📄 শিশুদের স্নায়ুরোগ
শিশুদের মধ্যে যাদের স্নায়ুরোগ রয়েছে তাদের অধিকাংশই পেটিটমল সিজার, যা সাধারণত পাঁচ বছর বয়স থেকে শুরু হয় এবং ১২ বছর বয়স পর্যন্ত স্থায়ী হয়। পেটিটমল সিজার পরবর্তীতে আবারও দেখা দিতে পারে অথবা বয়স্ককালে চলে যেতে পারে অথবা এটি গ্রান্ডমাল সিজার দ্বারা স্থলাভিষিক্ত হতে পারে।
শিশুদের মধ্যে যাদের স্নায়ুরোগ রয়েছে তাদের অধিকাংশই পেটিটমল সিজার, যা সাধারণত পাঁচ বছর বয়স থেকে শুরু হয় এবং ১২ বছর বয়স পর্যন্ত স্থায়ী হয়। পেটিটমল সিজার পরবর্তীতে আবারও দেখা দিতে পারে অথবা বয়স্ককালে চলে যেতে পারে অথবা এটি গ্রান্ডমাল সিজার দ্বারা স্থলাভিষিক্ত হতে পারে।
📄 ইলেক্ট্রনিক গেমস ও শিশুদের স্নায়ুরোগ
আধুনিক গবেষণায় দেখা গেছে যে, অনেক শিশুদের মাঝে স্নায়ুরোগ হওয়ার পেছনে প্রধান ভূমিকা পালন করে ইলেকট্রনিক গেমস। মেডিকেল প্রতিবেদন থেকে প্রমাণিত হয়েছে যে, অনেক শিশুর মস্তিষ্ক ইলেকট্রনিক গেম থেকে নিঃসৃত মিটিমিটি আলোর প্রতি সংবেদনশীল। ব্রিটেনে ৩০ হাজার থেকে ৪০ হাজার শিশু স্নায়ুরোগে আক্রান্ত এবং এদের মধ্যে শতকরা ৫ জন অসুস্থ হয়েছে শুধু ইলেকট্রনিক গেমের কারণে। জাপানে ২০০ শিশুর ওপর পরিচালিত মেডিকেল পরীক্ষায় দেখা গেছে, তাদের আগে কখনো স্নায়ুরোগ ছিল না, কিন্তু ইলেকট্রনিক গেম খেলার কারণে তাদের মাঝে এ রোগের লক্ষণ প্রকাশিত হতে শুরু করেছে। সম্প্রতি ফ্রান্সে ১০টি শিশু ইলেকট্রনিক গেমের কারণে স্নায়ুরোগে আক্রান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। [১৩৩]
টিকা:
১৩৩. মাজালাতুল উলুম ওয়াল তাকনিয়্যাহ, আল বারানামায় আল সানী, ১৭/১১/১৪১০, ইযাহ আল মামলাকাতো আল আরাবিয়্যাহ আল সাউদিয়্যাহ;
আধুনিক গবেষণায় দেখা গেছে যে, অনেক শিশুদের মাঝে স্নায়ুরোগ হওয়ার পেছনে প্রধান ভূমিকা পালন করে ইলেকট্রনিক গেমস। মেডিকেল প্রতিবেদন থেকে প্রমাণিত হয়েছে যে, অনেক শিশুর মস্তিষ্ক ইলেকট্রনিক গেম থেকে নিঃসৃত মিটিমিটি আলোর প্রতি সংবেদনশীল। ব্রিটেনে ৩০ হাজার থেকে ৪০ হাজার শিশু স্নায়ুরোগে আক্রান্ত এবং এদের মধ্যে শতকরা ৫ জন অসুস্থ হয়েছে শুধু ইলেকট্রনিক গেমের কারণে। জাপানে ২০০ শিশুর ওপর পরিচালিত মেডিকেল পরীক্ষায় দেখা গেছে, তাদের আগে কখনো স্নায়ুরোগ ছিল না, কিন্তু ইলেকট্রনিক গেম খেলার কারণে তাদের মাঝে এ রোগের লক্ষণ প্রকাশিত হতে শুরু করেছে। সম্প্রতি ফ্রান্সে ১০টি শিশু ইলেকট্রনিক গেমের কারণে স্নায়ুরোগে আক্রান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। [১৩৩]
টিকা:
১৩৩. মাজালাতুল উলুম ওয়াল তাকনিয়্যাহ, আল বারানামায় আল সানী, ১৭/১১/১৪১০, ইযাহ আল মামলাকাতো আল আরাবিয়্যাহ আল সাউদিয়্যাহ;
