📄 ঈমানের পূর্ণাঙ্গতা অর্জনে সহায়ক গুণের তালিকা
ঈমানের শাখাসমূহ:
১- আল্লাহর প্রতি ঈমান: তাঁর অস্তিত্ব ও একত্ববাদে বিশ্বাস, তাঁর গুণাবলীর পরিপূর্ণতার প্রতি, এ বিশ্বাস করা যে, তিনি ব্যতীত মহাবিশ্বের সবকিছু তাঁর হাতেই সৃষ্টি হয়েছে।
২- আল্লাহর রাসুলের (সা.) প্রতি বিশ্বাস
৩- আল্লাহর নাযিলকৃত কিতাবসমূহের প্রতি বিশ্বাস
৪- ফেরেশতাদের প্রতি বিশ্বাস
৫- আল্লাহর আদেশের প্রতি বিশ্বাস
৬- বিচার দিবসের প্রতি বিশ্বাস
৭- আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা
৮- আল্লাহর প্রতি ভয়
৯- আল্লাহর প্রতি ভরসা
১০- আল্লাহর প্রতি আশা
১১- আল্লাহর রাসুলের (সা.) প্রতি ভালোবাসা
১২- আল্লাহর রাসূলকে (সা.) সম্মান ও শ্রদ্ধা করা এবং তার সুন্নাহ অনুসরণ করা
১৩- ইবাদাতে আন্তরিকতা এবং কোনো লোক দেখানো ইবাদাত নয়
১৪- তাওবাহ
১৫- আল্লাহর অনুগ্রহের শুকরিয়া আদায়
১৬- ধৈর্য
১৭- দয়া ও করুণা
১৮- হায়া (লজ্জা ও নম্রতা)
১৯- কুরআন তেলাওয়াত করা এবং কুরআনের প্রতি সম্মান দেখানো
২০- জ্ঞানার্জন করা এবং অন্যদেরকে শিক্ষা দেওয়া
২১- জ্ঞান প্রচার করা এবং অন্যদেরকে শেখানো
২২- দোয়া
২৩- যিকির (আল্লাহর স্মরণ) এবং ক্ষমা প্রার্থনা করা
২৪- নিজের জিহ্বা সংযত করা এবং অনর্থক কথা থেকে বিরত থাকা
২৫- শারীরিক ও আত্মিক পরিপক্বতা অর্জন করা
২৬- ফরয ও নফল সালাত আদায় করা
২৭- ফরয ও নফল যাকাত আদায় করা
২৮- ফরয ও নফল রোযা রাখা
২৯- ফরয ও নফল হজ আদায় করা
৩০- ই’তিকাফ
৩১- আল্লাহর পথে জিহাদ
৩২- আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সীমান্ত পাহারা দেওয়া
৩৩- দীন তথা ধর্মের অঙ্গীকারের প্রতি সতর্ক থাকা
৩৪- ওয়াদা পূর্ণ করা
৩৫- ওয়াদা রক্ষা করা
৩৬- আস্থা পরিপূর্ণ করা
৩৭- জনসাধারণের বিপক্ষে অপরাধ নিষিদ্ধকরণ
৩৮- হারাম উপার্জন থেকে বিরত থাকা
৩৯- মিতব্যয়ী হওয়া
৪০- সম্মান বজায় রাখা
৪১- ভালো কাজে সন্তুষ্ট থাকা এবং খারাপ কাজে দুঃখিত হওয়া
৪২- শাসকের আনুগত্য করা
৪৩- ভালো কাজের আদেশ দেওয়া এবং খারাপ কাজের নিষেধ করা
৪৪- ন্যায়নিষ্ঠা ও ধর্মভীরুতার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করা
৪৫- ইজমা’র (ইসলামের প্রধান ধারা) পথে অটল থাকা
৪৬- ন্যায়পরায়ণ হওয়া
৪৭- পিতামাতাকে সম্মান করা
৪৮- আত্মীয়তার বন্ধন অটুট রাখা
৫০- উত্তম দৃষ্টিভঙ্গি থাকা
৫১- মানুষের বিবাদ মিটিয়ে দেওয়া
