📘 জিন এবং জিনকেন্দ্রিক অসুস্থতা ও প্রতিকার 📄 উদ্বেগ

📄 উদ্বেগ


উদ্বেগ মানে হলো অস্থিরতা; এটা প্রশান্তি বা শান্ত শব্দের বিপরীত। উদ্বেগ এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক তথা মানসিক রোগ, এর বৈশিষ্ট্য হলো—দুশ্চিন্তা, ভয় ও আতঙ্ক। তবে এটা নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত কি না সেটা অস্পষ্ট। এটা ক্রনিকও হতে পারে।

উদ্বেগ এমন একটি মানসিক ব্যাধি প্রত্যেককেই যার মুখোমুখি হতে হয়, বিশেষ করে যখন তারা বিশেষ বিশেষ কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করেন, তবে উদ্বেগের মোকাবিলা সবাইকেই করতে হলেও এক্ষেত্রে আবার ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি ভেদে পরিলক্ষিত হয়, এটা নির্ভর করে তারা মনোবিজ্ঞানের ভিত্তিতে কতটা সুরক্ষিত এবং তাদের ব্যক্তিগত উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মাত্রা কতটুকুর ওপর। পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি ও ঘটনাগুলোর মধ্যেও বেশ পার্থক্য দেখা যায়。

উদ্বেগের লক্ষণ:
১- হৃদপিণ্ডে ব্যথা; অনিয়মিত হৃদকম্পন
২- মৃত্যু চিন্তা এবং ভারসাম্য হারানো
৩- অবিরাম তীব্র মাথা ব্যথা
৪- অনিদ্রা;
৫- ক্ষীণ স্মৃতিশক্তি ও চিন্তায় জটিলতা

এছাড়াও উদ্বেগের আরও কিছু লক্ষণ রয়েছে।

উদ্বেগের বেশ কিছু কারণ:
১- তীব্র উৎকণ্ঠা অনুভব করা এবং বিভিন্ন বিষয়ে খারাপ লাগা;
২- ব্যক্তির আকাঙ্ক্ষা ও সীমাবদ্ধতার মধ্যে দ্বন্দ্ব এবং যে দ্বন্দ্বের কারণে তার মনের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয় না。
৩- মানসিক অথবা শারীরিকভাবে চরম পরিশ্রান্তি; যা একটি আরেকটির সঙ্গে জড়িত।

এ উদ্বেগ যত বেশি স্থায়ী হবে এটা ক্রনিক হওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি, চরম পরিশ্রান্তির লক্ষণ প্রকাশিত হতে শুরু করবে এবং পাশাপাশি কিছু শারীরিক সমস্যা দেখা দেবে যেমন: হৃদপিণ্ডে সমস্যা, উচ্চরক্তচাপ, পাকস্থলী ও অন্ত্রে আলসার এবং আরও কিছু শারীরিক রোগ দেখা দেবে।

উদ্বেগের চিকিৎসা:
উদ্বেগ হলো প্রশান্তির বিপরীত, মহান আল্লাহ তা'আলার কিতাব এবং আল্লাহর রাসূলের (ﷺ) হাদীসে এ রোগের প্রতিকার দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ তা'আলা বলেন: “তারাই ঈমান আনে এবং আল্লাহর স্মরণে তাদের অন্তর প্রশান্তি লাভ করে। জেনে রেখ, আল্লাহর স্মরণের মাধ্যমেই দিলের সত্যিকারের প্রশান্তি লাভ করা যায়।” (সূরা আর-রা’দ ১৩:২৮)

উদ্বেগের কারণ যদি হয় ভয় ও উৎকণ্ঠা তাহলে এর প্রতিকার ইসলামে রয়েছে। মানুষের ভয় তৈরি হয় তিনটি প্রধান ইস্যু থেকে: খাদ্যসংস্থান, মৃত্যু ও অভিশপ্ত অথবা অনুগ্রহপ্রাপ্ত হওয়া। আল্লাহ তা'আলা এসব বিষয়ের নিশ্চয়তা দিয়েছেন, তিনি বলেন: “এমন অনেক জীবজন্তু আছে যারা নিজেদের খাদ্য মজুদ রাখে না, আল্লাহই তাদেরকে রিযক দান করেন আর তোমাদেরকেও। তিনি সব কিছু শোনেন, সব কিছু জানেন।” (সূরা আল আনকাবুত ২৯:৬০)
“আল্লাহই তো রিযকদাতা, মহা শক্তিধর, প্রবল পরাক্রান্ত।” (সূরা আয-যারিয়াত ৫১:৫৮)
“এবং আকাশে আছে তোমাদের রিযক আর আছে যার ও'য়াদা তোমাদেরকে দেয়া হয়েছে।” (সূরা আয-যারিয়াত ৫১:২২)

