📄 ভারতীয় কস্টাসের তৈরি নাকের ড্রপ প্রয়োগ পদ্ধতি
ভারতীয় কস্টাসের একটি উকিয়াকে প্রথমে গুড়া করে পাউডারে পরিণত করতে হবে। ফাথুল বারীতে ইবনে হাজার উল্লেখ করেছেন, কিভাবে কস্টাস ব্যবহার করতে হয়। তিনি বলেন, প্রথমে রোগীকে পিঠ নিচের দিকে দিয়ে চিৎ করে শোয়াতে হবে। কাঁধের নিচে কিছু একটা দিয়ে তার দেহের উপরের অংশকে একটু উঁচু করতে হবে। এতে তার মাথা পিছনের দিকে ঝুঁকে থাকবে। এবার কস্টাস মিশ্রিত জলপাইয়ের তেল তার নাক দিয়ে ফোঁটায় ফোঁটায় ঢালতে হবে, এ তেল যেন তার মস্তিষ্কে পৌঁছাতে পারে। এর ফলে রোগীর হাঁচি তৈরি হবে এবং যে কোনো ধরনের অসুস্থতা এর মাধ্যমে বের হয়ে যাবে。
টিকা:
৪০. ফাতহুল বারি, কিতাবুল তিব্ব
📄 জিন যদি প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করে এবং আবার ফিরে আসে, তাহলে যে যে আয়াত পাঠ করতে হবে
যদি জিন তার প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করে আবার ফিরে আসে, তবে নিম্নোক্ত আয়াতগুলো পাঠ করা ফলপ্রসূ হবে:
'এবং আমি তোমার নিকট সুস্পষ্ট আয়াত নাজিল করেছি, ফাসিকরা ছাড়া অন্য কেউ তা অস্বীকার করে না। এটা কি নয় যে তারা যখনই কোনো অঙ্গীকার করে, তখনই তাদের কোনো না কোনো দল সেই অঙ্গীকারকে বর্জন করে? বরং তাদের অধিকাংশই ঈমান আনে না। আর যখন তাদের কাছে আল্লাহর নিকট থেকে এমন একজন রসূল আসলেন যিনি তাদের নিকট যা আছে তার সত্যায়নকারী, তখন আহলে কিতাবদের একদল আল্লাহর কিতাবকে তাদের পিঠের পেছনে ফেলে দিল, যেন তারা কিছুই জানে না।' (সূরা আল বাকারা ২:৯৯-১০১)
📄 জিন ও মানুষের ভালোবাসার চিকিৎসা
প্রথমে সূরা ফাতিহা, বাকারা, ইউসুফ, নূর, আস-সাফ্ফাত, আল ইখলাস, ফালাক ও নাস রেকর্ড করতে হবে। রোগী এ সূরাগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনবেন এবং কুরআন পাঠ করা হয়েছে এমন পানি পান করবেন এবং শরীরে যয়তুন তেল মালিশ করবেন, নিরাময় না হওয়া পর্যন্ত এভাবে করতে থাকবেন। অতঃপর সকাল-সন্ধ্যা শরীরের সামনের ও পেছনের দ্বারে কস্তুরি দিয়ে মালিশ করতে হবে।
📄 জিনের ক্ষতি এড়ানো এবং শয়তান থেকে রক্ষার দশটি উপায়
১. শয়তানের ফাঁদ থেকে বাঁচার জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা।
২. সূরা ফালাক্ব ও নাস তেলাওয়াত করা, কারণ বর্ণিত আছে যে, আল্লাহর রাসূল (ﷺ) এ দুটি সূরা নাযিল না হওয়া পর্যন্ত জিনের ক্ষতি ও মানুষের কুনজর থেকে বাঁচার জন্য আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করতেন。
৩. আয়াতুল কুরসী তেলাওয়াত করা।
৪. সূরা বাকারা তেলাওয়াত করা।
৫. সূরা বাকারার শেষ দু' আয়াত তেলাওয়াত করা।
৬. সূরা গাফিরের প্রথম অংশ তেলাওয়াত করা।
৭. বার বার নিম্নোক্ত দুয়া পাঠ করা: ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকালাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আ'লা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর।’
৮. বেশি বেশি আল্লাহর যিকির করা, বিভিন্ন অবস্থায় আযকার পাঠ করা, যেভাবে এ বইয়ের পঞ্চম অধ্যায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।
৯. অযু করা ও সালাত আদায় করা。
১০. অপ্রয়োজনীয় তাকানো, কথা বলা, খাওয়া এবং মানুষের সঙ্গে মেশা থেকে বিরত থাকা, কারণ এ চারটি বিষয় অমান্য করলে মানুষের আধ্যাত্মিকতা দুর্বল হয়ে যায় এবং এ অবস্থায় জিন বা শয়তানের তার উপর ক্ষমতা অর্জন করা সহজ হয়ে যায়।