📘 জীন জাতির বিষ্ময়কর ইতিহাস > 📄 হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ)-এর তাফসীর

📄 হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ)-এর তাফসীর


'আকামুল মারজান'-এর গ্রন্থকার বলেছেন: হযরত যাহ্হাকের মতের সমর্থন রয়েছে হযরত আব্বাস (রাঃ) কৃত আল্লাহর এই বাণী وَمِنَ الْأَرْضِ مِثْلَهُنَّ
(যমীন সপ্তাকাশের অনুরূপ)-র তাফসীরে। অর্থাৎ- যমীনও সাতটি। প্রতিটি যমীনে তোমাদের নবীর মতো একজন নবী আছেন। আদমের মতো এক আদম আছেন। নূহের মতো এক নূহ্ আছেন। ইব্রাহীমের মতো আছেন ইবরাহীম এবং ঈসার মতো ঈসা। (৬)
অধিকাংশ আলেম এর ব্যাখ্যা করেছেন এই রকম : ওরা ছিল কতিপয় জ্বিন। ওরা আল্লাহর তরফ থেকে রসূল ছিল না। কিন্তু আল্লাহ ওদের যমীনের বুকে ছড়িয়ে দিয়েছেন। এবং ওরা মানুষের মধ্য থেকে আবির্ভূত আল্লাহর রসূলদের বাণী ও পথ-নির্দেশনা শুনেছে। তারপর আপন জ্বিন সম্প্রদায়ের কাছে ফিরে গিয়ে তাদেরকে সতর্ক করেছে।

টিকাঃ
(৬) ইবনে জ্বারীর। ইবনে আবী হাতিম। হাকিম, সিহাহ্। শুআবুল ঈমান, বায়হাকী। মুস্তাদ্রক হাকিম, ২:৪৯৩।

📘 জীন জাতির বিষ্ময়কর ইতিহাস > 📄 আল্লামা শিবলী (রহঃ) ও ইমাম কালবী (রহঃ)

📄 আল্লামা শিবলী (রহঃ) ও ইমাম কালবী (রহঃ)


আমি (আল্লামা জালালুদ্দীন সুয়ূতী (রহঃ)) বলছি, আল্লামা শিবলী (রহঃ) ও ইমাম কালুবী (রহঃ) বলেছেন : হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর আগমনের পূর্বে নবীগণ প্রেরিত হতেন মানব সম্প্রদায়ের মধ্য থেকে এবং হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) প্রেরিত হয়েছেন জ্বিন ও ইনসান উভয় সম্প্রদায়ের উদ্দেশে। (৭)

আল্লামা যামাখশারী (রহঃ) বলেছেন : এই কথায় ইমাম যাহ্হাকের সমর্থন নেই যে, জ্বিনদের থেকেও রসূল হয়েছে, বরং এর অর্থ এই যে, মানব সম্প্রদায়ের রসূল ওদের মধ্যে বিশেষ কিছু জ্বিনকে বিশেষভাবে নির্দেশ দিতেন, গোটা জ্বিন সম্প্রদায়কে সম্বোধন করতেন না। যেমন হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর কাছে কিছু জ্বিন হাজির হলে তিনি তাদের সামনে ইসলামের কথা পেশ করেছেন। অর্থাৎ জ্বিনরা সরাসরি অথবা কিছু কিছু মুমিন মানুষের মাধ্যমে নবী-রসূলদের কথা শুনত। (৮)

টিকাঃ
(৭) শিবলী, ফী ফাতাওয়া। কালুবী, ফী মাহিকাতুয যামাখশরী।
(৮) তাফসীরে কাশশাফ্, যামাখশারী।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00