📄 ওসওয়াসা অনুযায়ী কাজ করা অধিক বিপজ্জনক
উমর বিন মুরয়াহ (রহঃ) বলেছেন: যেসব অস্ত্রসা তোমাদের চোখে পড়ে, সেগুলি স্ব স্ব কাজের চইতে বেশি চিত্তাকর্ষক নয়। (২৭)
টিকাঃ
(২৭) ইবনে আবী শায়বাহ্।
📄 খান্নাস গুজব রটায়
হযরত উমর ফারুক (রহঃ)-এর মনে একবার এক. মহিলার কথা খেয়াল হয়। কিন্তু তিনি সেকথা কাউকে বলেন নি। এমন সময় তাঁর কাছে একটি লোক এসে বলে- 'আপনি অমুখ মহিলার কথা উল্লেখ করেছেন। ও খুব সুন্দরী, ভদ্র এবং সদ্বংশীয়।' হযরত উমর বলেন- 'তোমাকে এ কথা কে বলেছে?' সে বলল- 'লোকেরা তো বলাবলি করছে। তিনি বললেন- 'আল্লাহর কসম! আমি তো একথা কারও সামনে প্রকাশ করিনি। তা স্বত্বেও লোক জানল কীভাবে? লোকটি বলে- 'আমি জানি খান্নাস এই গুজব রটিয়েছে।' (২৮)
টিকাঃ
(২৮) আল্-অস্ত্রসাহ্, ইবনে আবী দাউদ।
📄 ওসওয়াসার আরেকটি ঘটনা
হযরত আবুল জাওযা (রহঃ) বলেছেন: আমি আমার স্ত্রীকে একবার এক-তালাক দিয়েছিলাম এবং মনে মনে সঙ্কল্প করেছিলাম যে, জুমআর দিন তাকে রুজুউ ক'রে (ফিরিয়ে) নেব। কিন্তু একথা কাউকেও ফাঁস করিনি। আমার স্ত্রী বলে- 'আপনি আমাকে জুম্মার দিন রুজু করার সঙ্কল্প করেছেন।' আমি বললাম- 'একথা তো আমি কাউকে বলিনি।' তারপর হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ)-এর কথা আমার মনে পড়ল- (তিনি বলেছেন)- 'একজন মানুষের অত্মসা আরেকজন মানুষের অস্ত্রসাকে জানিয়ে দেয়, তারপর গুজব ছড়িয়ে যায়। (২৯)
টিকাঃ
(২৯) প্রাগুক্ত।
📄 হাজ্জাজ বিন ইউসুফের ঘটনা
হাজ্জাজের সামনে একবার এক ব্যক্তিকে পেশ কর হয়, যার প্রতি জাদুর অভিযোগ ছিল। হাজ্জাজ তাকে প্রশ্ন করেন- 'তুমি কি জাদুকর?' সে বলে- 'না।'হাজ্জাজ তখন একমুঠো কাঁকর নিয়ে সেগুলো গণনা করেন। তারপর প্রশ্ন করেন- 'আমার হাতে কতসংখ্যক কাঁকর আছে?' লোকটি বলে- 'এত সংখ্যক।' হাজ্জাজ তখন সেগুলো ফেলে দেন। তারপর ফের একমুঠো কাঁকর নেন এবং সেগুলো না গুণেই জিজ্ঞাস করলেন- 'এখন আমার হাতে ক'টা কাঁকর আছে?' সে বলে- 'আমি জানি না।' হাজ্জাজের প্রশ্ন- 'প্রথমবারে তুমি ঠিকঠিক বলে দিলে, কিন্তু দ্বিতীয়বারে পারলে না, কেন?' লোকটির উত্তর- 'প্রথমবার আপনি জেনেছিলেন। এর দ্বারা আপনার অস্ত্রসাও জেনেছে। তারপর আপনার অস্ত্রসা আমার অস্ত্রসাকে জানিয়ে দিয়েছে। কিন্তু এবারে আপনি জানেননি। তাই আপনার অত্মসাও তা জানতে পারেনি। ফলে আপনার অস্ত্রসা আমার অত্মসাকে বলেনি। যার দরুন আমিও জানতে পারিনি। (৩০)
টিকাঃ
(৩০) আল্-অস্ত্রসাহ্, ইবনে আবী দাউদ।