📄 নবী করীম (সাঃ)-এর কাফনের আলোচনা
অতঃপর সাহাবাগণ নবী করীম ﷺ-এর গোসল সম্পন্নের পর তাঁর শরীর মুছে শুকিয়ে নেন। তারপর অন্যান্য মৃত মানুষের সাথে যা যা করা হয় নবী করীম ﷺ-এর বেলায়ও তার সবই করা হয়। এরপর ৩টি কাপড় পরানো হয়; যার দুটো ছিল সাদা ও অন্যটি ছিল ইয়েমেনি চাদর।
হযরত আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, নবী করীম ﷺ-কে ৩টি সাহুলী-ইয়েমেনের একটি শহর-সাদা চাদরে কাফন দেওয়া হয়েছে। এতে জামা ও পাগড়ি ছিল না। তিনি (হযরত আয়িশা) বলেন, আমি হযরত আবু বকর -এর কাছে গিয়েছিলাম যখন তিনি অসুস্থ ছিলেন। এরপর অসুস্থকালীন তাঁর পরিধেয় কাপড়ের প্রতি লক্ষ করে তিনি বললেন, আমার এ কাপড়টি ধুয়ে তার সাথে আরও দুটো কাপড় বৃদ্ধি করে আমার কাফন দেবে। আমি (হযরত আয়িশা) বললাম, এতো পুরোনো! তিনি বললেন, মৃতব্যক্তির চেয়ে জীবিতদের নতুন কাপড়ের অধিকার বেশি। আর কাফন হল বিগলিত শবদেহের জন্য।
ইমাম আবু আবদুল্লাহ মালিক ইবনে আনাস -এর মুওয়াত্তায় আছে, কُفِّنَ رَسُولُ اللهِ ﷺ فِي ثَلَاثَةِ أَثْوَابِ حِبَرَةٍ وَسَخَّارِيْنَ... 'হযরত রাসূলুল্লাহ-কে ৩টি ইয়েমেনি ও সাহারি কাপড়ে কাফন দেওয়া হয়েছে।” আল-ইকলীল গ্রন্থে আছে, নবী করীম-কে ৭টি কাপড়ে কাফন দেওয়া হয়েছে। আর এ-বিষয়ে সবাই একমত যে, নবী করীম ﷺ-এর কাফনে জামা ও প্রিয় পাগড়ি অন্তর্ভুক্ত ছিল না। নবী করীম ﷺ-এর কাফনে কাফুর মেশানো হয়েছিল। কারো মতে, সুগন্ধি মেশানো হয়েছিল।
হযরত আয়িশা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, নবী করীম-কে ৩টি সাদা সূতি কাপড়ে কাফন দেওয়া হয়েছে। শায়খ তকীউদ্দীন ইবনে দাকীকুল ঈদ বলেছেন, 'উদ্দেশ্যগতভাবে কাফনে জামা ও পাগড়ি আসলেই অন্তর্ভুক্ত ছিল না।' ইমাম আন-নাওয়াওয়ী সহীহ মুসলিমের ব্যাখ্যাগ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, 'নিশ্চয়ই প্রথম মতটিই (কাফনে জামা ও পাগড়ি আসলেই অন্তর্ভুক্ত ছিল না) অধিকাংশ আলিমের মত।'
টিকাঃ
১. আল-বায়হাকী, দালায়িলুন নুবুওয়াত, খ. ৭, পৃ. ২১৯, হাদীস: ৩১৫৮
২. আদ-দিয়ার বক্সী, প্রাগুক্ত, খ. ২, পৃ. ১৭১
৩. আবুর রবী আল-কালায়ী, প্রাগুক্ত, খ. ২, পৃ. ৬০
৪. আত-তিরমিযী, আল-জামিউল কবীর, খ. ৩, পৃ. ৩১২, হাদীস: ৯৯৬
৫. (ক) আল-বুখারী, আস-সহীহ, খ. ২, পৃ. ৭৭, হাদীস: ১২৭৩; (খ) মালিক ইবনে আনাস, আল-মুওয়াত্তা, খ. ১, পৃ. ৩৯৯, হাদীস: ১০১০
