📘 জিন এবং জিনকেন্দ্রিক অসুস্থতা ও প্রতিকার 📄 বদনজর ও হিংসা থেকে বাঁচার জন্য বহুল বিস্তৃত তিরস্কারযোগ্য বিদয়াতসমূহ

📄 বদনজর ও হিংসা থেকে বাঁচার জন্য বহুল বিস্তৃত তিরস্কারযোগ্য বিদয়াতসমূহ


কুনজর ও হিংসা থেকে বাঁচার জন্য মানুষ বিভিন্ন ধরনের বিদয়াত चालू করেছে এবং তারা বিশ্বাস করে যে, এসব বিদয়াত কুনজরের ও হিংসুকের অনিষ্ট দূর করে। এসব বিদয়াত হলো:

১. তাবিজ-কবচ: এ তাবিজ আরবরা তাদের শিশুদের গলায় বেঁধে দিত তাদেরকে কুনজরের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য। এটা এক ধরনের শিরক। কারণ এক হাদীসে আল্লাহর রাসূল ( ﷺ ) বলেছেন: “যে ব্যক্তি গলায় তাবিজ পরল, সে শিরক করল।”

২. যেসব তাবিজে কুরআন ও হাদীস ব্যতীত অন্য কোনো কথা রয়েছে সেগুলো ব্যবহার করাও শিরক।

৩. বাড়িতে প্রাণীর খোলস ঝুলানো, যেগুলো আসে সমুদ্র থেকে, ব্যবহার করা হয় কুনজরের বিপরীতে সুরক্ষার জন্য。

৪. অর্ধচন্দ্র অথবা প্রাণীর দাঁত ও হাড়ের আকারে নীল রঙের তসবিহ ও ধাতব গুটি সজ্জিত নেকলেস রাখা。

৫. ঘোড়া অথবা গাধার খুর টানানো অথবা বাড়ির দরজায় তামার তৈরি মাঝখানে চোখ ওয়ালা হাত রাখা, বাহনের জন্য ব্যবহৃত প্রাণীর ঘাড়ের চারদিকে এবং গাড়িতে এটা লাগানো。

৬. নীল পুঁতি দিয়ে সজ্জিত আংটি পরিধান করা, এবং এতে কিছু কথা লেখা থাকে কুনজর থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য。

৭. বাড়িতে ও থামারে বিভিন্ন প্রাণীর কঙ্কাল ঝুলিয়ে রাখা。

৮. বরযাত্রী মেহমানদের গায়ে লবণ ছিটিয়ে দেওয়া, বিভিন্ন দেশে এ কাজটি করা হয় বর ও কনেকে কুনজরের প্রভাব থেকে রক্ষা করার জন্য。

৯. অদ্ভুত কিছু শব্দ ও বাক্য এ বিশ্বাসে ব্যবহার করা যে, এগুলো কুনজরের কুপ্রভাব দূর করবে, যেমন বলা: খামছা ও গুমাইশ অথবা ইজমাহিকুল শ্যাব (কাট স্পষ্ট করা)—এ সব শব্দ এসেছে হিন্দু ধর্ম থেকে। কারণ হিন্দুরা কাঠকে পবিত্র মনে করে এবং তাদের ধারণা এ কাট তাদেরকে বিভিন্ন ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে。

১০. গাড়িতে কিছু কথা লিখে রাখা, যেমন: “আ’ইনাল হুসুদ ফিহা উ’দ (হিংসুকের চোখে লাঠি) ইত্যাদি。

১১. ঘূপ অসুস্থ ব্যক্তিকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে এমন বিশ্বাস করা。

এগুলো তিরষ্কারযোগ্য কিছু বিদয়াত বা নব্যপ্রবর্তন, আর সাধারণ মানুষ মনে করে এগুলো পালন করলে বা মেনে চললে কুনজর ও মানুষের হিংসা থেকে বাঁচা যাবে।

