📄 জোরালো হাঁচি ও ঢেকুর শয়তান পছন্দ করে
(হাদীস) হযরত উবাদাহ বিন সামিত (রাঃ) হযরত শাদ্দাদ বিন আউস (রাঃ) ও হযরত ওয়াসিলাহ বিন আসক্ব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, জনাব রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন :
اذا تحشى احدكم أو عطس فلا يرفَعَنَّ بهما الصوت فإن الشَّيْطَانَ يُحِبُّ أَنْ يَرْفَعَ بِهِمَا الصَّوت
তোমাদের মধ্যে কেউ যখন ঢেকুর তুলবে অথবা হাঁচবে, তো ওই দুই ক্ষেত্রে যেন জোরালো শব্দ না করে। কেননা শয়তান ঢেকুর ও হাঁচির জোরালো শব্দ পছন্দ করে। (৪৩)
টিকাঃ
(৪৩) আবূ দাউদ। শুআবুল ঈমান, বায়হাকী। আতহাফুস্ সাদাতুল মুত্তাকীন, ৬: ২৮৭। কানযুল উম্মাল, হাদীস নং ২৫৫৩২।
📄 প্রত্যেক ঘুঙুরের পিছনে শয়তান থাকে
হযরত আলী বিন আবী লাইলা (রহঃ) বলেছেন: প্রত্যেক ঘণ্টা-ঘুঙুরের পিছনে শয়তান থাকে। (৪৪)
টিকাঃ
(৪৪) ইবনু আবী শায়বাহ্।
📄 মু’মিনের সাথে শয়তানের ভীরুতা ও নিচাশয়তা
হযরত আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, জনাব রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন:
لَا يَزَالُ الشَّيْطَانُ ذَاعِرًا مِنَ الْمُؤْمِنِ مَا حَفِظَ عَلَى الصَّلَوَاتِ الْخَمْسِ فَإِذَا ضَيْعَهُنَّ تَجَرَّأَ عَلَيْهِ وَأَوْعَقَهُ فِي الْعِظَامِ وَطَمِع فِيهِ
যতক্ষণ পর্যন্ত মুমিন মানুষ যথাযথভাবে পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়ে, শয়তান তার থেকে দমে থাকে; কিন্তু যখন সে ওই নামায নষ্ট করে, শয়তান তার প্রতি নির্ভীক হয়ে যায় এবং তাকে বড় বড় পাপে জড়িয়ে দেয় ও তাকে গুম্মাহ করার লোভ করতে থাকে। (৪৫)
টিকাঃ
(৪৫) আবূ নুআইম। আল্-জামিউল কাবীর, ১: ৯২৯। কানযুল উম্মাল, হাদীস নং ১৯০৬১, খণ্ড ৭।
📄 শয়তানের ঘাঁটি
(হাদীস) হযরত নুমান বিন বাশীর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, জনাব রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন:
إِنَّ لِلشَّيْطَانِ مَصَالِي وَتَخُوخًا ، وَإِنَّ مِنْ مَصَالِيْهِ وَفُخُوْخِهِ الْبَطَرُ بِنِعْمَةِ اللهِ وَالْفَخْرُ بِعَطَاءِ اللهِ وَالْكِبْرُ عَلَى عِبَادِ اللَّهِ وَاتِّبَاعُ الْهَوَى فِي غَيْرِ ذَاتِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ
শয়তানের কিছু গোপন ঘাঁটি ও আক্রমণের জায়গা আছে। সেগুলোর মধ্যে (থেকে শয়তানী আক্রমণের) কয়েকটি (লক্ষণ) হল: আল্লাহ্র কোনও নিআমত (নেয়ামত) পেয়ে ঔদ্ধত্য প্রকাশ করা, আল্লাহ্ কোনও বিশেষ দান পেয়ে গর্ব করা, আল্লাহর বান্দাদের সাথে অহংকার করা এবং অনন্ত মহান-মর্যাদাবান আল্লাহ্'র বিধানের বিপরীতে খেয়াল-খুশীর অনুসরণ করা। (৪৬)
টিকাঃ
(৪৬) মাকারিমুল আখলাক, ইবনু লাল। ইবনু আসাকির। আল্ জামিউল কাবীর, ১: ২৬৪। তারীখে কাবীর, বুখারী, ৮ঃ ৩২১। দুররুল মানসূর, ৪: ১১৬। কানযুল উম্মাল, ১২৩৯। আল-বিদায়াহ্ অন্-নিহায়াহ্, ৮: ২৪৫। দাইলামী, ২০৮, হাদীস নং ৭৯৩। জাম্মল জাওয়ামিই, ৭০১৭। বায়হাকী।