মৃত্যু প্রসঙ্গে আল্লাহ তা'আলা বলেন: “তিনিই জীবন দেন ও মৃত্যু ঘটান আর দিন-রাতের পরিবর্তন তাঁর দ্বারাই হয়, তবুও কি তোমরা বুঝবে না?” (সূরা আল-মুমিনুন ২৩: ৮০)

একইভাবে, অভিশপ্ত হওয়া অথবা অনুগ্রহপ্রাপ্ত হওয়া, উপকার-ক্ষতি সবই একমাত্র আল্লাহর হাতে এবং অবশ্য এগুলো মানুষ তার মাতৃগর্ভে থাকা অবস্থাই লিপিবদ্ধ হয়ে যায়。

আর উত্তেজনার কারণ যদি হয় মানুষের আকাঙ্ক্ষা ও সীমাবদ্ধতার মধ্যকার অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, তাহলে আল কুরআন তাকে সত্যকে অনুসরণ করার দিকনির্দেশনা দিচ্ছে; এ পথ মানুষের ওইসব আকাঙ্ক্ষাকে দমন করে, নিয়মানুবর্তী করে। মানুষের দেহ ও আত্মার যেসব আকাঙ্ক্ষা ফিতরাত বা তার স্বভাবের ওপর তৈরি হয় সেগুলোকে ইসলাম কখনোই অবরুদ্ধ করে না। সহীহ হাদীসে আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেন: “আমি ঘুমাই এবং আমি জাগ্রত হই (রাতের সালাতের জন্য), আমি রোযা রাখি (কিছু দিন) এবং আমি (কিছু দিন) রোযা রাখি না, এবং আমি নারীকে বিবাহ করেছি। যে ব্যক্তি আমার এ সুন্নাহ থেকে দূরে সরে যাবে সে আমার উম্মাতের অন্তর্ভুক্ত নয়।”

কিন্তু সবকিছুই সঠিক ক্ষেত্রে সঠিক উপায়ে করতে হবে。

একইভাবে সকল ইবাদাতও যেমন: সালাত, আল্লাহর যিকির ও কুরআন তেলাওয়াতও হৃদয়ে প্রশান্তি এনে দেয় এবং এর মাধ্যমেই মহান আল্লাহ সুবহানাহু তা'আলার সঙ্গে বান্দার সুন্দর সংযোগ ও সম্পর্ক তৈরি হয়। এ ইবাদাত মানুষকে আধ্যাত্মিক শক্তি প্রদান করে, তার মন থেকে সকল ভয়-আতঙ্ক দূর করে এবং তাকে একাকিত্ব থেকে মুক্তি দেয়, কারণ ইবাদাতের মাধ্যমেই বান্দার সঙ্গে সেই সৃষ্টি কর্তা ও প্রতিপালকের সরাসরি সম্পর্ক তৈরি হয় যার হাতে রয়েছে তার প্রাণ। সহীহ হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, আল্লাহর রাসূল (ﷺ) যদি কোনো কারণে মানসিক যন্ত্রণায় ভুগতেন তাহলে বলতেন: “হে বেলাল, চল আমরা সালাতের মধ্যে স্বস্তি খুঁজে নেই।” এবং তিনি বলতেন: “সালাতেই আমার আনন্দ।” অর্থাৎ সালাতের মাধ্যমেই আল্লাহর রাসূল (ﷺ) এর স্বস্তি ও আনন্দ ছিল। কুরআন ও সুন্নাহ হলো পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান, এতে রয়েছে অসুস্থতার এমন প্রতিরক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা যা উদ্বেগ-উৎকণ্ঠাকে দূরীভূত করে দেয়।

উদ্বেগ মানে হলো অস্থিরতা; এটা প্রশান্তি বা শান্ত শব্দের বিপরীত। উদ্বেগ এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক তথা মানসিক রোগ, এর বৈশিষ্ট্য হলো—দুশ্চিন্তা, ভয় ও আতঙ্ক। তবে এটা নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত কি না সেটা অস্পষ্ট। এটা ক্রনিকও হতে পারে।

উদ্বেগ এমন একটি মানসিক ব্যাধি প্রত্যেককেই যার মুখোমুখি হতে হয়, বিশেষ করে যখন তারা বিশেষ বিশেষ কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করেন, তবে উদ্বেগের মোকাবিলা সবাইকেই করতে হলেও এক্ষেত্রে আবার ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি ভেদে পরিলক্ষিত হয়, এটা নির্ভর করে তারা মনোবিজ্ঞানের ভিত্তিতে কতটা সুরক্ষিত এবং তাদের ব্যক্তিগত উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মাত্রা কতটুকুর ওপর। পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি ও ঘটনাগুলোর মধ্যেও বেশ পার্থক্য দেখা যায়。

