📄 স্নায়ুরোগ
স্নায়ুরোগের সংজ্ঞা: প্রবলভাবে পেশী সংকোচনসহ প্রচুর সংখ্যক ক্লিনিক্যাল প্রকাশ থাকায় চিকিৎসকরা স্নায়ুরোগের কোনো সমর্থিত ও সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা দিতে পারেননি。
এপিলেপটিক সিজার: চিকিৎসকরা এ শব্দ দ্বারা রোগীর শরীরে হঠাৎ আক্রমণকে নির্দেশ করে থাকেন, এ আক্রমণের ফলে দেহে খিঁচুনি ও কম্পনসহ প্রবল স্নায়বিক চাপ দেখা যায়। চিকিৎসকরা এ রোগকে দুটি ভাগে ভাগ করেছেন। গ্রান্ড মল ও পেটিট মল। গ্রান্ডমল সিজার হলে রোগী অচেতন হয়ে যায়, আর অন্যদিকে পেটিটমল সিজার সংঘটিত হয় প্রাথমিক পর্যায়ে, যা রোগী অথবা তার আশেপাশের কেউ টের পায় না। এ সিজার তিন থেকে দশ সেকেন্ড স্থায়ী হয় এবং এক্ষেত্রে পেশীর সংকোচন দেখা যায় না। এটা হঠাৎ করে সংঘটিত হয়, যার ফলে রোগী হঠাৎ করে কিছুক্ষণের জন্য কথা বন্ধ করে দেয় এবং তারপর বিড়বিড় করে আবার পুরো বিস্তারিত কথা চালিয়ে যেতে থাকে, তবে তার কথার মধ্যে মনোযোগ দেখা যায় না অথবা রোগী তার মূল বিষয় থেকে দূরে সরে যায়। রোগী হঠাৎ করেই কোনো এক দিকে স্থির তাকিয়ে থাকে, কিছুক্ষণ পরে আবার তার কাজে ফিরে যায়。
স্নায়ুরোগের কারণ: এপিলেপটিক সিজারের পেছনে চিকিৎসকরা তিনটি ফ্যাক্টর দাঁড় করিয়েছেন:
১. ব্যক্তিগত সম্ভাবনা ও বংশগত
২. মস্তিষ্কে সমস্যা
৩. নিউরোলজিক্যাল কর্মকাণ্ডে পরিবর্তন
তবে এপিলেপটিক সিজার এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো জিনের আক্রমণ। কিন্তু এ কারণটি অনেক চিকিৎসকেই স্বীকার করতে চান না, যদিও তারাই বলে থাকেন যে, কিছু স্নায়ুরোগের কারণ আধুনিক বিজ্ঞানও আবিষ্কার করতে সক্ষম নয়। আশ্চর্যের বিষয় হলো, যারা এটা অস্বীকার করেন তাদের বেশিরভাগই আমাদের নিজেদের লোক, অথচ পাশ্চাত্যের কিছু চিকিৎসক জিনের কারণে সংঘটিত স্নায়ুরোগের কথা স্বীকার করেছেন। শায়খ আব্দুল রাযিক তার আলিম আল জিন ওয়া মালাইকা গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, পাশ্চাত্যের অনেক বিজ্ঞানী এটা স্বীকার করেছেন, তাদের মধ্যে একজনের কথা তিনি উল্লেখ করেছেন, তিনি হলেন আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন ফর সাইকোলজিক্যাল রিসার্চ এর সদস্য ক্যারিনটন। ক্যারিনটন তার বই মডার্ন স্পিরিচুয়াল ফেনোমেনায় জিনের আক্রমণের কথা উল্লেখ করেছেন, তিনি বলেন: জিনে ধরার ঘটনা বিরল হলেও এর সত্যতা রয়েছে, এটি বাস্তব ঘটনা এবং এর সমর্থনে অনেক আশ্চর্যজনক ঘটনা থাকার পরও বিজ্ঞান বিষয়টিকে অবজ্ঞা করতে পারে না। [১৩০]
