📘 জিন এবং জিনকেন্দ্রিক অসুস্থতা ও প্রতিকার 📄 সহবাসের সময় যা বলতে হবে

📄 সহবাসের সময় যা বলতে হবে


ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বিভিন্ন সনদে বর্ণিত হয়েছে, আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেন:
“তোমাদের কেউ যদি তার স্ত্রীর সঙ্গে সহবাসের সময় বলে: بِسْمِ اللهِ، اللَّهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ وَجَنِّبِ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا 'আল্লাহুম্মা জান্নাবনাশ শায়তানা ওয়া জান্নিবিশ শায়তানা মা রাযাকতানা' (পরম করুণাময় আল্লাহ তা'আলার নামে। হে আল্লাহ, আপনি শয়তানকে আমাদের থেকে এবং আমাদেরকে যা দান করবেন তা থেকে দূরে রাখুন।) অতঃপর যদি আল্লাহর পক্ষ থেকে তাদের একটি সন্তান হওয়ার বিষয়ে ডিক্রি হয়, তাহলে সেই সন্তানের কোনো ক্ষতি শয়তান করতে পারবে না।”

আল বুখারী থেকে বর্ণিত এক হাদীসে এসেছে, “লাম ইয়্যা দুররাহু শায়তানুন আবাদা” (শয়তান কখনোই তার ক্ষতি করতে পারবে না।)

টিকা:
১৬২. ফাতহুল বারী, কিতাবুন নিকাহ, ৭/২৫, সহীহ মুসলিম কিতাবুল আনফাক্ব ২/১০৮৭, পৃ. ৫৪

📘 জিন এবং জিনকেন্দ্রিক অসুস্থতা ও প্রতিকার 📄 রাগান্বিত অবস্থায় কী করা উচিত

📄 রাগান্বিত অবস্থায় কী করা উচিত


রাগ বা ক্রোধ শয়তানের অন্যতম একটি প্ররোচনা বা ওয়াসওয়াসা। আল্লাহ তা'আলা বলেন: “শয়তানের পক্ষ থেকে যদি তুমি কুমন্ত্রণা অনুভব কর, তাহলে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা কর। তিনি সর্বশ্রোতা সর্বজ্ঞ।” (ফুসসিলাত: ৩৬)

রাসূলের (ﷺ) সাহাবি সুলায়মান বিন সুরাদ (رضي الله عنه) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা আমি রাসূলের (ﷺ) সঙ্গে একত্রে বসা ছিলাম, এ সময় দু’ ব্যক্তি একে অপরকে অপমান করছিল। এর মধ্যে একজনের মুখমণ্ডল প্রচণ্ড রাগে লাল হয়ে উঠল, তখন আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেন: “আমি এমন একটি কথা (দোয়া) জানি যা বললে বা পাঠ করলে ওই লোকের মনের ভিতর যা হচ্ছে তা কমে যাবে। যদি সে বলে 'আউযু বিল্লাহি মিনাশ শায়ত্বানিক রাজীম' তাহলে তার রাগ চলে যাবে।” তারা তাকে বললেন: “আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেছেন: আল্লাহর কাছে অভিশপ্ত শয়তানের হাত থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা।” লোকটি বলল: “আমি কি পাগল?”

আয়শা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: একবার আমি খুব রাগান্বিত হয়ে পড়ি, এমন সময় আল্লাহর রাসূল (ﷺ) আমার ঘরে প্রবেশ করে আমার নাকের ডগা টিপে মৃদুচাপ দিলেন, অতঃপর তিনি বললেন: (হে উমাইশ, (আয়িশাহ শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ) বল: (হে আল্লাহ, আমার পাপ ক্ষমা করুন, আমার মন থেকে ক্রোধ দূর করে দিন, এবং আমাকে শয়তানের হাত থেকে রক্ষা করুন।)

রাসূলের সাহাবি আতিয়্যাহ বিন উরওয়াহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেছেন: "রাগ ও ক্রোধ আসে শয়তানের পক্ষ থেকে, আর শয়তানকে তৈরি করা হয়েছে আগুন থেকে। এ আগুন নেভানো হয় পানি দিয়ে, সুতরাং তোমাদের কেউ যদি রাগান্বিত হয়ে যায়, তাহলে তাকে বল অযু করতে।"