৫২- সীমা নির্ধারণ থেকে দূরে থাকা
৫৩- আল্লাহর আদেশ প্রতিষ্ঠা করা
৫৪- প্রতিবেশির প্রতি সম্মান প্রদর্শন
৫৫- সালামের উত্তর দেওয়া
৫৬- রোগীর সঙ্গে দেখা করা
৫৭- কারো হাঁচির জবাবে ইয়ারহামুকাল্লাহ (আল্লাহ আপনার প্রতি রহম করুন) বলা
৫৮- অতিথিকে সম্মান করা
৫ix- কঠোর তপস্যা করা (জুহদ)
৬০- আত্মরক্ষামূলক ঈর্ষা (গীরাহ)
৬১- উদারতা
৬২- ছোটদের প্রতি স্নেহ এবং বড়দের প্রতি সম্মান
৬৩- নিজের জন্য যা পছন্দ তা ভাইয়ের জন্যও পছন্দ করা
৬৪- ব্যয়ের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা এবং সঠিকভাবে ব্যয় করা。
৬৫- হালাল উপার্জন নিশ্চিত করা
৬৬- মানুষের ক্ষতি করা থেকে বিরত থাকা
৬- মৃতের জানাজায় অংশ নেওয়া
৬৮- অন্যের পাপ বা দোষ গোপন করা
৬৯- শিশুর অধিকার রক্ষা করা
৭০- আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কাউকে ভালোবাসা
৭১- আল্লাহর সন্তuষ্টির জন্য কাউকে ঘৃণা করা
৭২- বিনম্রতা
৭৩- অনর্থক সময় নষ্ট না করা
৭৪- কুফরি পরিহার করা
৭৫- অন্যদেরকে ধর্মীয় অধিকারের প্রতি আহ্বান জানানো
৭৬- আল্লাহর আদেশ বা তকদিরকে মেনে নেওয়া
৭৭- রাস্তা থেকে ক্ষতিকারক বস্তু সরিয়ে ফেলা
ঈমানের শাখার কথা বলা হয়েছে এমন বেশ কিছু হাদীস থেকে এ তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
ঈমানের শাখাসমূহ:
১- আল্লাহর প্রতি ঈমান: তাঁর অস্তিত্ব ও একত্ববাদে বিশ্বাস, তাঁর গুণাবলীর পরিপূর্ণতার প্রতি, এ বিশ্বাস করা যে, তিনি ব্যতীত মহাবিশ্বের সবকিছু তাঁর হাতেই সৃষ্টি হয়েছে।
২- আল্লাহর রাসুলের (সা.) প্রতি বিশ্বাস
৩- আল্লাহর নাযিলকৃত কিতাবসমূহের প্রতি বিশ্বাস
৪- ফেরেশতাদের প্রতি বিশ্বাস
৫- আল্লাহর আদেশের প্রতি বিশ্বাস
৬- বিচার দিবসের প্রতি বিশ্বাস
৭- আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা
৮- আল্লাহর প্রতি ভয়
৯- আল্লাহর প্রতি ভরসা
১০- আল্লাহর প্রতি আশা
১১- আল্লাহর রাসুলের (সা.) প্রতি ভালোবাসা
১২- আল্লাহর রাসূলকে (সা.) সম্মান ও শ্রদ্ধা করা এবং তার সুন্নাহ অনুসরণ করা
১৩- ইবাদাতে আন্তরিকতা এবং কোনো লোক দেখানো ইবাদাত নয়
১৪- তাওবাহ
১৫- আল্লাহর অনুগ্রহের শুকরিয়া আদায়
১৬- ধৈর্য
১৭- দয়া ও করুণা
১৮- হায়া (লজ্জা ও নম্রতা)
১৯- কুরআন তেলাওয়াত করা এবং কুরআনের প্রতি সম্মান দেখানো
২০- জ্ঞানার্জন করা এবং অন্যদেরকে শিক্ষা দেওয়া
২১- জ্ঞান প্রচার করা এবং অন্যদেরকে শেখানো
