📄 জিনদের নামায পড়ার জায়গা
জনাব রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ
لا تَحْدَثُوا فِي الْقُرَعِ فَإِنَّهُ مُصَلَّى الْخَافِينَ
তোমরা ঘাসওয়ালা জমিতে পায়খানা করো না, ওটা হল জ্বিনদের নামায পড়ার জায়গা। (১৪)
টিকাঃ
(১৪) নিহায়াহ্, ইবনে আসীর। মাজমাউল বাহারুল আনওয়ার, ৪: ২৫৩।
জনাব রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ
لا تَحْدَثُوا فِي الْقُرَعِ فَإِنَّهُ مُصَلَّى الْخَافِينَ
তোমরা ঘাসওয়ালা জমিতে পায়খানা করো না, ওটা হল জ্বিনদের নামায পড়ার জায়গা। (১৪)
টিকাঃ
(১৪) নিহায়াহ্, ইবনে আসীর। মাজমাউল বাহারুল আনওয়ার, ৪: ২৫৩।
📄 নবীজীর থেকে কোরআন শুদ্ধ করে নিয়েছে জিনদের প্রতিনিধি
বর্ণনাকারী হযরত জাবির (রাঃ) আমরা রসূলুল্লাহ, (সাঃ)-এর সঙ্গে (কোথাও) যাচ্ছিলাম। পথে এক বিশাল বড় অজগর সামনে এল এবং তার মাথাটা রসূলুল্লাহ্ (সাঃ)-এর কানের কাছে নিয়ে গেল। তারপর রসূলুল্লাহ (সাঃ) তাঁর মুখ সেই সাপের কানে নিয়ে গেলেন এবং কানে-কানে কিছু বললেন। তারপর এমন মনে হল, যেন যমীন সেই সাপটিকে গিলে নিল (অর্থাৎ অদৃশ্য হয়ে গেল) আমরা দিবেদন করলাম- হে আল্লাহর রসূল! আমরা তো আপনার বিষয়ে ঘাবড়েই গিয়েছিলাম। তিনি বললেন-ও ছিল জ্বিনদের প্রতিনিধি দলের সর্দার। জ্বিনরা (কোরআনের) একটি সূরাহ্ ভুলে গিয়েছিল। তাই আমার কাছে ওদেরকে পাঠিয়েছে। আমি ওদের কোরআন পাকের নির্দিষ্ট জায়গা জানিয়ে দিয়েছি। (১৫)
টিকাঃ
(১৫) মালিক, খতীব বাগদাদী। তারীখে জুরজান সাহসী হাদীস নং ৫২৬।
বর্ণনাকারী হযরত জাবির (রাঃ) আমরা রসূলুল্লাহ, (সাঃ)-এর সঙ্গে (কোথাও) যাচ্ছিলাম। পথে এক বিশাল বড় অজগর সামনে এল এবং তার মাথাটা রসূলুল্লাহ্ (সাঃ)-এর কানের কাছে নিয়ে গেল। তারপর রসূলুল্লাহ (সাঃ) তাঁর মুখ সেই সাপের কানে নিয়ে গেলেন এবং কানে-কানে কিছু বললেন। তারপর এমন মনে হল, যেন যমীন সেই সাপটিকে গিলে নিল (অর্থাৎ অদৃশ্য হয়ে গেল) আমরা দিবেদন করলাম- হে আল্লাহর রসূল! আমরা তো আপনার বিষয়ে ঘাবড়েই গিয়েছিলাম। তিনি বললেন-ও ছিল জ্বিনদের প্রতিনিধি দলের সর্দার। জ্বিনরা (কোরআনের) একটি সূরাহ্ ভুলে গিয়েছিল। তাই আমার কাছে ওদেরকে পাঠিয়েছে। আমি ওদের কোরআন পাকের নির্দিষ্ট জায়গা জানিয়ে দিয়েছি। (১৫)
টিকাঃ
(১৫) মালিক, খতীব বাগদাদী। তারীখে জুরজান সাহসী হাদীস নং ৫২৬।
📄 লেবু থাকা ঘরে জিনরা প্রবেশ করে না
কাযী (আলী বিন হাসান বিন হুসাইন) খঙ্গর জীবনীতে আছেঃ জ্বিনরা তাঁর কাছে যাতায়াত করত। একসময় বেশ কিছুদিন ওরা আসেনি। তো ক্বাযী সাহেব ওদের কাছে তার (অতদিন দেরি করে আসার) কারণ জিজ্ঞাসা করলেন। ওরা বলল- আপনার বাড়িতে লেবু ছিল বলে আসিনি। কেননা, যে বাড়িতে লেবু থাকে, তাতে আমরা ঢুকি না। (১৬)
টিকাঃ
(১৬) তারজুমাতুল কাযী আল্ খলঈ।
