📄 চাশ্ত্ নামাযের দরখাস্ত
আবদুল্লাহ সাজ্জাহ (জ্বিন সাহাবী) বলেছেনঃ আমি জনাব রসূলুল্লাহ (সাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ
مَا مِنْ رَجُلٍ كَانَ يُصَلِّى صَلوةَ الضُّحى ثُمَّ تَرَكَهَا إِلَّا عَرَجَتْ إِلَى اللهِ تَعَالَى عَزَّ وَجَلَّ فَقَالَتْ يَارَبِّ إِنَّ فُلَانَا حَفِظَنِي فَاحْفَظْهُ وَإِنَّ فُلَانَا ضَيْعَنِي فَضَيِّعَهُ
যে ব্যক্তি চাশতের নামায পড়তে থাকে তারপর ছেড়ে দেয়, তো সেই নামায আল্লাহর কাছে গিয়ে বলে- হে প্রভু! অমুক ব্যক্তি আমাকে হিফাযত করেছে, আপনিও ওকে হিফাযত করুন এবং (পরে) ওই ব্যক্তি আমার ক্ষতি করেছে, আপনিও ওর ক্ষতি করুন। (৩৪)
টিকাঃ
(৩৪) আবূ বকর আশ্ শাফিঈ, ফী রুবাইয়াহ্। কানযুল উম্মাল, হাদীস নং ২১৫২৬। মুসনাদ আল-ফিরদাউস, দাইলামী, ৪: ২১, হাদীস নং ৬০৬০। যারুল ফিরদাউস, ৪: ১১। তাবাতুস্ সাহাবা, ১: ২৩৮, হাদীস ২৪৯৯।
📄 সূরা আন্ নজমে নবীজী ﷺ সাথে সাজদা করেছে জিন
বর্ণনা করেছেন হযরত উসমান বিন সালিহঃ আমাকে উমার নামে এক জ্বিন সাহাবী বলেছেন- আমি নবীজীর কাছে উপস্থিত ছিলাম। তিনি সূরা আন্-নাজম তিলাওয়াত করেন এবং (ওই সূরার শেষে সাজদা থাকায়) তিনি সাজদা করেন। আমিও তাঁর সাথে সাজদা করি। (৩৫)
টিকাঃ
(৩৫) তবারানী কাবীর।
📄 সূরা হজ্জে নবীজীর সাথে দুই সাজদা করেছে জিন
বর্ণনায় হযরত উসমান বিন সালিহঃ উমর বিন তুলাকু নামের জ্বিন সাহাবীর সাথে সাক্ষাৎ হলে আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করি- আপনি কি জনাব রসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর দর্শনলাভের সৌভাগ্য অর্জন করেছেন? তিনি বলেন-হ্যাঁ, আমি তাঁর থেকে বাইয়াতও পেয়েছি। ইসলামও কবুল করেছি। এবং তাঁর পিছনে ফজরের নামাযও পড়েছি। তিনি (এই নামাযে) সূরা হাজ্জ তিলাওয়াত করেছেন এবং তাতে দু'টি (তেলাওয়াছের) সাজদা দিয়েছেন। (৩৬)
টিকাঃ
(৩৬) কামিল, ইবনে আদী।
📄 এক জিন সাহাবীর মৃত্যু হয়েছে ২১৯ হিজরীতে
হাফিয ইবনে হাজার আস্কালানী (রহঃ) বলেছেন: হযরত উসমান বিন সালিহ, (জ্বিন সাহাবী) ২১৯ হিজরীতে ইন্তিকাল করেছেন। কোনও জ্বিন যদি তাঁর থেকে হাদীস বর্ণনা করে, তবে তার সত্যায়ন করা হবে। সুতরাং যে সহীহ্ হাদীসে বলা হয়েছে যে, রসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর ইন্তিকালের একশ' বছর পর পৃথিবীর বুকে কোনও ব্যক্তি (সাহাবী) জীবিত থাকবে না- একথা কেবল মানুষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, জ্বিনদের সম্পর্কে নয়। (৩৭)
টিকাঃ
(৩৭) আল্ আসাবাহ্, ইবনে হাজার আস্কালানী (রহঃ)।