📘 জীন জাতির বিষ্ময়কর ইতিহাস > 📄 নামাযে শয়তানের হস্তক্ষেপ

📄 নামাযে শয়তানের হস্তক্ষেপ


হযরত ইবনু מסউদ (রাঃ) বলেছেন: শয়তান নামাযের সময় তোমাদের আশেপাশে নামায ভেঙে দেবার জন্য ঘোরাঘুরি করে। কিন্তু নামায ভাঙানোর ব্যাপারে সে যখন নিরাশ হয়ে যায়, তখন সে নামাযীর মলদ্বারে ফুঁক দেয়, যাতে নামাযী মনে করে যে তার অযূ ভেঙে গেছে। সুতরাং (বায়ু নিঃসরণের) শব্দ বা দুর্গন্ধে না পাওয়া পর্যন্ত তোমাদের মধ্যে কেউ যেন নামায না ভাঙে। (২৭)
অন্য এক বর্ণনায় আছে, হযরত ইবনু מסঊদ (রাঃ) বলেছেন: শয়তান মানুষের শিরা-উপশিরায় রক্তপ্রবাহের মতো দৌড়াদৌড়ি করে। এমনকী সে তোমাদের নামাযের অবস্থাতেও আসে এবং নামাযীর মলদ্বারে ফুঁক দেয় ও যৌনাঙ্গ সিক্ত করে দেয়। তারপর (নামাযীকে) বলে, 'তোমার নামায ভেঙে গেছে।' সুতরাং তোমরা শুনে রাখো- তোমাদের মধ্যে কেউ যেন (নামাযরত অবস্থায় বায়ু নিঃসরণের) দুর্গন্ধ না পাওয়া কিংবা শব্দ না শোনা এবং (প্রস্রাবের ক্ষেত্রে) ভিজে অবস্থা না হওয়া পর্যন্ত নামায না ভাঙে। (২৮)

টিকাঃ
(২৭) মুসান্নিফে আব্দুর রায্যাক। ইবনু আবিদ দুনয়া।
(২৮) মুসান্নিফে আব্দুর রায্যাক।

📘 জীন জাতির বিষ্ময়কর ইতিহাস > 📄 নামাযে তন্দ্রা আসে শয়তানের পক্ষ থেকে

📄 নামাযে তন্দ্রা আসে শয়তানের পক্ষ থেকে


হযরত ইব্‌নু מסঊদ (রাঃ) বলেছেন: যুদ্ধের সময় তন্দ্রা আল্লাহর তরফ থেকে (সাহায্য ও করুণা (হিসেবে), এবং নামাযে তন্দ্রা আসে শয়তানের পক্ষ থেকে নামায নষ্ট করানোর জন্যে। (২৯)

টিকাঃ
(২৯) তবারানী।

📘 জীন জাতির বিষ্ময়কর ইতিহাস > 📄 নামাযে হাই-হাঁচি শয়তানের কারসাজি

📄 নামাযে হাই-হাঁচি শয়তানের কারসাজি


হযরত ইবনু מסঊদ (রাঃ) বলেছেন: নামাযরত অবস্থায় হাই ও হাঁচি আসে শয়তানের তরফ থেকে। (৩০)

টিকাঃ
(৩০) তবারানী। ইবনু আবী শায়বাহ্।

📘 জীন জাতির বিষ্ময়কর ইতিহাস > 📄 শয়তান-ঘটিত আরও কিছু কাজ

📄 শয়তান-ঘটিত আরও কিছু কাজ


হযরত দীনার (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে, জনাব রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন:
الْعُطَاسُ وَالنُّعَاسُ وَالتَّناؤُبُ فِي الصَّلوةِ وَالْحَيْضُ وَالْقَى وَالرُّعَافُ مِنَ الشَّيْطَانِ -
নামাযে হাঁচি, তন্দ্রা ও হাই এবং মাসিক স্রাব, বমি ও নাসা (নাক দিয়ে রক্ত পড়া) শয়তানের থেকে হয়। (৩১)

টিকাঃ
(৩১) তিরমিযী, কিতাবুল আদাব, বাব ৮৭৭, হাদীস ৪৭৪৮। মিশকাত ৯৯৯। হাবিউল লিলফাতাওয়া, ১: ৫৩৫। কানযুল উম্মাল, ১৯৯৫২। মুস্তাদ্রাকে হাকিম, ৪: ২৬৪। মুস্লাদে হামীদী ১১৬১। ইবনু খুযাইমাহ, ৯২১। আহওয়াফুস্ সাদাতুল মুত্তাকীন, ৬: ২৮৭। কানযুল উম্মাল, ২৫৫২৯। আমালুল ইয়াউমি ওয়াল-লাইলাহ্ ইবনুস সুন্নী, ২৬০। কাশফুল খিফা, ২: ৯৭।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00