📘 জিন এবং জিনকেন্দ্রিক অসুস্থতা ও প্রতিকার 📄 কু-নজরে সৃষ্ট অসুস্থতার ধরন

📄 কু-নজরে সৃষ্ট অসুস্থতার ধরন


কুনজরে আক্রান্ত হওয়ার প্রভাবকে দুটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা যেতে পারে:
১- প্রাণঘাতী প্রভাব, যা দ্রুত ফলাফল নিয়ে আসে। যেমন: কোনো মানুষ অথবা গবাদিপশুকে হত্যা করা অথবা বাড়ির ও ফসল ধ্বংস করা ইত্যাদি। এক্ষেত্রে কোনো প্রতিকার নেই। শায়খ আব্দুল আযীয বিন বায (رحمه الله) রিযাদের নিকটবর্তী গ্রামের এক লোকের ঘটনা বর্ণনা করেন। ওই লোকটি আরেক লোকের পালিত কিছু ভেড়ার পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। এসময় সে ভেড়াগুলোর প্রতি কুনজর দেয় এবং সবগুলো ভেড়া মারা যায়। ভেড়াগুলোর মালিক এসে তার সবগুলো ভেড়াই মারা গেছে দেখে তার ছেলেকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার পাশ দিয়ে কে গেছে? তার ছেলে বলল: তার ভেড়ার পালের পাশ দিয়ে অমুকের ছেলে অমুক ব্যতীত আর কেউ যায়নি। অতঃপর তিনি ওই লোকটির খোঁজে বের হন এবং তাকে গিয়ে তার (ওই লোকটির) নতুন ভবনের ছাদে পেলেন। তিনি তাকে ডাকলেন, হে অমুক, তুমি আমার ভেড়ার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় এ এ করেছ (কুনজর দিয়েছ)। এখন তুমি এর বদলে হয় তোমার দেহ দান করবেন অথবা তোমার এ নতুন ভবন দিয়ে দেবেন। ভবনের মালিক বলল: আমি নিচে নেমে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা কর। লোকটি ছাদ থেকে নেমে আসার পরপরই হঠাৎ ভবনটি ধসে পড়ল। [১০২] এ ধরনের কুনজর বিয়োগ ও ক্ষয়ক্ষাদক এবং এর কোনো প্রতিকার নেই।

২-প্রাণঘাতী নয় এমন প্রভাব। এর প্রতিকারকে আবার তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা যায়: (ক) যে প্রতিকার ব্যবস্থা ঘটনা ঘটার আগেই কুনজরকে বাতিল করে দেয়। (খ) কুনজরে আক্রান্ত হওয়ার পর দ্রুত কার্যকরী প্রতিকার ব্যবস্থা। (গ) রুকিয়া ও যিকির পাঠের মাধ্যমে প্রতিকার。

টিকা:
১০২ রিয়াদের একটি কেন্দ্রীয় মসজিদের দেওয়া বক্তব্য থেকে - ৭. ২০৫ নোট: ১

📘 জিন এবং জিনকেন্দ্রিক অসুস্থতা ও প্রতিকার 📄 কুনজর দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার আগেই একে বাতিল করা

📄 কুনজর দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার আগেই একে বাতিল করা