উদ্বেগের লক্ষণ:
১- হৃদপিণ্ডে ব্যথা; অনিয়মিত হৃদকম্পন
২- মৃত্যু চিন্তা এবং ভারসাম্য হারানো
৩- অবিরাম তীব্র মাথা ব্যথা
৪- অনিদ্রা;
৫- ক্ষীণ স্মৃতিশক্তি ও চিন্তায় জটিলতা

এছাড়াও উদ্বেগের আরও কিছু লক্ষণ রয়েছে।

উদ্বেগের বেশ কিছু কারণ:
১- তীব্র উৎকণ্ঠা অনুভব করা এবং বিভিন্ন বিষয়ে খারাপ লাগা;
২- ব্যক্তির আকাঙ্ক্ষা ও সীমাবদ্ধতার মধ্যে দ্বন্দ্ব এবং যে দ্বন্দ্বের কারণে তার মনের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয় না。
৩- মানসিক অথবা শারীরিকভাবে চরম পরিশ্রান্তি; যা একটি আরেকটির সঙ্গে জড়িত।

এ উদ্বেগ যত বেশি স্থায়ী হবে এটা ক্রনিক হওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি, চরম পরিশ্রান্তির লক্ষণ প্রকাশিত হতে শুরু করবে এবং পাশাপাশি কিছু শারীরিক সমস্যা দেখা দেবে যেমন: হৃদপিণ্ডে সমস্যা, উচ্চরক্তচাপ, পাকস্থলী ও অন্ত্রে আলসার এবং আরও কিছু শারীরিক রোগ দেখা দেবে।

উদ্বেগের চিকিৎসা:
উদ্বেগ হলো প্রশান্তির বিপরীত, মহান আল্লাহ তা'আলার কিতাব এবং আল্লাহর রাসূলের (ﷺ) হাদীসে এ রোগের প্রতিকার দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ তা'আলা বলেন: “তারাই ঈমান আনে এবং আল্লাহর স্মরণে তাদের অন্তর প্রশান্তি লাভ করে। জেনে রেখ, আল্লাহর স্মরণের মাধ্যমেই দিলের সত্যিকারের প্রশান্তি লাভ করা যায়।” (সূরা আর-রা’দ ১৩:২৮)

উদ্বেগের কারণ যদি হয় ভয় ও উৎকণ্ঠা তাহলে এর প্রতিকার ইসলামে রয়েছে। মানুষের ভয় তৈরি হয় তিনটি প্রধান ইস্যু থেকে: খাদ্যসংস্থান, মৃত্যু ও অভিশপ্ত অথবা অনুগ্রহপ্রাপ্ত হওয়া। আল্লাহ তা'আলা এসব বিষয়ের নিশ্চয়তা দিয়েছেন, তিনি বলেন: “এমন অনেক জীবজন্তু আছে যারা নিজেদের খাদ্য মজুদ রাখে না, আল্লাহই তাদেরকে রিযক দান করেন আর তোমাদেরকেও। তিনি সব কিছু শোনেন, সব কিছু জানেন।” (সূরা আল আনকাবুত ২৯:৬০)
“আল্লাহই তো রিযকদাতা, মহা শক্তিধর, প্রবল পরাক্রান্ত।” (সূরা আয-যারিয়াত ৫১:৫৮)
“এবং আকাশে আছে তোমাদের রিযক আর আছে যার ও'য়াদা তোমাদেরকে দেয়া হয়েছে।” (সূরা আয-যারিয়াত ৫১:২২)

মৃত্যু প্রসঙ্গে আল্লাহ তা'আলা বলেন: “তিনিই জীবন দেন ও মৃত্যু ঘটান আর দিন-রাতের পরিবর্তন তাঁর দ্বারাই হয়, তবুও কি তোমরা বুঝবে না?” (সূরা আল-মুমিনুন ২৩: ৮০)

একইভাবে, অভিশপ্ত হওয়া অথবা অনুগ্রহপ্রাপ্ত হওয়া, উপকার-ক্ষতি সবই একমাত্র আল্লাহর হাতে এবং অবশ্য এগুলো মানুষ তার মাতৃগর্ভে থাকা অবস্থাই লিপিবদ্ধ হয়ে যায়。

আর উত্তেজনার কারণ যদি হয় মানুষের আকাঙ্ক্ষা ও সীমাবদ্ধতার মধ্যকার অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, তাহলে আল কুরআন তাকে সত্যকে অনুসরণ করার দিকনির্দেশনা দিচ্ছে; এ পথ মানুষের ওইসব আকাঙ্ক্ষাকে দমন করে, নিয়মানুবর্তী করে। মানুষের দেহ ও আত্মার যেসব আকাঙ্ক্ষা ফিতরাত বা তার স্বভাবের ওপর তৈরি হয় সেগুলোকে ইসলাম কখনোই অবরুদ্ধ করে না। সহীহ হাদীসে আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেন: “আমি ঘুমাই এবং আমি জাগ্রত হই (রাতের সালাতের জন্য), আমি রোযা রাখি (কিছু দিন) এবং আমি (কিছু দিন) রোযা রাখি না, এবং আমি নারীকে বিবাহ করেছি। যে ব্যক্তি আমার এ সুন্নাহ থেকে দূরে সরে যাবে সে আমার উম্মাতের অন্তর্ভুক্ত নয়।”