ড. বেল তার অ্যানালাইসিস অব আনআইডেন্টিফাইড কেইসেস ইন দ্য ট্রিটমেন্ট অব মেন্টাল এন্ড নার্ভাস ইলনেস বইতে উল্লেখ করেছেন, আমাদের কিছু ঘটনা থাকে যা আমরা খোলাখুলিভাবে বলি বা আলোচনা করি, বিশেষ করে আত্মার আছর করার বিষয়ে, কারণ এটা মানসিক ও স্নায়বিক রোগের একটি কারণজনিত ফ্যাক্টর। আত্মার আছর করা পূর্বের ধারণার চেয়েও অনেক বেশি জটিল। অতঃপর তিনি আরো বলেন: যখন আধ্যাত্মিক প্র্যাকটিশনারগণ আত্মার আছর করা লোকের মধ্য থেকে শয়তানের মন্দ আত্মা বিতাড়িত ও অসুস্থ রোগীর চিকিৎসা করার চেষ্টা করেন, তখন তারা চিকিৎসকদের কাছ থেকে এর জন্য ঘৃণা ও তাচ্ছিল্য ছাড়া কিছুই পান না। [۱۳۱]
ড. জেমস্ হ্যাসেলসন তার বইয়ে জিনের আছর করা সম্পর্কে বলেন, এটা হলো মানুষের মনের ওপর স্বাধীন ও বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন সত্তা দ্বারা সংঘটিত একধরনের অস্বাভাবিক প্রভাব, সুতরাং কোনো সত্তা দ্বারা মনের ওপর সৃষ্ট প্রভাব তথা জিনের আছর করার বিষয়টি অস্বীকার করা যায় না। মানুষের মনের ওপর জিনের প্রভাব বিস্তার করার বিষয়টি আরও যেসব চিকিৎসক স্বীকার করেছেন তারা হলেন—মিনিপলিস বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. কার্ল ওয়াকল্যান্ড ও ড. ব্যারাজ, মেডিসিন ও সার্জারিতে নোবেল জয়ী ড. অ্যালেনিস ক্যারেল। [১৪২]
প্রাচীনকালে স্নায়ুরোগকে বলা হতো “ঐশ্বরিক অসুস্থতা” অথবা “পবিত্র অসুস্থতা”, কারণ তারা মনে করতেন এ ধরনের অসুস্থতার পেছনে রয়েছে বাহ্যিক শক্তি অথবা আত্মাদের (জিনের) স্পর্শ। প্রাচীনকালের মানুষ এ রোগকে এর বিশ্বস্ত ও হঠাৎ প্রকাশিত লক্ষণগুলো দিয়ে এভাবে ব্যাখ্যা করতেন যে, এ রোগ সংগঠিত হয় অশুভ আত্মার প্রভাবে, যা মানুষের দেহে অথবা মস্তিষ্কে প্রবেশ করে মুখ দিয়ে। অনেক সূত্র থেকে জানা গেছে যে, ওঝা মানব ও ইনকা উপজাতির মানুষের মাথার খুলিতে যে ছিদ্র পাওয়া গেছে তা স্নায়ুরোগের (এপিলেপসি) ফল, কারণ এ চিকিৎসার উদ্দেশ্য ছিল মাথার এ ছিদ্র দিয়ে শয়তান বা অশুভ আত্মাকে বিতাড়িত করা। এছাড়াও প্রাচীনকালের মানুষ এ রোগের চিকিৎসার জন্য তাবিজ-কবচ, লিখিত মন্ত্র ব্যবহার করত। গবেষণায় দেখা গেছে যে, জাদুকররা এ রোগের চিকিৎসায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন, তারা অশুভ আত্মাদের নাম ধরে ধরে ডেকে তাদেরকে বশ করে রোগীর দেহ থেকে বিতাড়িত করতেন।