এটি করা হয় আল্লাহর অনুগ্রহ কামনার মাধ্যমে। যদি কোনো ব্যক্তি আরেকজনের ওপর কুনজর দিয়ে আল্লাহর অনুগ্রহ কামনা করে তাহলে আল্লাহর রহমতে ওই কুনজরের প্রভাব বাতিল হয়ে যায় এবং সেটা আর কাজ করে না। আল্লাহ তার নিজের ফিকির মাধ্যমে ওই লোকের ফিকির বাতিল করে দেন। সুতরাং বোঝা গেল, পুরো ব্যাপারটিই আল্লাহ তা'আলার নিয়ন্ত্রণে, সকল মহিমা ও গৌরব তাঁরই। এজন্যই আল্লাহর রাসূল (সাঃ) আমাদের আমাদের পছন্দনীয় সব অনুগ্রহ পাওয়ার জন্য প্রার্থনা করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন: “যদি তোমাদের মধ্যে কেউ দেখে যে, তার ভাইয়ের কিছু অনুগ্রহ রয়েছে, তাহলে তাকে তার জন্য প্রার্থনা করতে দাও।” এবং তিনি আমীর বিন রাবিয়াহকে বললেন: “তুমি বরকত লাভের জন্য কেন প্রার্থনা করছ না?” সাহল বিন হানীফ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল (সাঃ) বলেন: “যদি তোমাদের কেউ তার নিজের জন্য কোনো অনুগ্রহ পছন্দ করে, তাহলে তাকে এর জন্য প্রার্থনা করতে দাও, কারণ কুনজরের প্রভাব সত্য।”

উপরোক্ত হাদীসগুলো থেকে এটা স্পষ্ট যে, কুনজর কোনো ক্ষতি করতে পারে না, যদি ওই ব্যক্তি আল্লাহর কাছে অনুগ্রহের প্রার্থনা করে; বরং ওই কুনজর তখনই তার ক্ষতি করবে যখন তিনি আল্লাহর অনুগ্রহের জন্য প্রার্থনা করবেন না。

বিষয়টি কুরতুবিসহ অন্যান্যরা উল্লেখ করেছেন। অতঃপর তিনি বলেন: প্রত্যেক মুসলিমকেই তার পছন্দনীয় অনুগ্রহের জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতে হবে, কারণ অনুগ্রহের জন্য প্রার্থনা করা হলে এর কল্যাণে নিঃসন্দেহে সকল সম্ভাব্য ক্ষতির সম্ভাবনা দূরীভূত হয়ে যাবে。

ইবনে হাজার বলেন: যদি কেউ তার নিজের জন্য কোনো কিছু পছন্দ করেন, তাহলে তিনি যেন তার জন্য অতি দ্রুত আল্লাহ তা'আলার কাছে হাত তুলে প্রার্থনা করেন এবং তার এ প্রার্থনা তার জন্য রুক্বিয়া হয়ে যাবে。

আল্লাহর কাছে অনুগ্রহ ও বারাকাতের জন্য এভাবে প্রার্থনা করতে হবে: “বারিকাল্লাহু ফিহ্ (আল্লাহ এতে রহমত দিন) অথবা “আল্লাহুম্মা বারিক আলাইহি” (হে আল্লাহ আপনি বারাকাত দান করুন)। অথবা বলা যেতে পারে, মা শা আল্লাহ (আল্লাহ যা চান)। যেমনভাবে আয়াতে উল্লেখ করা হয়েছে: “তুমি যখন তোমার বাগানে প্রবেশ করলে তখন কেন বললে না, ‘আল্লাহ যা ইচ্ছে করেছেন (তা-ই হয়েছে), আল্লাহ ছাড়া কারো কোন শক্তি নেই। যদিও তুমি আমাকে ধনে-জনে তোমার চেয়ে কম দেখ।” (সূরা কাহফ ১৮: ৩৯)

📘 জিন এবং জিনকেন্দ্রিক অসুস্থতা ও প্রতিকার 📄 কুনজরে আক্রান্ত হওয়ার পরে এর প্রতিকার

📄 কুনজরে আক্রান্ত হওয়ার পরে এর প্রতিকার


যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কারো উপর কুনজর দেয় এবং কুনজর দেয়া ব্যক্তি যদি পরিচিত হয়, তাহলে তার গোসল অথবা অযুতে ব্যবহৃত পানি সংগ্রহ করে নিয়ে কুনजরে আক্রান্ত ব্যক্তির গায়ে ঢালতে হবে, এতে করে তার উপর থেকে কুনজরের সকল প্রভাব কেটে যাবে, অর্থাৎ ওই কুনজর বাতিল হয়ে যাবে।

