📄 মসজিদুল হারামে মনগড়া হাদীস শোনানোর ঘটনা
হযরত ঈসা বিন আবূ ফাতিমাহ্ فیয্যারী (রহঃ)-এর বর্ণনাঃ আমি মসজিদুল হারামে এক মুহাদ্দিসের কাছে বসে হাদীস লিখছিলাম। সেই মুহাদ্দিস যখন বললেন- আমাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন শাইবানী...। -তখন (ওখানে উপস্থিত) থাকা এক ব্যক্তি বলল, আমাকেও শাইবানী হাদীস বর্ণনা করেছেন। মুহাদ্দিস বললেন, ইমাম শাস্ত্রী হাদীস বর্ণনা করেছেন। সেই ব্যক্তি বলল, আমাকেও ইমাম শাস্ত্রী হাদীস বয়ান করেছেন। মুহাদ্দিস বললেন, হারিস রিওয়াইয়াত করেছেন। সেই ব্যক্তি বলল, আল্লাহর কসম! আমি হারিসের সাথে সাক্ষাৎও করেছি এবং তাঁর থেকে হাদীসও শুনেছি। মুহাদ্দিস বললেন, হযরত আলী (রাঃ) থেকে বর্ণনা আছে। সেই ব্যক্তি বলল, আল্লাহর কসম, আমি হযরত আলীর সাথেও মুলাকাত করেছি এবং তাঁর সঙ্গে সিফফীনের যুদ্ধে শরীকও থেকেছি।' আমি (ঈসা বিন আবু ফাতিমাহ্) ওর মুখে এইরকম কথা শুনে 'আয়াতুল কুন্সী' পড়া শুরু করি এবং 'অলা ইয়াউদুহু হিফযুহুমা' পর্যন্ত পৌঁছে ঘাড় ঘুরিয়ে দেখি কেউ নেই। (৫০)
টিকাঃ
(৫০) ইবনে আদী। দালায়িলুন্ নুবুউঅত, বাইহাকী, ৬:৫৫১।
📄 হাদীস বর্ণনার একটি মূলনীতি
ইমাম শাঅবাহ্ (রহঃ) বলেছেনঃ যদি তোমাদের কাছে এমন কোনও মুহাদ্দিস হাদীস বর্ণনা করে। যার চেহারা তোমাদের নজরে না পড়ে, তবে তার সূত্রে বর্ণিত হাদীস তোমরা গ্রহণ করবে না। হতে পারে সে শয়তান এবং মুহাদ্দিসের রূপ ধরে এসে বলছে- হাদ্দাসানা অ আখখারানা...।