📄 জিনদের পানি খাওয়ানোর সওয়াব
(হাদীস) বর্ণনায় হযরত জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রাঃ) জনাব রসূল (সাঃ) বলেছেন:
مَنْ حَفَرَ مَاءً لَمْ يَشْرَبُ مِنْهُ كَبْ حَرِيٌّ مِنْ إِنسِ وَجِنِّ وَلَا سَبُعُ وَلَا طَائِرٍ إِلَّا أَبَرَهُ اللَّهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ
যে ব্যক্তি কূপ খনন করে এবং তার পানি দিয়ে কোনও মানুষ বা জ্বিন কিংবা পশু বা পাখির পিপাসা নিবারণ করে, তার প্রতিদান বা পুরস্কার আল্লাহ্ তাকে প্রদান করবেন কিয়ামতে।(২৩)
টিকাঃ
(২৩) ফাওয়াইদে সামিাবিয়াহ্, মুগ্ধারাহ্, যিয়া মুকদ্দিসী। আল্-জামিই আল্-কাবীর, সুয়ূত্বী, ১৪ ৭৭২। কানযুল উম্মাল, ১৫:৪৩১৮৯। ইনু খুযাইমাহ্। তারগীব অ তারহীব, ১: ১৯৪; ২ঃ ৭৪।
📄 শয়তানের সাথে সম্পর্কযুক্ত করা নিষেধ
বর্ণনায় ইমাম ইবনু আসীর (রহঃ) মহানবী মুহাম্মদ (সাঃ)-এর দরবারে একবার আরবের এক গোত্রের প্রতিনিধিদল আসে। তিনি তাদের জিজ্ঞাসা করেন, 'তোমরা কোন্ গোত্রের অন্তর্গত? তারা বলে, 'বানু নাহম।' নবীজী বলেন, 'নাহম তো শয়তান, নাহম তো শয়তানের নাম। (তোমরা শয়তানের বান্দা নও, বরং) তোমরা আল্লাহর বান্দাদের বংশধর।' (২৪)
টিকাঃ
(২৪) নিহায়াহ্, ইবনু আসীর।
📄 নবীজী বদলে দিয়েছেন শয়তানী নাম
(হাদীস) বর্ণনায় হযরত উরওয়াহ্ রহ বিন যুবাইর (রাঃ) মহানবী মুহাম্মদ (সাঃ) হযরত আব্দুল্লাহ বিন আবদুল্লাহ বিন আবী (তাঁর নাম বদলে দিয়ে) বলেন, তোমরা নাম রাখা হল 'আবদুল্লাহ্'। কেননা 'হাব্বার' হল শয়তানের নাম। স্মর্তব্য, এই আব্দুল্লাহ্র পূর্বনাম ছিল 'হাব্বাব'। (২৫)
হযরত খইসামাহ্ বিন আব্দুর রহমান (রাঃ) তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেছেন : আমি একবার আমার পিতার সঙ্গে, নবীজীর খিদমতে হাজির হই। নবীজী আমার পিতাকে জিজ্ঞাসা করেন, 'এ কি তোমার খোকা?' তিনি বলেন, 'জী হ্যাঁ।' নবীজী বলেন, 'এর নাম কী?' আমার পিতা বলেন, হাব্বাব। নবীজী বললেন 'এর নাম হাব্বাব রেখো না, কারণ হাব্বাব হল শয়তানের নাম। (২৬)
টিকাঃ
(২৫) ইন্ধু সাদ।
(২৬) তবারানী, কাবীর।
📄 শয়তানের নাম ‘আহ্ব্দাখ্’
বর্ণনায় হযরত মারূক্ (বিখ্যাত তাবিঈ): একবার আমি হযরত উমর বিন খাত্ত্বাব (রাঃ)-এর সঙ্গে মুলাকাত করি। তিনি জিজ্ঞাসা করেন, 'তুমি কে? আমি বলি, 'মাসরূক্ বিন আল্-আজদাত্'। তিনি বলেন, 'আমি রসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর থেকে শুনেছি, তিনি বলেছেন, আজদাত্ শয়তান (-এর নাম) (২৭)
বর্ণনায় হযরত আয়েশা (রাঃ) জনাব রসূলুল্লাহ্ (সাঃ) এক ব্যক্তিকে 'শিহাব' (নামে) ডাকতে শুনে বলেন, তুমি হলে 'হিশাম'- 'শিহাব' তো শয়তানের নাম।(২৮)
টিকাঃ
(২৭) ইবনু আবী শায়বাহ্, ৮:৪৭৭। আবু দাউদ, হাদীস নং ৪৯৫৭। ইবনু মাজাহ্, ৩৭৩১। আহমাদ, ১৪ ৩১। হাকিম, ৪: ২৭৯। তারীখে বাগদাদ, ১৩: ২৩২। কানযুল উম্মাল, ৪৫২৩৭।
(২৮) শুআবুল ঈমান, বায়হাকী। মাজমাউয যাওয়াঈদ, ৮:৫১। আল-আদাবুল মুফ্রাদ, ৮২৫। তবাক্বাতে ইবনু সাদ, ৭:১৭। হাকিম, ৪:২২৭।