শয়তান যদি কাউকে রেগে যেতে প্ররোচিত করে তাহলে ওই ব্যক্তির জন্য নিজের রাগ প্রশমিত করা এবং আল্লাহর কাছে অভিশপ্ত শয়তানের হাত থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা মুস্তাহাব। অতঃপর তার উচিত দ্রুত অযু করে নেওয়া এবং রাগ দমন করার জন্য আল্লাহর পুরস্কারের কথা স্মরণ করা। মুআ’য বিন আনাস আল যুহানি (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল (সাঃ) বলেন: “যে ব্যক্তি তার রাগ দমন করবে, আল্লাহ কেয়ামতের দিন সকল সৃষ্টির আগে তার নাম ধরে ডাকবেন এবং তাকে হুরদের মধ্য থেকে যাকে খুশি বেছে নিতে বলবেন।”

টিকা:
১৬৩. ফাতহুল বারী, কিতাবুল আদাব আল খালকু, বাব সিফাতু ইবলিস, ৫/৩৫১, সহীহ মুসলিম, ৪/২০, নং-২০৬
১৬৪. সুনান আবু দাউদ, কিতাবুল আদাব, ৫/১৪১, হা: ৪৭৪৮
১৮৩. সুনান আবু দাউদ, কিতাবুল আদাব, ৫/10৭, নং-৪৭১৭, সুনান আত-তিরমিযী, কিতাবুল বির, নং-২০২২

📘 জিন এবং জিনকেন্দ্রিক অসুস্থতা ও প্রতিকার 📄 সন্তানের সুরক্ষার জন্য দোয়া

📄 সন্তানের সুরক্ষার জন্য দোয়া


ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাঃ) হাসান ও হুসাইনের সুরক্ষার জন্য এ দোয়া পাঠ করতেন: “আউযু বি কালিমাতিল্লাহি তাম্মাতি, মিন কুল্লি শায়াত্বীনিন ওয়া হাম্মাতিন, ওয়া মিন কুল্লি আই‌নিন লাম্মাতিন।” (আমি আল্লাহর কাছে তাঁর উত্তম কথা দিয়ে সকল অনিষ্টতা, বিষাক্ত সরীসৃপ এবং হিংসাত্মক সকল কুনজর থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি) এবং আল্লাহর রাসূল (সাঃ) অতঃপর বললেন: “তোমার পিতা (ইবরাহিম) তার দুই সন্তান ইসমাঈল ও ইসহাকের সুরক্ষার জন্য এ দোয়াই পাঠ করতেন।”

টিকা:
১৮৪. সহীহুল বুখারী, কিতাবুল আম্বিয়া, ৪/১৭৯

📘 জিন এবং জিনকেন্দ্রিক অসুস্থতা ও প্রতিকার 📄 নিঃসঙ্গতার সময় যা বলতে হবে

📄 নিঃসঙ্গতার সময় যা বলতে হবে


আল ওয়ালিদ বিন আল ওয়ালিদ (রহ.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি নিঃসঙ্গতা বোধ করছি। তিনি বললেন: যখন তুমি ঘুমাতে যাবে তখন বলবে: “আউযু বি কালিমাতিল্লাহি তাম্মাতি, মিন গাদাবিহি ওয়া ই'কাবিহি, ওয়া শাররি ইবাদিহি, ওয়া মিন হামায়াতিш শায়াতিন, ওয়া আইয়াহদুরুনা।” (আমি আল্লাহর কাছে তাঁর উত্তম কথা দিয়ে তাঁর ক্রোধ ও শাস্তি থেকে, তাঁর বান্দার ক্ষতি থেকে এবং শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি) তাহলে শয়তান তোমার কোনো ক্ষতি করতে অথবা তোমার কাছে ঘেঁষতে পারবে না।