২২- দোয়া
২৩- যিকির (আল্লাহর স্মরণ) এবং ক্ষমা প্রার্থনা করা
২৪- নিজের জিহ্বা সংযত করা এবং অনর্থক কথা থেকে বিরত থাকা
২৫- শারীরিক ও আত্মিক পরিপক্বতা অর্জন করা
২৬- ফরয ও নফল সালাত আদায় করা
২৭- ফরয ও নফল যাকাত আদায় করা
২৮- ফরয ও নফল রোযা রাখা
২৯- ফরয ও নফল হজ আদায় করা
৩০- ই’তিকাফ
৩১- আল্লাহর পথে জিহাদ
৩২- আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সীমান্ত পাহারা দেওয়া
৩৩- দীন তথা ধর্মের অঙ্গীকারের প্রতি সতর্ক থাকা
৩৪- ওয়াদা পূর্ণ করা
৩৫- ওয়াদা রক্ষা করা
৩৬- আস্থা পরিপূর্ণ করা
৩৭- জনসাধারণের বিপক্ষে অপরাধ নিষিদ্ধকরণ
৩৮- হারাম উপার্জন থেকে বিরত থাকা
৩৯- মিতব্যয়ী হওয়া
৪০- সম্মান বজায় রাখা
৪১- ভালো কাজে সন্তুষ্ট থাকা এবং খারাপ কাজে দুঃখিত হওয়া
৪২- শাসকের আনুগত্য করা
৪৩- ভালো কাজের আদেশ দেওয়া এবং খারাপ কাজের নিষেধ করা
৪৪- ন্যায়নিষ্ঠা ও ধর্মভীরুতার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করা
৪৫- ইজমা’র (ইসলামের প্রধান ধারা) পথে অটল থাকা
৪৬- ন্যায়পরায়ণ হওয়া
৪৭- পিতামাতাকে সম্মান করা
৪৮- আত্মীয়তার বন্ধন অটুট রাখা
৫০- উত্তম দৃষ্টিভঙ্গি থাকা
৫১- মানুষের বিবাদ মিটিয়ে দেওয়া
৫২- সীমা নির্ধারণ থেকে দূরে থাকা
৫৩- আল্লাহর আদেশ প্রতিষ্ঠা করা
৫৪- প্রতিবেশির প্রতি সম্মান প্রদর্শন
৫৫- সালামের উত্তর দেওয়া
৫৬- রোগীর সঙ্গে দেখা করা
৫৭- কারো হাঁচির জবাবে ইয়ারহামুকাল্লাহ (আল্লাহ আপনার প্রতি রহম করুন) বলা
৫৮- অতিথিকে সম্মান করা
৫ix- কঠোর তপস্যা করা (জুহদ)
৬০- আত্মরক্ষামূলক ঈর্ষা (গীরাহ)
৬১- উদারতা
৬২- ছোটদের প্রতি স্নেহ এবং বড়দের প্রতি সম্মান
৬৩- নিজের জন্য যা পছন্দ তা ভাইয়ের জন্যও পছন্দ করা
৬৪- ব্যয়ের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা এবং সঠিকভাবে ব্যয় করা。
৬৫- হালাল উপার্জন নিশ্চিত করা
৬৬- মানুষের ক্ষতি করা থেকে বিরত থাকা
৬- মৃতের জানাজায় অংশ নেওয়া
৬৮- অন্যের পাপ বা দোষ গোপন করা
৬৯- শিশুর অধিকার রক্ষা করা
৭০- আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কাউকে ভালোবাসা
৭১- আল্লাহর সন্তuষ্টির জন্য কাউকে ঘৃণা করা
৭২- বিনম্রতা
৭৩- অনর্থক সময় নষ্ট না করা
৭৪- কুফরি পরিহার করা
৭৫- অন্যদেরকে ধর্মীয় অধিকারের প্রতি আহ্বান জানানো
৭৬- আল্লাহর আদেশ বা তকদিরকে মেনে নেওয়া
৭৭- রাস্তা থেকে ক্ষতিকারক বস্তু সরিয়ে ফেলা
