📄 জিনদের প্রতি হজ্জ ইবরাহিমী আহ্বান
বর্ণনায় হযরত সাঈদ বিন জুবাইর (রহঃ) হযরত ইব্রাহীম (আঃ) বাইতুল্লাহ্ শরীফের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করলে আল্লাহ্ তা'আলা তাঁকে অহীর মাধ্যমে জানালেন যে, জনসমাজে হজ্জের ঘোষণা করে দাও। সুতরাং হযরত ইব্রাহীম (আঃ) জনসমাজে এ মর্মে ঘোষণা করলেন- হে জনমন্ডলী, তোমাদের পালনকর্তা এক গৃহ নির্মাণ করছেন, তোমরা তার হজ্জ করো। তাঁর এই আওয়াজ শুনে মু'মিন মানুষ ও মু'মিন জ্বিনরা বলেছিল-লাব্বাইকা আল্লাহুম্মা লাব্বাইক- আমরা হাজির আছি, হে আল্লাহ আমরা হাজির। (২০)
টিকাঃ
(২০) ইবনে জারীর।
বর্ণনায় হযরত সাঈদ বিন জুবাইর (রহঃ) হযরত ইব্রাহীম (আঃ) বাইতুল্লাহ্ শরীফের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করলে আল্লাহ্ তা'আলা তাঁকে অহীর মাধ্যমে জানালেন যে, জনসমাজে হজ্জের ঘোষণা করে দাও। সুতরাং হযরত ইব্রাহীম (আঃ) জনসমাজে এ মর্মে ঘোষণা করলেন- হে জনমন্ডলী, তোমাদের পালনকর্তা এক গৃহ নির্মাণ করছেন, তোমরা তার হজ্জ করো। তাঁর এই আওয়াজ শুনে মু'মিন মানুষ ও মু'মিন জ্বিনরা বলেছিল-লাব্বাইকা আল্লাহুম্মা লাব্বাইক- আমরা হাজির আছি, হে আল্লাহ আমরা হাজির। (২০)
টিকাঃ
(২০) ইবনে জারীর।
📄 এক ভয়ঙ্কর ঘটনা
বর্ণনায় হযরত ইবনে আক্বীল (রহঃ) আমাদের একটি বাড়ি ছিল। তাতে যখনই কোনও লোক থাকত, সকালে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যেত। একবার মরক্কোর এক লোক এল। 'ঘরটি সে পছন্দ করে ভাড়ায় নিল। তারপর রাত কাটাল। সকালে দেখা গেল, সে পুরোপুরি বহাল তবিয়তেই রয়েছে। তার কিছুই হয়নি। তা দেখে প্রতিবেশীরা অবাক হল। লোকটি বেশ কিছুকাল ওই ঘরে থাকল। তারপর অন্য কোথাও চলে গেল। ওকে ওই ঘরে নিরাপদে থাকার কারণ জিজ্ঞাসা করলে ও বলেছিল-আমি যখন ওই ঘরে (প্রথম দিন) রাতে থাকি, তখন ইশার নামায পড়েছি, কোরআন পাক থেকে কিছু পড়েছি। এমন সময় হঠাৎ দেখি, এক যুবক কুঁয়ো থেকে উপরে উঠছে। সে আমাকে সালাম দিল। আমি তাকে দেখে ভয় পেলাম। সে বলল, ভয় পেও না। আমাকেও কিছু কোরআন পাক শেখাও। অতএব আমি তাকে কোরআন শেখাতে শুরু করে দিই। পরে আমি তাকে জিজ্ঞাসা করি, এই ঘরের রহস্যটা কী? সে বলে, আমরা মুসলমান জ্বিন। আমরা কোরআন পাঠও করি, নামাযও পড়ি। কিন্তু এই ঘরে বেশিরভাগ সময়ে বদমাশ লোকেরা থাকে, যারা মদপানের মজলিস বসায়। তাই আমরা ওদের গলা টিপে দিই। আমি তাকে বললাম, রাতের বেলা আমি তোমাকে