📄 ইমাম আহমদের মত
হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন ইমাম আহমাদ (রহঃ) বলেছেন, আমি আমার পিতাকে বলি, একদল মানুষ বলছে যে, জ্বিনরা নাকি মৃগীরুগির শরীরে প্রবেশ করে না। (এ বিষয়ে আপনার অভিমত কী?) তিনি বলেন, ওরা মিথ্যা বলছে, জ্বিনরাই তো মুগীরুগির মুখ দিয়ে কথা বলে।
📄 নবীজী মৃগীরোগির থেকে জিন বের করেছেন
ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত: একবার এক মহিলা তার ছেলেকে হযরত রসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর কাছে নিয়ে এসে বলে- 'হে আল্লাহ্র রসূল! আমার এই ছেলেটি পাগল। এবং এর পাগলামি জাগে সকালে ও সন্ধ্যায়। এ আমার জীবন দূর্বিষহ করে তুলেছে হুযূর!' তখন নবীজী ছেলেটির বুকে হাত বুলিয়ে দেন এবং তার জন্য দু'আ করেন। ফলে সে ব'মি করে ফেলে। বমির সাথে তার পেট থেকে একটি কালো কুকুরছানা বের হয়ে পালিয়ে যায়। (যেটি আসলে ছিল কুকুরছানারূপী জ্বিন)। (৩)
টিকাঃ
(৩) মুস্লাদে আহমাদ। দারিমী। ত্ববারানী। আবু নুআইম, দালায়িলুন নবুয়ত। বায়হাকী, দালায়িলুন নুবুয়ত।
📄 নবীজী এক বাচ্চার জিন ছাড়িয়েছেন
হযরত উম্মে আব্বান বিনতে আল্-ওয়াযাত্ (রহঃ)-এর পিতামহ জনাব রসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর কাছে নিজের একটি পাগল বাচ্চাকে নিয়ে যেতে নবীজী বলেন, 'ওকে আমার কাছাকাছি নিয়ে এসো এবং ওর পিঠটি আমার সামনে কর। তারপর নবীজী তার উপর নীচের কাপড় ধরে পিঠে মারতে মারতে বলেন- 'ওরে আল্লাহর দুশমন! বেরিযে যায়!' ফলে বাচ্চাটি সুস্থ হয়ে চোখ খোলে। (৪)
টিকাঃ
(৪) মুস্লাদে আহমাদ। আবু দাউদ। তবারানী।
📄 নবীজীর জিন ছাড়ানোর আরেকটি ঘটনা
(হাদীস) হযরত উসামা বিন যাইদ (রাঃ) বলেছেন: আমরা রসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সাথে হজ্জের জন্য (মদীনা থেকে মক্কার উদ্দেশ্যে) রওয়ানা হয়েছি। 'বাতুনে রওহা' নামক স্থানে এক মহিলা নিজের বাচ্চাকে সামনে এনে বলে- 'হে আল্লাহ্র রসূল! এ আমার ছেলে। যখন থেকে আমি ওকে প্রসব করেছি তখন থেকে এখন পর্যন্ত এর রোগ সারেনি।' তো জনাব রসূলুল্লাহ (সাঃ) মহিলাটির কাছ থেকে বাচ্চাকে নিয়ে নিলেন। এবং তাকে নিজের বুক ও পায়ের মাঝখানে রেখে, তার মুখে থুথু দিয়ে বলেন- 'ওহে আল্লাহ্র দুশমন! বেরিয়ে যা! আমি আল্লাহ্র রসূল।' এরপর নবীজী বাচ্চাটিকে তার মায়ের হাতে তুলে দিয়ে বলেন- 'একে নিয়ে যাও। এখন ওরে কোনও কষ্ট নেই।'(৫)
টিকাঃ
(৫) আবূ ইয়ালা। আবূ নূআইম, দালায়িলুন্ নুবুয়ত। বায়হাকী, দালায়িলুন্ নুবুয়ত ৬: ২৫। মুজমাউয যাওয়াদি ৯: ৭১।