ঈমানের শাখার কথা বলা হয়েছে এমন বেশ কিছু হাদীস থেকে এ তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
📄 বড় গুনাহর তালিকা
৩১. পাপে নিমজ্জিত হওয়া
৩২. ইবাদাত করে প্রশংসা পেতে পছন্দ করা
৩৩. এ দুনিয়ার জীবনে পরিতৃপ্ত হওয়া
৩৪. আল্লাহ ও পরকাল ভুলে যাওয়া
৩৫. কেউ অপরাধ করলে তাতে রাগান্বিত হওয়া এবং কেউ ভুল করে বসলে প্রতিশোধ নেওয়া
৩৬. অনবরত পাপ করে যাওয়া এবং পাশাপাশি আল্লাহর দয়া করুণার ওপর নির্ভর করে আল্লাহর পরিকল্পনা থেকে নিজেকে নিরাপদ মনে করা
৩৭. আল্লাহর দয়া ও করুণায় হতাশ হওয়া
৩৮. আল্লাহকে নিয়ে বাজে চিন্তা করা
৩৯. আল্লাহর করুণায় হতাশ হওয়া
৪০. দুনিয়াবী স্বার্থ হাসিলের জন্য জ্ঞান অর্জন করা
৪১. জ্ঞান গোপন করা
৪২. জানা অনুসারে আমল না করা
৪৩. অহঙ্কারবশত নিজের জ্ঞান প্রচার করা
৪৪. বিদ্বানদের অবস্থান খাটো করে দেখা এবং তাদের মর্যাদাহানি করা
৪৫. আল্লাহ সম্পর্কে সুচিন্তিত মিথ্যা বলা
৪৬. আল্লাহর রাসূল (সাঃ) সম্পর্কে সুচিন্তিত মিথ্যা বলা
৪৭. খারাপ পথ প্রবর্তন করা
৪৮. সুন্নাহ পরিত্যাগ করা
৪৯. তকদিরে বিশ্বাস না করা
৫০. ওয়াদা পূরণ না করা
৫১. খারাপ কাজকে ভালোবাসা
৫২. সৎ ও খোদাভীরু লোককে ঘৃণা করা
৫৩. আল্লাহর ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের বিরুদ্ধে অন্যায় করা এবং তাদেরকে শত্রু হিসেবে গণ্য করা
৫৪. যুগ বা সময়কে অভিশাপ দেওয়া
৫৫. এমন কোনো কথা বলা যা বড় ধরনের বিপদ ও ক্ষয়-ক্ষতির কারণ হতে পারে
৫৬. অনুগ্রহপ্রাপ্ত হয়েও অকৃতজ্ঞ থাকা
৫৭. মানুষ যাতে আপনাকে ভয় করে সেজন্য খারাপ আচরণ করা এবং অশালীন ভাষায় কথা বলা
৩১. পাপে নিমজ্জিত হওয়া
৩২. ইবাদাত করে প্রশংসা পেতে পছন্দ করা
৩৩. এ দুনিয়ার জীবনে পরিতৃপ্ত হওয়া
৩৪. আল্লাহ ও পরকাল ভুলে যাওয়া
৩৫. কেউ অপরাধ করলে তাতে রাগান্বিত হওয়া এবং কেউ ভুল করে বসলে প্রতিশোধ নেওয়া
৩৬. অনবরত পাপ করে যাওয়া এবং পাশাপাশি আল্লাহর দয়া করুণার ওপর নির্ভর করে আল্লাহর পরিকল্পনা থেকে নিজেকে নিরাপদ মনে করা
৩৭. আল্লাহর দয়া ও করুণায় হতাশ হওয়া
৩৮. আল্লাহকে নিয়ে বাজে চিন্তা করা
৩৯. আল্লাহর করুণায় হতাশ হওয়া
৪০. দুনিয়াবী স্বার্থ হাসিলের জন্য জ্ঞান অর্জন করা
৪১. জ্ঞান গোপন করা
৪২. জানা অনুসারে আমল না করা
৪৩. অহঙ্কারবশত নিজের জ্ঞান প্রচার করা
৪৪. বিদ্বানদের অবস্থান খাটো করে দেখা এবং তাদের মর্যাদাহানি করা