আল বারাআ’ বিন আযিব (রাদি.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার এক লোক আল্লাহর রাসূলের (সাল্লা.) কাছে এসে তার নিঃসঙ্গতার কথা বলল। তিনি বললেন: বার বার এ দোয়া পাঠ করবে: “সুবহানাল মালিকিল কুদ্দুসি, রব্বিল মালাইকাতি ওয়ার রুহ, জাল্লাতাস সামাওয়াতি ওয়াল আরদা বিল ই'যযাতি ওয়াল জাবারুত।” (সকল মহিমা সার্বভৌম আল্লাহ তা’আলার, তিনি মহান, ফেরেশতাগণ ও আত্মাদের (রূহ) তিনি প্রতিপালক, (হে আল্লাহ) আপনি আপনার ক্ষমতা ও শক্তি দিয়ে আসমান ও জমিন পরিবেষ্টিত করে রেখেছেন।” লোকটি এ দোয়া পাঠ করল এবং তার একাকীত্ব ঘুচে গেল। নিঃসঙ্গতার সময়ে সর্বোত্তম দোয়া হল, 'আউযু বিল্লাহিস সামিউল আলিমী মিনাশ শায়তানির রাজীম'। (আমি সর্বজ্ঞাতা, সর্বশ্রোতা মহান আল্লাহ তা'আলার কাছে অভিশপ্ত শয়তানের হাত থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।)

আল্লাহ বলছেন: “শয়তানের পক্ষ থেকে যদি তুমি কুমন্ত্রণা অনুভব কর, তাহলে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা কর। তিনি সর্বজ্ঞাতা সর্বশ্রোতা।” (আল ফুসসিলাত: ৪১/৩৬)

আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: “শয়তান তোমাদের কাছে এসে বলবে: “এটা, ওটা, এগুলো কে সৃষ্টি করেছে?” এভাবে বলতে বলতে এক পর্যায়ে সে বলবে: “তোমার সৃষ্টিকর্তাকে কে সৃষ্টি করেছে?” যখনই শয়তান এ চিন্তা মাথায় ঢুকিয়ে দেবে, তখনই সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করবে এবং এ চিন্তা মাথা থেকে বাদ দেবে।”

আল-সহীহদ্বয়ে বর্ণিত এ হাদীসের আরেক সংস্করণে এসেছে, “মানুষ তোমাকে প্রশ্ন করতে থাকবে, 'এটা আল্লাহর সৃষ্টি, কিন্তু আল্লাহকে কে সৃষ্টি করেছে?' যদি কোনো ব্যক্তিকে তোমরা এটা বলতে শোন, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে তাকে বলে দেবে, আমি আল্লাহ তা'আলা ও তাঁর রাসূলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছি।”

আয়শা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: “যে ব্যক্তি এ ধরনের ওয়াসওয়াসা দেখবে বা প্রত্যক্ষ করবে, সে যেন ওই ব্যক্তিকে উদ্দেশ্য করে তিনবার বলে, আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের (ﷺ) প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছ, তাহলে এ চিন্তা তোমার মাথা থেকে দূর হয়ে যাবে।”

উসমান বিন আবুল আস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বললেন, আমি বললাম: হে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ), শয়তান আমার ও আমার সালাত এবং তেলাওয়াতের মাঝে হস্তক্ষেপ করেছে এবং এর মাধ্যমে আমাকে বিভ্রান্ত করেছে।” আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বললেন: “এটাকে (শয়তান) বলে খিনজাব। তুমি যখন এর মুখোমুখি হও তখন তার হাত থেকে আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করবে এবং তোমার বাম দিকে তিনবার থুথু নিক্ষেপ করবে।” অতএব আমি এটা করলাম এবং আল্লাহ্‌ আমার নিঃসঙ্গতা দূর করে দিলেন。

আবু জামেল থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি ইবনে আব্বাসকে (রাঃ) বললাম: “আমি আমার হৃদয়ে কিছু একটা অনুভব করছি।” তিনি বললেন: “কী সেটা?” আমি বললাম: ‘আমি এ বিষয়ে কিছু বলতে পারছি না।’ তিনি বললেন: ‘এটা কি কোনো ধরনের সন্দেহ?’ তিনি স্মিত হাসলেন এবং বললেন: আল্লাহ্‌ তা’আলা নিম্নোক্ত এ আয়াত নাজিল করা পর্যন্ত কেউই এটা থেকে মুক্ত হতে পারত না: “আমি তোমার প্রতি যা অবতীর্ণ করেছি তাতে যদি তুমি সন্দেহ পোষণ কর তাহলে তোমার পূর্বে থেকে যারা কিতাব পাঠ করে আসছে তাদেরকে জিজ্ঞেস কর। তোমার কাছে তোমার প্রতিপালকের নিকট থেকে প্রকৃত সত্য এসেছে। কাজেই তুমি কখনো সন্দেহ পোষণকারীদের মধ্যে শামিল হয়ো না।” (সুরা ইউনুস ১০:৯৪)