ভয় পাই। তুমি দিনের বেলায় আসবে। সে বলল, খুব ভাল। তারপর থেকে সে দিনের বেলা কুঁয়ো থেকে বের হত। একবার সে কোরআন পাক পড়ছিল। এমন সময় বাইরে এক ওঝা এল এবং আওয়াজ দিয়ে বলল, আমি সাপে কাটা, বদনজর লাগা ও জ্বিনে ধরার ফুঁক দিই গো! ওকথা শুনে জ্বিনটি বলল ও আবার কে? আমি বললাম, ও হল ঝাড়ফুঁককারী, ওঝা। সে বলল, ওকে ডাকো। আমি উঠে গিয়ে তাকে ডেকে আনলাম। এসে দেখলাম, সেই জ্বিনটি বিরাট বড় সাপ হয়ে ঘরের (ভিতরের) ছাদে উঠে রয়েছে। ওঝা এসে ঝাড়ফুঁক করতে সাপটি ঝটপট করতে লাগল। শেষ পর্যন্ত ঘরের মেঝেয় পড়ে গেল। তখন তাকে ধরে ঝাঁপিতে ভরে নেবার জন্য ওঝা উঠল। কিন্তু আমি তাকে মানা করলাম। সে বলল, 'তুমি আমাকে আমার শিকার ধরতে মানা করেছ।' আমি তাকে একটি স্বর্ণমুদ্রা (আশ্রাফী) দিতে সে চলে গেল। তখন সেই অজগর নড়াচড়া করল এবং জ্বিনের রূপে প্রকাশ পেল। কিন্তু সে তখন দুর্বলতার দরুন হলদে হয়ে গিয়েছিল। আমি তাকে বললাম, তোমার কী হয়েছে? সে বলল, ওই ওঝা আমাকে পাক ইসমের মাধ্যমে শেষ করে ফেলেছে। আমি বাঁচব বলে আর বিশ্বাস হচ্ছে না। যদি তুমি এই কুঁয়ো থেকে চিৎকারের শব্দ শুনতে পাও, তবে এখান থেকে চলে যেও। সেই রাতেই আমি (কুঁয়োর ভিতর থেকে) এই আওয়াজ শুনলাম, তুমি এবার দূরে চলে যাও।
(বর্ণনাকারী) ইবনে আকীল (রহঃ) বলেন, তারপর থেকে ওই ঘরে লোক থাকা বন্ধ হয়ে গেছে। (২১)
টিকাঃ
(২১) কিতাবুল ফুনুন, ইবনে আকীল।
বর্ণনায় হযরত ইবনে আক্বীল (রহঃ) আমাদের একটি বাড়ি ছিল। তাতে যখনই কোনও লোক থাকত, সকালে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যেত। একবার মরক্কোর এক লোক এল। 'ঘরটি সে পছন্দ করে ভাড়ায় নিল। তারপর রাত কাটাল। সকালে দেখা গেল, সে পুরোপুরি বহাল তবিয়তেই রয়েছে। তার কিছুই হয়নি। তা দেখে প্রতিবেশীরা অবাক হল। লোকটি বেশ কিছুকাল ওই ঘরে থাকল। তারপর অন্য কোথাও চলে গেল। ওকে ওই ঘরে নিরাপদে থাকার কারণ জিজ্ঞাসা করলে ও বলেছিল-আমি যখন ওই ঘরে (প্রথম দিন) রাতে থাকি, তখন ইশার নামায পড়েছি, কোরআন পাক থেকে কিছু পড়েছি। এমন সময় হঠাৎ দেখি, এক যুবক কুঁয়ো থেকে উপরে উঠছে। সে আমাকে সালাম দিল। আমি তাকে দেখে ভয় পেলাম। সে বলল, ভয় পেও না। আমাকেও কিছু কোরআন পাক শেখাও। অতএব আমি তাকে কোরআন শেখাতে শুরু করে দিই। পরে আমি তাকে জিজ্ঞাসা করি, এই ঘরের রহস্যটা কী? সে বলে, আমরা মুসলমান জ্বিন। আমরা কোরআন পাঠও করি, নামাযও পড়ি। কিন্তু