৪৫. আল্লাহ সম্পর্কে সুচিন্তিত মিথ্যা বলা
৪৬. আল্লাহর রাসূল (সাঃ) সম্পর্কে সুচিন্তিত মিথ্যা বলা
৪৭. খারাপ পথ প্রবর্তন করা
৪৮. সুন্নাহ পরিত্যাগ করা
৪৯. তকদিরে বিশ্বাস না করা
৫০. ওয়াদা পূরণ না করা
৫১. খারাপ কাজকে ভালোবাসা
৫২. সৎ ও খোদাভীরু লোককে ঘৃণা করা
৫৩. আল্লাহর ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের বিরুদ্ধে অন্যায় করা এবং তাদেরকে শত্রু হিসেবে গণ্য করা
৫৪. যুগ বা সময়কে অভিশাপ দেওয়া
৫৫. এমন কোনো কথা বলা যা বড় ধরনের বিপদ ও ক্ষয়-ক্ষতির কারণ হতে পারে
৫৬. অনুগ্রহপ্রাপ্ত হয়েও অকৃতজ্ঞ থাকা
৫৭. মানুষ যাতে আপনাকে ভয় করে সেজন্য খারাপ আচরণ করা এবং অশালীন ভাষায় কথা বলা
📄 সাধারণ পরিভাষায় নিষিদ্ধ কাজের তালিকা
যেসব কাজ সাধারণ পরিভাষায় পবিত্র কুরআনে নিষিদ্ধ করা হয়েছে ইমাম শাতিবী ধারাবাহিকভাবে সেগুলোর তালিকা তৈরি করেছেন:
১. জুলুম (অন্যায় আচরণ ও অত্যাচার)
২. অনৈতিকতা
৩. এতিমের সম্পদ আত্মসাৎ করা
৪. ভ্রষ্ট পথে নিজেকে পরিচালিত করা
৫. অপচয় করা
৬. কৃপণতা
৭. পাপ
৮. অবহেলা
৯. ঔদ্ধত্য
১০. পরকালের তুলনায় দুনিয়ার জীবন নিয়েই পরিতৃপ্ত হওয়া
১১. আল্লাহর পরিকল্পনা থেকে নিজেকে নিরাপদ মনে করা
১২. নিজ ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষা চরিতার্থ করার জন্য দালালি করা
১৩. সীমালঙ্ঘন করা এবং আল্লাহর দয়া বা করুণায় হতাশ হওয়া
১৪. আল্লাহর অনুগ্রহে অকৃতজ্ঞ হওয়া
১৫. এ দুনিয়ার জীবন নিয়ে আনন্দে উদ্বেলিত হওয়া
১৬. পার্থিব সম্পদ অর্জন নিয়ে গর্ববোধ করা
১৭. এ পৃথিবীর জীবনকেই ভালোবাসা
১৮. ওজনে কম দেওয়া
১৯. পৃথিবীতে দুর্নীতি ছড়িয়ে দেওয়া
২০. পূর্বপুরুষদের অন্ধানুকরণ করা
২১. ক্ষমতার অপব্যবহার করা
২২. পাপকারীদের সঙ্গে থাকায় স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করা
২৩. আল্লাহর স্মরণ বিমুখ হওয়া
২৪. ওয়াদা ভঙ্গ করা
২৫. মন্দ কাজ করা
২৬. পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া
২৭. অপচয়
২৯. অনুমানভিত্তিক কাজ করা
৩০. অহংকার ও উদ্ধততা নিয়ে পৃথিবীর বুকে চলাচল করা
৩১. যিনি নিজ ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষাকে অনুসরণ করে তার কথা মেনে চলা
৩২. ইবাদাতে আল্লাহর সঙ্গে অন্য কাউকে শরিক করা
৩৩. ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষাকে অনুসরণ করা