কিন্তু সবকিছুই সঠিক ক্ষেত্রে সঠিক উপায়ে করতে হবে。

একইভাবে সকল ইবাদাতও যেমন: সালাত, আল্লাহর যিকির ও কুরআন তেলাওয়াতও হৃদয়ে প্রশান্তি এনে দেয় এবং এর মাধ্যমেই মহান আল্লাহ সুবহানাহু তা'আলার সঙ্গে বান্দার সুন্দর সংযোগ ও সম্পর্ক তৈরি হয়। এ ইবাদাত মানুষকে আধ্যাত্মিক শক্তি প্রদান করে, তার মন থেকে সকল ভয়-আতঙ্ক দূর করে এবং তাকে একাকিত্ব থেকে মুক্তি দেয়, কারণ ইবাদাতের মাধ্যমেই বান্দার সঙ্গে সেই সৃষ্টি কর্তা ও প্রতিপালকের সরাসরি সম্পর্ক তৈরি হয় যার হাতে রয়েছে তার প্রাণ। সহীহ হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, আল্লাহর রাসূল (ﷺ) যদি কোনো কারণে মানসিক যন্ত্রণায় ভুগতেন তাহলে বলতেন: “হে বেলাল, চল আমরা সালাতের মধ্যে স্বস্তি খুঁজে নেই।” এবং তিনি বলতেন: “সালাতেই আমার আনন্দ।” অর্থাৎ সালাতের মাধ্যমেই আল্লাহর রাসূল (ﷺ) এর স্বস্তি ও আনন্দ ছিল। কুরআন ও সুন্নাহ হলো পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান, এতে রয়েছে অসুস্থতার এমন প্রতিরক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা যা উদ্বেগ-উৎকণ্ঠাকে দূরীভূত করে দেয়।

📘 জিন এবং জিনকেন্দ্রিক অসুস্থতা ও প্রতিকার 📄 ভারসাম্যপূর্ণ আচরণের গুণাবলী

📄 ভারসাম্যপূর্ণ আচরণের গুণাবলী


ঈমানের শাখাসমূহ: সেই আল্লাহভীরু মু'মিন যিনি ঈমানের সকল শাখা অনুসরণ করেন। আমরা যদি প্রধান উপাদান ও শাখাসমূহসহ ঈমানের পূর্ণাঙ্গতা প্রকাশ করতে চাই, তাহলে এর জন্য সর্বোৎকৃষ্ট শব্দ হিসেবে পাব তাকওয়া। আল্লাহভীরু মু'মিন যিনি ঈমানের সকল শাখা অনুসরণ করেন তিনি আল্লাহ যা তাকে করার জন্য আদেশ করেন তা পালন করেন এবং আল্লাহ যা তাকে করতে নিষেধ করেছেন তা থেকে বিরত থাকেন।

শাখা শব্দটির অর্থ হচ্ছে কোনো কিছুর অংশ। আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেন: “ঈমানের রয়েছে সত্তরটিরও বেশি শাখা, এর মধ্যে সর্বোচ্চ শাখা হলো লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ -এ সাক্ষ্য দেওয়া এবং সর্বনিম্ন শাখা হলো রাস্তা থেকে মানুষের জন্য ক্ষতিকর কিছু সরিয়ে ফেলা। আর হায়া (নম্রতা ও লজ্জা) হলো ঈমানের অঙ্গ।”

ঈমানের সকল শাখা অনুসরণ করা সবচেয়ে বেশি দরকার সাধারণ মুসলমান এবং বিশেষ করে অসুস্থ ব্যক্তির জন্য, জিনের আক্রমণ এবং কুনজর ও জাদু টোনার কারণে সৃষ্ট অসুস্থতাসহ সকল অসুখ থেকে নিজেকে রক্ষার জন্য তাকে জানতে হবে আল্লাহ তা'আলার সকল আদেশ ও নিষেধ।

ঈমানের শাখাসমূহ: সেই আল্লাহভীরু মু'মিন যিনি ঈমানের সকল শাখা অনুসরণ করেন। আমরা যদি প্রধান উপাদান ও শাখাসমূহসহ ঈমানের পূর্ণাঙ্গতা প্রকাশ করতে চাই, তাহলে এর জন্য সর্বোৎকৃষ্ট শব্দ হিসেবে পাব তাকওয়া। আল্লাহভীরু মু'মিন যিনি ঈমানের সকল শাখা অনুসরণ করেন তিনি আল্লাহ যা তাকে করার জন্য আদেশ করেন তা পালন করেন এবং আল্লাহ যা তাকে করতে নিষেধ করেছেন তা থেকে বিরত থাকেন।