সাহল বিন হানিফ (রাঃ) থেকে বর্ণিত উপরোক্ত হাদীসে আল্লাহর রাসূল (সাঃ) বলেছেন: «عَلَمَا يَقْتُلُ أَحَدُكُمْ أَخَاهُ أَلَا تَبْرَكَ اغْتَسِلُ لَهُ» “কেন তোমরা তোমাদের একজন ভাইকে হত্যা করছ? কেন তোমরা তার জন্য বারাকাতের প্রার্থনা করছ না? তার জন্য তোমার নিজেকে ধৌত কর।”

রাসূলের (সাঃ) একথা শুনে আমীর তার মুখমণ্ডল, উভয়হাত কনুই পর্যন্ত, উভয় হাঁটু, দুই পায়ের পাশ এবং তার ইযারের ভেতর ধৌত করলেন এবং এ পানি সাহলের পেছন থেকে তার শরীরের উপর ঢেলে দেওয়া হল এবং তিনি এতে সুস্থ হয়ে গেলেন।

অন্য এক হাদীসে এসেছে, আল্লাহর রাসূল (সাঃ) বলেছেন, “তুমি তার জন্য অযু কর।” অতঃপর আমীর অযু করলেন এবং সেই পানি পেছন দিক থেকে সাহলের গায়ে ঢেলে দেওয়া হল। এরপরই সাহल আল্লাহর রাসূলের (সাঃ) কাছে গেলেন এবং তখন তার শরীরের আর কোনো সমস্যা রইল না。

ইমাম মুসলিম তার সহীহ গ্রন্থে বর্ণনা করেন: «الْعَيْنُ حَقٌّ، وَلَوْ كَانَ شَيْءٌ سَابِقَ الْقَدَرِ لَسَبَقَتْهُ الْعَيْنُ، وَإِذَا اسْتُغْسِلْتُمْ فَاغْسِلُوا» “কুনজরের ব্যাপারটি সত্য এবং আল্লাহর ফিকরি বা আদেশকে ছাড়িয়ে যাওয়ার মতো যদি কিছু থাকত তাহলে তা হত কুনজর। সুতরাং তোমাদের মধ্যে কাউকে যদি অযু বা শরীর ধৌত করতে বলা হয়, তাহলে তাকে তা করতে দাও।”

সুনানে আবু دাউদে আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে: «كَانَ يُؤْمَرُ الْعَائِنُ فَيَتَوَضَّأَ، ثُمَّ يُغْسِلُ مِنْهُ الْمَعِينَ» “যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কারো উপর কুনজর দেয় তাহলে কুনজর দেওয়া ব্যক্তিকে অযু করার নির্দেশ দিতে হবে এবং তার অযুর সেই পানি দিয়ে আবার আক্রান্ত ব্যক্তিকে অযু করতে হবে।”

টিকা:
১০৪. মুওয়াত্ত্বা মালিক, ২/৯৩৮
১০৫. ইমাম মুসলিম, কিতাবুস সালাম, বাবুত তিব্ব ওয়াল মারাদ ওয়াল রুকা, ৪/৩২
১০৬. সूनান বায়হাকী ৯/২৫২

যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কারো উপর কুনজর দেয় এবং কুনজর দেয়া ব্যক্তি যদি পরিচিত হয়, তাহলে তার গোসল অথবা অযুতে ব্যবহৃত পানি সংগ্রহ করে নিয়ে কুনজরে আক্রান্ত ব্যক্তির গায়ে ঢালতে হবে, এতে করে তার উপর থেকে কুনजরের সকল প্রভাব কেটে যাবে, অর্থাৎ ওই কুনজর বাতিল হয়ে যাবে।

