📘 জীন জাতির বিষ্ময়কর ইতিহাস > 📄 সূরা ইয়াসীনের আরেকটি উপকারিতা

📄 সূরা ইয়াসীনের আরেকটি উপকারিতা


হযরত সাঈদ বিন জুবাইর (রহঃ) একজন উন্মাদকে সূরাহ্ ইয়াসীন পড়ে ফুঁক দিতে সে সুস্থ হয়ে ওঠে। (৩৪)

টিকাঃ
(৩৪) ফাযায়িলুল্ কোরআন, ইবনু যুরাইস।

📘 জীন জাতির বিষ্ময়কর ইতিহাস > 📄 সত্তর হাজার ফিরিশতাকে নিরাপত্তা রক্ষী করার উপায়

📄 সত্তর হাজার ফিরিশতাকে নিরাপত্তা রক্ষী করার উপায়


(হাদীস) হযরত আবূ উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, জনাব রসূলূল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ
مَنْ تَعَوَّذَ بِاللهِ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ ثُمَّ قَرَأَ أَخَرَ سُورَةِ الْحَشْرِ بَعَثَ اللَّهُ تَعَالَى سَبْعِينَ أَلْفَ مَلَكٍ يَطْرُدُونَ عَنْهُ شَيَاطِينُ الْإِنْسِ وَالْجِنِّ إِنْ كَانَ لَيْلًا حَتَّى يُصْبِحَ وَإِنْ كَانَ نَهَارًا حَتَّى يُمْسِي .
যে ব্যক্তি তিনবার 'আউযূ বিল্লাহ'.... পড়ার পর সূরা আল-হাশরের শেষ তিন আয়াত পড়ে, আল্লাহ তাআলা তার জন্য সত্তর হাজার ফিরিস্তা মোতায়েন করে দেন, যারা তাকে জ্বিন ও মানুষরূপী শয়তানদের থেকে হিফাযত করে। রাতে. পড়লে সকাল পর্যন্ত এবং দিনে পড়লে সন্ধ্যা পর্যন্ত হিফাযত করে। (৩৫)

টিকাঃ
(৩৫) ইবনু মারদাওয়াহ্। আদ্-দুররুল মানসুর ৬: ৩০২।

📘 জীন জাতির বিষ্ময়কর ইতিহাস > 📄 সূরা হাশরের শেষাংশের কার্যকরিতা

📄 সূরা হাশরের শেষাংশের কার্যকরিতা


আবু আইয়ুব আনসারী (রাঃ)-এর বাড়িতে খেজুর শুকানোর জন্য আলাদা একটি জায়গা ছিল। তিনি সেখান থেকে খেজুর কমতে দেখে এক রাতে পাহারায় থাকেন। সেই রাতে একজন লোককে সেখানে আসতে দেখেন। তাকে জিজ্ঞাসা করেন, 'তুমি কে?' সে বলে, 'আমি একজন পুরুষ জ্বিন। এই ঘরে আমার আসার উদ্দেশ্য, আমাদের কাছে খাবার মতো কিছু নেই। তাই আমরা আপনার খেজুর নিচ্ছি। আপনার জন্য আল্লাহ এতে কম করবেন না।' হযরত আবু আইয়ুব আনসারী (রাঃ) বলেন, 'যদি তুমি (নিজেকে জ্বিন বলার বিষয়ে) সাচ্চা হও, তবে তোমার হাত আমাকে ধরিয়ে দাও।' সে নিজের হাত ধরিয়ে দিল। হযরত দেখলেন, সেটা ছিল কুকুরের পায়ের মতো লোমযুক্ত। তো হযরত আবু আইয়ুব (রাঃ) বলেন, 'তুমি আমার যতটা খেজুর এর আগে নিয়েছ, সব মাফ করে দিলাম। এখন তুমি সেই সেরা আমলটি বাতলে দাও, যার মাধ্যমে মানুষ জ্বিনের অনিষ্ট থেকে মুক্ত থাকতে পারবে।' জ্বিনটা বলে, 'তা হল সূরাহ্ আল্-হাশরের শেষ আয়াত। (৩৬)

টিকাঃ
(৩৬) ইবনু মারদাওয়াহ।

📘 জীন জাতির বিষ্ময়কর ইতিহাস > 📄 সূরা ইখলাসের উপকারিতা

📄 সূরা ইখলাসের উপকারিতা


(হাদীস) হযরত আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, জনাব রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ
مَنْ صَلَّى صَلوةَ الْغَدَاةِ ثُمَّ لَمْ يَتَكَلَّمُ حَتَّى يُقَرأ (قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ) عشر مَرَّاتٍ لَمْ يُدْرِكُهُ ذَلِكَ الْيَوْمَ ذَنْبٌ وَأَجِيْرٌ مِنَ الشَّيْطَانِ -
যে ব্যক্তি ফজরের নামায আদায় করার পর কোনও কথা না বলে দশবার সূরা ইহ্লাস (কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ) পড়বে, সে ওই দিন কোনও বিপদ-আপদে পড়বে না এবং শয়তানের থেকেও নিরাপদে থাকবে। (৩৭)

টিকাঃ
(৩৭) দুররুল মানসুর ৪:৪১৪। কানযুল উম্মাল, হাদীস ২৫৪০। ইবনু আসাকির।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00