শাখা শব্দটির অর্থ হচ্ছে কোনো কিছুর অংশ। আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেন: “ঈমানের রয়েছে সত্তরটিরও বেশি শাখা, এর মধ্যে সর্বোচ্চ শাখা হলো লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ -এ সাক্ষ্য দেওয়া এবং সর্বনিম্ন শাখা হলো রাস্তা থেকে মানুষের জন্য ক্ষতিকর কিছু সরিয়ে ফেলা। আর হায়া (নম্রতা ও লজ্জা) হলো ঈমানের অঙ্গ।”

ঈমানের সকল শাখা অনুসরণ করা সবচেয়ে বেশি দরকার সাধারণ মুসলমান এবং বিশেষ করে অসুস্থ ব্যক্তির জন্য, জিনের আক্রমণ এবং কুনজর ও জাদু টোনার কারণে সৃষ্ট অসুস্থতাসহ সকল অসুখ থেকে নিজেকে রক্ষার জন্য তাকে জানতে হবে আল্লাহ তা'আলার সকল আদেশ ও নিষেধ।

📘 জিন এবং জিনকেন্দ্রিক অসুস্থতা ও প্রতিকার 📄 ঈমানের পূর্ণাঙ্গতা অর্জনে সহায়ক গুণের তালিকা

📄 ঈমানের পূর্ণাঙ্গতা অর্জনে সহায়ক গুণের তালিকা


ঈমানের শাখাসমূহ:
১- আল্লাহর প্রতি ঈমান: তাঁর অস্তিত্ব ও একত্ববাদে বিশ্বাস, তাঁর গুণাবলীর পরিপূর্ণতার প্রতি, এ বিশ্বাস করা যে, তিনি ব্যতীত মহাবিশ্বের সবকিছু তাঁর হাতেই সৃষ্টি হয়েছে।
২- আল্লাহর রাসুলের (সা.) প্রতি বিশ্বাস
৩- আল্লাহর নাযিলকৃত কিতাবসমূহের প্রতি বিশ্বাস
৪- ফেরেশতাদের প্রতি বিশ্বাস
৫- আল্লাহর আদেশের প্রতি বিশ্বাস
৬- বিচার দিবসের প্রতি বিশ্বাস
৭- আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা
৮- আল্লাহর প্রতি ভয়
৯- আল্লাহর প্রতি ভরসা
১০- আল্লাহর প্রতি আশা
১১- আল্লাহর রাসুলের (সা.) প্রতি ভালোবাসা
১২- আল্লাহর রাসূলকে (সা.) সম্মান ও শ্রদ্ধা করা এবং তার সুন্নাহ অনুসরণ করা
১৩- ইবাদাতে আন্তরিকতা এবং কোনো লোক দেখানো ইবাদাত নয়
১৪- তাওবাহ
১৫- আল্লাহর অনুগ্রহের শুকরিয়া আদায়
১৬- ধৈর্য
১৭- দয়া ও করুণা
১৮- হায়া (লজ্জা ও নম্রতা)
১৯- কুরআন তেলাওয়াত করা এবং কুরআনের প্রতি সম্মান দেখানো
২০- জ্ঞানার্জন করা এবং অন্যদেরকে শিক্ষা দেওয়া
২১- জ্ঞান প্রচার করা এবং অন্যদেরকে শেখানো
২২- দোয়া
২৩- যিকির (আল্লাহর স্মরণ) এবং ক্ষমা প্রার্থনা করা
২৪- নিজের জিহ্বা সংযত করা এবং অনর্থক কথা থেকে বিরত থাকা
২৫- শারীরিক ও আত্মিক পরিপক্বতা অর্জন করা
২৬- ফরয ও নফল সালাত আদায় করা