৬. ইবনে দকীকুল ঈদ, ইহকামুল ইহকাম, খ. ১, পৃ. ৩৬৬, হাদীস: ১৫৯ (৪)
৭. আন-নাওয়াওয়ী, আল-মিনহাজ, খ. ৭, পৃ. ৭, হাদীস: ৯৪১
📄 নবী করীম (সাঃ)-এর সালাতে জানাযা
হযরত মুহাম্মদ (ইবনে আলী ইবনে হুসাইন) থেকে বর্ণিত আছে যে, নবী করীম ﷺ-এর নামায ইমাম ছাড়াই পড়া হয়েছে। পৃথক পৃথকভাবে (নবী করীম-এর নামায পড়া হয়েছে); নবী করীম ﷺ-এর নামাযে কোন ইমাম ছিল না। মুসলিমরা জনে জনে (নবী করীম-এর হুজরায়) প্রবেশ করেছেন এবং তাঁর নামায আদায় করে বেরিয়ে পড়েছেন। যখন সবাই নামায পড়া শেষ করেন হযরত ওমর (ইবনুল খাত্তাব) ডেকে বললেন, জানাযার জন্য আহলে বায়তকে সুযোগ দাও।
হযরত আলী, হযরত আব্বাস ও বনী হাশিমের লোকজন (সর্বপ্রথম) নবী করীম ﷺ-এর জানাযার নামায পড়েন। তারপর মুহাজিরগণ প্রবেশ করেন, এরপর আনসারগণ, এরপর অন্যান্য লোকজন; পৃথক পৃথকভাবে (নবী করীম ﷺ-এর নামায পড়েছেন); তাঁর নামাযে কোন ইমাম ছিল না। অতঃপর মহিলাগণ, এরপর শিশু-কিশোরগণ (জানাযা আদায় করেন)।
মঙ্গবারে যখন সাহাবাগণ নবী করীম ﷺ-এর গোসলের কাজ শেষ করেন, তখন তাঁকে তাঁর ঘরের ভেতরে তাঁরই খাটের ওপর রাখা হয়। এরপর লোকজন দলে দলে ঘরে প্রবেশ করেন এবং তাঁর নামাযে জানাযা আদায় করেন। তাঁদের নামায আদায়ের পর মহিলারা প্রবেশ করেন, তাঁদের অব্যবহিত পর শিশু-কিশোরগণ প্রবেশ করেন। হযরত রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর জানাযায় কোনো ইমাম ছিল না। সর্বপ্রথম দলে দলে নবী করীম ﷺ-এর জানাযা নামায পড়েন ফেরেশতাগণ, এরপর নবী করীম ﷺ-এর পরিবার-পরিজন, এরপর সাধারণ মুসলিমরা দলে দলে (তাঁর জানাযার নামায পড়েন), এরপর অন্যান্য মহিলাগণ।
টিকাঃ
১. ইবনে সা'দ, আত-তাবাকাতুল কুবরা, খ. ২, পৃ. ২৫৪, হাদীস: ২৩৪৯
২. (ক) আদ-দিয়ার বক্সী, প্রাগুক্ত, খ. ২, পৃ. ১৭১; (খ) ইবনে সা'দ, প্রাগুক্ত, খ. ২, পৃ. ২৫২, হাদীস: ২৩৩৬
৩. ইবনে মাজাহ, আস-সুনান, খ. ১, পৃ. ৫২০, হাদীস: ১৬২৮
৪. মোল্লা আলী আল-কারী, জমউল ওয়াসায়িল শরহশ শামায়িল, খ. ২, পৃ. ২১৭
📄 নবী করীম (সাঃ)-এর দাফন ও রওযা শরীফের ধরন বিষয়ে আলোচনা
