📄 শয়তানের গ্রেফতারী
হযরত সাআদ বিন מסউদ (রাঃ) বলেছেনঃ ফিরিস্তারা (জ্বিনদের সাথে) যুদ্ধ করত। তাই (কোনও এক যুদ্ধে) শয়তানকে গ্রেফতার করা হয়। ও তখন রাচ্চা ছিল। তারপর সে ফিরিস্তাদের সাথে ইবাদত করতে থাকে। (২৪)
টিকাঃ
(২৪) ইবনু জারীর।
📄 ইবলীস ফিরিশতা ছিল না
হযরত হাসান বসরী (রহঃ) বলেছেনঃ আল্লাহ তাআলা সেইসব মানুষকে ধ্বংস করুন, যারা ধারণা করে যে, ইল্লীস ফিরিস্তাদের অন্তর্গত। আল্লাহ তো স্বয়ং বলেছেন كَانَ مِنَ الْجِن সে ছিল জ্বিনদের অন্তর্গত। (২৫)
টিকাঃ
(২৫) ইবনুল মুনযির। ইবনু আবী হাতিম।
📄 শয়তানের অহংকারের আরেকটি কারণ
হযরত ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেছেনঃ আল্লাহ্ তাআলা ইব্ল্লীসকে পৃথিবীর স্থলভাগ থেকে উর্বর ও নোনা (উভয় মাটির মিশ্রিত) খামির নিয়ে যাবার জন্য পাঠান। ওই মাটি দিয়েই আল্লাহ তাআলা হযরত আদম (আঃ)-কে সৃষ্টি করেন। এবং এই কারণেই ইল্লীস বলেছিল أَسْجُدُ لِمَنْ خَلَقْتَ طِيْنًا আমি কি তাকে সাজদা করব, যাকে আপনি সৃষ্টি করেছেন মাটি দিয়ে? (এবং সেই মাটি আমি নিজেই এনেছিলাম!) (২৭)
টিকাঃ
(২৭) তবাকাতে ইবনু সাঅদ। ইবনু জারীর। ইবনু আবী হাতিম।
📄 শয়তানের সঙ্গ দেওয়ার সাথে সাপের দুর্ভাগা
হযরত ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেছেনঃ আল্লাহর দুশমন ইবলীস পৃথিবীর সমস্ত পশুর কাছে এসে এ-মর্মে অনুরোধ করে যে, কে তাকে তুলবে, যাতে তার সাথে সে জান্নাতে প্রবেশ করতে এবং হযরত আদমের সাথে কথা বলতে পারে। তো সমস্ত জন্তু-জানোয়ার ইবলীসের ওই আবেদন প্রত্যাখ্যান করে। তারপর ইবলীস সাপের কাছে গিয়ে বলে-'আমি তোমাকে মানুষের হাত থেকে বাঁচাব, এবং তোমার দায়িত্ব নেব, যদি তুমি আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দাও।' সাপ তখন তার দাঁত দিয়ে ইবলীসকে তুলে নেয়। অবশেষে শয়তান তার মুখের মধ্যে ঢুকে পড়ে। তারপর সাপের মুখ দিয়ে সে কথা বলে। (২৮)
এই সাপ সেই সময় চারপায়ে হাঁটত এবং কাপড় পরত। শয়তানের সহযোগিতা করার কারণে আল্লাহ তাআলা ওর কাপড় খসিয়ে দেন, পা-ও ছিনিয়ে নেন এবং বুকে-পেটে ভর দিয়ে চলতে বাধ্য করেন। (২৯)
টিকাঃ
(২৮) তাফসীর, আবদুর রাযযাক। তাফসীর, ইবনু জারীর তবারী।
(২৯) তাফসীর, আবদুর রায্যাক। তাফসীর, ইবনু জারীর তবারী।