📘 জীন জাতির বিষ্ময়কর ইতিহাস > 📄 জালিম বিচারক শয়তানের আওতায়

📄 জালিম বিচারক শয়তানের আওতায়


(হাদীস হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন আবী আউফ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, জনাব রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন:
اللهُ مَعَ الْقَاضِي مَا لَمْ يَجُرُ فَإِذَا جَارَ تَخَلَّى عَنْهُ وَلَزِمَهُ الشَّيْطَانُ
বিচারক জোর-যুলুম না করা পর্যন্ত তার সাথে আল্লাহ্ (-র সাহায্য থাকে; কিন্তু যখন সে জুলুম-অত্যাচার করে, তার থেকে ওই সুবিধা চলে যায় এবং শয়তান তাকে কাবু করে নেয়।

📘 জীন জাতির বিষ্ময়কর ইতিহাস > 📄 মানুষের সাজদায় শয়তানের আক্ষেপ

📄 মানুষের সাজদায় শয়তানের আক্ষেপ


(হাদীস) বর্ণনায় হযরত আবূ হুরাইরা (রাঃ) জনাব রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন:
إذا قرأ ابن آدمَ السَّجْدَةَ فَسَجَدَ اعْتَزلَ الشَّيْطَانُ يَبْكِي يَقُولُ يا ويلة أمر ابْنَ آدَمَ بِالسُّجُودِ فَسَجَدَ فَلَهُ الْجَنَّةُ وَأُمِرْتُ بِالسُّجُودِ فَعَصَيْتُ فَلِيَ النَّارُ -
কোন মানুষ যখন সাজদার আয়াত পড়ার পর সাজদা করে, শয়তান তখন তার থেকে দূরে সরে যায় এবং কেঁদে কেঁদে বলে, হায় আফসোস! মানুষকে সাজদার নির্দেশ দেওয়া হলে, সে সাজদা করেছে, ফলে তার জান্নাত পাওনা হয়ে গেছে, কিন্তু আমাকে সাজদার নির্দেশ দেওয়া হলে, আমি অবাধ্যতা করেছি, ফলে আমার ভাগ্যে জাহান্নাম জুটেছে। (২৫)
* প্রসঙ্গত উল্লেখ্য: হযরত উবাইদুল্লাহ বিন মুকসিম্ (রাঃ)-এর বর্ণনায় এরকম আছে যে, জনাব রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন:
তুমি যখন শয়তানকে অভিশাপ দাও, শয়তান বলে, 'অভিশপ্তকে অভিশাপ দিলে!' যখন ওর থেকে আশ্রয় দাও, ও বলে আমার কমর ভেঙে দিলে!' আর যখন তুমি সাজদা করে, সেই সময় শয়তান বলে হায় আক্ষেপ! মানুষকে সাজদার হুকুম, দেওয়া হতে সে পালন করেছে এবং শয়তান সেই হুকুম পেয়ে অবাধ্যতা করেছে। সুতরাং মানুষের জন্য জান্নাত ঠিক হয়েছে আর শয়তানের জন্য হয়েছে জাহান্নাম। (২৬)

টিকাঃ
(২৫) মুস্লাদে আহমাদ, ২: ৪৪৩। ইবনু মাজাহ্, কিতাবুল ইকামাত, বাব ৭০, ১০৫২। মুসলিম, কিতাবুল ইমান, হাদীস ১৩৩। বায়হাকী, ২: ৩১২। সহীহ্ ইবনু খুযাইমাহ্, ৫৪৯। শারহুস্ সুন্নাহ্, ৩ঃ ১৭৪। মিশকাত, ৮৯৫। নাসুর রাইয়াহ, ২: ১৭৮। হিলইয়াহ্, ৫: ৬০। তারগীব, ২: ২৫৬। তাখরীজে ইহইয়াউল উলূম ইরাকী, ১ : ১৪৯। যুহূদে ইবনে মুবারক, ৩৫৩। ইবনে কাসীর, ৫: ৩৩৯। দুররুল মানসুর, ৩ঃ ১৫৮। তারীখে বাগদাদ, ৭ঃ ৩২৪। আহওয়াফুস্ সাদাতুল মুত্তাকীন, ৩: ১৯। কানযুল উম্মাল, ৩১০৮। আল-বিদায়াহ্ ওয়ান-নিহায়াহ্, ১৪৯১।
(২৬) মাকায়িদুশ শায়তান, ইবনু আবিদ দুনয়া। কানযুল উম্মাল, হাদীস ২১২৭।

📘 জীন জাতির বিষ্ময়কর ইতিহাস > 📄 নামাযে শয়তানের হস্তক্ষেপ

📄 নামাযে শয়তানের হস্তক্ষেপ


হযরত ইবনু מסউদ (রাঃ) বলেছেন: শয়তান নামাযের সময় তোমাদের আশেপাশে নামায ভেঙে দেবার জন্য ঘোরাঘুরি করে। কিন্তু নামায ভাঙানোর ব্যাপারে সে যখন নিরাশ হয়ে যায়, তখন সে নামাযীর মলদ্বারে ফুঁক দেয়, যাতে নামাযী মনে করে যে তার অযূ ভেঙে গেছে। সুতরাং (বায়ু নিঃসরণের) শব্দ বা দুর্গন্ধে না পাওয়া পর্যন্ত তোমাদের মধ্যে কেউ যেন নামায না ভাঙে। (২৭)
অন্য এক বর্ণনায় আছে, হযরত ইবনু מסঊদ (রাঃ) বলেছেন: শয়তান মানুষের শিরা-উপশিরায় রক্তপ্রবাহের মতো দৌড়াদৌড়ি করে। এমনকী সে তোমাদের নামাযের অবস্থাতেও আসে এবং নামাযীর মলদ্বারে ফুঁক দেয় ও যৌনাঙ্গ সিক্ত করে দেয়। তারপর (নামাযীকে) বলে, 'তোমার নামায ভেঙে গেছে।' সুতরাং তোমরা শুনে রাখো- তোমাদের মধ্যে কেউ যেন (নামাযরত অবস্থায় বায়ু নিঃসরণের) দুর্গন্ধ না পাওয়া কিংবা শব্দ না শোনা এবং (প্রস্রাবের ক্ষেত্রে) ভিজে অবস্থা না হওয়া পর্যন্ত নামায না ভাঙে। (২৮)

টিকাঃ
(২৭) মুসান্নিফে আব্দুর রায্যাক। ইবনু আবিদ দুনয়া।
(২৮) মুসান্নিফে আব্দুর রায্যাক।

📘 জীন জাতির বিষ্ময়কর ইতিহাস > 📄 নামাযে তন্দ্রা আসে শয়তানের পক্ষ থেকে

📄 নামাযে তন্দ্রা আসে শয়তানের পক্ষ থেকে


হযরত ইব্‌নু מסঊদ (রাঃ) বলেছেন: যুদ্ধের সময় তন্দ্রা আল্লাহর তরফ থেকে (সাহায্য ও করুণা (হিসেবে), এবং নামাযে তন্দ্রা আসে শয়তানের পক্ষ থেকে নামায নষ্ট করানোর জন্যে। (২৯)

টিকাঃ
(২৯) তবারানী।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00