📘 জীন জাতির বিষ্ময়কর ইতিহাস > 📄 অতিরিক্ত ক্লাবে শয়তানের চাল

📄 অতিরিক্ত ক্লাবে শয়তানের চাল


(হাদীস) হযরত হাম্নাহ্ বিন্তে জাহাশ (রাঃ) বলেছেন: আমার মাসিক স্রাব হত অতিরিক্ত। সেকথা আমি জনাব রসূলুল্লাহ (সাঃ)-কে বলতে তিনি বলেন- إِنَّمَا هِي رَكْضَةٌ مِنْ رَكْضَاتِ الشَّيْطَانِ
এটা হল শয়তানের চালগুলোর মধ্যে একটা চাল। (১১)

টিকাঃ
(১১) মুস্লাদে আহমাদ, ৬:৪৩৯, ৪৬৪। আবূ দাউদ, কিতাবুত, ত্বাহারত্, বাব ১০৯, হাদীস ১২৮। তিরমিযী, কিতাবুত ত্বহারাত, বাব ৯৫। সুনানু দারিমী, কিতাবুল উযু, বাব ৯৪। মুআত্তা মালিক, কিতাবুল হাজ্জ, হাদীস ১২৪।

📘 জীন জাতির বিষ্ময়কর ইতিহাস > 📄 কবরেও শয়তানের পায়তারা

📄 কবরেও শয়তানের পায়তারা


হযরত সুফিয়ান সাত্রী (রহঃ) বলেছেন: (কবরে) যখন মৃতকে প্রশ্ন করা হয় তোমার রব কে?- সেই সময় শয়তান তাকে নিজের আকৃতি দেখিয়ে, নিজের দিকে ইশara করে বলে আমিই তোমার রব্ব (মৃতব্যক্তি কাফির প্রভৃতি হলে তাঁকেই রব বলে উল্লেখ করে, অন্যথায় তার ফিত্না হতে সুরক্ষিত থাকে)। (১২)

টিকাঃ
(১২) নাওয়াদিরুল উসূল, হাকীম তিরমিযী।

📘 জীন জাতির বিষ্ময়কর ইতিহাস > 📄 বাজার ও শয়তান

📄 বাজার ও শয়তান


(হাদীস) হযরত সালমান ফারিসী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, জনাব রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন:
لا تكن اول من يدخل السوق ولا آخر من يخرج منها فإنه معركة الشيطان وبها نصب رايته وفي لفظ ففيها باض الشيطان وفرخ -
তুমি সর্বপ্রথম বাজারে গমনকারী ও সর্বশেষ বাজার থেকে বহির্গমনকারী হবে না। কেননা ওটা হচ্ছে শয়তানের পাঁয়তারার জায়গা। ওখানে পোঁতা আছে শয়তানের ঝাণ্ডা। অন্য এক বর্ণনায় আছে, ওখানে শয়তান ডিম পেড়েছে এবং ওখানেই সে বাচ্চা দিয়েছে। (১৩)

টিকাঃ
(১৩) তবারানী।

📘 জীন জাতির বিষ্ময়কর ইতিহাস > 📄 মানবশিশুর ভূমিষ্ঠকালে শয়তানের শয়তানী

📄 মানবশিশুর ভূমিষ্ঠকালে শয়তানের শয়তানী


(হাদীস) হযরত আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, জনাব রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন -
ما من بني آدم مولود إلا مسه الشيطان حين يولد فيستهل صارخا من مس الشيطان غير مريم وابنها
প্রত্যেক মানবশিশুর ভূমিষ্ঠলগ্নে শয়তান তাকে খোঁচা দেয়, যার কারণে সেই বাচ্চা সজোরে কেঁদে ওঠে, কেবল মরিয়ম ও তাঁর পুত্র (হযরত ঈসা) এ থেকে মুক্ত ছিলেন। (১৪)
হাদীসটি বর্ণনার পর হযরত আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেন- যদি ইচ্ছা হয়, তো আল্লাহ্ এই আয়াতটি পড়ে নাও-
وإني أعيذها بك وذريتها من الشيطان الرجيم -
(হযরত মরিয়মের মা আল্লাহর উদ্দেশে বলেছিলেন ...) হে আল্লাহ! আমি মরিয়ম ও তার সন্তানকে অভিশপ্ত শয়তানের অনিষ্ট থেকে তোমার আশ্রয়ে সঁপে দিলাম। (১৫)
হযরত আবূ হুরাইরাহর অন্য এক বর্ণনায় এরকম আছে: প্রত্যেক মানবশিশুর ভূমিষ্ঠকালে তার পাঁজরে শয়তান আঙুলের খোঁচা দেয়। পারেনি কেবল হযরত ঈসার বেলায়। তাঁকেও সে খোঁচা দিতে গিয়েছিল, কিন্তু লেগেছিল পর্দায়। (১৬)
অন্য এক বর্ণনায় আছে, তিনি বলেছেন: বাচ্ছা সেই সময় চিৎকার করে, যখন শয়তান নড়া-চড়া করে। (১৭)

হযরত কাযী আইয়ায (রাঃ) বলেছেন: হযরত ঈসার ওই বৈশিষ্ট্যের মধ্যে সমস্ত নবী-রসূলও অন্তর্গত (অর্থাৎ সমস্ত নবী-রসূলও জন্মলগ্নে শয়তানের অনিষ্ট থেকে মুক্ত ছিলেন। (১৮)

টিকাঃ
(১৪) বুখারী, কিতাবুল আম্বিয়া, বাব ৪৪। মুসলিম, কিতাবুল ফাযায়িল, হাদীস ১৪৬। মিশকাত ৬৯। কানযুল উম্মাল, ৩২৩২৫। তাফসীর ইবনু জারীর, ৩:১৬২।
(১৫) সূরা আলে-ইমরান, আয়াত ৩৬।
(১৬) বুখারী, কিতাবু বাদ্‌দদিয়ল খল্ক, বাব ১১। মুস্লাদে আহমাদ, ২ঃ ৫২৩।
(১৭) সহীহ্, মুসলিম, কিতাবুল ফাযায়িল, হাদীস ১৪৮।
(১৮) শারহু মুস্লিম, নাওবী।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00