মদীনায় দু'জন কবর খননকারী লোক ছিলেন; একজন বগলী কবর তৈরি করতেন, অন্যজন কবর বগলী করতেন না। হযরত আব্বাস দু'জন লোক ডেকে বললেন, একজন যেন হযরত আবু ওবাইদা ইবনুল জাররাহ-এর কাছে যাবে যিনি মক্কাবাসীর জন্য সিন্দুকি কবর খনন করেন এবং অন্যজন যেন হযরত আবু তালহা আল-আনসারী-এর কাছে যাবে যিনি মদীনাবাসীর জন্য বগলী কবর খনন করেন। এরপর হযরত আব্বাস বললেন, হে আল্লাহ! তুমি তোমার রাসুলের জন্য উত্তম ব্যবস্থাটিই করো। তাঁরা দু'জনই বেরিয়ে পড়েন। অতঃপর হযরত আবু ওবায়দা-এর নিকট পাঠানো লোকটি হযরত আবু ওবায়দা -কে খুঁজে পাননি। অতঃপর হযরত রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর জন্য বগলী কবর খনন করা হয়।
সাহাবায়ে কেরামের মাঝে নবী করীম ﷺ-এর দাফনের স্থান নিয়ে মতপার্থক্য দেখা দেয়। একপর্যায়ে হযরত আবু বকর বলেন, আমি হযরত রাসূলুল্লাহ ﷺ বলতে শুনেছি, 'আল্লাহ নবীগণকে সেই জায়গাতেই ইন্তিকালের ব্যবস্থা করেন, যেখানে তিনি সমাধিস্থ হতে পছন্দ করেন।' অতএব তোমরা নবী করীম ﷺ-এর বিছানাপত্র উঠিয়ে এবং বিছানার নিচেই তাঁর জন্য সমাধি তৈরি কর।
হযরত আলী ইবনে আবু তালিব, হযরত আব্বাস, তাঁর দু'পুত্র হযরত ফযল (ইবনে আব্বাস) ও হযরত কুসাম (ইবনে আব্বাস) প্রমুখ নবী করীম ﷺ-এর কবরে অবতরণ করেন। আর হযরত রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর খিদমতে শেষ পর্যন্ত যিনি ছিলেন তিনি হলেন হযরত কুসাম (ইবনে আব্বাস)। কেননা তিনিই নবী করীম ﷺ-এর রওযা থেকে সর্বশেষে ওঠে এসেছেন।
হযরত রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে কবরে রাখার সময় হযরত শুকরান একটি চাদর বিছিয়ে দেন, এটি একটি লাল নজরানি চাদর যা খায়বার যুদ্ধের দিন তাঁর হস্তগত হয়েছিল। হযরত রাসূলুল্লাহ এটি পরতেন এবং বিছানায় ব্যবহার করতেন। অতঃপর চাদরখানি তিনি নবী করীম ﷺ-এর (রওযার) তলায় বিছিয়ে দেন আর এটিও নবী করীম ﷺ-এর সাথে রওযায় দাফন করে দেন। আর নবী করীম ﷺ-এর রওযায় কিছু ইঁট লাগানো হয়েছিল। বলা হয় যে, ৯টি ইঁট ছিল।
এরপর যথারীতি নবী করীম ﷺ-এর কবরে মাটি ফেলা হয়। আর নবী করীম ﷺ-এর রওযা (মাটির সাথে) সমান করে দেওয়া হয়। হযরত জাবির ইবনে (আবদুল্লাহ) থেকে বর্ণিত, নবী করীম ﷺ-এর কবরে যিনি পানি ঢেলেছিলেন তিনি হলেন হযরত বিলাল ইবনে রাবাহ, তিনি এক মশক পানি নিয়ে নবী করীম ﷺ-এর মাথার দিক থেকে (ঢালা) শুরু করে পায়ের দিক পর্যন্ত গিয়ে শেষ করেন।
