📄 জিনজাতির শ্রেণীবিভাগ
হাফিয ইবনে আবদুল বার (৬) বলেছেনঃ ভাষাবিশারদদের মতে, জ্বিনদের কয়েকটি শ্রেণী রয়েছে। যেমন-
১. জ্বিন : অর্থাৎ সাধারণ জ্বিন
২. আমির (বহুবচনে উম্মার) : মানুষের সাথে থাকে
৩. আরওয়াহ্ : সামনে আসে
৪. শয়তান : উদ্ধত, অবাধ্য
৫. ইফ্রীত্ব : শয়তানের চাইতেও বিপজ্জনক।
টিকাঃ
(৬) ইউসুফ বিন আব্দুল্লাহ্ বিন মুহাম্মদ কুরতুবী মা-লিকী আবূ আমর, মুআরিখে আদীব, মুহাক্কিকে আযীম, মুসান্নিফে কুতুবে কাসীরহ্, হাফীযুল মাগিব, মৃত্যুসন ৪৬৩ হিজরী।
📄 জিনজাতির অস্তিত্বের প্রতি সব মুসলমান একমত
শায়খ তাকীউদ্দীন ইবনে তাইমিয়াহ (রহঃ) বলেছেন : দলমত নির্বিশেষে মুসলমানদের কেউ-ই জ্বিনজাতির অস্তিত্ব অস্বীকার করেননি। অধিকাংশ কাফিরও জ্বিনদের অস্তিত্ব স্বীকার করে। কেননা জ্বিনদের অস্তিত্ব সম্পর্কে নবী-রসূলদের উক্তি লাগাতারভাবে সকল শ্রেণীর মানুষের কাছ পর্যন্ত পৌঁছেছে। যা আম-খাস নির্বিশেষে সকলের পক্ষে জেনে যাওয়া স্বাভাবিক। কেবল অজ্ঞ দার্শনিকদের নগণ্য এক গোষ্ঠী ছাড়া জ্বিনজাতির অস্তিত্বকে কেউ-ই অস্বীকার করে না।
📄 ‘কাদরিয়া’ ফিরকার অভিমত
কাযী আবূ বাকর বাকিলানী (৭) বলেছেন : 'কাদরিয়া' ফিক্কার পুরানো যুগের অধিকাংশ মুরুব্বী তো জ্বিনজাতির অস্তিত্ব স্বীকার করতেন। কিন্তু বর্তমানের মুরুব্বীরা অস্বীকার করেন। অবশ্য এঁদের মধ্যে কিছু মানুষ এখনও জ্বিনদের অস্তিত্ব স্বীকার করেন এবং বলেন- জ্বিনদের শরীর সূক্ষ্ম হওয়ার কারণে এবং ওদের মধ্যে রশ্মি প্রবাহের জন্য আমরা দেখতে পাই না। আবার ঐ ফিরক্কার কতক ব্যক্তির মতে, জ্বিনদের দেখা না যাওয়ার কারণ ওদের কোনও রং বা বর্ণ না থাকা। যেমন হাওয়ার কোনও রং নেই বলে দেখা যায় না।
টিকাঃ
(৭) মুহাম্মদ ইব্য়ুত্ ত্বইয়িব বিন মুহাম্মদ কাযী, মুতাকাল্লিমে ইসলাম, বাগদাদী, সমকালীন 'আশায়িরাহ্ দলের নেতা, মৃত্যুসন ৪০৩ হিজরী।