📄 শয়তানের মোকাবিলায় ফকীহ্ ও আবেদ
(হাদীস) বর্ণনায় হযরত ইবনু আব্বাস (রাঃ) জনাব রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন:
لَفَقِيهٌ وَاحِدٌ أَشَدُّ عَلَى الشَّيْطَانِ مِنْ أَلْفِ عَابِدٍ
ইসলামের যথার্থ জ্ঞানের অধিকারী একজন ব্যক্তি শয়তানের কাছে এক হাজার (মূর্খ) ইবাদতকারীর চাইতেও শক্তিশালী। (৬)
টিকাঃ
(৬) তিরমিযী, কিতাবুল ইল্ম, বাব ১৯। ইবনু মাজাহ, মুকদ্দামাহ্, বাব ১৭। জামিই বায়ান আল্-ইলম্ অফাদলিহ্, ১: ২৬। দুররুল মান্নুর, ১: ৩৫০। মাজমাউয যাওয়াঈদ, ১: ১২১। তারীখে বাগদাদ, ২:৪০২। আল্ আস্সারুল মারফুআহ্, ৩৫১। তাক্বিরতুল মাউযূআত। কাশফুল খিফা, ২: ২০৬।
📄 অলীদের বিরুদ্ধে শয়তানের শেষ চাল
বর্ণনা করেছেন হযরত ইবনু מסউদ (রাঃ): আল্লাহ্র যিক্র (স্মরণ, উল্লেখ, আলোচনা)-র মজলিসে অংশ নেওয়া মানুষকে ফিত্নায় লিপ্ত করার উদ্দেশ্যে শয়তান ওইসব মজলিসে ঘুরে বেড়ায়। কিন্তু ও কাজে সফল হতে না পারলে শয়তান সেইসব আড্ডায় যায়, যেখানে লোক দুনিয়ার যিকর করে। তাদেরকে শয়তান একে অপরের বিরুদ্ধে প্ররোচনা দিতে থাকে। এবং শেষপর্যন্ত তাদের নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব-বিবাদ বাধিয়ে দেয়। সেই সময় আল্লাহ্র যিক্রকারীরা বিবাদকারীদের মধ্যে এসে তাদেরকে আটকান। এভাবে শয়তান আল্লাহর যিক্রকারী মানুষজনকে বিক্ষিপ্ত করে দেয় (অর্থাৎ, ওরা যিক্ ছেড়ে মানুষের মন্দ থামাতে লেগে যান)। (৭)
টিকাঃ
(৭) কিতকাবুয যুহদ, ইমাম আহমাদ।