৩৪. অন্যদেরকে আল্লাহর পথ অনুসরণে বাধা দেওয়া
৩৫. অপরাধ করা
৩৬. বিস্মরণ প্রবণতা
৩৭. সীমালঙ্ঘন
৩৮. মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া
৩৯. মিথ্যা বলা
৪০. ধর্মীয় চরমপন্থা অবলম্বন করা
৪১. হতাশ হওয়া
৪২. প্রদর্শনোচ্ছ্বা
৪৩. দুনিয়ার জীবনে পরিতৃপ্ত হওয়া
৪৪. নিজ ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষাকে অনুসরণ করা
৪৫. কারো ওপর অতিরিক্ত বোঝা চাপিয়ে দেওয়া
৪৬. আল্লাহর নিদর্শন নিয়ে হাসি-তামাশা করা
৪৭. দোয়া করার পর দ্রুত জবাব আশা করা
৪৮. নিজ প্রশংসা করা
৪৯. নাম স্মরণ করা
৫০. লোভ
৫১. আতঙ্কগ্রস্ত হওয়া
৫২. সংশয়
৫৩. অন্যদেরকে আনুকূল্যের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া
৫৪. কৃপণতা
৫৫. কারো বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া
৫৬. সালাতের বিষয়ে অমনোযোগী হওয়া
৫৭. প্রদর্শনোচ্ছ্বা
৫৮. অন্যদেরকে ধার না দেওয়া
৫৯. খুব অল্প দামে আল্লাহর নিদর্শন বিক্রি করে দেওয়া
৬০. সত্যকে মিথ্যা হিসেবে উপস্থাপন করা
৬০. জ্ঞান গোপন করা
৬১. নির্দয় বা পাষাণ হওয়া
৬২. শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করা
৬৩. সুচিন্তিতভাবে প্রাণঘাতী কাজের ঝুঁকি নেওয়া
৬৪. বিরক্তির সঙ্গে সেবামূলক কাজ করা
৬৫. স্বার্থবোধক বই বা কথা অনুসরণ করা
৬৬. কাফিরদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করা
৬৭. যা করা হয়নি তার জন্য প্রশংসা কামনা করা
৬৮. হিংসা
৬৯. আল্লাহর আইন মেনে নিতে অস্বীকার করা
৭০. অত্যাচারীর আইন মেনে নেওয়া
৭১. শত্রু ও বিশ্বাসঘাতকদের সামনে নিজেকে দুর্বল মনে করা
৭২. নির্দোষ ব্যক্তির বিরুদ্ধে পাপের অভিযোগ করা
৭৩. আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের (ﷺ) বিরোধিতা করা
৭৪. মু'মিনদের পথ ছাড়া অন্য কোনো পথ অনুসরণ করা
৭৫. সহজ সরল পথ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়া
৭৬. প্রকাশ্যে খারাপ কথা উচ্চারণ করা
৭৭. সীমালঙ্ঘন ও পাপ কাজে সহযোগিতা করা
৭৮. আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন তা ব্যতীত অন্য কোনো আইন দিয়ে শাসন কার্য পরিচালনা করা
৭৯. শরীয়াহ্ দ্বারা পরিচালিত শাসন ব্যবস্থাকে এড়িয়ে চলার জন্য ঘুষ গ্রহণ করা
৮০. মন্দ কাজের আদেশ দেওয়া
৮১. ভালো কাজে নিষেধ করা
৮২. আল্লাহকে ভুলে যাওয়া
৮৩. প্রতারণা করা
