📄 শয়তান নবীজীর রূপ ধরতে অক্ষম
(হাদীস) হযরত আবূ কতাদাহ (রাঃ) বলেছেন যে, জনাব রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন :
مَنْ رَآنِي فَقَدْ رَأَى الْحَقَّ فَإِنَّ الشَّيْطَانَ لَا يَتَرَأَى بِي
যে ব্যক্তি (স্বপ্নে) আমাকে দেখে, সে প্রকৃতই আমাকে দেখে, কারণ শয়তান আমার রূপ ধরে নিজেকে দেখাতে পারে না। (১৬)
টিকাঃ
(১৬) বুখারী, কিতাবুল ইল্ম, বাব ৩৮, কিতাবুত তাস্বীরুল রুউইয়া, বাব ১০। মুসলিম, কিতাবুর রুউইয়া, হাদীস নং ১১। মুস্লাদে আহমাদ, ৩ঃ ৫৫; ৫ঃ ৩০৬। মাজমাউয় যাওয়াঈদ ৭ঃ ১৮১। দালায়িলুন নুবুওয়ত, বাইহাকী, ৭ঃ ৪৫। তারীখে বাগদাদ, ৭:১৭৮। মিশকাত শরীফ, ৪৬১।
📄 নবীজীর দরবারে শয়তানের প্রশ্ন
(হাদীস) বর্ণনায় হযরত ইবনু উমর (রাঃ): একবার আমরা জনাব রসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর কাছে বসেছিলাম। এমন সময় কদাকার চেহারার এক আগন্তুক এল। তার পোষাকও ছিল অত্যন্ত ময়লা এবং তার থেকে ভয়ানক দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। সকলের ঘাড়ের উপর দিয়ে লাফিয়ে লাফিয়ে সে রসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর কাছে গিয়ে বসল। তারপর প্রশ্ন করতে লাগল; আপনাকে কে সৃষ্টি করেছেন?
মহানবীঃ আল্লাহ।
আগন্তুকঃ আসমান সৃষ্টি করেছেন কে?
মহানবীঃ আল্লাহ।
আগন্তুকঃ পৃথিবীর স্রষ্টা কে?
মহানবীঃ আল্লাহ।
আল্লাহঃ আল্লাহকে সৃষ্টি করেছেন কে?
মহানবীঃ আল্লাহর সত্তা এ থেকে পবিত্র (অর্থাৎ আল্লাহকে কেউ সৃষ্টি করেনি)।
এরপর রসূলুল্লাহ (সাঃ) নিজের কপাল ধরে মাথাটি একটু নিচু করেন। সেই ফাঁকে আগন্তুক উঠে চলে যায়। রসূলুল্লাহ (সাঃ) মাথা তুলে বলেন- ওকে ধরে নিয়ে এসো।
আমরা তাকে খোঁজাখুজি করলাম। কিন্তু ও তখন হাওয়া হয়ে গিয়েছিল। এরপর নবীজী বলেন, ও ছিল ইব্ল্লীস। ইসলামের বিষয়ে তোমাদের মনে সংশয় সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ও তোমাদের কাছে এসেছিল। (১৭)
টিকাঃ
(১৭) দালায়িলুন্ নুবুওয়ত, বায়হাকী, ৭ঃ ১২৫।