسُهَا ، خُمُسُهَا ، رُبُعُهَا ، ثُلُثُهَا ، نِصْفُهَا
অর্থাৎ, বান্দা নামায পড়ে। কিন্তু তার কেবলমাত্র দশ ভাগের একভাগ, নয় ভাগের একভাগ, আট ভাগের একভাগ, সাত ভাগের একভাগ, ছয় ভাগের একভাগ, পাঁচ ভাগের একভাগ, চার ভাগের একভাগ, তিন ভাগের একভাগ অথবা অর্ধেক সওয়াব লিপিবদ্ধ হয়। ¹⁶⁷
টিকাঃ
১৬৪. মুসলিম মাশা. হা/৫৮৬৮
১৬৫. মুসনাদে আহমাদ মাশা. হা/২/৩১৩, বুখারী তাও. হা/৬০৮, মুসলিম মাশা, হা/১২৯৬, আবু দাউদ, নাসাঈ, দারেমী
১৬৬. তালবীসু ইবলীস ১/৫১
১৬৭. আহমাদ, আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে হিব্বান, সহীহ আত-তারগীব লিল আলবানী মাশা. হা/৫৩৭
📄 মুস্তাহাব সামনে রেখে অতিক্রম
শয়তান চায় মুস্বল্লীর নামায নষ্ট করতে। বিনা সুতরায় নামায পড়লে এবং তার সামনে বেয়ে সিজদার জায়গার ভিতর দিয়ে কেউ পার হয়ে গেলে তার স্বলাত বাতিল হয়ে যায়। এই জন্য মুস্বল্লীর উচিত, তার সামনে বেয়ে কাউকে পার হতে না দেওয়া। কেউ ইঙ্গিত না মানলে তার সাথে বল প্রয়োগ করা। কিন্তু শয়তান মানুষকে উদ্বুদ্ধ করে, যাতে সে মুস্বল্লীর সামনে বেয়ে অতিক্রম করে। যাতে মুস্বল্লীর নামায নষ্ট হয়ে যায়।
নবী বলেন, “তোমাদের মধ্যে কেউ সামনে সুতরাহ রেখে নামায পড়লে এবং কেউ তার ঐ সুতরার ভিতর দিয়ে পার হতে চাইলে সে যেন তার বুকে ঠেলে পার হতে বাধা দেয় ও যথাসম্ভব রুখতে চেষ্টা করে।” এক বর্ণনায় আছে, "তাকে যেন দু' দু' বার বাধা দেয়। এর পরেও যদি সে মানতে না চায় (এবং ঐ দিকেই পার হতেই চায়) তাহলে সে যেন তার সাথে লড়াই করে। কারণ, (বাধাদান সত্ত্বেও যে বাধা মানে না) সে তো শয়তান। "¹⁶⁸
তিনি বলেন, “সুতরাহ ছাড়া নামায পড়ো না। কাউকে তোমার সামনে বেয়ে পার হতেও দিয়ো না। (সুতরার ভিতর বেয়ে যেতে) সে যদি মানা না মানে, তবে তার সাথে লড়। কারণ, তার সাথে শয়তান আছে। "¹⁶⁹
আবু সাঈদ খুদরী জুমআর দিন একটি থামকে সুতরাহ বানিয়ে নামায পড়ছিলেন। ইত্যবসরে বানী উমাইয়ার এক ব্যক্তি তাঁর ও থামের মাঝ বেয়ে পার হতে গেলে তিনি তাকে বাধা দিলেন। কিন্তু লোকটি পুনরায় পার হওয়ার চেষ্টা করল। তিনি তার বুকে এক থাপ্পড় দিলেন। লোকটি মদীনার গভর্নর মারওয়ানের নিকট তাঁর বিরুদ্ধে নালিশ জানাল। মারওয়ান আবু সাঈদ কে বললেন, 'আপনি আপনার ভাইপোকে মেরেছেন কী কারণে?' আবু সাঈদ বললেন, 'আল্লাহর রসূল বলেছেন,
إِذَا صَلَّى أَحَدُكُمْ إِلَى شَيْءٍ يَسْتُرُهُ مِنْ النَّاسِ فَأَرَادَ أَحَدٌ أَنْ يَجْتَازَ بَيْنَ يَدَيْهِ فَلْيَدْفَعُهُ فَإِنْ أَبَى فَلْيُقَاتِلُهُ فَإِنَّمَا هُوَ شَيْطَانٌ
“তোমাদের মধ্যে কেউ যখন কিছুকে সুতরাহ বানিয়ে নামায পড়ে, অতঃপর কেউ তার ঐ সুতরার ভিতর দিয়ে পার হতে চায়, তবে সে যেন তাকে বাধা দেয়। এতেও যদি সে না মানে, তাহলে সে যেন তার সাথে লড়াই করে। কারণ, সে তো শয়তান।" সুতরাং আমি শয়তানকেই তো মেরেছি! ¹⁷⁰
"কারণ, সে তো শয়তান।” অর্থাৎ, তার এ কাজ শয়তানের কাজ। অথবা তাকে এ কাজে উদ্বুদ্ধকারী হল শয়তান। অথবা তার সাথে আছে শয়তান। অথবা তার সাথে আছে 'ক্বারীন' (শয়তান)।¹⁷¹
টিকাঃ
১৬৮. বুখারী ইফা, হা/৪৮৫, আপ্র. হা/৪৭৯, তাও,, হা/৫০৯, মুসলিম, ইবনে খুযাইমা, মিশকাত, হা/৭৭৭
১৬৯. সহীহ ইবনে খুযাইমাহ, মাশা. হা/৮০০
১৭০. বুখারী ইফা, হা/৪৮৫, আপ্র. হা/৪৭৯, তাও, হা/৫০৯, মুসলিম, ইবনে খুযাইমা, মিশকাত, হা/৭৭৭, সহীহ ইবনে খুযাইমাহ, মাশা. হা/৮১৭
১৭১. মুসলিম মাশা. হা/১১৫৮