২৭- ফরয ও নফল যাকাত আদায় করা
২৮- ফরয ও নফল রোযা রাখা
২৯- ফরয ও নফল হজ আদায় করা
৩০- ই’তিকাফ
৩১- আল্লাহর পথে জিহাদ
৩২- আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সীমান্ত পাহারা দেওয়া
৩৩- দীন তথা ধর্মের অঙ্গীকারের প্রতি সতর্ক থাকা
৩৪- ওয়াদা পূর্ণ করা
৩৫- ওয়াদা রক্ষা করা
৩৬- আস্থা পরিপূর্ণ করা
৩৭- জনসাধারণের বিপক্ষে অপরাধ নিষিদ্ধকরণ
৩৮- হারাম উপার্জন থেকে বিরত থাকা
৩৯- মিতব্যয়ী হওয়া
৪০- সম্মান বজায় রাখা
৪১- ভালো কাজে সন্তুষ্ট থাকা এবং খারাপ কাজে দুঃখিত হওয়া
৪২- শাসকের আনুগত্য করা
৪৩- ভালো কাজের আদেশ দেওয়া এবং খারাপ কাজের নিষেধ করা
৪৪- ন্যায়নিষ্ঠা ও ধর্মভীরুতার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করা
৪৫- ইজমা’র (ইসলামের প্রধান ধারা) পথে অটল থাকা
৪৬- ন্যায়পরায়ণ হওয়া
৪৭- পিতামাতাকে সম্মান করা
৪৮- আত্মীয়তার বন্ধন অটুট রাখা
৫০- উত্তম দৃষ্টিভঙ্গি থাকা
৫১- মানুষের বিবাদ মিটিয়ে দেওয়া
৫২- সীমা নির্ধারণ থেকে দূরে থাকা
৫৩- আল্লাহর আদেশ প্রতিষ্ঠা করা
৫৪- প্রতিবেশির প্রতি সম্মান প্রদর্শন
৫৫- সালামের উত্তর দেওয়া
৫৬- রোগীর সঙ্গে দেখা করা
৫৭- কারো হাঁচির জবাবে ইয়ারহামুকাল্লাহ (আল্লাহ আপনার প্রতি রহম করুন) বলা
৫৮- অতিথিকে সম্মান করা
৫ix- কঠোর তপস্যা করা (জুহদ)
৬০- আত্মরক্ষামূলক ঈর্ষা (গীরাহ)
৬১- উদারতা
৬২- ছোটদের প্রতি স্নেহ এবং বড়দের প্রতি সম্মান
৬৩- নিজের জন্য যা পছন্দ তা ভাইয়ের জন্যও পছন্দ করা
৬৪- ব্যয়ের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা এবং সঠিকভাবে ব্যয় করা。
৬৫- হালাল উপার্জন নিশ্চিত করা
৬৬- মানুষের ক্ষতি করা থেকে বিরত থাকা
৬- মৃতের জানাজায় অংশ নেওয়া
৬৮- অন্যের পাপ বা দোষ গোপন করা
৬৯- শিশুর অধিকার রক্ষা করা
৭০- আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কাউকে ভালোবাসা
৭১- আল্লাহর সন্তuষ্টির জন্য কাউকে ঘৃণা করা
৭২- বিনম্রতা
৭৩- অনর্থক সময় নষ্ট না করা
৭৪- কুফরি পরিহার করা
৭৫- অন্যদেরকে ধর্মীয় অধিকারের প্রতি আহ্বান জানানো
৭৬- আল্লাহর আদেশ বা তকদিরকে মেনে নেওয়া
৭৭- রাস্তা থেকে ক্ষতিকারক বস্তু সরিয়ে ফেলা