অভিজ্ঞতা প্রমাণ করেছে এবং দেখিয়েছে সুনির্দিষ্টভাবে, এবং এতে সন্দেহের লেশ মাত্র নেই যে, স্নায়ুরোগের অনেক ক্ষেত্রেই তারা জিনের সঙ্গে কথা বলেছে, তাদের কাছ থেকে রোগীর দেহ ত্যাগ করার এবং কখনো ফিরে না আসার প্রতিশ্রুতি নিয়েছে, যখনই রোগী অচেতন অবস্থা থেকে জেগে উঠেছে তখন আর অসুস্থতার চিহ্ন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
এটি কোনো দ্বিধাবিভক্ত আচরণ নয়, যেভাবে অনেক সাইকোলজিস্ট পরামর্শ প্রদান করে থাকেন। এর পক্ষে কুরআন ও হাদীসের প্রমাণই যথেষ্ট। শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যা (রহ.) বলেন: জিন মানুষের দেহে প্রবেশ করতে পারে এ তথ্যটি আহলুস সুন্নাহ-এর সম্মতিক্রমে প্রমাণিত। যারা এর সত্যতা যাচাই করেছেন, এটা পরীক্ষা করেছেন তারা নিজ চোখে এ সত্য দেখেছেন এবং প্রত্যক্ষ করেছেন। জিন মৃগীরোগীর দেহে প্রবেশ করে এবং তার মুখ দিয়ে এমনসব কথা বলে যে সম্পর্কে ওই ব্যক্তি সচেতন নন এবং পরবর্তীতে তিনি তা স্মরণও করতে পারেন না। [২১]
টিকা:
১৩০. আলমূল জিন ওয়া মালাইকাহ, পৃ-৮২।
১৩১. আলমূল জিন ওয়া মালাইকাহ, পৃ-৮৩।
১৪২. প্রাগুক্ত, পৃ-৮০।
১৮. ইগাইছাল আল ইনসান মিনাল জিন ওয়াশ শায়তান, পৃ-৫৮-৫৮।
১৯. আত তিব্বুন-নাবাবী, ৫২।
২০. রিসালাত আল জিন, ৮।
২১. মুকতাসার আল ফাতাওয়া, ৫৬৪।
স্নায়ুরোগের সংজ্ঞা: প্রবলভাবে পেশী সংকোচনসহ প্রচুর সংখ্যক ক্লিনিক্যাল প্রকাশ থাকায় চিকিৎসকরা স্নায়ুরোগের কোনো সমর্থিত ও সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা দিতে পারেননি。
এপিলেপটিক সিজার: চিকিৎসকরা এ শব্দ দ্বারা রোগীর শরীরে হঠাৎ আক্রমণকে নির্দেশ করে থাকেন, এ আক্রমণের ফলে দেহে খিঁচুনি ও কম্পনসহ প্রবল স্নায়বিক চাপ দেখা যায়। চিকিৎসকরা এ রোগকে দুটি ভাগে ভাগ করেছেন। গ্রান্ড মল ও পেটিট মল। গ্রান্ডমল সিজার হলে রোগী অচেতন হয়ে যায়, আর অন্যদিকে পেটিটমল সিজার সংঘটিত হয় প্রাথমিক পর্যায়ে, যা রোগী অথবা তার আশেপাশের কেউ টের পায় না। এ সিজার তিন থেকে দশ সেকেন্ড স্থায়ী হয় এবং এক্ষেত্রে পেশীর সংকোচন দেখা যায় না। এটা হঠাৎ করে সংঘটিত হয়, যার ফলে রোগী হঠাৎ করে কিছুক্ষণের জন্য কথা বন্ধ করে দেয় এবং তারপর বিড়বিড় করে আবার পুরো বিস্তারিত কথা চালিয়ে যেতে থাকে, তবে তার কথার মধ্যে মনোযোগ দেখা যায় না অথবা রোগী তার মূল বিষয় থেকে দূরে সরে যায়। রোগী হঠাৎ করেই কোনো এক দিকে স্থির তাকিয়ে থাকে, কিছুক্ষণ পরে আবার তার কাজে ফিরে যায়。
