📘 জীন জাতির বিষ্ময়কর ইতিহাস > 📄 দুষ্ট জিন তাড়ানোর পদ্ধতি

📄 দুষ্ট জিন তাড়ানোর পদ্ধতি


আমাদের শায়খের কাছে যখন কোনও মৃগী (জ্বিনে-ধরা) রুগীকে আনা হত, তাকে তিনি মৃগীর বয়ান শোনাতেন এবং 'সৎকাজে আদেশ ও অসৎকাজে নিষেধ'-সূচক কথা বলতেন। এর দ্বারা সেই জ্বিন যদি আয়ত্তে আসত এবং মৃগীর রুগীকে ছেড়ে যেত, তাহলে তিনি তার থেকে প্রতিশ্রুতি নিতেন যে, সে আর কখনও আসবে না। কিন্তু সহজ কথায় কোনও জ্বিন যদি ছাড়তে না চাইত, তখন তিনি তাকে না-ছাড়া পর্যন্ত মারতে থাকতেন। বাহ্যত মার পড়ে মৃগী রুগির গায়ে কিন্তু প্রকৃতপক্ষে আঘাত লাগে সেই জ্বিনের, যার কারণে মৃগী হয়। এই কারণে কষ্টবোধ করে ও চিৎকার করে এবং মৃগী রুগিকে, জ্ঞান ফিরার পর মার খাওয়ার কথা জিজ্ঞাসা করা হলে সে কিছুই বলতে পারে না।

📘 জীন জাতির বিষ্ময়কর ইতিহাস > 📄 জিনদের বিষয়ে বিভিন্ন মাসআলা

📄 জিনদের বিষয়ে বিভিন্ন মাসআলা


হযরত আবুল মাআলী (রহঃ) বলেছেন: নির্জনে ফেরেস্তা ও জ্বিনদের থেকে উলঙ্গের পর্দা করার বিষয়ে (শাফিঈ) ফিকাহবিদ্গণের সাধারণ মত হল এই যে, জ্বিনদের ক্ষেত্রেও পর্দা করতে হবে, কেননা, ওরা অনাত্মীয়দের বিধানের অন্তর্গত। তবে জ্বিনদের ক্ষেত্রে এই পর্দা সেই সময় করতে হবে, যখন ওদের উপস্থিতি জানা যাবে।
কোনও জ্বিন যদি মৃতকে গোসল দেয়, তার দেওয়া গোসল যথেষ্ট হবে। কারণ সেও শরীয়তের আওতাধীন এবং ওদের দ্বারা ফার্যে কিফায়া বিয়ষক বিধানও সম্পন্ন হয়ে যায়। তবে কেবলমাত্র জ্বিনদের আযান মানুষের জন্য যথেষ্ট হয় না এবং যদি ওদের দ্বারা আযান দিয়ে দেবার খবর সত্য হয়, তবে সে আযানও যথেষ্ট হবে।
কেননা আযান যথেষ্ট হওয়ার বিষয়ে কোনও বাধা নেই এবং কোনও প্রতিবন্ধকতা না থাকলে ওদের যবাহ-করা পশুও হালাল। (১৬)

টিকাঃ
(১৫) এই পরিচ্ছেদে 'লাক্কতুল মারজান'এর বিশেষ অংশ অনুবাদ করা হয়েছে, যাতে পাঠকদের পুরোপুরি আগ্রহ বজায় থাকে। সবিস্তারে জানতে আগ্রহী ব্যক্তিগণ মূলগ্রন্থটি দেখতে পারেন। অনুবাদক।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00