📄 ‘আয়াতুল কুরসীর মাহাত্ম্য
(হাদীস) হযরত আবু হুরাইরাহ (রাঃ)-র বাচনিকে জনাব রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ
سُوْرَةُ الْبَقَرَةِ فِيْهَا آيَةٌ سَيِّدَةٌ آيَ الْقُرْآنِ لَا تُقْرَأُ فِي بَيْتٍ وَفِيهِ شَيْطَانُ إِلَّا خَرَجَ مِنْهُ : آيَةُ الْكُرْسِيِّ
সূরাহ্ বাকারাহয় এমন একটি আয়াত আছে যেটি কোরআনের সমস্ত আয়াতের সর্দার। যে ঘরে শয়তান থাকে, সে ঘরে আয়াতটি পড়লে শয়তান সেখান থেকে পালিয়ে যায়। আয়াতটি হল-'আয়াতুল কুন্সী। (২৫)
টিকাঃ
(২৫) মুস্তাদ্রাকে, হাকিম ১ঃ ৫৬০; ২: ২৫৯। তুবারানী, কাবীর ১০ঃ ১০৬, ৩২৩। দুররুল মানসুর ১: ৩২৬। কানযুল উম্মাল ২৫৫৭। তাফসীর ইবনু কাসীর ১:৪৫৪। জামউল জাওয়ামিই ১:৫৪৮। শুআবুল ঈমান, বায়হাকী।
📄 শয়তানকে বাড়িতে ঢুকতে না দেবার উপায়
(হাদীস) বর্ণনায় হযরত ইবনু মাসউদ (রাঃ) যে ব্যক্তি সূরা বাকারাহ'র দশ আয়াত রাতের বেলায় পড়বে, সেই রাতে শয়তান তার ঘরে ঢুকতে পারবে না। চার আয়াত সূরাহ্'র শুরুতে, এক আয়াত 'আয়াতুল কুন্সী', দু'আয়াত আয়াতুল কুরসীর পরের দু'আয়াত এবং বাকি তিন আয়াত হল সূরাহ'র শেষে লিল্লাহি মা ফিস্ সামাওয়াতি থেকে। (২৬)
দারিমী ও ইবনু যুরাইসের বর্ণনায় হযরত ইবনু מסউদ (রাঃ)-এর বাচনিকে এরকমও বর্ণিত হয়েছে-যে ব্যক্তি সূরাহ্ বাকারাহ'র প্রথম চার আয়াত, আয়াতুল কুন্সী ও তার পরের দু'আয়াত এবং সূরাহ্ বাকারাহ'র শেষ তিন আয়াত পড়বে-সে দিন তার কাছে শয়তান আসবে না, তার বাড়ির লোকজনদের কাছেও আসবে না এবং তার পরিবার-পরিজনদের কোনও অনিষ্ট হবে না ও তার ধন-সম্পদেরও কোনও ক্ষয়ক্ষতি হবে না। এই আয়াতগুলি কোনও পাগলের উপর পড়লে তারও ফায়দা হবে। (২৭)
টিকাঃ
(২৬) সুনানু দারিমী। ইবনুল মুনযির। তবারানী।
(২৭) সুনানু দারিমী, ফাযায়িলুল কোরআন। ইবনুয় য়রাইস।
📄 বদনযর থেকে বাঁচার উপায়
(হাদীস) হযরত ইমরান বিন হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্ণিত, জনাব রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ
فَاتِحَةُ الْكِتَابِ وَايَةُ الْكُرْسِيِّ لَا يُقْرَأُهَا عَبْدٌ فِي دَارٍ فَتُصِيبَهُمْ ذلِكَ الْيَوْمَ عَيْنُ انْسِ أَوجِن -
যে ব্যক্তিই বাড়িতে সূরা ফাতিহাহ্ ও আয়াতুল কুরসী পড়বে, সেই দিন তার জ্বিনের অথবা মানুষের বদনজরঘটিত কোনও বিপদ হবে না। (২৮)
টিকাঃ
(২৮) দাইলামী। আহাফ আস্-সাদাহ্ আল্-মুত্তাক্বীন ৫ঃ ১৩২। দুররুল মানুসর ১ঃ ৫। কানুযুল উম্মাল ২৫০২। তাসীর কুরতুবী ১: ১১১। কাশফুল খিফা ২ঃ১০৭।
📄 শয়তানদের জন্য ভীষণ কষ্টদায়ক দু’টি আয়াত
(হাদীস) হযরত আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, জনাব রসূলুল্লাহ (সাঃ)
لَيْسَ شَيْ أَشَدُّ عَلَى مَرَدَةٍ مِنْ هُؤُلَاءِ الْآيَاتِ فِي سُورَةِ : البقرة (وَإِلَهُكُمْ إِلَهُ وَاحِدٌ ...) الْآيَتَيْنِ
দুষ্ট জ্বিনদের পক্ষে সূরাহ্ বাকারাহ'র ('অ ইলাহুকুম ইলাহু' ওয়াহিদ' থেকে) দু'টি আয়াতের চেয়ে বেশি মারাত্মক আর কোনও আয়াত নেই। (২৯)
টিকাঃ
(২৯) দাইলামী, হাদীস নং ৫১৭৭; ৩ঃ ৩৮৫। আদ দুররুল মানসুর ১: ১৬৩। কানযুল উম্মাল, হাদীস নং ২৫৫৬। আল জামিউল কাবীর ১:৬৭৮।