এই ঘরে বেশিরভাগ সময়ে বদমাশ লোকেরা থাকে, যারা মদপানের মজলিস বসায়। তাই আমরা ওদের গলা টিপে দিই। আমি তাকে বললাম, রাতের বেলা আমি তোমাকে ভয় পাই। তুমি দিনের বেলায় আসবে। সে বলল, খুব ভাল। তারপর থেকে সে দিনের বেলা কুঁয়ো থেকে বের হত। একবার সে কোরআন পাক পড়ছিল। এমন সময় বাইরে এক ওঝা এল এবং আওয়াজ দিয়ে বলল, আমি সাপে কাটা, বদনজর লাগা ও জ্বিনে ধরার ফুঁক দিই গো! ওকথা শুনে জ্বিনটি বলল ও আবার কে? আমি বললাম, ও হল ঝাড়ফুঁককারী, ওঝা। সে বলল, ওকে ডাকো। আমি উঠে গিয়ে তাকে ডেকে আনলাম। এসে দেখলাম, সেই জ্বিনটি বিরাট বড় সাপ হয়ে ঘরের (ভিতরের) ছাদে উঠে রয়েছে। ওঝা এসে ঝাড়ফুঁক করতে সাপটি ঝটপট করতে লাগল। শেষ পর্যন্ত ঘরের মেঝেয় পড়ে গেল। তখন তাকে ধরে ঝাঁপিতে ভরে নেবার জন্য ওঝা উঠল। কিন্তু আমি তাকে মানা করলাম। সে বলল, 'তুমি আমাকে আমার শিকার ধরতে মানা করেছ।' আমি তাকে একটি স্বর্ণমুদ্রা (আশ্রাফী) দিতে সে চলে গেল। তখন সেই অজগর নড়াচড়া করল এবং জ্বিনের রূপে প্রকাশ পেল। কিন্তু সে তখন দুর্বলতার দরুন হলদে হয়ে গিয়েছিল। আমি তাকে বললাম, তোমার কী হয়েছে? সে বলল, ওই ওঝা আমাকে পাক ইসমের মাধ্যমে শেষ করে ফেলেছে। আমি বাঁচব বলে আর বিশ্বাস হচ্ছে না। যদি তুমি এই কুঁয়ো থেকে চিৎকারের শব্দ শুনতে পাও, তবে এখান থেকে চলে যেও। সেই রাতেই আমি (কুঁয়োর ভিতর থেকে) এই আওয়াজ শুনলাম, তুমি এবার দূরে চলে যাও।
(বর্ণনাকারী) ইবনে আকীল (রহঃ) বলেন, তারপর থেকে ওই ঘরে লোক থাকা বন্ধ হয়ে গেছে। (২১)
টিকাঃ
(২১) কিতাবুল ফুনুন, ইবনে আকীল।
📄 জিনদের পিছনে মানুষের নামায
শাইখ আবুল বাকা আক্বারী হাম্বালী (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হয় যে, জ্বিনের পিছনে (মানুষের) নামায শুদ্ধ হবে কি না?
তিনি বলেন, শুদ্ধ হবে। কেননা ওরাও শরীয়ত-অনুসারী এবং রসূলুল্লাহ (সাঃ) ওদের প্রতিও নবী হিসেবে প্রেরিত হয়েছেন। (২২)
টিকাঃ
(২২) ফাওয়াইদ ইবনে সীরনী হারানী হাম্বলী। এই অনুসরণ (ইক্তিদা) তখনই শুদ্ধ হবে, যখন জ্বিনকে দেখা যাবে, কেবল আওয়াজ শুনে ইক্তিদা করা শুদ্ধ নয়। অর্থাৎ ইমামতকারী জ্বিনকে দেখা গেলে তবে তার পিছনে ইক্তিদা করা শুদ্ধ হবে, নতুবা নয়। আল্লাহই ভাল জানেন। -অনুবাদক।
শাইখ আবুল বাকা আক্বারী হাম্বালী (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হয় যে, জ্বিনের পিছনে (মানুষের) নামায শুদ্ধ হবে কি না?