সাহল বিন হানিফ (রাঃ) থেকে বর্ণিত উপরোক্ত হাদীসে আল্লাহর রাসূল (সাঃ) বলেছেন: «عَلَمَا يَقْتُلُ أَحَدُكُمْ أَخَاهُ أَلَا تَبْرَكَ اغْتَسِلُ لَهُ» “কেন তোমরা তোমাদের একজন ভাইকে হত্যা করছ? কেন তোমরা তার জন্য বারাকাতের প্রার্থনা করছ না? তার জন্য তোমার নিজেকে ধৌত কর।”

রাসূলের (সাঃ) একথা শুনে আমীর তার মুখমণ্ডল, উভয়হাত কনুই পর্যন্ত, উভয় হাঁটু, দুই পায়ের পাশ এবং তার ইযারের ভেতর ধৌত করলেন এবং এ পানি সাহলের পেছন থেকে তার শরীরের উপর ঢেলে দেওয়া হল এবং তিনি এতে সুস্থ হয়ে গেলেন。

অন্য এক হাদীসে এসেছে, আল্লাহর রাসূল (সাঃ) বলেছেন, “তুমি তার জন্য অযু কর।” অতঃপর আমীর অযু করলেন এবং সেই পানি পেছন দিক থেকে সাহলের গায়ে ঢেলে দেওয়া হল। এরপরই সাহল আল্লাহর রাসূলের (সাঃ) কাছে গেলেন এবং তখন তার শরীরের আর কোনো সমস্যা রইল না。

ইمام মুসলিম তার সহীহ গ্রন্থে বর্ণনা করেন: «الْعَيْنُ حَقٌّ، وَلَوْ كَانَ شَيْءٌ سَابِقَ الْقَدَرِ لَسَبَقَتْهُ الْعَيْنُ، وَإِذَا اسْتُغْسِلْتُمْ فَاغْسِلُوا» “কুনজরের ব্যাপারটি সত্য এবং আল্লাহর ফিকরি বা আদেশকে ছাড়িয়ে যাওয়ার মতো যদি কিছু থাকত তাহলে তা হত কুনজর। সুতরাং তোমাদের মধ্যে কাউকে যদি অযু বা শরীর ধৌত করতে বলা হয়, তাহলে তাকে তা করতে দাও।”

সুনানে আবু দাউদে আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে: «كَانَ يُؤْمَرُ الْعَائِنُ فَيَتَوَضَّأَ، ثُمَّ يُغْسِلُ مِنْهُ الْمَعِينَ» “যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কারো উপর কুনজর দেয় তাহলে কুনজর দেওয়া ব্যক্তিকে অযু করার নির্দেশ দিতে হবে এবং তার অযুর সেই পানি দিয়ে আবার আক্রান্ত ব্যক্তিকে অযু করতে হবে।”

টিকা:
১০4. মুওয়াত্ত্বা মালিক, ২/৯৩৮
১০5. ইমাম মুসলিম, কিতাবুস সালাম, বাবুত তিব্ব ওয়াল মারাদ ওয়াল রুকা, ৪/৩২
১০6. সুনান বায়হাকী ৯/২৫২

📘 জিন এবং জিনকেন্দ্রিক অসুস্থতা ও প্রতিকার 📄 কিভাবে ধৌতকাজ সম্পন্ন করতে হবে?

📄 কিভাবে ধৌতকাজ সম্পন্ন করতে হবে?


