📄 শয়তানকে নামানো হয়েছিল পৃথিবীর কোন্ জায়গায়
হযরত হাসান বস্ত্রী (রহঃ) বলেছেনঃ ইবলীসকে নামানো হয়েছিল (বর্তমান ইরাকের বস্ত্রাহ শহর থেকে কয়েক মাইল দূরে 'দাশতে মাইসান' নামক স্থানে। (৩৩)
টিকাঃ
(৩৩) ইবনু আবী হাতিম।
📄 শয়তান মোট ক’বার কেঁদেছে
হযরত মুজাহিদ (রহঃ) বলেছেনঃ ইবলীস (খুব কান্না) কেঁদেছে মোট চারবারঃ (১) 'অভিশপ্ত' আখ্যা পাবার সময়, (২) আসমান থেকে নামানোর সময়, (৩) রসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর আবির্ভাবের সময় এবং (৪) সূরা ফাতিহাহ্ নাযিলের সময়। (৩৪)
টিকাঃ
(৩৪) কিতাবুল আযاماه্, আবুশ্ শায়খ। হুলইয়াহ, আবু নাঈম।
📄 সূরাহ্ ফাতিহা নাযিলের সময় শয়তানের কান্না
হযরত মুজাহিদ (রহঃ) বলেছেনঃ যখন আল্-হামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামীন (সূরা ফাতিহাহ্) নাযিল হয়। সেই সময় শয়তানের মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ে। সে তখন প্রচুর কান্না কাঁদে এবং প্রচন্ড দুর্বলতা অনুভব করতে থাকে। (৩৫)
টিকাঃ
(৩৫) ইবনু জুরাইস, ফাযায়িলুল কোরআন।
📄 শয়তানের সিংহাসন
(হাদীস) হযরত জাবির (রাঃ) বলেছেন, আমি জনাব রসূলুল্লাহ (সাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ
إِنَّ عَرْشَ إِبْلِيسَ عَلَى الْبَحْرِ فَيَبْعَثُ سَرَايَاهُ فَيَفْتِنُونَ النَّاسَ فَأَعْظَمُهُمْ عِنْدَهُ مَنْزِلَةً أَعْظَمُهُمْ فِتْنَةً يَجِيءُ أَحَدُهُمْ يَقُولُ : مَا تَرَكْتُهُ حَتَّى فَرَّقْتُ بَيْنَهُ وَبَيْنَ اِمْرَأَتِهِ فَيُدْنِيهِ مِنْهُ وَيَقُولُ نعم أنت
ইবলীসের আসন সমুদ্রের উপরে। সে ওখান থেকে মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য সৈন্য পরিচালনা করে। তার সেনাদের মধ্যে তার কাছে সবচেয়ে বেশি মর্যাদা সেই পায়, যে সবচেয়ে বড় ফিত্না ছড়ায়। (শয়তানবাহিনী ইবলীসের কাছে গিয়ে নিজেদের কাজের বিবরণ পেশ করে। যেমন-) তাদের মধ্যে উ বলে,-'আমি অমুকের পিছনে লেগে ছিলাম, শেষ পর্যন্ত তার ও তার স্ত্রীর বিচ্ছেদ ঘটিয়ে ছেড়েছি।' ইবলীস তখন কে কাছে টেনে বলে, 'তুমি তো বিরাট বড় কাজ করেছ!' (৩৬)
টিকাঃ
(৩৬) মুসলিম, কিতাবুল মুনাফিকীন, হাদীস ৬৬-৬৭। মুসনাদে আহমাদ, ৩: ২১৪, ৩৩২, ৩৫৪, ৩৮৪। হুলইয়াতুল আউলিয়া, ৭:৯২।