📄 ইবলীসের প্রকৃত চেহারা বদলে দেওয়া হয়েছে
হযরত সাঈদ বিন জুবাইর (রহঃ) বলেছেনঃ আল্লাহ্ তাআলা যখন ইব্ল্লীসকে অভিশপ্ত বলে অভিহিত করেন, তখন তার ফিরিস্তাসুলভ চেহারাও বদলে দেন। সেই সময় সে আর্তনাদ করে ওঠে এবং এত কান্না কাঁদে যে কিয়ামত পর্যন্ত কান্নাকে তার সাথে গণ্য করা যেতে পারে (অর্থাৎ সে কেঁদেছিল দীর্ঘদিন ধরে) দ্বিতীয়বার শয়তান কেঁদেছিল মহানবী মুহাম্মদ (সাঃ)-কে কা'বা শরীফে নামায পড়তে দেখে। সেই কান্নার কারণে ইবলীসের সাঙ্গপাঙ্গরা তার কাছে এসে জড়ো হয়ে যায়। ইবলীস তাদের বলে, তোমরা মুহাম্মদ (সাঃ)-এর উম্মতদেরকে শিরকে জড়ানোর ব্যাপারে নিরাশ হয়ে যাও, কিন্তু ওদেরকে ওদের ধর্মের বিষয়ে ফেত্নাবাজী করতে পারো এবং ওদের মধ্যে শোক, আহাজারী, মাতম আর (ভিত্তিহীন) কবিতা ঢুকিয়ে দাও। (২০)
টিকাঃ
(২০) মাকায়িদুশ্ শায়তান, ইবনু আবিদ দুনইয়া (৩৩), পৃষ্ঠা ৫৩। ইবনু আবী হাতিম। আবুশ শায়খ। হুলইয়াহ, আবু নাঈম ৯: ৬৩। আদ দুররুল মানসুর, ৪: ২২৭।
📄 ফিরিশতা না হবার প্রমাণ
হযরত হাসান বসরী (রহঃ) বলেছেনঃ ইবলীস এক মুহূর্তের জন্যেও ফিরিস্তা ছিল না। সে ছিল আদি জ্বিন। যেমন আদিমানব হযরত আদম (আলাইহিস্ সালাম)। (২১)
ইমাম ইবনু শিহাব যুহুরী (রহঃ) বলেছেনঃ ইবলীস হল সমস্ত জ্বিনের বাপ, যেমন মানুষদের আদিপিতা হযরত আদম (আঃ)। আদম ছিলেন মানব এবং আদিমানব, আর ইবলীস হল জ্বিন এবং আদিজ্বিন। (২২)
টিকাঃ
(২১) ইবনু জারীর। আবুশ শায়খ।
(২২) মাকায়িদুশ শায়তান, ইবনু আবিদ দুনয়া। ইবনু আবী হাতিম। আবুশ শায়খ। মাসায়িবুল ইন্সান, ইবনু মুফলিহ্, মুকদ্দিসী।
📄 জিনদের সাথে ফিরিশতাদের লড়াই
হযরত শাহার বিন হাওশাব (রহঃ) বলেছেনঃ ইবলীস ছিল সেইসব জ্বিনের অন্তর্গত, যাদেরকে ফিরিস্তারা পরাস্ত করেছিল। এবং কতিপয় ফিলিস্তা ইবলীসকে গ্রেফতার করে আসমানে নিয়ে গিয়েছিল। (২৩)
টিকাः
(২৩) ইবনু জারীর। ইবনু আবী হাতিম।
📄 শয়তানের গ্রেফতারী
হযরত সাআদ বিন מסউদ (রাঃ) বলেছেনঃ ফিরিস্তারা (জ্বিনদের সাথে) যুদ্ধ করত। তাই (কোনও এক যুদ্ধে) শয়তানকে গ্রেফতার করা হয়। ও তখন রাচ্চা ছিল। তারপর সে ফিরিস্তাদের সাথে ইবাদত করতে থাকে। (২৪)
টিকাঃ
(২৪) ইবনু জারীর।