যে ব্যক্তি তার অন্য কোনো ভাইয়ের ওপর কুনজর দিয়েছে তার কাছে একটি পাত্রে করে পানি নিয়ে আসতে হবে। অতঃপর ওই ব্যক্তি পানিতে হাত দেবে এবং পানি নিয়ে মুখ ধুয়ে পরে আবার কুলি করে সেই পানি পাত্রে ফেলবে। অতঃপর সে আবার এ পানি দিয়ে তার মুখমণ্ডল ধৌত করবে। এরপর সে তার ডান হাত পানিতে দিয়ে পানি নিয়ে বাম বাহুর উপর একবার ঢালবে। একইভাবে সে তার বাম হাত দিয়ে পানি নিয়ে ডান বাহুর উপর ঢালবে। অতঃপর সে তার বাম হাত পানিতে দেবে এবং পানি নিয়ে তার ডান হাতের কনুই থেকে কজি পর্যন্ত অংশে ঢালবে, একইভাবে সে তার ডান হাত দিয়ে পানি নিয়ে বাম হাতের কনুই থেকে কজি পর্যন্ত অংশে ঢালবে। অতঃপর সে আবার তার বাম হাত দিয়ে পানি নিয়ে ডান পা ধৌত করবে, একইভাবে সে তার ডান হাত দিয়ে পানি নিয়ে বাম পা ধৌত করবে। অতঃপর সে তার বাম হাত দিয়ে পানি নিয়ে ডান হাঁটুর উপর ঢালবে, একইভাবে সে তার ডান হাত দিয়ে পানি নিয়ে বাম হাঁটুর উপর ঢালবে। এ সবকিছুই করতে হবে পানির পাত্রে উপর, যাতে করে ব্যবহৃত পানি আবার পাত্রেই জমা হয়। অতঃপর সে তার ইযারের উপরের অংশ (ট্রাউজারের কোমরবন্ধনী) পানির পাত্রে রাখবে। পানির পাত্র মাটিতে রাখা যাবে না, এটি রাখতে হবে আক্রান্ত ব্যক্তির মাথার উপর, এবং এ পানি পেছন দিক থেকে একবারে তার শরীরে ঢালতে হবে。

টিকা:
১০৭. সুনান বায়হাকী ৯/২৫২

যে ব্যক্তি তার অন্য কোনো ভাইয়ের ওপর কুনজর দিয়েছে তার কাছে একটি পাত্রে করে পানি নিয়ে আসতে হবে। অতঃপর ওই ব্যক্তি পানিতে হাত দেবে এবং পানি নিয়ে মুখ ধুয়ে পরে আবার কুলি করে সেই পানি পাত্রে ফেলবে। অতঃপর সে আবার এ পানি দিয়ে তার মুখমণ্ডল ধৌত করবে। এরপর সে তার ডান হাত পানিতে দিয়ে পানি নিয়ে বাম বাহুর উপর একবার ঢালবে। একইভাবে সে তার বাম হাত দিয়ে পানি নিয়ে ডান বাহুর উপর ঢালবে। অতঃপর সে তার বাম হাত পানিতে দেবে এবং পানি নিয়ে তার ডান হাতের কনুই থেকে কজি পর্যন্ত অংশে ঢালবে, একইভাবে সে তার ডান হাত দিয়ে পানি নিয়ে বাম হাতের কনুই থেকে কজি পর্যন্ত অংশে ঢালবে। অতঃপর সে আবার তার বাম হাত দিয়ে পানি নিয়ে ডান পা ধৌত করবে, একইভাবে সে তার ডান হাত দিয়ে পানি নিয়ে বাম পা ধৌত করবে। অতঃপর সে তার বাম হাত দিয়ে পানি নিয়ে ডান হাঁটুর উপর ঢালবে, একইভাবে সে তার ডান হাত দিয়ে পানি নিয়ে বাম হাঁটুর উপর ঢালবে। এ সবকিছুই করতে হবে পানির পাত্রে উপর, যাতে করে ব্যবহৃত পানি আবার পাত্রেই জমা হয়। অতঃপর সে তার ইযারের উপরের অংশ (ট্রাউজারের কোমরবন্ধনী) পানির পাত্রে রাখবে। পানির পাত্র মাটিতে রাখা যাবে না, এটি রাখতে হবে আক্রান্ত ব্যক্তির মাথার উপর, এবং এ পানি পেছন দিক থেকে একবারে তার শরীরে ঢালতে হবে。

টিকা:
১০৭. সুনان বায়হাকী ৯/২৫২

ফন্ট সাইজ
15px
17px