স্নায়ুরোগের কারণ: এপিলেপটিক সিজারের পেছনে চিকিৎসকরা তিনটি ফ্যাক্টর দাঁড় করিয়েছেন:
১. ব্যক্তিগত সম্ভাবনা ও বংশগত
২. মস্তিষ্কে সমস্যা
৩. নিউরোলজিক্যাল কর্মকাণ্ডে পরিবর্তন
তবে এপিলেপটিক সিজার এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো জিনের আক্রমণ। কিন্তু এ কারণটি অনেক চিকিৎসকেই স্বীকার করতে চান না, যদিও তারাই বলে থাকেন যে, কিছু স্নায়ুরোগের কারণ আধুনিক বিজ্ঞানও আবিষ্কার করতে সক্ষম নয়। আশ্চর্যের বিষয় হলো, যারা এটা অস্বীকার করেন তাদের বেশিরভাগই আমাদের নিজেদের লোক, অথচ পাশ্চাত্যের কিছু চিকিৎসক জিনের কারণে সংঘটিত স্নায়ুরোগের কথা স্বীকার করেছেন। শায়খ আব্দুল রাযিক তার আলিম আল জিন ওয়া মালাইকা গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, পাশ্চাত্যের অনেক বিজ্ঞানী এটা স্বীকার করেছেন, তাদের মধ্যে একজনের কথা তিনি উল্লেখ করেছেন, তিনি হলেন আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন ফর সাইকোলজিক্যাল রিসার্চ এর সদস্য ক্যারিনটন। ক্যারিনটন তার বই মডার্ন স্পিরিচুয়াল ফেনোমেনায় জিনের আক্রমণের কথা উল্লেখ করেছেন, তিনি বলেন: জিনে ধরার ঘটনা বিরল হলেও এর সত্যতা রয়েছে, এটি বাস্তব ঘটনা এবং এর সমর্থনে অনেক আশ্চর্যজনক ঘটনা থাকার পরও বিজ্ঞান বিষয়টিকে অবজ্ঞা করতে পারে না। [১৩০]
ড. বেল তার অ্যানালাইসিস অব আনআইডেন্টিফাইড কেইসেস ইন দ্য ট্রিটমেন্ট অব মেন্টাল এন্ড নার্ভাস ইলনেস বইতে উল্লেখ করেছেন, আমাদের কিছু ঘটনা থাকে যা আমরা খোলাখুলিভাবে বলি বা আলোচনা করি, বিশেষ করে আত্মার আছর করার বিষয়ে, কারণ এটা মানসিক ও স্নায়বিক রোগের একটি কারণজনিত ফ্যাক্টর। আত্মার আছর করা পূর্বের ধারণার চেয়েও অনেক বেশি জটিল। অতঃপর তিনি আরো বলেন: যখন আধ্যাত্মিক প্র্যাকটিশনারগণ আত্মার আছর করা লোকের মধ্য থেকে শয়তানের মন্দ আত্মা বিতাড়িত ও অসুস্থ রোগীর চিকিৎসা করার চেষ্টা করেন, তখন তারা চিকিৎসকদের কাছ থেকে এর জন্য ঘৃণা ও তাচ্ছিল্য ছাড়া কিছুই পান না। [۱۳۱]