টিকা:
১০৯. আরবি শব্দ খামছা মানে হল-পাঁচ; আর গুমায়েশ মানে হল হাতের মতো দেখতে এক ধরনের অলঙ্কার, যা বদনজর ও হিংসার প্রভাব থেকে বাঁচার জন্য তাবিজ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

কুনজর ও হিংসা থেকে বাঁচার জন্য মানুষ বিভিন্ন ধরনের বিদয়াত চালু করেছে এবং তারা বিশ্বাস করে যে, এসব বিদয়াত কুনজরের ও হিংসুকের অনিষ্ট দূর করে। এসব বিদয়াত হলো:

১. তাবিজ-কবচ: এ তাবিজ আরবরা তাদের শিশুদের গলায় বেঁধে দিত তাদেরকে কুনজরের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য। এটা এক ধরনের শিরক। কারণ এক হাদীসে আল্লাহর রাসূল ( ﷺ ) বলেছেন: “যে ব্যক্তি গলায় তাবিজ পরল, সে শিরক করল।”

২. যেসব তাবিজে কুরআন ও হাদীস ব্যতীত অন্য কোনো কথা রয়েছে সেগুলো ব্যবহার করাও শিরক।

৩. বাড়িতে প্রাণীর খোলস ঝুলানো, যেগুলো আসে সমুদ্র থেকে, ব্যবহার করা হয় কুনজরের বিপরীতে সুরক্ষার জন্য。

৪. অর্ধচন্দ্র অথবা প্রাণীর দাঁত ও হাড়ের আকারে নীল রঙের তসবিহ ও ধাতব গুটি সজ্জিত নেকলেস রাখা。

৫. ঘোড়া অথবা গাধার খুর টানানো অথবা বাড়ির দরজায় তামাৰ তৈরি মাঝখানে চোখ ওয়ালা হাত রাখা, বাহনের জন্য ব্যবহৃত প্রাণীর ঘাড়ের চারদিকে এবং গাড়িতে এটা লাগানো。

৬. নীল পুঁতি দিয়ে সজ্জিত আংটি পরিধান করা, এবং এতে কিছু কথা লেখা থাকে কুনজর থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য。

৭. বাড়িতে ও থামারে বিভিন্ন প্রাণীর কঙ্কাল ঝুলিয়ে রাখা。

৮. বরযাত্রী মেহমানদের গায়ে লবণ ছিটিয়ে দেওয়া, বিভিন্ন দেশে এ কাজটি করা হয় বর ও কনেকে কুনজরের প্রভাব থেকে রক্ষা করার জন্য。

৯. অদ্ভুত কিছু শব্দ ও বাক্য এ বিশ্বাসে ব্যবহার করা যে, এগুলো কুনজরের কুপ্রভাব দূর করবে, যেমন বলা: খামছা ও গুমাইশ অথবা ইজমাহিকুল শ্যাব (কাট স্পষ্ট করা)—এ সব শব্দ এসেছে হিন্দু ধর্ম থেকে। কারণ হিন্দুরা কাঠকে পবিত্র মনে করে এবং তাদের ধারণা এ কাট তাদেরকে বিভিন্ন ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে。

১০. গাড়িতে কিছু কথা লিখে রাখা, যেমন: “আ’ইনাল হুসুদ ফিহা উ’দ (হিংসুকের চোখে লাঠি) ইত্যাদি。

১১. ধূপ অসুস্থ ব্যক্তিকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে এমন বিশ্বাস করা。

এগুলো তিরষ্কারযোগ্য কিছু বিদয়াত বা নব্যপ্রবর্তন, আর সাধারণ মানুষ মনে করে এগুলো পালন করলে বা মেনে চললে কুনজর ও মানুষের হিংসা থেকে বাঁচা যাবে।

টিকা:
১০৯. আরবি শব্দ খামছা মানে হলো-পাঁচ; আর গুমায়েশ মানে হলো হাতের মতো দেখতে এক ধরনের অলঙ্কার, যা বদনজর ও হিংসার প্রভাব থেকে বাঁচার জন্য তাবিজ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

ফন্ট সাইজ
15px
17px