📘 জীন জাতির বিষ্ময়কর ইতিহাস > 📄 জিনেন্দ আরেকটি খতরনাক ঘটনা

📄 জিনেন্দ আরেকটি খতরনাক ঘটনা


বর্ণনায় হযরত আবুল মুনযির (রহঃ) একবার আমরা হজ্জ করার পর, এক বড় পাহাড়ের গুহায় গিয়ে পৌঁছিই। যাত্রী (কাফেলা) দলের ধারণা, ওই গুহায় জ্বিনরা বাস করে। সেই সময় এক বয়স্ক মানুষকে (পাহাড়ী ঝর্ণার) পানির দিক থেকে আসতে দেখে আমি বলি, হে আবূ শামীর! এই পাহাড়ের বিষয়ে আপনার অভিমত কী? আপনি এই পাহাড়ে বিশেষ কিছু ঘটতে দেখেছেন? তিনি বলেনঃ হ্যাঁ, একবার আমি নিজের তীর-ধনুক নিয়ে ভয়ের চোটে এই পাহাড়ের উপরে গিয়ে উঠি। এবং পানির ঝর্ণার কাছে গাছের ডাল-পাতা দিয়ে একটি ঘর বানিয়ে তাতে বাস করতে লাগি। সেই সময় একদিন আমি হঠাৎ কিছু পাহাড়ি ছাগলকে আমার দিকে এগিয়ে আসতে দেখি। সেগুলো কোনও কিছুকে ভয় পাচ্ছিল না। সেগুলো এই ঝর্ণা থেকে পানি পান করল। তারপর এর আশেপাশে বসে গেল। যেগুলোর মধ্যে একটা মেষকে আমি তীর মারি। তীরটা তার বুকে গিয়ে লাগে। অমনই এক চিৎকারকারী সজোরে চিৎকার করে। ফলে পাহাড় থেকে ভয়ে সবাই পালিয়ে যায়। তখন এক শয়তান আমার সম্বন্ধে অপর শয়তানকে বলল, তুই ধ্বংস হ! ওকে খতম করে ফেলছিস না কেন?' দ্বিতীয় শয়তান বলল, ওকে খতম করার ক্ষমতা আমার নেই!' প্রথম শয়তান বলল, তুই ধ্বংস হ! ক্ষমতা নেই কেন? দ্বিতীয় শয়তান বলল, 'কারণ, ওই ব্যক্তি পাহাড়ে ওঠার সময় (কিংবা পাহাড়ে ঘর বাঁধার সময়) আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করেছিলেন। (বর্ণনাকারী বৃদ্ধ বলছেন) একথা শোনার পর আমি নিশ্চিন্ত হই। (১৯)

টিকাঃ
(১৯) ইবনু আবিদ দুনইয়া, মাকায়িদুশ শাইত্বান (১৭), পৃষ্ঠা ৩৯।

📘 জীন জাতির বিষ্ময়কর ইতিহাস > 📄 সূরা ফালাক-নাসের দ্বারা জিন ইনসানের থেকে সুরক্ষা

📄 সূরা ফালাক-নাসের দ্বারা জিন ইনসানের থেকে সুরক্ষা


(হাদীস) বর্ণনায় হযরত আবূ সাঈদ (রাঃ) জনাব রসূলুল্লাহ (সাঃ) জ্বিন ও মানুষের বদনজর থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করতেন। অবশেষে (কোরআন পাকের) সর্ব শেষ সূরাহ দু'টি অবতীর্ণ হতে তিনি ও দু'টি পড়তে শুরু করেন এবং বাকি দু'আগুলি ছেড়ে দেন। (২০)

টিকাঃ
(২০) সুনানু তিরমিযী, কিতাবুত্ ত্বিব্ব, বাব ১৬। সুনানু নাসায়ী, কিতাবুল ইস্তিআযাহ্, বাব ৩৭। সুনানু ইবনু মাজাহ্, কিতাবুত্ ত্বিব্ব, বাব ২৩। মিশকাত, হাদীস ৪৫৬৩। কান্যুল উম্মাল ১৮০৩৮। ফাল্গুল বারী ১০৪ ১৯৫। কিতাবুল আযকার, হাদীস ২৮৩।

📘 জীন জাতির বিষ্ময়কর ইতিহাস > 📄 অযু-নামাযের মাধ্যমে শয়তান থেকে সুরক্ষা

📄 অযু-নামাযের মাধ্যমে শয়তান থেকে সুরক্ষা


'আকামুল মারজান' গ্রন্থের লেখক আল্লামা বরুদ্দীন শিবলী (রহঃ), বলেছেনঃ শয়তানের অনিষ্ট থেকে সুরক্ষার জন্য উযূ-নামাযও একটি আমল। কেননা হাদীস শরীফে আছে :
إِنَّ الْغَضَبَ مِنَ الشَّيْطَانِ وَإِنَّ الشَّيْطَانَ خُلِقَ مِنَ النَّارِ وَإِنَّمَا تُطْفِرُ النَّارُ بِالْمَاءِ فَإِذَا غَضِبَ أَحَدُكُمْ فَلْيَتَوَضَّأُ
ক্রোধ (উৎপন্ন হয়) শয়তান থেকে এবং শয়তান সৃষ্ট আগুন থেকে আর আগুন নেভানো হয় পানি দিয়ে। সুতরাং তোমাদের মধ্যে কারোর ক্রোধ এলে সে যেন উযূ করে। (২১)

টিকাঃ
(২১) আবূ দাউদ ৪৭৮৪। দুররুল মানসুর ২ঃ ৭৪। মুসনাদে আহমাদ ৪: ২২৬। ফাল্গুল বারী ১০:৪৬৭। আত্ ত্বিব্বুন নববী, যাহাবী ২৪। তারগীব অ তারহীব ৩ঃ ৪৫১। তাখ্রীজে ইরাক্বী ৩: ১৬৩। তাফসীর ইবনু কাসীর। তাফসীর কুরতুবী। মিশকাত। জামউল জাওয়ামিই। আহাফুস্ সাদাহ। ত্ববারানী কাবীর। তাফসীর কুরতুবী। শারহুস সুন্নাহ।

📘 জীন জাতির বিষ্ময়কর ইতিহাস > 📄 আরও একটি উপায়

📄 আরও একটি উপায়


অনর্থক দৃষ্টিপাত, অপ্রয়োজনীয় বাক্যব্যয়, অতিরিক্ত পানাহার ও আজেবাজে লোকদের সাথে সাক্ষাৎ হতে বিরত থাকাও শয়তানের থেকে হিফাযতের একটি পদ্ধতি। কেননা এই চারটি দরজা দিয়ে শয়তান মানুষের উপর চড়াও হয়।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00