তিনি বলেন, শুদ্ধ হবে। কেননা ওরাও শরীয়ত-অনুসারী এবং রসূলুল্লাহ (সাঃ) ওদের প্রতিও নবী হিসেবে প্রেরিত হয়েছেন। (২২)
টিকাঃ
(২২) ফাওয়াইদ ইবনে সীরনী হারানী হাম্বলী। এই অনুসরণ (ইক্তিদা) তখনই শুদ্ধ হবে, যখন জ্বিনকে দেখা যাবে, কেবল আওয়াজ শুনে ইক্তিদা করা শুদ্ধ নয়। অর্থাৎ ইমামতকারী জ্বিনকে দেখা গেলে তবে তার পিছনে ইক্তিদা করা শুদ্ধ হবে, নতুবা নয়। আল্লাহই ভাল জানেন। -অনুবাদক।
📄 জিনদের সাথে মানুষের নামায
বর্ণনায় হযরত ইবনে মাসউদ (রাঃ) আমরা রসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সাথে (একবার) মক্কা শরীফে বসেছিলাম। তাঁর সাথে তাঁর সাহাবীদের একটি দলও মওজুদ ছিল। হঠাৎ তিনি বললেন- তোমাদের মধ্য থেকে কোনও একজন আমার সাথে উঠে দাঁড়াও কিন্তু এমন কেউ উঠবে না, যার মনে সামান্য পরিমাণ দ্বিধা রয়েছে। সুতরাং আমি তাঁর সাথে উঠে দাঁড়ালাম এবং পানির একটি পাত্র নিলাম। আমার ধারণা, তাতে পানিও ছিল। অতএব আমি তাঁর সাথে রওয়ানা হয়ে গেলাম। যখন আমরা মক্কার উপকণ্ঠে পৌঁছলাম, দেখলাম, বহু সংখ্যক সাপ জড় হয়ে আছে। নবীজী আমার জন্য একটি রেখা টেনে দিলেন। এবং বললেন-আমার ফিরে আসা পর্যন্ত এখানে থাকবে। সুতরাং আমি সেখানে বসে গেলাম এবং নবীজী ওদের দিকে অগ্রসর হলেন। আমি দেখলাম, সেই সাপ (জ্বিন) গুলো নবীজীর কাছাকাছি সরে আসছিল। নবীজী ওদের সাথে রাত ভ'র কথাবার্তা বলতে থাকলেন। অবশেষে ফজরের ওয়াক্তে উযূ করলেন। যখন নামাযের জন্য দাঁড়ালেন, সেই জ্বিনদের মধ্য হতে দুই ব্যক্তি তাঁর কাছে এল। এবং নিবেদন করল ইয়া রসূলাল্লাহ (সাঃ), আমরা চাই, আপনি আপনার নামাযে আমাদের ইমামত করুন। সুতরাং আমরা তাঁর পিছনে কাতার দিলাম। তিনি নামায পড়ালেন। তারপর নামায শেষ করতে আমি জিজ্ঞাসা করলাম- হে আল্লাহর রসূল (সাঃ)! ওরা কারা? তিনি বলেন ওরা ছিল নাসীবাইনের জ্বিন। ওদের নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল। তা নিয়ে আমার কাছে এসেছিল। এবং আমার কাছে সফরের পাথেয় চেয়েছিল। তো আমি ওদের সফরের পাথেয়ও দিয়েছি। আমি (ইবনে মাসউদ (রাঃ)) আরয করলাম-আপনি ওদের কী পাথেয় দিয়েছেন? তিনি বললেন-গোবর ও নাদি। ওরা যেখানেই গোবর পাবে, তাতে খেজুরের স্বাদ পাবে এবং যেখানেই কোন ও হাড় পাবে, তাতে ওরা খাবার পাবে। সেই সময় থেকে জনাব রসূলুল্লাহ (সাঃ) গোবরও হাড় দিয়ে ইস্তিঞ্জা করতে নিষেধ করেছেন। (২৩)