৮৪. মনে সন্দেহ পোষণ করে আল্লাহর ইবাদত করা
৮৫. অন্যদের নিয়ে বাজে চিন্তা করা
৮৬. গুপ্তচরবৃত্তি করা
৮৭. অন্যের কুৎসা রটনা করা
৮৮. মিথ্যা শপথ করা
টিকা:
১০৯. আরবি শব্দ খামছা মানে হলো-পাঁচ; আর গুমায়েশ মানে হলো হাতের মতো দেখতে এক ধরনের অলঙ্কার, যা বদনজর ও হিংসার প্রভাব থেকে বাঁচার জন্য তাবিজ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
যেসব কাজ সাধারণ পরিভাষায় পবিত্র কুরআনে নিষিদ্ধ করা হয়েছে ইমাম শাতিবী ধারাবাহিকভাবে সেগুলোর তালিকা তৈরি করেছেন:
১. জুলুম (অন্যায় আচরণ ও অত্যাচার)
২. অনৈতিকতা
৩. এতিমের সম্পদ আত্মসাৎ করা
৪. ভ্রষ্ট পথে নিজেকে পরিচালিত করা
৫. অপচয় করা
৬. কৃপণতা
৭. পাপ
৮. অবহেলা
৯. ঔদ্ধত্য
১০. পরকালের তুলনায় দুনিয়ার জীবন নিয়েই পরিতৃপ্ত হওয়া
১১. আল্লাহর পরিকল্পনা থেকে নিজেকে নিরাপদ মনে করা
১২. নিজ ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষা চরিতার্থ করার জন্য দালালি করা
১৩. সীমালঙ্ঘন করা এবং আল্লাহর দয়া বা করুণায় হতাশ হওয়া
১৪. আল্লাহর অনুগ্রহে অকৃতজ্ঞ হওয়া
১৫. এ দুনিয়ার জীবন নিয়ে আনন্দে উদ্বেলিত হওয়া
১৬. পার্থিব সম্পদ অর্জন নিয়ে গর্ববোধ করা
১৭. এ পৃথিবীর জীবনকেই ভালোবাসা
১৮. ওজনে কম দেওয়া
১৯. পৃথিবীতে দুর্নীতি ছড়িয়ে দেওয়া
২০. পূর্বপুরুষদের অন্ধানুকরণ করা
২১. ক্ষমতার অপব্যবহার করা
২২. পাপকারীদের সঙ্গে থাকায় স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করা
২৩. আল্লাহর স্মরণ বিমুখ হওয়া
২৪. ওয়াদা ভঙ্গ করা
২৫. মন্দ কাজ করা
২৬. পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া
২৭. অপচয়
২৯. অনুমানভিত্তিক কাজ করা
৩০. অহংকার ও উদ্ধততা নিয়ে পৃথিবীর বুকে চলাচল করা
৩১. যিনি নিজ ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষাকে অনুসরণ করে তার কথা মেনে চলা
৩২. ইবাদাতে আল্লাহর সঙ্গে অন্য কাউকে শরিক করা
৩৩. ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষাকে অনুসরণ করা
৩৪. অন্যদেরকে আল্লাহর পথ অনুসরণে বাধা দেওয়া
৩৫. অপরাধ করা
৩৬. বিস্মরণ প্রবণতা
৩৭. সীমালঙ্ঘন
৩৮. মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া
৩৯. মিথ্যা বলা
৪০. ধর্মীয় চরমপন্থা অবলম্বন করা
৪১. হতাশ হওয়া
৪২. প্রদর্শনোচ্ছ্বা
৪৩. দুনিয়ার জীবনে পরিতৃপ্ত হওয়া
৪৪. নিজ ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষাকে অনুসরণ করা
