📄 রাকীবীকে জিনে ধরার ঘটনা
হুসাইন বিন আব্দুর রহমান বলেছেন: একবার আমি (হজ্জের সময়) 'মিনা'য় এক মৃগীরোগে আক্রান্ত উন্মাদকে দেখেছিলাম। যখন সে হজ্জের কোনও বিশেষ কর্তব্য পালনের কিংবা আল্লাহর যিক্রের উদ্দেশ্য করত, অমনই তার মৃগী হয়ে যেত। সুতরাং লোকেরা এক্ষেত্রে যা বলে থাকে, আমিও তাই বললাম। অর্থাৎ- 'যদি তুমি ইয়াহূদী হও, তবে হযরত মূসার দোহাই, ঈসায়ী (খৃস্টান) হলে হযরত ঈসার দোহাই এবং মুসলমান হলে হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর দোহাই দিয়ে বলছি, একে ছেড়ে দাও।' তখন তার মুখ দিয়ে জ্বিন বলল, 'আমি ইয়াহূদী নই, খৃস্টানও নই। আমি দেখেছি এ হতভাগা হযরত আবূ বকর (রাঃ) ও হযরত উমর (রাঃ)-এর প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে। তাই আমি একে এমন গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্য (হজ্জ) পালন করতে দিইনি। (৭)
টিকাঃ
(৭) আকলাউল মাজ্বানীন, ইবনুল জাওযী (রহঃ)।
📄 এক মুতাযিলীকে জিনে ধরার ঘটনা
বর্ণনায় হযরত সাঈদ বিন ইয়াহইয়া (রহঃ): আমি একবার হিস্ শহরে এক পাগলকে মৃগী অবস্থায় দেখেছিলাম। তার কাছে লোকদের ভিড় ছিল। আমি তার কাছে গিয়ে বললাম- 'এর উপর হামলা করার অধিকার কি আল্লাহ্ তোমাকে দিয়েছেন, না তুমি নিজে থেকেই দৌরাত্ম্য করছ?' সে (জ্বিন) মৃগীরুগির মুখ দিয়ে বলল- 'আমি আল্লাহ্র প্রতি দুঃসাহস দেখাচ্ছি না। আপনারা একে ছেড়ে দিন, যারা এ মারা যায়। কেননা এ বলে, কোরআন আল্লাহ্র সৃষ্টি।' (৮)
টিকাঃ
(৮) আকুলাউন মাজ্বানীন সূত্রে ইবনে আবিদ দুনইয়া।
📄 জিনগ্রস্ত আরেক মুতাযিলী
হযরত ইব্রাহীম খাওয়াস (আজারী, নীশাপুরী (রহঃ)) বলেছেন: একবার আমি এমন এক মানুষের কাছে গিয়েছিলাম, যাকে শয়তান মৃগীরোগে আক্রান্ত করে দিয়েছিল। আমি তার কাছে আযান দিতে শুরু করলে শয়তান ভিতর থেকে ডেকে আমাকে বলল- 'আপনি আমাকে ছেড়ে দিন। আমি একে খতম করে ফেলব। কেননা এ বলছে, কোরআন পাক হল মাখলূক। (৯)
টিকাঃ
(৯) রিসালায়ে কুশাইরিয়াহ্, ইমাম আবুল কাসিম কুশারইরী (রহঃ)।