হযরত সুফিয়ান ইবনুত তামার থেকে বর্ণিত, তিনি নবী করীম ﷺ-এর রওযা উটের পিঠের মতো দেখেছেন। হযরত আয়িশা কাসিম ইবনে মুহাম্মদের জন্য নবী করীম-এর রওযা ও তাঁর দু'সঙ্গী (হযরত আবু বকর ও হযরত ওমর ইবনুল খাত্তাব); এই তিন জনের রওযা খুলে দেন। যা বেশি উঁচুও ছিল না, আবার নিচুও ছিল না। আর এগুলোর ওপর ময়দানের লাল কাঁকর ছড়ানো ছিল। নবী করীম ﷺ-এর রওযা মাটি থেকে এক বিঘতের মতো উঁচু ছিল।
টিকাঃ
১. আল-বায়হাকী, দালায়িলুন নুবুওয়াত, খ. ৭, পৃ. ২৫২, হাদীস: ৩২১৭
২. (ক) আত-তিরমিযী, আল-জামি'উল কবীর, খ. ৩, পৃ. ৩২৯, হাদীস: ১০১৮; (খ) আহমদ ইবনে হাম্বল, আল-মুসনদ, খ. ১, পৃ. ২০৬, হাদীসঃ ২৭
৩. আল-বায়হাকী, দালায়িলুন নুবুওয়াত, খ. ৭, পৃ. ২৫৪, হাদীস: ৩২২১
৪. আস-সনদী, কিফায়াতুল হাজা, খ. ১, পৃ. ৪৯৭, হাদীস: ১৬২৮
৫. (ক) আবু দাউদ, আস-সুনান, খ. ৩, পৃ. ২১৫, হাদীস: ৩২২০; (খ) আল-হাকিম, আল-মুসতাদরাক, খ. ১, পৃ. ৫২৪, হাদীস: ১৩৬৮
৬. মুসলিম, আস-সহীহ, খ. ২, পৃ. ৬৬৬, হাদীস: ৯২ (১৬৮), হযরত সুমামা ইবনে সুফাইয়া থেকে বর্ণিত
📄 নবী করীম (সাঃ)-এর দাফনের সময়ের আলোচনা
নবী করীম ﷺ-এর দাফন নিয়েও মতানৈক্য রয়েছে।
রওয়ায় বর্ণিত হয়েছে হযরত আয়িশা রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহা থেকে, তিনি বলেন, হযরত রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে দাফন বিষয়ে আমাদের কিছুই জানাই ছিলো না। পরিশেষে মঙ্গলবার ভোরে খুন্তি দিয়ে মাটি খোঁড়ার আওয়াজ শুনতে পেলাম।[1]
আর আল-মুওয়াত্তা গ্রন্থে এসেছে, ইমাম মালিক (ইবনে আনাস) জানতে পেরেছেন যে, নবী করীম ﷺ ইন্তিকাল করেছেন সোমবারে, আর তাঁকে দাফন করা হয়েছে মঙ্গলবারে।[2]
ইমাম আত-তিরমিযী-এর বর্ণনা মতে, যে-মাটিতে তিনি ইন্তিকাল করেন সেই মাটিতে তাঁকে রাতে দাফন করা হয়।[3]
ইমাম মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হযরত রাসূলুল্লাহ ﷺ সোমবার বিদায় নেন, সেদিন ও মঙ্গলবার পর্যন্ত তিনি ওই অবস্থায় ছিলেন। এর পরের রাত অর্থাৎ বুধবার তাঁকে দাফন করা হয়।[4]
কেউ কেউ বলেছেন, মঙ্গলবারে সূর্যাস্তের পর তাঁকে দাফন করা হয়। ইমাম আশ-শাআবী-এর কিফায়া গ্রন্থে আছে, মঙ্গলবার তাঁরা নবী করীম ﷺ-এর নামাযে জানাযা আদায় করেন এবং এরপর তাঁকে দাফন করা হয়।[5]
যদি আপনি জানতে চান, নবী করীম ﷺ-এর দাফনে বিলম্ব করা হলো কেন? অথচ নবী করীম ﷺ তাঁর পরিবার যাঁরা তাঁদের কোন মৃতব্যক্তি দাফনে বিলম্ব করছিলেন তাঁদেরকে বলেছিলেন যে, তোমরা তোমাদের মৃতদেহ দ্রুত দাফন কর, বিলম্ব করো না।