ঈমানের শাখার কথা বলা হয়েছে এমন বেশ কিছু হাদীস থেকে এ তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

ঈমানের শাখাসমূহ:
১- আল্লাহর প্রতি ঈমান: তাঁর অস্তিত্ব ও একত্ববাদে বিশ্বাস, তাঁর গুণাবলীর পরিপূর্ণতার প্রতি, এ বিশ্বাস করা যে, তিনি ব্যতীত মহাবিশ্বের সবকিছু তাঁর হাতেই সৃষ্টি হয়েছে।
২- আল্লাহর রাসুলের (সা.) প্রতি বিশ্বাস
৩- আল্লাহর নাযিলকৃত কিতাবসমূহের প্রতি বিশ্বাস
৪- ফেরেশতাদের প্রতি বিশ্বাস
৫- আল্লাহর আদেশের প্রতি বিশ্বাস
৬- বিচার দিবসের প্রতি বিশ্বাস
৭- আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা
৮- আল্লাহর প্রতি ভয়
৯- আল্লাহর প্রতি ভরসা
১০- আল্লাহর প্রতি আশা
১১- আল্লাহর রাসুলের (সা.) প্রতি ভালোবাসা
১২- আল্লাহর রাসূলকে (সা.) সম্মান ও শ্রদ্ধা করা এবং তার সুন্নাহ অনুসরণ করা
১৩- ইবাদাতে আন্তরিকতা এবং কোনো লোক দেখানো ইবাদাত নয়
১৪- তাওবাহ
১৫- আল্লাহর অনুগ্রহের শুকরিয়া আদায়
১৬- ধৈর্য
১৭- দয়া ও করুণা
১৮- হায়া (লজ্জা ও নম্রতা)
১৯- কুরআন তেলাওয়াত করা এবং কুরআনের প্রতি সম্মান দেখানো
২০- জ্ঞানার্জন করা এবং অন্যদেরকে শিক্ষা দেওয়া
২১- জ্ঞান প্রচার করা এবং অন্যদেরকে শেখানো
২২- দোয়া
২৩- যিকির (আল্লাহর স্মরণ) এবং ক্ষমা প্রার্থনা করা
২৪- নিজের জিহ্বা সংযত করা এবং অনর্থক কথা থেকে বিরত থাকা
২৫- শারীরিক ও আত্মিক পরিপক্বতা অর্জন করা
২৬- ফরয ও নফল সালাত আদায় করা
২৭- ফরয ও নফল যাকাত আদায় করা
২৮- ফরয ও নফল রোযা রাখা
২৯- ফরয ও নফল হজ আদায় করা
৩০- ই’তিকাফ
৩১- আল্লাহর পথে জিহাদ
৩২- আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সীমান্ত পাহারা দেওয়া
৩৩- দীন তথা ধর্মের অঙ্গীকারের প্রতি সতর্ক থাকা
৩৪- ওয়াদা পূর্ণ করা
৩৫- ওয়াদা রক্ষা করা
৩৬- আস্থা পরিপূর্ণ করা
৩৭- জনসাধারণের বিপক্ষে অপরাধ নিষিদ্ধকরণ
৩৮- হারাম উপার্জন থেকে বিরত থাকা
৩৯- মিতব্যয়ী হওয়া
৪০- সম্মান বজায় রাখা
৪১- ভালো কাজে সন্তুষ্ট থাকা এবং খারাপ কাজে দুঃখিত হওয়া
৪২- শাসকের আনুগত্য করা
৪৩- ভালো কাজের আদেশ দেওয়া এবং খারাপ কাজের নিষেধ করা
৪৪- ন্যায়নিষ্ঠা ও ধর্মভীরুতার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করা
৪৫- ইজমা’র (ইসলামের প্রধান ধারা) পথে অটল থাকা
৪৬- ন্যায়পরায়ণ হওয়া
৪৭- পিতামাতাকে সম্মান করা
৪৮- আত্মীয়তার বন্ধন অটুট রাখা
৫০- উত্তম দৃষ্টিভঙ্গি থাকা
৫১- মানুষের বিবাদ মিটিয়ে দেওয়া
৫২- সীমা নির্ধারণ থেকে দূরে থাকা
৫৩- আল্লাহর আদেশ প্রতিষ্ঠা করা
৫৪- প্রতিবেশির প্রতি সম্মান প্রদর্শন
৫৫- সালামের উত্তর দেওয়া
৫৬- রোগীর সঙ্গে দেখা করা
৫৭- কারো হাঁচির জবাবে ইয়ারহামুকাল্লাহ (আল্লাহ আপনার প্রতি রহম করুন) বলা
৫৮- অতিথিকে সম্মান করা
৫ix- কঠোর তপস্যা করা (জুহদ)
৬০- আত্মরক্ষামূলক ঈর্ষা (গীরাহ)
৬১- উদারতা
৬২- ছোটদের প্রতি স্নেহ এবং বড়দের প্রতি সম্মান
৬৩- নিজের জন্য যা পছন্দ তা ভাইয়ের জন্যও পছন্দ করা
৬৪- ব্যয়ের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা এবং সঠিকভাবে ব্যয় করা。
৬৫- হালাল উপার্জন নিশ্চিত করা
৬৬- মানুষের ক্ষতি করা থেকে বিরত থাকা
৬- মৃতের জানাজায় অংশ নেওয়া
৬৮- অন্যের পাপ বা দোষ গোপন করা
৬৯- শিশুর অধিকার রক্ষা করা
৭০- আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কাউকে ভালোবাসা
৭১- আল্লাহর সন্তuষ্টির জন্য কাউকে ঘৃণা করা
৭২- বিনম্রতা
৭৩- অনর্থক সময় নষ্ট না করা
৭৪- কুফরি পরিহার করা
৭৫- অন্যদেরকে ধর্মীয় অধিকারের প্রতি আহ্বান জানানো
৭৬- আল্লাহর আদেশ বা তকদিরকে মেনে নেওয়া
৭৭- রাস্তা থেকে ক্ষতিকারক বস্তু সরিয়ে ফেলা

ঈমানের শাখার কথা বলা হয়েছে এমন বেশ কিছু হাদীস থেকে এ তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