তিনি আমাকে আরও বললেন, যখনই তুমি তোমার হৃদয়ে কিছু অনুভব করবে তখনই বলবে: “তিনিই প্রথম, তিনিই শেষ, তিনি প্রকাশিত আবার গুপ্ত, তিনি সকল বিষয় পূর্ণরূপে জ্ঞাত।” (সূরা আল হাদীদ ৫৭:৩)

সহীহ মুসলিমে আবুল কাশিম আল কুশাইরির পত্রে ইমাম মুসলিমের সনদে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন, আহমাদ বিন আতা আল রাওয়াবাযী আল সাইয়িদ আল জালীল আমাকে বলেন: পবিত্রতার বিষয়ে আমি ওয়াসওয়াসা অনুভব করছি; এক রাত্রে আমি এত বেশি পানি ব্যবহার করলাম যে, আমি খুব চিন্তিত হয়ে পড়লাম, এবং আমার হৃদয়ে কোনো প্রশান্তি ছিল না, কেমন যেন অস্থির অস্থির লাগছিল। তখন আমি বললাম: হে প্রতিপালক, আপনার ক্ষমা, আপনার ক্ষমা চাচ্ছি। তখন আমি একটি কণ্ঠস্বর শুনতে পেলাম, কেঁদে কেঁদে বলছে, জ্ঞানের মাঝেই ক্ষমা রয়েছে। অতএব আমার সেই চিন্তা দূর হয়ে গেল。

আলিমগণের মধ্যে একজন বলেছেন যে, যখন কারো অযু অথবা সালাতের বিষয়ে ওয়াসওয়াসা অনুভব হবে, তখন তার জন্য ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ (আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই) এ যিকির করা মুস্তাহাব, কারণ শয়তান আল্লাহর যিকির শোনামাত্রই নিজেকে প্রত্যাহার করে নিয়ে পালায়। আর ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ হলো সর্বোত্তম যিকির।

এছাড়াও আলিমগণ (স্কলারগণ) বলেছেন, ওয়াসওয়াসা দূর করার জন্য সর্বোত্তম ও সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো বেশি বেশি আল্লাহর যিকির করা।

ইমামদের মধ্য থেকে একজন বলেছেন, যাদের ঈমান বেশি খাঁটি তাদেরকেই ওয়াসওয়াসা দিয়ে পরীক্ষা করা হয়, কারণ চোর কখনো জীর্ণকুটির টার্গেট করে না。

আল সাইয়িদ আল জালীল আহমাদ বিন আবুল হাওয়ারি বলেন: আমি আবু সুলাইমান আল দারানির কাছে ওয়াসওয়াসার বিষয়ে অভিযোগ করলাম, তিনি বললেন: তুমি যদি এটা বন্ধ করতে চাও তাহলে যখনই এর মুখোমুখি হবে তুমি এটা উপভোগ করবে, এটা উপভোগ করতে শুরু করলেই এটা বন্ধ হয়ে যাবে, কারণ শয়তানের কাছে সবচেয়ে বিরক্তিকর ও কষ্টকর বিষয় হলো মু'মিনের সুখ, মু'মিনের আনন্দ।

টিকা:
১৬৭. ইবনে আবী সুন্নী: মা ইয়াকুলু ইয়াইয়াখাফা মানাজায়াহ. পৃ-২০১, নং-৭০৪
১৬৮. ফাতহুল বারী, বাব সিফাতি ইবলিস, ৪/১৪৯
১৬৯. ইবনে আল সুন্নি, বাব মা ইয়াফকুল মান উভবুলিয়ালি ফীল ওয়াসওয়াসা, পৃ-১৯১, নং-৬২৬
১৭০. সহীহ মুসলিম, কিতাবুস সালাম, বাবুত তাওয়াযু মিনাশ শায়তানুল ওয়াসওয়াসা ফীল সালাত, ৪/১৭২৬, নং-৬৮

ফন্ট সাইজ
15px
17px