ড. জেমস্ হ্যাসেলসন তার বইয়ে জিনের আছর করা সম্পর্কে বলেন, এটা হলো মানুষের মনের ওপর স্বাধীন ও বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন সত্তা দ্বারা সংঘটিত একধরনের অস্বাভাবিক প্রভাব, সুতরাং কোনো সত্তা দ্বারা মনের ওপর সৃষ্ট প্রভাব তথা জিনের আছর করার বিষয়টি অস্বীকার করা যায় না। মানুষের মনের ওপর জিনের প্রভাব বিস্তার করার বিষয়টি আরও যেসব চিকিৎসক স্বীকার করেছেন তারা হলেন—মিনিপলিস বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. কার্ল ওয়াকল্যান্ড ও ড. ব্যারাজ, মেডিসিন ও সার্জারিতে নোবেল জয়ী ড. অ্যালেনিস ক্যারেল। [১৪২]
প্রাচীনকালে স্নায়ুরোগকে বলা হতো “ঐশ্বরিক অসুস্থতা” অথবা “পবিত্র অসুস্থতা”, কারণ তারা মনে করতেন এ ধরনের অসুস্থতার পেছনে রয়েছে বাহ্যিক শক্তি অথবা আত্মাদের (জিনের) স্পর্শ। প্রাচীনকালের মানুষ এ রোগকে এর বিশ্বস্ত ও হঠাৎ প্রকাশিত লক্ষণগুলো দিয়ে এভাবে ব্যাখ্যা করতেন যে, এ রোগ সংগঠিত হয় অশুভ আত্মার প্রভাবে, যা মানুষের দেহে অথবা মস্তিষ্কে প্রবেশ করে মুখ দিয়ে। অনেক সূত্র থেকে জানা গেছে যে, ওঝা মানব ও ইনকা উপজাতির মানুষের মাথার খুলিতে যে ছিদ্র পাওয়া গেছে তা স্নায়ুরোগের (এপিলেপসি) ফল, কারণ এ চিকিৎসার উদ্দেশ্য ছিল মাথার এ ছিদ্র দিয়ে শয়তান বা অশুভ আত্মাকে বিতাড়িত করা। এছাড়াও প্রাচীনকালের মানুষ এ রোগের চিকিৎসার জন্য তাবিজ-কবচ, লিখিত মন্ত্র ব্যবহার করত। গবেষণায় দেখা গেছে যে, জাদুকররা এ রোগের চিকিৎসায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন, তারা অশুভ আত্মাদের নাম ধরে ধরে ডেকে তাদেরকে বশ করে রোগীর দেহ থেকে বিতাড়িত করতেন।
অভিজ্ঞতা প্রমাণ করেছে এবং দেখিয়েছে সুনির্দিষ্টভাবে, এবং এতে সন্দেহের লেশ মাত্র নেই যে, স্নায়ুরোগের অনেক ক্ষেত্রেই তারা জিনের সঙ্গে কথা বলেছে, তাদের কাছ থেকে রোগীর দেহ ত্যাগ করার এবং কখনো ফিরে না আসার প্রতিশ্রুতি নিয়েছে, যখনই রোগী অচেতন অবস্থা থেকে জেগে উঠেছে তখন আর অসুস্থতার চিহ্ন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