এর জবাব হচ্ছে, উল্লিখিত হয়েছে যে, নবী করীম ﷺ-এর ইন্তিকাল নিয়ে সাহাবাগণের ঐক্যমতে না পৌছুতে পারা এবং তাঁর দাফনের স্থান নিয়ে তাঁদের মতপার্থক্য এর অন্যতম কারণ। অথবা খিলাফতের নেতা মনোনয়ন নিয়ে মুহাজির ও আনসারদের মধ্যকার মতভেদ নিরসনে তাঁরা প্রয়াসী ছিলেন। যা ইসলামের একটি অতিগুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অতঃপর তাঁরা হযরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু-এর হাতে বায়আত নেন। এরপর সবাই সমবেতভাবে দ্বিতীয়বার বায়আত নেন। এরপর তাঁরা নবী করীম ﷺ-এর দিকে মনোযোগ দেন এবং তাঁর দাফনের কাজে লেগে যান। পর্যায়ক্রমে তাঁরা নবী করীম ﷺ-এর গোসল, কাফন ও দাফনের কাজ সম্পন্ন করেন। আল্লাহ সর্বাধিক পরিজ্ঞাত।[6]
ইমাম আদ-দারিমী-এর বর্ণনায় এসেছে হযরত আনাস (ইবনে মালিক) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যেদিন হযরত রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাদের (মদীনায়) আগমন করেন সেদিনটির চেয়ে সুন্দর ও রৌদ্রোজ্জ্বল দিন দ্বিতীয়টি আমি দেখিনি। আর যেদিন হযরত রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাদের ছেড়ে বিদায় নেন সেই দিনটার মতো গুমোট ও ধোঁয়াশাচ্ছন্ন দিন দ্বিতীয়টা আমি দেখিনি।[7]
ইমাম আত-তিরমিযী-এর বর্ণনায় এসেছে, তিনি বলেন, যেদিন হযরত রাসূলুল্লাহ ﷺ মদীনাতে আগমন করেন সবকিছু ছিলো ঝলমলে। আর যেদিন তিনি প্রভুর ডাকে সাড়া দেন সেদিন সবকিছুই ছিল শোকাচ্ছন্ন। আমরা দাফনের কাজ সম্পন্ন করে হাতের মাটি এখনো ঝেড়ে নেইনি, ইত্যবসরে আমাদের মানসিক পরিবর্তন দৃশ্যমান হয়ে উঠে।[8]
টিকাঃ
[1] ইবনে সা'দ, প্রাগুক্ত, খ. ২, পৃ. ২৬৫, হাদীস: ২৪১৯
[2] মালিক ইবনে আনাস, আল-মুওয়াত্তা, খ. ১, পৃ. ৩৮৩, হাদীস: ১৭২
[3] আদ-দিয়ার বকরী, প্রাগুক্ত, খ. ২, পৃ. ১৭২
[4] (ক) আদ-দিয়ার বকরী, প্রাগুক্ত, খ. ২, পৃ. ১৭২; (খ) আত-তিরমিযী, আশ-শামায়িল, পৃ. ৩৫, হাদীস: ৩৯৫
[5] ইবনে সা'দ, প্রাগুক্ত, খ. ২, পৃ. ২৬৫, হাদীস: ২৪২১ ও ২৪২২; (খ) আদ-দিয়ার বকরী, প্রাগুক্ত, খ. ২, পৃ. ১৭২
[6] আল-কাস্তাল্লানী, প্রাগুক্ত, খ. ৩, পৃ. ৫৮৫-৫৮৬
[7] আদ-দারিমী, আস-সুনান, খ. ১, পৃ. ২২৩, হাদীস: ৮৯
[8] আত-তিরমিযী, আল-জামি'উল কবীর, খ. ৫, পৃ. ৫৮৮-৫৮৯, হাদীস: ৩৬১৮