📄 যেসব বৈশিষ্ট্য দিয়ে মেডিক্যাল এপিলেপসিকে আলাদা করা যায়
১. অন্যদের প্রতি রোগীর আক্রমণাত্মক মনোভাব রয়েছে।
২. সে মনে করে একমাত্র তার মতামতই সঠিক এবং সে কখনো অন্যের ভুলকে ক্ষমা করে না।
৩. তার মেজাজ ও আবেগ খুবই নিস্প্রভ এবং ধীরগতির।
৪. অনেকসময় সে কোনো ধরনের যাচাই না করেই অকারণে রেগে ফেটে পড়ে।
৫. সে প্রায়ই তার কথা ও কর্ম দ্বারা অন্যদেরকে প্রতারিত করে।
৬. সে প্রত্যাশা করে অন্যরা তার প্রতি সদয় ও উপকারী হবে।
৭. তার মেজাজ ভালোবাসা ও ঘৃণা, আগ্রহ ও অনাগ্রহ, দয়ালু ও রূক্ষতার মাঝেই আবর্তিত হয়।
৮. সে খুবই সংবেদনশীল হবে এবং সহজেই ভর্ৎসনার শিকার হয়।
৯. সে সবসময় মনোকষ্টে ভোগে, কারণ তার মনে কোনো নিরাপত্তা ও শান্তি নেই।
১. অন্যদের প্রতি রোগীর আক্রমণাত্মক মনোভাব রয়েছে।
২. সে মনে করে একমাত্র তার মতামতই সঠিক এবং সে কখনো অন্যের ভুলকে ক্ষমা করে না।
৩. তার মেজাজ ও আবেগ খুবই নিস্প্রভ এবং ধীরগতির।
৪. অনেকসময় সে কোনো ধরনের যাচাই না করেই অকারণে রেগে ফেটে পড়ে।
৫. সে প্রায়ই তার কথা ও কর্ম দ্বারা অন্যদেরকে প্রতারিত করে।
৬. সে প্রত্যাশা করে অন্যরা তার প্রতি সদয় ও উপকারী হবে।
৭. তার মেজাজ ভালোবাসা ও ঘৃণা, আগ্রহ ও অনাগ্রহ, দয়ালু ও রূক্ষতার মাঝেই আবর্তিত হয়।
৮. সে খুবই সংবেদনশীল হবে এবং সহজেই ভর্ৎসনার শিকার হয়।
৯. সে সবসময় মনোকষ্টে ভোগে, কারণ তার মনে কোনো নিরাপত্তা ও শান্তি নেই।
📄 স্নায়ুরোগের চিকিৎসা
মেডিক্যাল এপিলেপসির চিকিৎসার ক্ষেত্রে মনোবিজ্ঞান প্রাথমিক ভূমিকা পালন করে। চিকিৎসকরাও এপিলেপসি শনাক্ত করার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ, তারা বেশ দক্ষতার সঙ্গে ব্রেইনের স্ক্যান ইমেজ বিশ্লেষণ করে তারপর নির্দেশ করেন রোগীর কোন্ ধরনের চিকিৎসা দরকার, তার জন্য কি ওষুধ না কি শল্যচিকিৎসা না কাউন্সেলিং দরকার এসব চিকিৎসকের মতামতের ওপর নির্ভর করে। চিকিৎসকরা এপিলেপসি বা স্নায়ুরোগের ক্ষেত্রে সাধারণত যেসব পরামর্শ দিয়ে থাকেন সেগুলো আমি এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন মনে করছি:
১- স্নায়ুরোগীকে তার জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে এমনসব কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখতে হবে, যেমন: পানিতে সাঁতার কাটা, গাড়ি চালানো অথবা পর্বতারোহণ ইত্যাদি।
২- সে মিটিমিটি আলোর দিকে তাকাতে পারবে না, শিশুদের ক্ষেত্রে ইলেক্ট্রনিক গেম এবং বড়দের ক্ষেত্রে টেলিভিশন অথবা সিনেমার স্ক্রিনের দিকে তাকানো যাবে না।