এটি কোনো দ্বিধাবিভক্ত আচরণ নয়, যেভাবে অনেক সাইকোলজিস্ট পরামর্শ প্রদান করে থাকেন। এর পক্ষে কুরআন ও হাদীসের প্রমাণই যথেষ্ট। শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যা (রহ.) বলেন: জিন মানুষের দেহে প্রবেশ করতে পারে এ তথ্যটি আহলুস সুন্নাহ-এর সম্মতিক্রমে প্রমাণিত। যারা এর সত্যতা যাচাই করেছেন, এটা পরীক্ষা করেছেন তারা নিজ চোখে এ সত্য দেখেছেন এবং প্রত্যক্ষ করেছেন। জিন মৃগীরোগীর দেহে প্রবেশ করে এবং তার মুখ দিয়ে এমনসব কথা বলে যে সম্পর্কে ওই ব্যক্তি সচেতন নন এবং পরবর্তীতে তিনি তা স্মরণও করতে পারেন না। [২১]
টিকা:
১৩০. আলমূল জিন ওয়া মালাইকাহ, পৃ-৮২।
১৩১. আলমূল জিন ওয়া মালাইকাহ, পৃ-৮৩।
১৪২. প্রাগুক্ত, পৃ-৮০।
১৮. ইগাইছাল আল ইনসান মিনাল জিন ওয়াশ শায়তান, পৃ-৫৮-৫৮।
১৯. আত তিব্বুন-নাবাবী, ৫২।
২০. রিসালাত আল জিন, ৮।
২১. মুকতাসার আল ফাতাওয়া, ৫৬৪।
📄 শিশুদের স্নায়ুরোগ
শিশুদের মধ্যে যাদের স্নায়ুরোগ রয়েছে তাদের অধিকাংশই পেটিটমল সিজার, যা সাধারণত পাঁচ বছর বয়স থেকে শুরু হয় এবং ১২ বছর বয়স পর্যন্ত স্থায়ী হয়। পেটিটমল সিজার পরবর্তীতে আবারও দেখা দিতে পারে অথবা বয়স্ককালে চলে যেতে পারে অথবা এটি গ্রান্ডমাল সিজার দ্বারা স্থলাভিষিক্ত হতে পারে।
শিশুদের মধ্যে যাদের স্নায়ুরোগ রয়েছে তাদের অধিকাংশই পেটিটমল সিজার, যা সাধারণত পাঁচ বছর বয়স থেকে শুরু হয় এবং ১২ বছর বয়স পর্যন্ত স্থায়ী হয়। পেটিটমল সিজার পরবর্তীতে আবারও দেখা দিতে পারে অথবা বয়স্ককালে চলে যেতে পারে অথবা এটি গ্রান্ডমাল সিজার দ্বারা স্থলাভিষিক্ত হতে পারে।
📄 ইলেক্ট্রনিক গেমস ও শিশুদের স্নায়ুরোগ
আধুনিক গবেষণায় দেখা গেছে যে, অনেক শিশুদের মাঝে স্নায়ুরোগ হওয়ার পেছনে প্রধান ভূমিকা পালন করে ইলেকট্রনিক গেমস। মেডিকেল প্রতিবেদন থেকে প্রমাণিত হয়েছে যে, অনেক শিশুর মস্তিষ্ক ইলেকট্রনিক গেম থেকে নিঃসৃত মিটিমিটি আলোর প্রতি সংবেদনশীল। ব্রিটেনে ৩০ হাজার থেকে ৪০ হাজার শিশু স্নায়ুরোগে আক্রান্ত এবং এদের মধ্যে শতকরা ৫ জন অসুস্থ হয়েছে শুধু ইলেকট্রনিক গেমের কারণে। জাপানে ২০০ শিশুর ওপর পরিচালিত মেডিকেল পরীক্ষায় দেখা গেছে, তাদের আগে কখনো স্নায়ুরোগ ছিল না, কিন্তু ইলেকট্রনিক গেম খেলার কারণে তাদের মাঝে এ রোগের লক্ষণ প্রকাশিত হতে শুরু করেছে। সম্প্রতি ফ্রান্সে ১০টি শিশু ইলেকট্রনিক গেমের কারণে স্নায়ুরোগে আক্রান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। [১৩৩]
টিকা:
১৩৩. মাজালাতুল উলুম ওয়াল তাকনিয়্যাহ, আল বারানামায় আল সানী, ১৭/১১/১৪১০, ইযাহ আল মামলাকাতো আল আরাবিয়্যাহ আল সাউদিয়্যাহ;