📘 জিন এবং জিনকেন্দ্রিক অসুস্থতা ও প্রতিকার 📄 বড় গুনাহর তালিকা

📄 বড় গুনাহর তালিকা


৩১. পাপে নিমজ্জিত হওয়া
৩২. ইবাদাত করে প্রশংসা পেতে পছন্দ করা
৩৩. এ দুনিয়ার জীবনে পরিতৃপ্ত হওয়া
৩৪. আল্লাহ ও পরকাল ভুলে যাওয়া
৩৫. কেউ অপরাধ করলে তাতে রাগান্বিত হওয়া এবং কেউ ভুল করে বসলে প্রতিশোধ নেওয়া
৩৬. অনবরত পাপ করে যাওয়া এবং পাশাপাশি আল্লাহর দয়া করুণার ওপর নির্ভর করে আল্লাহর পরিকল্পনা থেকে নিজেকে নিরাপদ মনে করা
৩৭. আল্লাহর দয়া ও করুণায় হতাশ হওয়া
৩৮. আল্লাহকে নিয়ে বাজে চিন্তা করা
৩৯. আল্লাহর করুণায় হতাশ হওয়া
৪০. দুনিয়াবী স্বার্থ হাসিলের জন্য জ্ঞান অর্জন করা
৪১. জ্ঞান গোপন করা
৪২. জানা অনুসারে আমল না করা
৪৩. অহঙ্কারবশত নিজের জ্ঞান প্রচার করা
৪৪. বিদ্বানদের অবস্থান খাটো করে দেখা এবং তাদের মর্যাদাহানি করা
৪৫. আল্লাহ সম্পর্কে সুচিন্তিত মিথ্যা বলা
৪৬. আল্লাহর রাসূল (সাঃ) সম্পর্কে সুচিন্তিত মিথ্যা বলা
৪৭. খারাপ পথ প্রবর্তন করা
৪৮. সুন্নাহ পরিত্যাগ করা
৪৯. তকদিরে বিশ্বাস না করা
৫০. ওয়াদা পূরণ না করা
৫১. খারাপ কাজকে ভালোবাসা
৫২. সৎ ও খোদাভীরু লোককে ঘৃণা করা
৫৩. আল্লাহর ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের বিরুদ্ধে অন্যায় করা এবং তাদেরকে শত্রু হিসেবে গণ্য করা
৫৪. যুগ বা সময়কে অভিশাপ দেওয়া
৫৫. এমন কোনো কথা বলা যা বড় ধরনের বিপদ ও ক্ষয়-ক্ষতির কারণ হতে পারে
৫৬. অনুগ্রহপ্রাপ্ত হয়েও অকৃতজ্ঞ থাকা
৫৭. মানুষ যাতে আপনাকে ভয় করে সেজন্য খারাপ আচরণ করা এবং অশালীন ভাষায় কথা বলা

৩১. পাপে নিমজ্জিত হওয়া
৩২. ইবাদাত করে প্রশংসা পেতে পছন্দ করা
৩৩. এ দুনিয়ার জীবনে পরিতৃপ্ত হওয়া
৩৪. আল্লাহ ও পরকাল ভুলে যাওয়া
৩৫. কেউ অপরাধ করলে তাতে রাগান্বিত হওয়া এবং কেউ ভুল করে বসলে প্রতিশোধ নেওয়া
৩৬. অনবরত পাপ করে যাওয়া এবং পাশাপাশি আল্লাহর দয়া করুণার ওপর নির্ভর করে আল্লাহর পরিকল্পনা থেকে নিজেকে নিরাপদ মনে করা
৩৭. আল্লাহর দয়া ও করুণায় হতাশ হওয়া
৩৮. আল্লাহকে নিয়ে বাজে চিন্তা করা
৩৯. আল্লাহর করুণায় হতাশ হওয়া
৪০. দুনিয়াবী স্বার্থ হাসিলের জন্য জ্ঞান অর্জন করা
৪১. জ্ঞান গোপন করা
৪২. জানা অনুসারে আমল না করা
৪৩. অহঙ্কারবশত নিজের জ্ঞান প্রচার করা
৪৪. বিদ্বানদের অবস্থান খাটো করে দেখা এবং তাদের মর্যাদাহানি করা
৪৫. আল্লাহ সম্পর্কে সুচিন্তিত মিথ্যা বলা
৪৬. আল্লাহর রাসূল (সাঃ) সম্পর্কে সুচিন্তিত মিথ্যা বলা
৪৭. খারাপ পথ প্রবর্তন করা
৪৮. সুন্নাহ পরিত্যাগ করা
৪৯. তকদিরে বিশ্বাস না করা
৫০. ওয়াদা পূরণ না করা
৫১. খারাপ কাজকে ভালোবাসা
৫২. সৎ ও খোদাভীরু লোককে ঘৃণা করা
৫৩. আল্লাহর ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের বিরুদ্ধে অন্যায় করা এবং তাদেরকে শত্রু হিসেবে গণ্য করা
৫৪. যুগ বা সময়কে অভিশাপ দেওয়া
৫৫. এমন কোনো কথা বলা যা বড় ধরনের বিপদ ও ক্ষয়-ক্ষতির কারণ হতে পারে
৫৬. অনুগ্রহপ্রাপ্ত হয়েও অকৃতজ্ঞ থাকা
৫৭. মানুষ যাতে আপনাকে ভয় করে সেজন্য খারাপ আচরণ করা এবং অশালীন ভাষায় কথা বলা

ফন্ট সাইজ
15px
17px