📄 সূরা ফালাক-নাসের দ্বারা জিন ইনসানের থেকে সুরক্ষা
(হাদীস) বর্ণনায় হযরত আবূ সাঈদ (রাঃ) জনাব রসূলুল্লাহ (সাঃ) জ্বিন ও মানুষের বদনজর থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করতেন। অবশেষে (কোরআন পাকের) সর্ব শেষ সূরাহ দু'টি অবতীর্ণ হতে তিনি ও দু'টি পড়তে শুরু করেন এবং বাকি দু'আগুলি ছেড়ে দেন। (২০)
টিকাঃ
(২০) সুনানু তিরমিযী, কিতাবুত্ ত্বিব্ব, বাব ১৬। সুনানু নাসায়ী, কিতাবুল ইস্তিআযাহ্, বাব ৩৭। সুনানু ইবনু মাজাহ্, কিতাবুত্ ত্বিব্ব, বাব ২৩। মিশকাত, হাদীস ৪৫৬৩। কান্যুল উম্মাল ১৮০৩৮। ফাল্গুল বারী ১০৪ ১৯৫। কিতাবুল আযকার, হাদীস ২৮৩।
📄 অযু-নামাযের মাধ্যমে শয়তান থেকে সুরক্ষা
'আকামুল মারজান' গ্রন্থের লেখক আল্লামা বরুদ্দীন শিবলী (রহঃ), বলেছেনঃ শয়তানের অনিষ্ট থেকে সুরক্ষার জন্য উযূ-নামাযও একটি আমল। কেননা হাদীস শরীফে আছে :
إِنَّ الْغَضَبَ مِنَ الشَّيْطَانِ وَإِنَّ الشَّيْطَانَ خُلِقَ مِنَ النَّارِ وَإِنَّمَا تُطْفِرُ النَّارُ بِالْمَاءِ فَإِذَا غَضِبَ أَحَدُكُمْ فَلْيَتَوَضَّأُ
ক্রোধ (উৎপন্ন হয়) শয়তান থেকে এবং শয়তান সৃষ্ট আগুন থেকে আর আগুন নেভানো হয় পানি দিয়ে। সুতরাং তোমাদের মধ্যে কারোর ক্রোধ এলে সে যেন উযূ করে। (২১)
টিকাঃ
(২১) আবূ দাউদ ৪৭৮৪। দুররুল মানসুর ২ঃ ৭৪। মুসনাদে আহমাদ ৪: ২২৬। ফাল্গুল বারী ১০:৪৬৭। আত্ ত্বিব্বুন নববী, যাহাবী ২৪। তারগীব অ তারহীব ৩ঃ ৪৫১। তাখ্রীজে ইরাক্বী ৩: ১৬৩। তাফসীর ইবনু কাসীর। তাফসীর কুরতুবী। মিশকাত। জামউল জাওয়ামিই। আহাফুস্ সাদাহ। ত্ববারানী কাবীর। তাফসীর কুরতুবী। শারহুস সুন্নাহ।
📄 আরও একটি উপায়
অনর্থক দৃষ্টিপাত, অপ্রয়োজনীয় বাক্যব্যয়, অতিরিক্ত পানাহার ও আজেবাজে লোকদের সাথে সাক্ষাৎ হতে বিরত থাকাও শয়তানের থেকে হিফাযতের একটি পদ্ধতি। কেননা এই চারটি দরজা দিয়ে শয়তান মানুষের উপর চড়াও হয়।
📄 কুদৃষ্টিপাত থেকে বিরত থাকার পুরস্কার
(হাদীস) হযরত হুযাইফাহ (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে, জনাব রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ
النظرة سهم مِن سِهَامِ إبْلِيسَ مَسْمُومَةٌ فَمَنْ تَرَكَهَا مِنْ خَوْفِ اللَّهِ أَثَابَهُ إِيْمَانًا يَجِدُ حَلَاوَتَهُ فِي قَلْبِهِ
ইল্লীসের বিষাক্ত তীরগুলির একটি হল কুদৃষ্টি। সুতরাং যে ব্যক্তি আল্লাহর ভয়ে কুদৃষ্টি ছেড়ে দেবে, আল্লাহ তাকে এমন ঈমান দান করবেন, যার মিষ্টতা সে 'অন্তরে অনুভব করবে। (২২)
টিকাঃ
(২২) মুস্তাদ্রাকে হাকিম ৪ঃ ৩১৪। ত্ববারানী, ইবনু מסউদ (রাঃ)। দুররুল মানসুর ৫ ৪৪১। কাশফুল খিফা ২:৪৩৮, ৪৩৯, ৪৫৫।