৩- রোগীর পরিবার রোগীকে নিয়ে অতিমাত্রায় চিন্তিত হয়ে পড়বেন না, ঠিক একইভাবে আবার তার সমস্যাকে খুব খাটো করেও দেখবেন না।
৪- রোগীর পরিবার রোগীর আচরণ নিয়ন্ত্রণের জন্য ভর্ৎসনা, বকাবকি, অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ ও ভয় দেখানোর পথ অবলম্বন করবেন না।
৫- চিকিৎসকের পরামর্শ অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলতে হবে এবং যথাসময়ে তাকে ওষুধ খাওয়ানো হবে।
৬- রোগীকে এমন কোনো খাবার ও পানীয় দেওয়া যাবে না যাতে উদ্দীপনা সৃষ্টিকারী উপাদান রয়েছে, যেমন ধূমপান ও উত্তেজক খাবার।
অন্যান্য স্নায়ুরোগ অর্থাৎ যেগুলো জিন দ্বারা সংঘটিত হয় সেগুলোর ক্ষেত্রে সমাধান কেবলমাত্র তাদের কাছেই পাওয়া যাবে যারা কুরআনে নির্দেশিত পন্থায় চিকিৎসা করেন।
মেডিক্যাল এপিলেপসির চিকিৎসার ক্ষেত্রে মনোবিজ্ঞান প্রাথমিক ভূমিকা পালন করে। চিকিৎসকরাও এপিলেপসি শনাক্ত করার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ, তারা বেশ দক্ষতার সঙ্গে ব্রেইনের স্ক্যান ইমেজ বিশ্লেষণ করে তারপর নির্দেশ করেন রোগীর কোন্ ধরনের চিকিৎসা দরকার, তার জন্য কি ওষুধ না কি শল্যচিকিৎসা না কাউন্সেলিং দরকার এসব চিকিৎসকের মতামতের ওপর নির্ভর করে। চিকিৎসকরা এপিলেপসি বা স্নায়ুরোগের ক্ষেত্রে সাধারণত যেসব পরামর্শ দিয়ে থাকেন সেগুলো আমি এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন মনে করছি:
১- স্নায়ুরোগীকে তার জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে এমনসব কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখতে হবে, যেমন: পানিতে সাঁতার কাটা, গাড়ি চালানো অথবা পর্বতারোহণ ইত্যাদি।
২- সে মিটিমিটি আলোর দিকে তাকাতে পারবে না, শিশুদের ক্ষেত্রে ইলেক্ট্রনিক গেম এবং বড়দের ক্ষেত্রে টেলিভিশন অথবা সিনেমার স্ক্রিনের দিকে তাকানো যাবে না।
৩- রোগীর পরিবার রোগীকে নিয়ে অতিমাত্রায় চিন্তিত হয়ে পড়বেন না, ঠিক একইভাবে আবার তার সমস্যাকে খুব খাটো করেও দেখবেন না।
৪- রোগীর পরিবার রোগীর আচরণ নিয়ন্ত্রণের জন্য ভর্ৎসনা, বকাবকি, অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ ও ভয় দেখানোর পথ অবলম্বন করবেন না।
৫- চিকিৎসকের পরামর্শ অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলতে হবে এবং যথাসময়ে তাকে ওষুধ খাওয়ানো হবে।
৬- রোগীকে এমন কোনো খাবার ও পানীয় দেওয়া যাবে না যাতে উদ্দীপনা সৃষ্টিকারী উপাদান রয়েছে, যেমন ধূমপান ও উত্তেজক খাবার।
অন্যান্য স্নায়ুরোগ অর্থাৎ যেগুলো জিন দ্বারা সংঘটিত হয় সেগুলোর ক্ষেত্রে সমাধান কেবলমাত্র তাদের কাছেই পাওয়া যাবে যারা কুরআনে নির্দেশিত পন্থায় চিকিৎসা করেন।