৪৫. কারো ওপর অতিরিক্ত বোঝা চাপিয়ে দেওয়া
৪৬. আল্লাহর নিদর্শন নিয়ে হাসি-তামাশা করা
৪৭. দোয়া করার পর দ্রুত জবাব আশা করা
৪৮. নিজ প্রশংসা করা
৪৯. নাম স্মরণ করা
৫০. লোভ
৫১. আতঙ্কগ্রস্ত হওয়া
৫২. সংশয়
৫৩. অন্যদেরকে আনুকূল্যের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া
৫৪. কৃপণতা
৫৫. কারো বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া
৫৬. সালাতের বিষয়ে অমনোযোগী হওয়া
৫৭. প্রদর্শনোচ্ছ্বা
৫৮. অন্যদেরকে ধার না দেওয়া
৫৯. খুব অল্প দামে আল্লাহর নিদর্শন বিক্রি করে দেওয়া
৬০. সত্যকে মিথ্যা হিসেবে উপস্থাপন করা
৬০. জ্ঞান গোপন করা
৬১. নির্দয় বা পাষাণ হওয়া
৬২. শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করা
৬৩. সুচিন্তিতভাবে প্রাণঘাতী কাজের ঝুঁকি নেওয়া
৬৪. বিরক্তির সঙ্গে সেবামূলক কাজ করা
৬৫. স্বার্থবোধক বই বা কথা অনুসরণ করা
৬৬. কাফিরদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করা
৬৭. যা করা হয়নি তার জন্য প্রশংসা কামনা করা
৬৮. হিংসা
৬৯. আল্লাহর আইন মেনে নিতে অস্বীকার করা
৭০. অত্যাচারীর আইন মেনে নেওয়া
৭১. শত্রু ও বিশ্বাসঘাতকদের সামনে নিজেকে দুর্বল মনে করা
৭২. নির্দোষ ব্যক্তির বিরুদ্ধে পাপের অভিযোগ করা
৭৩. আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের (ﷺ) বিরোধিতা করা
৭৪. মু'মিনদের পথ ছাড়া অন্য কোনো পথ অনুসরণ করা
৭৫. সহজ সরল পথ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়া
৭৬. প্রকাশ্যে খারাপ কথা উচ্চারণ করা
৭৭. সীমালঙ্ঘন ও পাপ কাজে সহযোগিতা করা
৭৮. আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন তা ব্যতীত অন্য কোনো আইন দিয়ে শাসন কার্য পরিচালনা করা
৭৯. শরীয়াহ্ দ্বারা পরিচালিত শাসন ব্যবস্থাকে এড়িয়ে চলার জন্য ঘুষ গ্রহণ করা
৮০. মন্দ কাজের আদেশ দেওয়া
৮১. ভালো কাজে নিষেধ করা
৮২. আল্লাহকে ভুলে যাওয়া
৮৩. প্রতারণা করা
৮৪. মনে সন্দেহ পোষণ করে আল্লাহর ইবাদত করা
৮৫. অন্যদের নিয়ে বাজে চিন্তা করা
৮৬. গুপ্তচরবৃত্তি করা
৮৭. অন্যের কুৎসা রটনা করা
৮৮. মিথ্যা শপথ করা
টিকা:
১০৯. আরবি শব্দ খামছা মানে হলো-পাঁচ; আর গুমায়েশ মানে হলো হাতের মতো দেখতে এক ধরনের অলঙ্কার, যা বদনজর ও হিংসার প্রভাব থেকে বাঁচার জন্য তাবিজ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।