কাযী (আলী বিন হাসান বিন হুসাইন) খঙ্গর জীবনীতে আছেঃ জ্বিনরা তাঁর কাছে যাতায়াত করত। একসময় বেশ কিছুদিন ওরা আসেনি। তো ক্বাযী সাহেব ওদের কাছে তার (অতদিন দেরি করে আসার) কারণ জিজ্ঞাসা করলেন। ওরা বলল- আপনার বাড়িতে লেবু ছিল বলে আসিনি। কেননা, যে বাড়িতে লেবু থাকে, তাতে আমরা ঢুকি না। (১৬)
টিকাঃ
(১৬) তারজুমাতুল কাযী আল্ খলঈ।
📄 নবীজীর নামে জিনের সালাম
বর্ণনায় হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) এক ব্যক্তি খইবার থেকে আসছিল। দু'জন তার পিছু নিল। ওই দু'জনের পিছনে লেগে গেল অন্য একজন। সবার পিছনে যে ছিল সে খালি বলছিল- তোমরা দু'জন ফিরে এসো! তোমরা দু'জন ফিরে এসো! শেষ পর্যন্ত সেই দু'জনকে সে ধরে ফেলল। তারপর প্রথম ব্যক্তির সঙ্গে মিলল এবং বলল এরা দু'জন শয়তান। আমি এদের পিছু নিয়ে শেষ পর্যন্ত তোমার থেকে এদেরকে হটিয়ে দিয়েছি। তুমি যখন রসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর কাছে হাজির হবে, তাঁকে আমার সালাম বলবে এবং নিবেদন করবে যে, আমরা সদাকা জমা করার কাজে লেগে আছি। সম্পূর্ণ হয়ে গেলে আমরা সেগুলি তাঁর কাছে পাঠিয়ে দেব। লোকটি মদীনায় পৌঁছানোর পর নবীজীর কাছে উপস্থিত হল এবং তাঁকে ওই ঘটনা শোনাল। তখন থেকে জনাব রসূলুল্লাহ (সাঃ) একা একা (বনজঙ্গল, মরুভূমি জাতীয় পথে) সফর করতে নিষেধ করে দেন। (কেননা এর ফলে মানুষের পক্ষে গুনাহের কাজে জড়িয়ে পড়ার, বিপদে পড়ার এবং জ্বিন শয়তানদের অনিষ্টের শিকার হয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। (১৭)
টিকাঃ
(১৭) মুসনাদে আহমাদ, ১: ২৭৮,২৯৯। দালায়িলুন নুবুউঅত, ইমাম বাইহাকী, ৭:১১২।
বর্ণনায় হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) এক ব্যক্তি খইবার থেকে আসছিল। দু'জন তার পিছু নিল। ওই দু'জনের পিছনে লেগে গেল অন্য একজন। সবার পিছনে যে ছিল সে খালি বলছিল- তোমরা দু'জন ফিরে এসো! তোমরা দু'জন ফিরে এসো! শেষ পর্যন্ত সেই দু'জনকে সে ধরে ফেলল। তারপর প্রথম ব্যক্তির সঙ্গে মিলল এবং বলল এরা দু'জন শয়তান। আমি এদের পিছু নিয়ে শেষ পর্যন্ত তোমার থেকে এদেরকে হটিয়ে দিয়েছি। তুমি যখন রসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর কাছে হাজির হবে, তাঁকে আমার সালাম বলবে এবং নিবেদন করবে যে, আমরা সদাকা জমা করার কাজে লেগে আছি। সম্পূর্ণ হয়ে গেলে আমরা সেগুলি তাঁর কাছে পাঠিয়ে দেব। লোকটি মদীনায় পৌঁছানোর পর নবীজীর কাছে উপস্থিত হল এবং তাঁকে ওই ঘটনা শোনাল। তখন থেকে জনাব রসূলুল্লাহ (সাঃ) একা একা (বনজঙ্গল, মরুভূমি জাতীয় পথে) সফর করতে নিষেধ করে দেন। (কেননা এর ফলে মানুষের পক্ষে গুনাহের কাজে জড়িয়ে পড়ার, বিপদে পড়ার এবং জ্বিন শয়তানদের অনিষ্টের শিকার হয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। (১৭)
টিকাঃ
(১৭) মুসনাদে আহমাদ, ১: ২৭৮,২৯৯। দালায়িলুন নুবুউঅত, ইমাম বাইহাকী, ৭:১১২।