টিকাঃ
(২৩) নাওয়াদির, ইবনে সীরনী, সূত্র তবারানী ও আবূ নুআইম। তবারানী ও আবূ নুআইম। ত্ববারানী, ১০: ৭৯। মাজমাউয যাওয়াঈদ, ৮: ৩১৩। মুস্স্নাদে আহমাদ, ১:৪৫৮। বাইহাকী, ১ঃ ৯।
বর্ণনায় হযরত ইবনে মাসউদ (রাঃ) আমরা রসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সাথে (একবার) মক্কা শরীফে বসেছিলাম। তাঁর সাথে তাঁর সাহাবীদের একটি দলও মওজুদ ছিল। হঠাৎ তিনি বললেন- তোমাদের মধ্য থেকে কোনও একজন আমার সাথে উঠে দাঁড়াও কিন্তু এমন কেউ উঠবে না, যার মনে সামান্য পরিমাণ দ্বিধা রয়েছে। সুতরাং আমি তাঁর সাথে উঠে দাঁড়ালাম এবং পানির একটি পাত্র নিলাম। আমার ধারণা, তাতে পানিও ছিল। অতএব আমি তাঁর সাথে রওয়ানা হয়ে গেলাম। যখন আমরা মক্কার উপকণ্ঠে পৌঁছলাম, দেখলাম, বহু সংখ্যক সাপ জড় হয়ে আছে। নবীজী আমার জন্য একটি রেখা টেনে দিলেন। এবং বললেন-আমার ফিরে আসা পর্যন্ত এখানে থাকবে। সুতরাং আমি সেখানে বসে গেলাম এবং নবীজী ওদের দিকে অগ্রসর হলেন। আমি দেখলাম, সেই সাপ (জ্বিন) গুলো নবীজীর কাছাকাছি সরে আসছিল। নবীজী ওদের সাথে রাত ভ'র কথাবার্তা বলতে থাকলেন। অবশেষে ফজরের ওয়াক্তে উযূ করলেন। যখন নামাযের জন্য দাঁড়ালেন, সেই জ্বিনদের মধ্য হতে দুই ব্যক্তি তাঁর কাছে এল। এবং নিবেদন করল ইয়া রসূলাল্লাহ (সাঃ), আমরা চাই, আপনি আপনার নামাযে আমাদের ইমামত করুন। সুতরাং আমরা তাঁর পিছনে কাতার দিলাম। তিনি নামায পড়ালেন। তারপর নামায শেষ করতে আমি জিজ্ঞাসা করলাম- হে আল্লাহর রসূল (সাঃ)! ওরা কারা? তিনি বলেন ওরা ছিল নাসীবাইনের জ্বিন। ওদের নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল। তা নিয়ে আমার কাছে এসেছিল। এবং আমার কাছে সফরের পাথেয় চেয়েছিল। তো আমি ওদের সফরের পাথেয়ও দিয়েছি। আমি (ইবনে মাসউদ (রাঃ)) আরয করলাম-আপনি ওদের কী পাথেয় দিয়েছেন? তিনি বললেন-গোবর ও নাদি। ওরা যেখানেই গোবর পাবে, তাতে খেজুরের স্বাদ পাবে এবং যেখানেই কোন ও হাড় পাবে, তাতে ওরা খাবার পাবে। সেই সময় থেকে জনাব রসূলুল্লাহ (সাঃ) গোবরও হাড় দিয়ে ইস্তিঞ্জা করতে নিষেধ করেছেন। (২৩)
টিকাঃ
(২৩) নাওয়াদির, ইবনে সীরনী, সূত্র তবারানী ও আবূ নুআইম। তবারানী ও আবূ নুআইম। ত্ববারানী, ১০: ৭৯। মাজমাউয যাওয়াঈদ, ৮: ৩১৩। মুস্স্নাদে আহমাদ, ১:৪৫৮। বাইহাকী, ১ঃ ৯।