আধুনিক গবেষণায় দেখা গেছে যে, অনেক শিশুদের মাঝে স্নায়ুরোগ হওয়ার পেছনে প্রধান ভূমিকা পালন করে ইলেকট্রনিক গেমস। মেডিকেল প্রতিবেদন থেকে প্রমাণিত হয়েছে যে, অনেক শিশুর মস্তিষ্ক ইলেকট্রনিক গেম থেকে নিঃসৃত মিটিমিটি আলোর প্রতি সংবেদনশীল। ব্রিটেনে ৩০ হাজার থেকে ৪০ হাজার শিশু স্নায়ুরোগে আক্রান্ত এবং এদের মধ্যে শতকরা ৫ জন অসুস্থ হয়েছে শুধু ইলেকট্রনিক গেমের কারণে। জাপানে ২০০ শিশুর ওপর পরিচালিত মেডিকেল পরীক্ষায় দেখা গেছে, তাদের আগে কখনো স্নায়ুরোগ ছিল না, কিন্তু ইলেকট্রনিক গেম খেলার কারণে তাদের মাঝে এ রোগের লক্ষণ প্রকাশিত হতে শুরু করেছে। সম্প্রতি ফ্রান্সে ১০টি শিশু ইলেকট্রনিক গেমের কারণে স্নায়ুরোগে আক্রান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। [১৩৩]
টিকা:
১৩৩. মাজালাতুল উলুম ওয়াল তাকনিয়্যাহ, আল বারানামায় আল সানী, ১৭/১১/১৪১০, ইযাহ আল মামলাকাতো আল আরাবিয়্যাহ আল সাউদিয়্যাহ;
📄 যেসব বৈশিষ্ট্য দিয়ে মেডিক্যাল এপিলেপসিকে আলাদা করা যায়
১. অন্যদের প্রতি রোগীর আক্রমণাত্মক মনোভাব রয়েছে।
২. সে মনে করে একমাত্র তার মতামতই সঠিক এবং সে কখনো অন্যের ভুলকে ক্ষমা করে না।
৩. তার মেজাজ ও আবেগ খুবই নিস্প্রভ এবং ধীরগতির।
৪. অনেকসময় সে কোনো ধরনের যাচাই না করেই অকারণে রেগে ফেটে পড়ে।
৫. সে প্রায়ই তার কথা ও কর্ম দ্বারা অন্যদেরকে প্রতারিত করে।
৬. সে প্রত্যাশা করে অন্যরা তার প্রতি সদয় ও উপকারী হবে।
৭. তার মেজাজ ভালোবাসা ও ঘৃণা, আগ্রহ ও অনাগ্রহ, দয়ালু ও রূক্ষতার মাঝেই আবর্তিত হয়।
৮. সে খুবই সংবেদনশীল হবে এবং সহজেই ভর্ৎসনার শিকার হয়।
৯. সে সবসময় মনোকষ্টে ভোগে, কারণ তার মনে কোনো নিরাপত্তা ও শান্তি নেই।
১. অন্যদের প্রতি রোগীর আক্রমণাত্মক মনোভাব রয়েছে।
২. সে মনে করে একমাত্র তার মতামতই সঠিক এবং সে কখনো অন্যের ভুলকে ক্ষমা করে না।
৩. তার মেজাজ ও আবেগ খুবই নিস্প্রভ এবং ধীরগতির।
৪. অনেকসময় সে কোনো ধরনের যাচাই না করেই অকারণে রেগে ফেটে পড়ে।
৫. সে প্রায়ই তার কথা ও কর্ম দ্বারা অন্যদেরকে প্রতারিত করে।
৬. সে প্রত্যাশা করে অন্যরা তার প্রতি সদয় ও উপকারী হবে।
৭. তার মেজাজ ভালোবাসা ও ঘৃণা, আগ্রহ ও অনাগ্রহ, দয়ালু ও রূক্ষতার মাঝেই আবর্তিত হয়।
৮. সে খুবই সংবেদনশীল হবে এবং সহজেই ভর্ৎসনার শিকার হয়।
৯. সে সবসময় মনোকষ্টে ভোগে, কারণ তার মনে কোনো নিরাপত্তা ও শান্তি নেই।